১৯৮৫ সালের ১৫ই মার্চ আনন্দমার্গ দর্শনের প্রবর্তক ও আনন্দমার্গ প্রচারক সংঘের প্রতিষ্ঠাতা শ্রীশ্রীআনন্দমূর্ত্তিজী হাওড়ার রামরাজাতলায় পদার্পণ করেছিলেন৷ সেখানে শংকর মঠেমার্গী ভাইবোনদের সামনে প্রবচন দিয়েছিলেন ‘প্রকৃত গুরু কে’৷ প্রতিবছর ১৫ই মার্চ হাওড়া রামরাজাতলা ইউনিটের পক্ষ থেকে এই দিনটি মার্গ গুরুর পদার্পণ দিবস হিসেবে পালিত হয়৷ এই দিন শংকরমঠ থেকে মার্গী ভাই-বোনদের একটি সুসজ্জিত শোভাযাত্রা শুরু করে রামরাজাতলা ইউনিটে পৌঁছায়৷ ওখানে তিন ঘন্টা অখণ্ড বাবানাম কেবলম কীর্তন অনুষ্ঠিত হয়৷ বাবার শুভ পদার্পণ দিবস উদযাপন উপলক্ষে প্রভাত সঙ্গীত ও কীর্তনে অংশ গ্রহণ করেন সুপ্রিয়া ভৌমিক, শঙ্কর সরকার, গুনাতিতা দত্ত, শুভ্রা ভৌমিক প্রমুখ৷ মিলিত সাধনার পর সাধ্যায় পাঠ করেন ভূক্তি প্রধান ভারতী কুন্ডু৷ স্বাধ্যায়ের বিষয় ছিল ১৯৮৫ সালের ১৫ ই মার্চ বাবা শঙ্করমঠে যে প্রবচন দিয়ে ছিলেন ‘প্রকৃত গুরু কে’৷
রামরাজাতলা ইউনিটের পক্ষ থেকে তপন ভৌমিক, সুপ্রিয়া ভৌমিক ভক্তবৃন্দের জন্য সুস্বাদু নিরামিষ আহারের ব্যবস্থা করে ছিলেন৷ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন অমিয় পাত্র৷ অনুষ্ঠান শেষে সন্ধ্যায় সুন্দর প্রভাত সঙ্গীত অবলম্বনে সঙ্গীত, নৃত্য ও নাটক মঞ্চস্থ হয় পরিচালনায় ছিলেন সুপ্রিয়া ভৌমিক ও শুভ্রা ভৌমিক ও তপন ভৌমিক৷ উপস্থিত ছিলেন সুব্রত সাহা, বিজলী মন্ডল, শ্যামাপদ মন্ডল, অজিত পাত্র, অশোকাদি,গোপাদি, প্রশান্তদা, সুশান্ত শীল গৌতম দত্ত , অবধূতিকা আনন্দ ঋতুবুদ্ধা আচার্যা ও মহাব্রত ব্রহ্মচারী সহ অন্যান্য মার্গী ভাই বোন, প্রতিবেশীরা ও কলাকূশলীবৃন্দ ও আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ৷