Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

ত্রিপুরায় আনন্দমার্গের ধর্মীয় অনুষ্ঠান

নিজস্ব সংবাদদাতা
Fri, 05-04-2019

গত ১৪ই ফেব্রুয়ারী ত্রিপুরা রাজ্যের পানিসাগর শহরে স্থানীয় আনন্দমার্গীদের উদ্যোগে মহাদেব মন্দিরে শিবতত্ত্ব ও যোগ বিষয়ে আলোচনা করেন আচার্য কাশীশ্বরানন্দ অবধূত৷ মানব সভ্যতার জনক শিব৷ আদিপিতা ভগবান শিবের বহু নাম --- আদিদেব, বৈদ্যনাথ, নটরাজ, পঞ্চানন, ত্রিলোচন--- শিবের এই নামগুলি তাঁর বিভিন্ন কর্ম ও গুণের পরিচিতি বহন করে৷ কল্যাণময় শিবের ছিল অনন্ত ঐশ্বর্য৷ তাই তার নাম বিভূতিনাথ৷ পরম করুণাময় শিব, মানুষের সার্বিক কল্যাণের উদ্দেশ্যেই আজ থেকে প্রায় ৭ হাজার বছর পূর্বে যোগবিদ্যা এই পৃথিবীতে প্রচার করেছিলেন৷ আচার্য কাশীশ্বরানন্দ অবধূত বলেন, শিব প্রবর্তিত এই যোগবিদ্যাকে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ আরও সমৃদ্ধ করেছিলেন৷ পরমগুরু শ্রীশ্রী আনন্দমূর্ত্তিজী মানুষের কল্যাণার্থে এই যোগবিদ্যাকে আরও সম্প্রসারিত ও সমৃদ্ধ করে ৪টি স্তরে বিভাজিত করেন৷ সেগুলি হ’ল প্রারম্ভিক যোগ, সাধারণ যোগ, সহজ যোগ ও বিশেষ যোগ৷ শিব হলেন আদিগুরু৷ তাঁর জীবনটাই একটা দর্শন ও একটা তত্ত্ব৷

আলোচনার পর আচার্যজী কিছু উপকারী আসন ও কৌশিকী নৃত্যের প্রশিক্ষণ দেন৷ সবশেষে শিবগীতির পর সমবেত ধ্যান অনুষ্ঠিত হয়৷

 গত ১৬ ও ১৭ই ফেব্রুয়ারী কমলপুরে আনন্দমার্গ প্রচারক সংঘের উদ্যোগে আনন্দমার্গ আশ্রমে ২দিন ব্যাপী ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়৷ ১৬ই ফেব্রুয়ারী সন্ধ্যায় ‘কৃষ্ণতত্ত্ব ও গীতামাহাত্ম্য’ নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা করেন আচার্য কাশীশ্বরানন্দ অবধূত৷ এই মনোজ্ঞ অনুষ্ঠানে ধর্মগুরু শ্রীশ্রী আনন্দমূর্ত্তিজী রচিত ও সুরারোপিত কৃষ্ণগীতি পরিবেশিত হয়৷

১৭ই ফেব্রুয়ারী সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত অখণ্ড ‘বাবা নাম কেবলম্’ কীর্ত্তন অনুষ্ঠিত হয়৷ এর পর সমবেত ধ্যান ও গুরুপূজার পর স্বাধ্যায় করেন বিশিষ্ট আনন্দমার্গী শ্রী বিদিত দেবনাথ৷ ‘আনন্দমার্গ দর্শন ও ভক্তিতত্ত্ব’ নিয়ে বক্তব্য রাখেন আচার্য কাশীশ্বরানন্দ অবধূত৷ সবশেষে সবার মধ্যে মহাপ্রসাদ বিতরণ করা হয়৷ ভুুক্তিপ্রধান শ্রী মণিলাল শর্মা ও স্থানীয় মার্গীদের ব্যবস্থাপনায় গরীবদের মধ্যে কম্বল বিতরণও করা হয়৷ আনন্দমার্গের আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে ৪ জন আনন্দমার্গের দীক্ষিত হন৷

Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved