সপ্তাহখানেক এই শহরই হয়ে উঠছে ভারতের বেস ক্যাম্প৷ এখানে পর পর দু’টি ম্যাচ খেলবে গতবারের চ্যাম্পিয়নরা৷ সুপার এইটে টিম ইন্ডিয়ার দ্বিতীয় ম্যাচ ২৬ ফেব্রুয়ারি৷ তবে প্রতিপক্ষ এখনও চূড়ান্ত নয়৷ অস্ট্রেলিয়া বা জিম্বাবোয়ের মধ্যে যে দল ‘বি’ গ্রুপ থেকে উঠবে, তাদের সঙ্গেই চেন্নাইয়ে খেলবে টিম ইন্ডিয়া৷ আর ঈশান কিষান, হার্দিক পান্ডিয়ারা সুপার এইটের শেষ ম্যাচটি খেলবেন ইডেনে৷ ১লা মার্চের সেই ম্যাচে উল্টোদিকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ৷ ফলে কলকাতার ক্রিকেটপ্রেমীদের ভারতের ম্যাচ দেখতে না পাওয়ার আক্ষেপ ঘুচতে চলেছে৷
পাকিস্তানকে দুরমুশ করে ভারতীয় শিবির এখন টগবগে৷ কুড়ি ওভারের বিশ্বকাপে আটবার প্রতিবেশী দেশকে বিধবস্ত করল নীল জার্সিধারীরা৷ এই দ্বৈরথকে আর ‘মহারণ’ বলা উচিত কিনা তা নিয়ে ভাবার সময় এসেছে৷ তবে মারাত্মক চাপ যে ছিল, তা মেনে নিয়েছেন অক্ষর প্যাটেল৷ বাঁ-হাতি অলরাউন্ডারের মতে, ‘পরিবারের লোকজন, বন্ধু-বান্ধব, আশপাশের লোকজন সবাই এই ম্যাচটা নিয়ে কথা বলছিল৷ তাই অন্য ম্যাচের তুলনায় বেশি চাপ ছিল৷ তবে পেশাদার ক্রিকেটার হিসেবে আবেগকে নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি৷ রেষারেষি নিয়ে খুব বেশি ভাবি না৷ তাতে নিজেদের উপরই চাপ বাড়ে৷ পাকিস্তানকে আমরা যে কোনও বিপক্ষের মতোই দেখেছিলাম৷ ফোকাস ছিল ক্রিকেটেই৷’
প্রথম তিন ম্যাচে জিতে সুপার এইটে জায়গা পাকা ভারতের৷ এই অবস্থায় নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে আত্মতুষ্টি যাতে গ্রাস না করে, নজর থাকছে সেদিকে৷ অবশ্য সেই ম্যাচে বুমরাহ ও হার্দিককে বিশ্রাম দেওয়ার ভাবনা রয়েছে৷ বুমরাহ চলতি আসরে খেলেছেন দুটো ম্যাচ, হর্দিক তিনটি৷ রবিবার এই দু’জন পাক ইনিংসের শুরুতে আঘাত হানেন৷ ডাচদের বিরুদ্ধে যদি তাঁদের বিশ্রাম দেওয়া হয়, সেক্ষেত্রে খেলতে পারেন অর্শদীপ সিং এবং মহম্মদ সিরাজ৷ মুশকিল হল, এতে ভারতের ব্যাটিং গভীরতা কমবে৷ আট নম্বরে নয়, তখন অক্ষর আসবেন সাতে৷ কিন্তু কোচ গৌতম গম্ভীর ব্যাটিংয়ে বাড়তি সুরক্ষা চাইছেন৷ তাই ওয়াশিংটন সুন্দরকে খেলানো হতে পারে৷ এমনিতেও দীর্ঘদিন ম্যাচের মধ্যে নেই তিনি৷ সুপার এইটে নামার আগে তাঁর জড়তা দূর করাও জরুরি৷ সেক্ষেত্রে বসতে হবে কুলদীপ যাদব বা বরুণ চক্রবর্তীকে৷ তাই হার্দিক, বুমরাহর সঙ্গে বিশ্রাম দেওয়া হতে পারে বরুণকেও৷