Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

ষ্ট্রেস থেকে মুক্তি পাবার উপায়

সংগৃহীত

আমার বয়স চল্লিশ৷ আমার বন্ধু যাঁরা, আমার বয়সী ...আমার মতই যাঁরা সফটওয়ার ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করে তাদের কেউ কেউ প্যান্টের বেল্টের তলায় চেপেচুপেও ভুঁড়ি আটকাতে পারে না... কারো চোখের তলায় কালি... কারো ব্লাড সুগার আর কারো হাই ব্লাড প্রেসার ... সবটাই স্ট্রেস থেকে৷

 ইন্ডাস্ট্রিটাই এমন .... দিনে দশ ঘন্টা প্রেসার কুকারের মধ্যে রাখলে যেকোনো সুস্থ্য মানুষ এরকম হতে বাধ্য৷ 

 সফটওয়ার ইঞ্জিনিয়ারদের কথা বাদ দিন ...এরা অন্য দুনিয়ার মানুষ...তবে আজকাল মোটামুটি সবাই স্ট্রেস নিয়ে আছে ... কিশোর কিশোরী, যুবক যুবতী, বুড়ো বুড়ি ...এমনকি বাচ্চা বাচ্চা ছেলেমেয়েরাও স্ট্রেস নিয়ে আছে৷ পড়াশোনা নিয়ে স্ট্রেস, চাকরি পাওয়া নিয়ে স্ট্রেস .... বিয়ে হলেও স্ট্রেস, না হলেও স্ট্রেস... বুড়ো বয়সে ছেলে মেয়ে দেখছে না সেটা নিয়ে স্ট্রেস৷

 স্ট্রেস খুব বাজে জিনিস ... হাজার রোগ ডেকে আনে৷আপনারা বলবেন স্ট্রেস এড়াবো কীকরে?

 উত্তরটা হচ্ছে স্ট্রেস এড়াতে পারবেন না কারণ ওটা আপনার হাতেই নেই! তাহলে হাতে কোনটা আছে? স্ট্রেস রিলিজ করা! কীভাবে করবেন বলছি ...তবে স্ট্রেস জিনিসটা কী আগে বুঝুন৷

 স্ট্রেস আসলে কয়েকটা হরমোন! বেরোয় কোথা থেকে .... আদ্রেনাল গ্ল্যান্ডস থেকে ... করটিসল, আদ্রেনালীন, ভ্যাসপ্রেসিন এরকম কিছু কেমিক্যাল৷

 কখন বের হয়? যখন আপনার ব্রেন কোনো বিপদ সেন্স করে৷ এগুলোর কাজ ব্রেন থেকে ব্লাড হাতে পায়ে পুশ করা যাতে আপনি দৌড়াতে বা লড়াই করতে পারেন ....

 লড়াই করার সময় বা দৌড়ানোর সময় ব্রেনের কাজ তেমন থাকে না ...হাত পা এর অনেকটা কাজ থাকে...আর বাকিটা রিফ্লেক্স একশন যেটাতে ব্রেনকে ক্রিটিকাল থিংকিং করতে হয় না৷ নিউরাল হাইওয়ে দিয়ে ব্রেন সিগন্যাল একদম বন্দে ভারত এর মতো ছোটে আর আগে যে ট্রেনিং ডেটা দিয়ে এই নিউরাল হাইওয়ে গুলো তৈরি হয়েছে সেই ট্রেনিং ডেটাতে যে একশনগুলো ছিলো সেটাই আপনি রিপিট করেন ...যন্ত্রের মতো৷

 আগেকার দিনে মানুষ যখন শিকার করে খেতো, তখনও কিন্তু এই হরমোনগুলো রিলিজ হতো, কিন্তু অন্যরকম ভাবে হতো৷....ধরুন আপনি আদিম মানুষ ...শিকার করতে বেড়িয়েছেন ... দুম করে সামনে একটা বাঘ চলে এলো! আপনার হাতে অপসন দুটো ... লড়াই করা বা ছুটে পালানো৷Fight or Flight Response লড়াই করতে গিয়ে বাঘের পেটে চলে গেলেন ... স্ট্রেস ভ্যানিশ৷ ছুটে পালালেন ... বিপদ কেটে যেতেই হাত পা থেকে রক্ত আবার ব্রেনে চলে এলো ... স্ট্রেস ভ্যানিশ৷ বিপদ আসতেই ব্রেন আদ্রেনাল গ্ল্যান্ডস গুলোতে সিগন্যাল পাঠালো ’লে ভাই ...হরমোন ছাড় নাহলে অক্কা পাবি’ ... গ্ল্যান্ড থেকে হরমোন গুলো বেরোলো ..ওগুলো ব্রেন থেকে ব্লাড সব হাতে পায়ে পাঠিয়ে দিলো ... এবার আপনি লড়াই করুন বা ছুটে পালান আপনার ডিসিশন৷

 সমস্যাটা হচ্ছে আধুনিক মানুষের Fight or Flight Response টাই হারিয়ে যেতে বসেছে৷ আধুনিক মানুষের বিপদ মানে ডেডলাইন! প্রজেক্ট জমা দেওয়ার ডেডলাইন .... বিয়ে করার ডেডলাইন ... চাকরি পাওয়ার ডেডলাইন ... পরীক্ষার ডেডলাইন ... এই বিপদ থেকে ছুটে কোথায় পালাবেন? বা শারীরিক ভাবে কীভাবে যুদ্ধ করবেন? বিপদের নেচারটাই যে ফিজিক্যাল না ... মেন্টাল৷

 এই বিপদ নিয়ে মানুষকে দিনের পর দিন কাটাতে হয়৷ স্ট্রেস হরমোন হুস করে বেরোলো আবার এক ঘণ্টার মধ্যে নরমাল হয়ে গেলো ... আধুনিক মানুষের বিপদ কিন্তু সেরকম না৷ এখানে একটু একটু করে সারাদিন আপনার রক্তে স্ট্রেস হরমোন মিশছে... রক্তে স্ট্রেস হরমোন থাকলে আপনার ব্রেনে রক্তের ঘাটতি হবে ...রক্তের মধ্যে থাকে অক্সিজেন...রক্ত কম মানে অক্সিজেন কম ... যেকোনো কোষ সুস্থ থাকতে গেলে তার অক্সিজেন এর যোগান চাই৷ 

 ব্রেনে যতো রক্ত চলাচল কম তত আপনি ক্লান্ত বোধ করবেন ... চিন্তা ভাবনার মধ্যে ক্ল্যারিটি আসবে না... আপনার চিন্তা ভাবনার মধ্যে একটা সার্কুলার প্যাটার্ন চলে আসবে মানে একই জিনিস একই ভাবে সারাদিন ভাবতে থাকবেন৷

 নিজের সাথে মিল খুঁজুন ...এইগুলোর কোনো একটার সাথে নিজের মিল খুঁজে পেলে আপনি স্ট্রেস নিয়ে আছেন৷ একশো জন এই পোস্টটা পড়লে নববই জন মিল খুঁজে পাবেন৷

 অনেকটা সহজ ভাষায় বললাম বলে হালকা ভাবে নেবেন না, এটাই কিন্তু বিজ্ঞান! আর সহজ ভাবে বোঝানোর জন্য দক্ষতা লাগে ....শক্ত করে বোঝাতে তো সবাই পারে৷ সারাংশ তাহলে এটা --গ্গ বিপদ এলে হয় যুদ্ধ করুন বা দৌড়ে পালান...দুটোর কোনোটাই করতে না পারলে আপনার ব্রেনে রক্ত চলাচল কম হবে আর আপনি মানসিকভাবে ক্লান্ত হয়ে যাবেন৷ এটাকেই স্ট্রেস বলে৷ যেকোনো জিনিস একটু খুঁটিয়ে জানলে সুবিধা হচ্ছে কীকরে ডিল করবেন সেটা নিজেরাই বুঝতে পারবেন৷ 

 তাহলে স্ট্রেস হলে কী করবেন? বসে থাকবেন না৷ হেঁটে আসুন বা দৌড়ে আসুন ... মানে হাত পা চালান৷ এক্সারসাইজ করুন৷ যতো হাত পা চালাবেন রক্তে স্ট্রেস হরমোন ধীরে ধীরে কমবে৷ 

 একটা খুব ভালো উপায় বলছি ...স্ট্রেস হলে ঘর পরিষ্কার করুন৷ ঝাটা দিয়ে বিছানা ঝাড়ার সময় সপাং সপাং করে ঝারুন ...দেখবেন আরাম পাবেন৷ ইনফ্যাক্ট অনেককেই এটা করতে দেখেছি৷ বউ আপনার সাথে ঝগড়া করে আওয়াজ করে দরজা বন্ধ করছে বা রান্না ঘরে বাসন কোষন দুম দাম ঠুক ঠাক করতে শুনলে রেগে যাবেন না বরং খুশি হন৷ কারণ এটা ন্যাচারাল ওয়ে ... এটা করলে আপনার বউ এর স্ট্রেস রিলিফ হবে৷ বা ভেউ ভেউ করে কাঁদলে কাঁদতে দিন ... যতো কাঁদবে ততো স্ট্রেস রিলিফ হবে৷ 

 চুপচাপ বিছানায় মুখ গুজে পড়ে থাকলেই বিপদ! এরপর আসে কিছু যোগিক প্র্যাকটিস৷ যেগুলো ইনস্ট্যান্ট স্ট্রেস রিলিফ করে৷ যেখানে চিৎকার করতে পারবেন না বা দৌড়ে পালাতে পারবেন না, সেই জায়গায় এগুলোকে কাজে লাগাতে পারেন৷

 যেমন ধরুন, চাকরির ইন্টারভিউ এর জন্য বসে আছেন ... যেকোনো মুহূর্তে আপনার ডাক পড়তে পারে .... আপনার রক্ত স্ট্রেস হরমোনে ভরে গেছে...স্বভাবতই মাথা ফাঁকা ফাঁকা লাগছে ... মাথা কাজ করছে না৷ 

 বা ধরুন এক্সাম হলে বসে আছেন, কিছু সময় বাদেই পেপার দেবে ...পেপার ঠিকঠাক হবে তো, সব জানা প্রশ্ণ আসবে তো এসব সাতপাঁচ ভাবতে ভাবতে গুচ্ছের স্ট্রেস হরমোন বের করে ফেলেছেন ... এইসব জায়গায় এবার যেটা বলছি এপ্লাই করুন৷ দশ মিনিটের মধ্যে নিজেকে সামলে উঠতে পারবেন৷ সামলে উঠলেই কিন্তু পরীক্ষাটা অনেক ভালো হবে বা ইন্টারভিউ টা অনেক ভালোভাবে দিতে পারবেন৷

 Deep Conscious Breathing প্র্যাকটিস৷ খুব সহজ একটা জিনিস কিন্তু অন্তর দশ মিনিট করতে হবে৷ গভীর ভাবে শ্বাস নিন আর শ্বাস নিতে যতোটা সময় নিচ্ছেন তার থেকে বেশি সময় ধরে শ্বাস ছাড়ুন৷ শ্বাস নেওয়ার সময় কীভাবে বাতাস আপনার ফুসফুসে ঢুকছে সেটা খেয়াল করার চেষ্টা করুন আবার যখন শ্বাস ছাড়ছেন কীভাবে বাতাস আপনার ফুসফুস থেকে বাইরে বেরোচ্ছে সেটা খেয়াল করুন৷প্র্যাকটিসটা খুব খুব সহজ ...কিন্তু লোকজন সঠিক সময়ে করলে তবে না!

 দশটা মিনিট করে দেখুন, অনেকটা উপকার পাবেন৷Deep Conscious Breathing অন্তরালে কেনো স্ট্রেস রিলিফ হয় তার একটা ব্যাখ্যা আছে৷ সাইকোলজিক্যাল এক্সপ্ল্যানেশন...তবে সেটা বলতে গেলে অনেক কিছু বলতে হয়৷ বেটার একবার করে দেখুন, উপকার পেলেই আবার করবেন৷

 এই দুটো ট্রিক করলেই দেখবেন রোজকার স্ট্রেস আপনি হ্যান্ডেল করে নিতে পারছেন ১) আধ ঘন্টা হাঁটা বা দৌড়ানো বা যেকোনো ফিজিক্যাল এক্সারসাইজ আর ২) হঠাৎ স্ট্রেস এলেDeep Conscious Breathing. কিন্তু.... আজ থেকে পাঁচ হাজার বছর আগে এক ঋষি এই স্ট্রেস এর এক মোক্ষম অস্ত্র আমাদের দিয়ে গিয়েছেন৷ ঋষির নাম পতঞ্জলি... আর অস্ত্রটার নাম ‘যোগনিদ্রা’৷

 যদিও এর উদ্দেশ্য অন্য ....কিন্তু দীর্ঘদিন স্ট্রেসের মধ্যে থাকা কাউকে যদি ইনস্ট্যান্ট আধ ঘণ্টার মধ্যে স্ট্রেস থেকে মুক্তি দিতে চান এর থেকে ভালো ওষুধ আর কিছু নেই৷

 ছবিতে ভগবান বিষ্ণু যে অবস্থায় আছেন সেটাকে যোগনিদ্রা বলে ...অনেকেই হয়তো শুনেছেন ...কিন্তু কোনোদিন ভেবে দেখেননি যে এই প্র্যাকটিস আপনিও করতে পারেন৷

 প্রথমেই বলে রাখি যোগনিদ্রা কিন্তু কোনো রিলিজিয়াস জিনিস না বা কোনো ধর্মের ব্যাপার না৷ তাই আপনি যেকোনো ধর্মের মানুষ হন না কেনো বা নাস্তিক হলেও এই প্র্যাকটিস করতে পারবেন কারণ এটা পদ্মাসন, শবাসন এর মতই একটা আসন ...একটু উচু মানের আসন৷

 এটা একটা গাইডেড মেডিটেশন৷ নিজে নিজে করতে পারবেন না, কাউকে আপনাকে গাইড করতে হবে৷ টেকনোলজির যুগে ইউটিউবে অনেক ভিডিও পেয়ে যাবেন ... কানে হেডফোন লাগিয়ে শুনতে থাকবেন আর যেরকম বলবে করতে থাকবেন৷ শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ প্রত্যঙ্গের ওপর ফোকাস করতে বলবে আপনি মনটাকে সেই অঙ্গ প্রত্যঙ্গের ওপর ফোকাস করবেন ...এইরকম একটা খুব সিম্পল জিনিস৷

 যোগনিদ্রা করবেন একটা শান্তিপূর্ণ জায়গায় যেখানে অন্তত আধঘন্টা আপনাকে কেউ বিরক্ত করবে না৷ শবাসন এ করলে ভালো তবে বসে বসেও করা যায়৷ সকালের দিকে করলে ভালো, কখনই রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে করবেন না৷ আসল যোগনিদ্রা করতে এক ঘণ্টার মতো লাগে ...আপনি প্রথম করলে এর হাফ ভার্সনটা দিয়ে শুরু করবেন৷

রোজ করতে পারলে আপনার লাইফে স্ট্রেস ৯% কমে যাবে৷ বাকি ১% স্ট্রেস থাকা ভালো ...অল্প স্ট্রেস প্রোডাক্টিভিটি বাড়ায়৷ হাওয়াতে উপদেশ দিচ্ছি না৷ আমি নিজে যোগনিদ্রা করি প্রায় দশ বছরের ওপর৷ এর থেকে বেশি উপকার আর কিছুতে পাইনি৷ সমস্যা হচ্ছে এটা করতে আপনার এক পয়সা খরচ হবে না, তাই ৯% মানুষ করবেন না৷ যে ১ করবেন তার জীবনটাই বদলে যাবে এটকু গ্যারান্টি আমি দিতে পারি৷

 প্রথমবার করলে আর অলরেডি অনেকটা স্ট্রেস নিয়ে থাকলে ঘুমিয়ে পড়বেন .... সেটাও ঠিক আছে৷ ঘুমিয়ে পড়লে যখন ঘুম থেকে উঠবেন মনে হবে বহুকাল এরকম ঘুম দেননি৷ তবে জেগে থেকে পুরো একটিভিটিটা কমপ্লিট করলে লং টার্ম বেনিফিটটা পাবেন৷ এটা কোনো তুকতাক না৷ হার্ভার্ড এর এক প্রফেসর ...নাম বেনসন এটাকে সাইটিফিকালী স্টাডি করেছেন আর সাইকোলজি টেস্কট বুকে এই প্র্যাকটিসটা নিয়ে পড়ানোও হয় ...নামBensons Relaxation Response যুদ্ধ ফেরত সৈনিকদের মধ্যে যাঁরা ট্রমার মধ্যে থাকেন, তাদের এই পদ্ধতি শেখানো হয় ... যাঁরা মনের অসুখে ভুগছেন তাদের থেরাপি হিসাবে এই পদ্ধতি ব্যবহার হয় ....যেখানে সেখানে না ....দুনিয়ার সব বড় বড় মেডিক্যাল স্কুলে ... মেন্টাল হাসপাতালে৷ আমরা ভারতীয়রা সত্যি অদ্ভুত... নিজেদের হিরা মানিক ছেড়ে ওয়েস্টার্ন ড্রেস... ওয়েস্টার্ন ডিস্কো কালচারকেই মাথায় তুলে নাচি....আর ওদিকে ওয়েস্টার্ন স্কলাররা আমাদের প্রাচীন পদ্ধতিগুলো নিয়ে রিসার্চ করে... সত্যি বিচিত্র এই দেশ! আমাকে বিশ্বাস করতে বলছি না৷ নিজে করে দেখুন৷ বড়োজোর কুড়ি মিনিট নষ্ট হবে ...টাকা পয়সা নষ্ট হওয়ার তো কোনো ব্যাপার নেই৷ নিজে করুন ....একদিনেই বুঝে যাবেন৷ 

 নিজে বোঝার পর বাড়িতে ছোটো ছেলে মেয়ে থাকলে তাদের শেখান .... আজকালকার দিনে হাজার চেষ্টা করেও স্ট্রেস এড়াতে পারবেন না ...কিন্তু রিলিজ করার একটা জায়গা থাকলে স্ট্রেস জিনিসটা আসলে ভালো... দরকারও! কোনোদিন সামনাসামনি কোনো ওয়ার্কশপ করলে এটা সবাইকে শেখাবো৷ আমি নিজে এটা ফ্রিতে শিখেছি ... আপনাদেরকেও ফ্রিতেই শেখাবো৷ বহুদিনের ইচ্ছা একটা উইকএন্ড ট্রাভেল গ্রুপ খুলবো৷ শুক্রবার রাতে কোনো পাহাড়ে গিয়ে শিকড় গেড়ে বসবো আর এইসব জিনিস শেখাবো৷ কোনো সাইট শিইয়ং না .. এক জায়গায় ফোন ল্যাপটপ ছাড়া শুধু নিজেকে চিনতে শেখা৷ দুটো দিন নিজেকে রিপেয়ার করে আবার সোমবার সকালে ফিরে এসে পুরানো যুদ্ধটাকে আবার নতুন করে নতুন অস্ত্র হাতে মোকাবিলা করা৷ বিরাট প্রকৃতির মাঝে খুব সহজেই নিজেকে চিনতে শেখা যায়৷ভালো থাকবেন ... পোস্টটা শেয়ার করুন৷ কোনো হতভাগা স্ট্রেস নিয়ে নিয়ে জীবনটা শেষ করে দিচ্ছে এমন কেউ যদি ভুল করেও এই যোগনিদ্রা করে দেখেন .... তার জীবনটাই শুধরে যাবে৷ (সংগৃহীত)

 

  • Log in to post comments
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য প্রসূনানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য প্রসূনানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved