Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

শব্দের জোরে ধবংস হবে ভাইরাস

পি.এন.এ.
Mon, 01-06-2026

ইনফ্লুয়েঞ্জা এ (এইচ১এন১), সার্স-কোভ-২, নিউমোনিয়া ভাইরাসকে গবেষণাগারে শব্দের আঘাতে চূর্ণবিচূর্ণ করার দাবি করেছেন বিজ্ঞানীরা৷ জানিয়েছেন, শব্দতরঙ্গই এ বার হয়ে উঠতে পারে মারণ ভাইরাসের যম৷ উচ্চ কম্পাঙ্কের তরঙ্গ দিয়ে ভাইরাসের বাইরের আবরণী ভেঙে ফেলা সম্ভব৷ গবেষকেরা দেখেছেন, শব্দের জোর যত বেশি হবে, তার অভিঘাতে ভাইরাসের ভিতরে দ্রুত বদল ঘটতে থাকবে৷ ওলটপালট হবে জিনের বিন্যাস৷ ধীরে ধীরে তারা নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়বে৷

শব্দের ধাক্কায় ভাইরাস ধবংস করার এই প্রচেষ্টা বহু দিন থেকেই চলছে৷ ঠিক যে ভাবে চিকিৎসার কাজে আলট্রাসাউন্ডকে কাজে লাগানো হয়, সে ভাবেই শব্দতরঙ্গ পাঠানো হবে শরীরের ভিতরে৷ এতে শুধু ভাইরাসগুলিই নষ্ট হবে, আশপাশের সুস্থ কোষের কোনও ক্ষতি হবে না৷

শব্দ ছুড়ে ভাইরাসকে কী ভাবে জব্দ করা যাবে, তার একটি উপায় পেয়েছেন গবেষকেরা৷ সেটিকে বলা হয় অ্যাকুস্টিক রেজোন্যান্স৷ প্রতিটি জীব বা জড়বস্তুর নিজস্ব স্বাভাবিক কম্পাঙ্ক থাকে৷ যদি সেই কম্পাঙ্কের সমান কম্পাঙ্ক বিশিষ্ট শব্দতরঙ্গ দিয়ে তাদের আঘাত করা হয়, তা হলে সেই জীব বা জড়ের মধ্যে কম্পন তৈরি হবে৷ ধীরে ধীরে সে কম্পন বাড়তে থাকবে৷ একেই বলে অ্যাকুস্টিক রেজোন্যান্স৷

ভাইরাসের ক্ষেত্রে যেমন করোনা বা ইনফ্লুয়েঞ্জার যে কোনও উপরূপ, তাদের একটি আবরণী থাকে, যা সুরক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করে৷ বিজ্ঞানীরা আলট্রাসাউন্ড ব্যবহার করে এমন একটি কম্পাঙ্ক তৈরি করেন, যা ঠিক ওই ভাইরাসের আবরণের স্বাভাবিক কম্পাঙ্কের সঙ্গে মিলে যায়৷ ফলে ভাইরাসের আবরণটি তীব্র ভাবে কাঁপতে শুরু করে এবং এক সময় সহ্যক্ষমতার বাইরে গিয়ে ফেটে যায়৷

গবেষকেরা জানাচ্ছেন, ভাইরাসে যদি মিউটেশন বা রাসায়নিক বদল ঘটে, তা হলে শব্দতরঙ্গ দিয়ে তাকে ধবংস করা সম্ভব৷ কারণ সে ক্ষেত্রে ভাইরাসের জিনের বিন্যাস বদলে গেলেও তাদের আকারে বদল হয় না৷ ফলে সহজেই তাদের শব্দের আঘাতে কাবু করা সম্ভব৷

 

 

Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved