Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে

আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী মুখে বলছেন, সবাইকে সঙ্গে নিয়ে সবার উন্নয়নই তাঁর তথা তাঁর পার্টির লক্ষ্য৷ এই শ্লোগান দিয়েই তিনি ক্ষমতায় এসেছেন৷  জনগণ তাঁর কথার ওপর বিশ্বাস স্থাপন করেন৷ তাঁর বিরুদ্ধে যে সাম্প্রদায়িকতার অভিযোগ ছিল জনগণ সেই অতীতের ঘটনাকে আমল দেননি৷

ক্ষমতায় এসে প্রথম প্রথম তিনি তাঁর দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুসারে কাজ করেছিলেন৷ কিন্তু গত কয়েকটি রাজ্যের নির্র্বচনে তাঁর দলের অভূতপূর্ব সাফল্য দেখে এখন ঝুলি থেকে বেড়াল বার করছে৷ বিশেষ করে পেছন থেকে আর এস এস তার কাজ পুরোদমে শুরু করে দিয়েছে৷ আর এস এস-এর ঘোষিত নীতিই হল হিন্দুরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠা৷ অর্র্থৎ এদেশে মুসলীম বা অন্যান্য সংখ্যালঘুদের মৌলিক অধিকারকে তাঁরা আমল দিতে চান না৷

তাই বিভিন্ন সময়ে মাংস ভক্ষণ নিয়ে বা গবাদি পশুর কেনা বেচা নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার নোতুন নোতুন আইন পাশ করছেন ও দেশে স্বাভাবিক ভাবে অশান্তির সৃষ্টি করছেন অর্থনৈতিক ব্যর্থতা ঢাকা দিতে৷ ধীরে ধীরে সাম্প্রদায়িক অসন্তোষ পুঞ্জীভূত হচ্ছে৷ হঠাৎ যদি এই পুঞ্জীভূত বারুদস্তুপ বিস্ফোরণের  রূপ নেয় তাহলে দেশ জুড়ে বহু রক্তপাত হবে৷ সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার অভিজ্ঞতা দেশবাসীর  আছে৷ স্বাধীনতার অব্যহিত পূর্বে এমনি সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় দু’দেশের মাটি রক্তে লাল হয়ে গিয়েছিল৷ এই দাঙ্গায় কেবল যে সাম্প্রদায়িক মনোভাবপন্ন মানুষ হতাহত হন তা নয়, বরং বেশিরভাগ নিরীহ শান্তিপ্রিয় মানুষ এই দাঙ্গার শিকার হন৷

এই ধরণের সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ দেশের উন্নয়নের পক্ষে চরম বাধা৷ দেশের সার্বিক উন্নয়নের জন্যে চাই ঐক্য ও সুবুদ্ধি৷  এছাড়া কখনই উন্নয়ন সম্ভব নয়৷

তাই মোদী সরকার যদি সত্যই দেশের উন্নতি চান অবিলম্বে যে সমস্ত কর্মসূচী সাম্প্রদায়িক বিভেদ সৃষ্টি করে, সে কর্মসূচী পরিত্যাগ করুন৷ দেশের যথার্থ উন্নতির জন্যে, দেশের ঐক্যের জন্যেও,দেশের জাত-পাত সম্প্রদায় নির্বিশেষে যারা দরিদ্র তারা অর্থনৈতিক ভাবে পিছিয়ে পড়ে রয়েছেন তাদের উন্নতির জন্যে পরিকল্পনা নিন৷ এতে দরিদ্র হিন্দু, মুসলীম, খ্রীষ্টান, জৈন--- যে মানুষ হোক না কেন তারা উপকৃত হবেন৷

হিন্দু ধর্মমতের তথাকথিত ব্রাহ্মণ গোষ্ঠীর মধ্যেও এমন অনেকে আছেন তাঁরা অতি দরিদ্র, তথাকথিত হরিজন ও আদি সম্প্রদায়ের মধ্যে তো ব্যপক ভাবেই দারিদ্র রয়েছেন৷  আবার এই তথাকথিত হরিজন বা আদিবাসী সম্প্রদায়ের  মানুষের মধ্যেও কিছু অবস্থাপন্ন বা ধনী ব্যষ্টি আছেন৷ তাই জাত-পাত সম্প্রদায় ধরে উন্নয়ন বা ‘সংরক্ষণ’ নীতিও  অনৈতিক৷ দরিদ্র মানুষের মধ্যে যে ব্যবস্থা নেওয়া  হবে, সেই সুবিধা যেন সমস্ত সম্প্রদায়ের সমস্ত গোষ্ঠীর মানুষের কাছে পৌঁছায়৷

দেশের যেকোন যথার্থ কল্যাণকামী সরকারের লক্ষ্য হওয়া উচিত, দেশের প্রতিটি মানুষের ক্রয়ে ক্ষমতা অর্জন৷  অর্র্থৎ দেশের প্রতিটি মানুষের কর্ম সংস্থানের ব্যবস্থা করা৷ সরকার তো দেশের কর্মসংস্থানের জন্যে মুখ্যত নির্ভর করছেন দেশী ও বিদেশী পুঁজিপতিদের ওপর৷

কিন্তু পুঁজিপতিরা  সর্র্বধিক মুনাফা অর্জনের লক্ষ্যে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমেই কলকারখানা গড়ে তোলেন৷ এইসব শিল্পে অত্যন্ত অল্প মানুষেরই কর্মসংস্থান হয়৷ আর বেশিরভাগ তারাই সুযোগ পায় তাদের প্রযুক্তির জ্ঞান আছে৷

কিন্তু দেশের অর্থনৈতিক ভাবে অত্যন্ত পিছিয়ে পড়া মানুষ--- যাদের কথা আগেই বলেছি--- তাদের মধ্যে শিক্ষিত মানুষ খুবই কম৷ এক্ষেত্রে পুঁজিপতিদের শিল্পে ওই দেশের দরিদ্র মানুষদের কতটুকু উপকার হবে?

তার চেয়ে বরং দেশের সার্বিক উন্নয়নের স্বার্থে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের ওপরই সর্র্বধিক গুরুত্ব দিতে হবে৷ যা নেতারা মোটেই দেন নি ৷ মুখে নিজেদের জনগণের সেবক বললেও কার্যত: তাঁরা পুঁজিপতিদের সেবাতেই সদাব্যস্ত৷

আজ মূলতঃ দারিদ্র্য ও বেকারত্ব বিরোধী সংগ্রাম দিয়েই  সারা দেশের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করতে হবে৷ কোন জাত-পাত সম্প্রদায়ের ভেদ করলে চলবে না৷ বিজেপি এপথে না চললে দেশের ও যেমন বিপদ তেমনি বিজেপি’র চরম বিপদ৷ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীজী এই সত্যকে যথার্থভাবে উপলদ্ধি করে যদি  দলের বা তাঁর গোষ্ঠীর  অনেকেরই মনে যে  নানা ধরণের  ভেদবুদ্ধি বাসা বেঁধে আছে--- তা কঠোর হাতে নিয়ন্ত্রণ না করেন, তাহলে তার পরিণতি ভয়াবহ হতে বাধ্য৷

 

  • Log in to post comments

আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ

দগ্ধৰীজ
শ্রাবণী পূর্ণিমা
পরমপুরুষের বিশ্বরূপ
যজ্ঞ প্রসঙ্গে
ঈশ্বর–প্রণিধানের মানসাধ্যাত্মিক প্রক্রিয়া
আরও

প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়

বাঙলার অর্থনৈতিক উন্নয়ন 
শোষণের বহুবিধ রূপ
মানবিক মৌলনীতি
পাপ, পুণ্য ও অপরাধ
প্রাউটের দৃষ্টিকোন থেকে : ত্রিপুরার উন্নয়ন
আরও

সম্পাদকীয়

পরিযায়ী শ্রমিক সমস্যা কেন্দ্রীত অর্থনীতির বিনাশই সমাধান
শ্রাবণী পূর্ণিমা
সরিবে দুর্নীতিরাজ
পেট্রল ও ডিজেলের ক্রমাগত মূল্যবৃদ্ধি!
সমাজ–সভ্যতা বাঁচাতে চাই আদর্শ শিক্ষা

প্রবন্ধ শিরোনাম

  • দিব্য অনুভূতি
  • আমার বাঙলা
  • গল্প হলেও সত্যি 
  • সমাজ-এর সৃষ্টিই সভ্যতার প্রথম বিকাশে তাই সমাজ রক্ষা করা মানবতাবাদী শাসকের কাজ
  • বিধবস্ত দার্জিলিং---প্রকৃতির প্রতিশোধ
  • একটি ঐতিহাসিক তথ্য
  • ফাঁসীর মঞ্চে গাইলেন যিনি জীবনের জয়গান
  • আমার সন্তান যেন থাকে  দুধে ভাতে

পুরানো মাসিক খবর

  • February 2026 (59)
  • August 2022 (106)
  • July 2022 (93)
  • June 2022 (167)
  • May 2022 (92)
Pagination
  • Page 1
  • Next page ››
আরও আগের খবর
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved