Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

ৰ

শ্রী প্রভাতরঞ্জন সরকার

(১৫) ‘ৰল্‌’ ধাতুর অর্থ ৰেঁচে থাকা, শক্তি সঞ্চয় করা৷ ‘ৰল্‌’ ধাতুর উত্তর ‘ণিনি’ প্রত্যয় করে পাই ‘ৰলী’---ভাবারূঢ়ার্থে ‘যার ৰল আছে’, যোগারূঢ়ার্থে ‘দৈত্যরাজ মহাৰলী’---পৌরাণিক ইতিহাসে যিনি অতিশয় দাতারূপে চিহ্ণিত ৰলা হয়ে থাকে ঃ

‘‘অতিদর্পে* হতা লঙ্কা অতি মানে চ কৌরবাঃ৷

অতি দানে ৰলীর্ৰদ্ধঃ অতি সর্বথা বর্জয়েৎ৷৷’’

অতিরিক্ত অহংকারের জন্যে লঙ্কার পতন হয়েছিল৷ অতিরিক্ত সম্মানৰোধের জন্যে কৌরবেরা ধবংস হয়েছিল৷ অতিরিক্ত দানে দৈত্যরাজ ৰলীকে পাতালে যেতে হয়েছিল৷ অতিরিক্ত সবকিছুকে বর্জন করে চলৰে৷ অতিশয় সবকিছু নিন্দার যোগ্য৷

পৌরাণিক গল্পে যাই থাকুক না কেন, ‘ৰল ধাতু+ ‘ড’ প্রত্যয় করে যে ‘ৰ’ শব্দ পাচ্ছি তার একটি যোগারূঢ়ার্থ হ’ল দৈত্যরাজ ৰলী৷ এই সেই ৰলী রাজা যিনি মহাৰলী নামে সমধিক পরিচিত৷ ভারতের দক্ষিণ প্রত্যন্তের কেরল অঞ্চলে আজও যাঁর প্রচণ্ড প্রসিদ্ধি সেই ৰলী রাজার নামের সঙ্গে বিষ্ণু বা নারায়ণের নামটাও অচ্ছেদ্যভাবে রয়ে গেছে৷ নারায়ণ শক্তিৰলে নয়, ৰুদ্ধিৰলে ৰলী রাজাকে পরাজিত করেছিলেন৷

(১৬) ৰুদ্ধিৰল সর্বশেষ্ঠ ইত্যর্থে ‘ৰল ধাতু+ ‘ড’ প্রত্যয় করে যে ‘ৰ’ শব্দ পাচ্ছি তার মানে ‘বিষ্ণু’৷

(১৭) ‘বল ধাতুর একটি অর্থ হ’ল ৰাঁচা, বা থাকা বা বেঁচে থাকা৷ বিশ্বের কোনকিছুই চিরকাল বেঁচে থাকে না৷ সবাইকেই রূপ-ভেদের ভেতর দিয়ে চলতে হয়৷ এই চলাতেই নিহিত রয়েছে আস্তিত্বিক ৰোধচেতনা৷ চিরকালের জন্যে থেকে যান অর্থাৎ যিনি ছিলেন, আছেন ও থাকবেন এমন সত্তা কেবল পরমপুরুষ তাই থাকা বা ৰাঁচা অর্থে ‘ৰল্‌’ ধাতু+ ‘ড’ প্রত্যয় করে যে ‘ৰ’ শব্দ পাচ্ছি তার মানে ‘পরমপুরুষ’৷

(১৮) একটু আগেই ৰললুম, ‘ৰ’ শব্দের মানে কেবল যে শারীরিক বলে ৰলী তাই নয়, মানসিক ৰল বা আত্মিক ৰলে ৰলীর জন্যেও ‘ৰ’ শব্দ সমভাবে প্রযোজ্য৷ তাই শারীরিক বল প্রয়োগ করার বৃত্তিকে যেমন ‘ৰ’ বলা হয় তেমনি মানসিক ও আত্মিক বল প্রয়োগ করার বৃত্তিকেও ‘ব’ বলা হয়৷ তাই ‘বল্‌’+ ‘ড’ প্রত্যয় করে যে ‘ৰ’ শব্দ পাচ্ছি তার অন্যতম অর্থ হচ্ছে চাপ সৃষ্টি করা---কোন ব্যাপারে উদ্দেশ্যসিদ্ধির জন্যে পরিবেশগত চাপ সৃষ্টি করা বা সেই পরিকল্পনামত কাজ করে যাওয়া৷

কেউ কেউ ভেবে থাকেন, কালি-ভূষো লাগাবার নামই ৰোধ হয় ‘ৰ’৷ কথাটা আংশিকভাবে সত্যি৷ যেক্ষেত্রে চাপ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে কালি-ভূষো লাগানো হচ্ছে, সেক্ষেত্রে কালি-ভূষো লাগানোকে ‘ৰ’ ৰললেও বলা যেতে পারে৷ তাহলে ‘ৰল্‌’ ধাতু+‘ড’= ‘ৰ’-এর মানে হচ্ছে উদ্দেশ্য সিদ্ধির জন্যে বিভিন্ন ধরনের চাপ সৃষ্টি করা৷                   (শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকারের লঘুনিরক্ত থেকে সংগৃহীত)

 

Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved