সময় এগিয়ে চলে নিজের নিয়মে
দিন বেয়ে আসে কালো রাত্রি,
রাত্রিশেষে জেগে ওঠে নোতুন প্রভাত
দিন দিন করে’ পেরোয় বছর
পিছনে জমে থাকে কত
হাসি-কান্নার স্মৃতি৷
অদূরেই মর্মরিত নববর্ষের পদধবনি,
আজ যুগসন্ধিক্ষণে নব আশায়
রোমাঞ্চিত সমগ্র ধরিত্রী৷
অতীতের গর্ভে জন্ম নেয় বর্তমান
বর্তমানের বেদীমূলেই
গড়ে ওঠে ভবিষ্যৎ,
শোষণ-জর্জরিত ভগ্ণস্তূপে দাঁড়িয়ে
এসো,ঊর্ধে তুলি বিপ্লবের মশাল---
নব্যমানবতার দীপ্ত আলোকে
ভাস্বর হোক সমাজ-
সভ্যতা-সংস্কৃতি সব
সত্য-ধর্ম-ন্যায়ের পথে
রক্তিম অরুণোদয়ে আসুক
সুন্দর সকাল
আর নোতুন জীবনের সবুজ স্বপ্ণ৷
47
একই বৃত্তায়ণে
কৌশিক খাটুয়া
চলে যায় যারা ফিরে আসে তারা
নাহি যায় চিরতরে,
ফেলে আসা সেই অপূর্ণতা পূরণে
নব আঙ্গিকে শুরু করে৷
নতুন দিনের নতুন কর্মসূচি
নতুন অঙ্গীকারে,
যারা আসে ফিরে ক’’ দিনের তরে
গৃহীত কর্মসূচী সারে৷
যুগ হতে যুগান্তরে
প্রত্যাবর্তন অবনি পরে
নবরূপে আবির্ভূত,
বাহুতে শক্তি, হৃদয়ে ভক্তি
কর্মে মুক্তি, সেবা তার ব্রত৷
ফুল ঝরে যায় প্রভুর চরণে
ফিরে আসে তারা স্বাগত বরণে,
নদী বহমান সাগর-আহ্বানে,
ফিরে নির্ঝরিণী জলধারায়,
চক্রাকারে আবর্তিত৷
তাপিত হৃদয়ে নয়ন ধারায়
প্রিয়জনকে জানায় বিদায়
বিয়োগান্তক সুর ক্রমে ম্লান হয়
নিত্য ব্যস্ত কর্মধারায়,
যুগ যুগ ধরে মানব সমাজে
আসা-যাওয়া মাঝে ব্যস্ততা কাজে
এই রীতিটাই প্রবর্তিত!
তাঁহার লীলায় সবাই আসে যায়
বিরাট আধারে সবে ঠাঁই পায়,
মিছে ভয় পাই, কিছু না হারায়
যা’’ কিছু ঘটিছে তাঁর অভিপ্রায়৷
গমনাগমনের বৃত্তায়নে
নিজ কর্মসূচি রূপায়ণে
বারংবার আসা যাওয়া,
কীর্তন-গানে ভজনে সাধনে
নিত্য চর্চা কঠোর অনুশীলনে
চরম লক্ষ্য পূরণে
ফিরে আসা ফিরে পাওয়া৷
মিলে মিশে যায়
এক অভিন্ন সত্ত্বায়
রয়েছে যে তাঁর মিলনের দায়
*পরমাত্মায়*!
- Log in to post comments