Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

যুক্তরাষ্ট্রের বহুদলীয় কাঠামো ভুলে ভারত সরকার একদলীয় সরকার চাইছে

প্রভাত খাঁ

চোখে বড়ই আশ্চর্য লাগছে বিশেষ করে সচেতন এই পশ্চিমবাঙলার যেখানে বিজেপি সরকার মাত্র কটা দিনেই লোকসংখ্যা গণনা করা হলো তাতে নাকি ভারত যুক্তরাষ্ট্রের লোক সংখ্যা হয়ে গেল নাকি লোক সংখ্যা ছিল প্রায় ১৪৫ কোটি যার ফলে ভারত যুক্তরাষ্ট্র সেই চীনকেও লোক সংখ্যায় অতিক্রম করে যায়৷ তার ফলে ভারত যুক্তরাষ্ট্র হয়ে ওঠে লোক সংখ্যা পৃথিবীতে সর্ব প্রধানের গৌরব৷ যার ফলে সকল দেশের নজর পড়লো এই ভারতের উপর, যেখানে ব্যবসা-বাণিজ্য করা যাবে এই লোক সংখ্যার কারণেই৷ ভারত হলো একটি বৃহত্তম গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্র পৃথিবীতে৷ সেই রাষ্ট্রই এমন লোক সংখ্যা কমে গেল যাতে আজ ২০২৬ এ হয়ে গেল ১৪০ কোটিতে৷ প্রায় সকল সচেতন নাগরিকদের একটাই বড় প্রশ্ণ কোথায় হারিয়ে গেলেন সেই পাঁচ কোটি জনগণ যারা আমাদের দেশেরই প্রিয় ভাই বোন ও আত্মীয়৷ তার কারণটা এদেশের ইন্ডিয়া সরকার জানালেন না৷ কেন জানানো হলো না এটা নির্বাচিত সরকারের কি সঠিক কাজ হল! কতজন জনগণ বর্তমান রইল আর বাকি যারা নেই তারা কোথায় গেল তা জানার অধিকার কি জনগণের নেই৷ এই পশ্চিমবঙ্গ উচ্ছাস করার মধ্য কেমন করে যে তিনি এই কঠিন কাজ অল্প সময় করলেন তারা তার কাজে প্রশংসনীয়? এই রাষ্ট্রের নাগরিকগণের কি অধিকার নেই সেই প্রশ্ণের উত্তরটি জানা৷ তিনিতো দীর্ঘ বছর এই ভারতের বুকে অন্য দলের ও একজন খুবই ডাকা বুক মন্ত্রী ও কর্মী ছিলেন৷ পরে তিনি সেই দল ত্যাগ করে ডি.এন.এতে যোগ দেন বর্তমানের সরকারের দলে৷ এবার সেই সচেতন নানা সমস্যায় জর্জরিত এই পশ্চিমবাংলায় যে রাষ্ট্রে নানা আর্থিক ও সমস্যায় সামাজিক সমস্যা ও চরম দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির সম্ভাবনার সম্মুখে দাঁড়িয়ে চরমভাবে কঠিন সেই বেকার সমস্যা নিরাপত্তাহীনতায় বাস করছেন, যাদের জীবন-যাপনের মান ছোট ছোট প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলির চেয়ে নিম্নমানের সেই ৭৯ বছর ধরে নামকেওয়াস্তে বাঁচতে গণতান্ত্রিক দেশে সেই প্রধানমন্ত্রীর ছিয়াত্তর তম জন্মদিন পালনে লাগাম ছাড়া উৎসবে মাতামাতি করা হয়৷ যিনি প্রচার বিমুখ আধ্যাত্মিক ব্যক্তিত্বের অধিকারী৷ আধ্যাত্মিক ব্যক্তিত্বে অধিকারী৷ গণতন্ত্র হলো জনকল্যাণে দায়বদ্ধ সরকার৷ তাই জনসেবামূলক রাষ্ট্র হয়েই শাসকের সার্থকতা কি নয়?

 এই ব্যাপারে সচেতন বয়স্ক নাগরিকদের মনে বিশেষ করে যারা কোন দলে নেই কিন্তু ভোটদান করেন ভেবে চিন্তে তাদের প্রশ্ণ কেন বিশেষ করে প্রাক্তন প্রাক্তন তৃণমূলী বর্তমানে এই পশ্চিমবাংলার মুখ্যমন্ত্রী একটি উক্তি করেন যুক্তরাষ্ট্রীয় শাসন ব্যবস্থায় এই উপনির্বাচন হচ্ছে একটি পরীক্ষা যেখানে যুক্তরাষ্ট্রীয় শাসনব্যবস্থায় এই রাষ্ট্রে পশ্চিমবাংলায় পুনঃ নির্বাচন কমিশন ই নেই যেটি সেই কেন্দ্রের সরকার এনডিএ দলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন সেই কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনস্থ মাননীয় জ্ঞানেশ কুমারের দ্বারাই পরিচালিত হচ্ছে৷ সেই ইন্ডিয়ার মতে সেই এক দেশ এক নির্বাচন এক রাষ্ট্র যেটি গণতন্ত্রের দৃষ্টিতে অচল এই ভারত যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের মতে৷৷ তাই সেই নাগরিকগণ মনে করছেন যে বর্তমান দেশে কি জরুরি অবস্থা চলছে যেটা অলিখিত এর উত্তর দেবার আজ যেন কেউই নেই৷ যেটা অতীতে দেশে জরুরি অবস্থা জারি করে দেশটাকে কারাগারে পরিণত করেন৷ সেদিনের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী৷ নির্বাচনে হেরে গিয়ে তিনি কেন্দ্রের সক্রিয় ছিলেন বর্তমানে ঠিক যেন তেমনটি হচ্ছে কিনা৷ এদিকে সুপ্রিমকোর্টে বেশ কিছু মামলা চলছে ২৬ এর নির্বাচন নিয়ে৷ সেটি মহামান্য আদালতে বেশ কিছু মাস ধরেই চলছে যে মামলা খারিজ হয়নি৷ তাই নাগরিকগণ ও বিরোধীদলগুলিও অন্ধকারে পড়ে আছেন কিনা ভয়ংকর এই অলিখিত স্বেচ্ছাচারিতা কি ভারত যুক্তরাষ্ট্রকে গ্রাস করছে না এদিকে সেই একনাগাড়ে চলছে বিরোধীদলের অভিযুক্ত ও অভিযুক্ত নন তাদের উপর ডিম থেরাপি সেই শুভেন্দু বাবুদের৷ তাই দেশ কোথায় দাঁড়িয়ে আছে?

 

  • Log in to post comments
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য প্রসূনানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য প্রসূনানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved