আজ পৃথিবীর ভণ্ড সাম্প্রদায়িক ও ধনতন্ত্রের পূজারী শাসক দল-এর নেতারা শান্তির প্রতিষ্ঠার পরিবর্ত্তে ভক্ষক হিসাবে ধবংস করেই চলেছে! তারা আবার শান্তি শান্তি করে দারুণভাবে মিথ্যা প্রচার চালাচ্ছে৷ এটাই হলো বর্তমান মেকি সভ্যতার বড়াই বিশেষ!
শান্তি প্রসঙ্গে মহান দার্শনিক প্রাউট প্রবক্তা শ্রদ্ধেয় প্রভাতরঞ্জন সরকার বলেন---সংগ্রামের ফল হলো শান্তি কিন্ত সেটা কৃষ্ণবর্ণের শান্তি কিছু সময়ের জন্য৷ সেটা সেই শুভ্র শান্তি নয় যেটি দীর্ঘ সময় থাকবে৷ কারণ এটি হলো পরিবর্ত্তনশীলজগ৷ আজকে যে পৃথিবী চলছে সেটি চরম মিথ্যাচারিতার ও ভোগবাদী দলীয় শাসকদের রাজত্ব৷ তাই চরম দুর্নীতি ও শোষণ চলছে সারা পৃথিবীব্যাপী বিশেষ করে সেই সব দেশে যেখানে লোকসংখ্যা বেশী সেই সেথায় গরিবরা মুষ্টিমেয় ধনী ব্যবসাদার ও বুদ্ধিজীবিদের শাসনে চরম শোষিত হচ্ছে৷ যেমন তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ ভারতযুক্তরাষ্ট্র ও প্রতিবেশী ছোট লোকসংখ্যা বহুল বাংলাদেশ এর অস্থায়ী শাসক মি.ইউনুসের শাসককালে যেখানে দীর্ঘদিন হলো কোন সরকার এরই অস্তিত্ব নেই! কারণ ইউনুস নাকি শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারেননি বলে নির্বাচন-এর ব্যবস্থায় অক্ষম৷ তাই তার আরো সময় চাই৷ সেখ হাসিনার শাসনকালে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ বিস্তারে জন্যে প্রধানমন্ত্রী সেখ হাসিনার কাছ থেকে চট্টগ্রামের কাছে সমুদ্রতীতের একটি দ্বীপ বিশেষ দাবী করেন৷ সেটা না দেওয়াতেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট শান্তির দূত ষড়যন্ত্র করে কট্টর মুসলীম গোঁড়াদের মাধ্যমে হিংসাত্মক অশান্তি পাকিয়ে দেশ ছাড়া করে হাসিনাকে৷ সাম্প্রদায়ীক শক্তির মাথা ইউনিসকে ফিরিয়ে এনে অস্থায়ী সরকারের প্রধান করে৷ এদিকে যুদ্ধবাজ ট্রাম্প শান্তির নোবেল পাওয়ার জন্যে উদগ্রীব হয়ে উঠে৷ সেই মিঃ ট্রাম্প রাষ্ট্র সংঘে গিয়ে অতি কুৎসিত ভাষায় বক্তব্য রাখেন!
এই ধরণের রাজনৈতিক দলীয় অভিনেতারা সারা পৃথিবীতে চাষ করে বেড়াচ্ছেন! ঠিক তেমনই বিরাট ভারত ভূখণ্ডে সেই বর্তমান প্রধানমন্ত্রী মোদিজী মিঃ ট্রাম্পেরই দোসর হয়ে ভারতে বাঙালী জনগোষ্ঠীর উপর নির্মম অত্যাচার চালাচ্ছেন৷ তাঁর ডবল ইঞ্জিন সরকার গুলিতে সেই বাঙালী ও বঙ্গভাষা বিদেশি ভাষা বলে মিথ্যা প্রচার করে৷ এটা কোন ধরনের শান্তির বার্র্ত্তবাহক সেই অন্ধ দলতন্ত্রের পৃষ্ঠ পোষকের? এরাই বিশ্বের বর্তমানে ভাগ্যবিধাতা বিশেষ হয়ে নিজেদের জাহির করছেন৷ গাঁয়ে মানে না আপনি মোড়ল হয়ে৷
তিনি বর্তমানে সারা ভারত যুক্তরাষ্ট্রের ২৪০ জন এমপি নিয়ে ও দুটি বিরোধী দলের সাহায্য নিয়ে সরকার গড়ে নতুন একজন প্রধান নির্বাচন কমিশনার মনোনীত করেন যিনি বোটার লিষ্ট সংশোধন সেই ১৮ থেকে ৪০ বছরের বোটারদের মধ্যে খসড়া বোটার লিষ্ট থেকে ৬৫ লক্ষ বোটারদের নাম বাদ দেন বিহারের৷ তার মধ্যে নাকি ৩২ লক্ষ পুরুষ ও ৩৩ লক্ষ মহিলা৷ জনস্বার্থ মামলায় মহামান্য সুপ্রিম কোর্ট এর উপর আলোচনা করে নির্দেশ দেন সেটি বিবেচনা করতে৷ সেই নতুন নির্বাচন কমিশনের একক প্রচেষ্টায় যা করা হয় সেটি সংশোধনের নির্দেশে৷ সেই নিবিড় সংশোধন এস.আই.আর এর লক্ষ্যে৷ যদি সঠিক না হয় তাহলে ঐ নিবিড় সংশোধন পদ্ধতিটাই বাতিল হতে পারে৷ পরে ফাইনাল বোটার লিষ্ট বিহারের নাকি হয়৷ এই সব করাটা কি নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের দেশ সেবা না দল বাজির নোংরা দৃষ্টান্ত! পরে আবার মুখ্য নির্বাচন কমিশন কয়েকটি নোতুন সিদ্ধান্ত ঘোষনা করে বুথে পিছু ১২০০ বোটার থাকবেন তাতে ১০০ শতাংশ ভোট পড়ার ব্যবস্থা হবে৷ এখন প্রশ্ণ দীর্ঘ বছর বোট হচ্ছে কোথাও ১০০ শতাংশ বোট পড়েনি৷ নানা কারণে আর পড়তেও পারে না৷ তিনি আগে থেকেই ঘোষনা কি করে করলেন৷ বোটার কমানো লক্ষ্যটা যদি হয় সেই জটিল পদ্ধতি এই দেশে মুখ্য নির্বাচন একা কি করতে পারেন? বোটার কমানো এই সব চিন্তা যাঁর বা যাঁদের তাঁরা কেমন দেশ সেবক? এটাই নাগরিকদের প্রশ্ণ! তাই সারা পৃথিবীতে শান্তি কি করে আসবে? মোদ্দা কথা হলো এই সব দেশ শাসকগণ চরম অশান্তি পাকিয়ে নানা ছলা কলায় নির্বাচন রূপ প্রহসন ক্ষমতায় চান৷ এটা এক চরম লোকরঞ্জন কারক সেই সাধারণ নির্বাচনের নামে জিতে সেই গদীতে গিয়ে স্বেচ্ছাচারিতা করে জনপ্রতিনিধি নামক জার্সি গায়ে দিয়ে সেই ফ্যাসিজিমের পথ ধরেই তাদের এগিয়ে যাবারই এক ধান্দা কি নয়? তাই নাগরিকগণ সচেতন হোন৷ সুস্থতাভাবে বেঁচে থাকার অধিকার প্রতি মানুষের আছে৷ তাই আগামী নির্বাচনে যাতে প্রকৃত ভালো মানুষ যারা হবে তারা নির্বাচিত হতে পারে সতর্ক থাকুক
- Log in to post comments