Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

তুলসীর গুণাগুণ

শ্রী প্রভাতরঞ্জন সরকার

ৰাংলার গ্রামে রাধাতুলসী যতটা জনপ্রিয়, বাবুই তুলসী বা কৃষ্ণতুলসী ততটা জনপ্রিয় নয়৷ সব তুলসীর ঔষধীয় গুণ প্রচুর৷ তবে ঔষধীয় গুণে সবার সেরা রাধাতুলসী, তারপর বাবুইতুলসী, তারপরে চন্দন তুলসী, তারপরে কৃষ্ণতুলসী৷ রাধাতুলসী মানুষের বয়স যত কম থাকে তার ওপরে তত বেশী প্রভাব বিস্তার করে৷ যত বয়স ৰাড়ে রাধাতুলসীর ঔষধীয় প্রভাব তার তুলনায় তত কম হয়৷ মানুষের বয়স যত বেশী হবে কৃষ্ণতুলসীর ঔষধীয় গুণের প্রভাব তত বেশী কাজে লাগবে৷ আর বয়স যত কমতে থাকবে ঔষধীয় গুণের প্রভাব তত কমতে থাকবে ঙ্ম দ্রব্যগুণের ভিত্তিতে চিকিৎসার ক্ষেত্রে কোন বিশেষ রোগে যে প্রকার তুলসী বেশী কার্যকরী, তা না পাওয়া গেলে অন্য প্রকার তুলসী ব্যবহার করলে তত ফল না হলেও অনেকখানি ফল পাওয়া যায়ৰ৷

শিশুদের রোগে রাধাতুলসী ঃ প্রায় পঁচিশ প্রকার শিশু রোগের ঔষধ হচ্ছে এই তুলসী৷ সাধারণভাবে শিশুদের সর্দিজ্বরে ও সর্দিতে মধু সহ রাধা তুলসীর রস বিশেষ কার্যকরী৷ আতুরে শিশুর অসুখ (সর্দি–কাশি) হলে মধু সহ রাধাতুলসী (পাতার রস) খুব কার্যকরী হয়ে থাকে৷

তরুণ বয়সের রোগে রাধাতুলসী ঃ তরুণ বয়সের কয়েকটি ব্যাধির আশ্চর্যজনক ওষুধ হচ্ছে তুলসী, বিশেষ করে রাধাতুলসী৷ ১৬ থেকে ২৪ বৎসর বয়সের ছেলেদের অতি মাত্রায় শুক্রক্ষয়ে এক কনিষ্ঠাঙ্গুলি পরিমাণ রাধাতুলসীর মূল (আসল মূল বা শাখা মূল দুই–ই চলতে পারে অভাবে কৃষ্ণতুলসীর মূল) ছাঁচি পানের সঙ্গে (ৰোঁটা বাদে) খালি পেটে চিবিয়ে খেলে ঔষধটি চমৎকার কাজ দেয়৷ রোগের ৰাড়াৰাড়ি অবস্থায় প্রত্যহ সেবন করতে হয়৷ রোগ সেরে যাবার পরেও চারটি রবিবার ভোরে উঠে খেতে হয়৷

হাঁপানি রোগে বাবুই তুলসী ঃ বাবুই তুলসীর রস শ্বাসরোগের ঔষধ৷ বাবুই তুলসীর গাছে এক ধরনের ছোট পোকা বাসা ৰাঁধে৷ বাসা সমেত ঐ পোকাটি লাল সুতোয় ৰেঁধে পুরুষ দক্ষিণ হস্তে ও নারী বাম হস্তে ধারণ করলে হাঁপানি কষ্টের উপশম হয়৷ যাদের মাতৃকুলে হাঁপানি রোগ আছে তাদের হাঁপানি রোগের সংক্রমণের সম্ভাবনা থাকে৷ প্রাচীন কালের লোকের ধারণা ছিলো হাঁপানি রোগটি মাতৃকুল থেকেই আসে৷ যাই হোক যাদের মাতৃকুলে হাঁপানি রোগ আছে তাদের যদি পাঁচ থেকে পনের বছরের মধ্যে কখনও কোন ধরনের শ্বাসরোগের বা শ্বাসকষ্টের লক্ষণ দেখা যায়, তাহলে ওই শিশু (বা বালক) প্রতি শনিবার খালি পেটে ভোরে এক চামচ বাবুই তুলসীর রস (পাতার রস, গাছের রস নয়) পান করলে তাই থেকে মাতৃকুল সঞ্জাত হাঁপানি রোগের পুনরুদয়ের সম্ভাবনা থাকে না৷ (শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকারের ‘দ্রব্যগুণে রোগারোগ্য’ থেকে)

 

 

Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য প্রসূনানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য প্রসূনানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved