Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

অম্ল রোগ ও তার নিরাময় চিকিৎসা ঃ (আসন ও মুদ্রা)

শ্রী প্রভাতরঞ্জন সরকার

প্রাতে ঃ উৎক্ষেপ মুদ্রা, ময়ূরাসন, পদহস্তাসন, উড্ডয়ন, অগ্ণিসার, আগ্ণেয়ী মুদ্রা বা আগ্ণেয়ী প্রাণায়াম৷ 

সন্ধ্যায় ঃ অগ্ণিসার, পশ্চিমোত্তানাসন, সর্বাঙ্গাসন, আগ্ণেয়ী মুদ্রা বা আগ্ণেয়ী প্রাণায়াম৷ 

পথ্য ঃ অম্লরোগে পুরাতন চালের ভাত, শাক–সব্জীর ঝোল (ভাজা, পোড়া বা অধিক পরিমাণ শাক–সব্জী নয়), রসাল টক বা মিষ্টি ফল বা ঘোল বিশেষ উপকারী৷ অম্লরোগীর পক্ষে দধি বিশেষ হিতকারী নয়৷ 

বিধি নিষেধ ঃ অম্লরোগীর পক্ষে খোলা হাওয়ায় ভ্রমণ করা, ক্ষুধা রেখে খাওয়া, অল্প অল্প করে সারাদিনে অনেকটা জল পান করা বিশেষ প্রয়োজন৷ এই রোগে নারকোল ও তজ্জাত খাদ্য ও ঔষধ বিশেষ উপকারী৷রোগীর পক্ষে জল খাবার না খাওয়াই ভাল৷ ক্ষুধা সহ্য করা কষ্টকর হলে জলখাবার হিসাবে সামান্য পরিমাণ রসাল ফল ব্যবহার করা যেতে পারে৷ এই রোগে অনেক সময় এমনও হয় যে পুরাতন অভ্যাসের ফলে, পাচক রসস্রাবী গ্রন্থিসমূহ খুব বেশী পরিমাণ রস নিঃসারিত করে দেয় ও তার ফলে রোগী সময়ে অসময়ে হঠাৎ খুব বেশী ক্ষুধা (যাকে বলে রাক্ষুসে ক্ষুধা) অনুভব করে৷ তাই আমরা দেখি যে অম্লরোগী প্রায়ই অম্লের জন্যে মনমরা হয়ে থাকে বা সকলকে তার রোগের কথা বলে বেড়ায়, সেও আহারে বসে মাত্রাতিরিক্ত খেয়ে ফেলে৷ এগুলি আসলে রোগীর পুরাতন অভভ্যাসের মত নির্দিষ্ট সময়ে পাচক রস নিঃসরণের পরিণাম৷ এই রাক্ষুসে ক্ষুধা বা অশুভ ক্ষুধা থেকে সতর্ক হওয়া প্রয়োজন৷ রোগীর কিছুতেই বিধি নিষেধের বহির্ভূত হওয়া উচিত নয়৷ অতিরিক্ত পাচক রস নিঃসরণের ফলে যে রাক্ষুসে ক্ষুধার উদ্ভব হয়, বড় গ্লাসের এক গ্লাস জল পান করলে সে ক্ষুধা দূরীভূত হয়৷ 

অম্লরোগের রোগী যখন যন্ত্রণা অনুভব করে সে সময়ে তার পক্ষে ঈষদুষ্ণ জলে কমলার রস পান করা বিধেয়৷ যন্ত্রণা প্রশমিত হয়ে যাবার পর শীতল জলে নেবুর রস পান করা উচিত৷ অজীর্ণ রোগের ন্যায় এই রোগেও আহারকালে ও তৎপরে ঘণ্টাখানেক দক্ষিণা নাড়ী প্রবাহিত রাখা উচিত৷ অম্লশূলের উৎকট যন্ত্রণার সময় যন্ত্রণার সূত্রপাতকালীন নাসাটিপরিবর্তন করে দেওয়া উচিত৷ ক্ষুধার সময় খাদ্য গ্রহণ না করে ক্ষরিত পাচক পিত্তকে সঞ্চিত হবার সুযোগ দেওয়া কিছুতেই উচিত নয় কারণ সেক্ষেত্রে এই অজীর্ণ পাচক পিত্তই অম্লরোগের কারণ হয়ে দাঁড়াবে৷ 

কয়েকটি ব্যবস্থা ঃ 

১) সাজা পাণের সঙ্গে খড়ি–নারকোল অথবা মৌরীর সঙ্গে নারকোল–কুরো ব্যবহার করা৷ 

২) শূলরোগী যন্ত্রণায় অত্যধিক কাতর হয়ে পড়লে সমান পরিমাণ খড়ি (chalk) ও আতপচাল–গুঁড়ো এক সঙ্গে পিষে (আধ) তোলা পরিমাণ খেলে যন্ত্রণার আশু উপশম হয়৷ 

(৩) তেঁতুল ছাল পোড়ালে সেই ছাইয়ের যে শাদা অংশটা পাওয়া যায় তার এক আনা পরিমাণ নিয়ে শীতল জলের সঙ্গে পান করা৷ 

৪) মাটির ৰদ্ধ পাত্রে সমান ওজনের শ্বেত আকন্দের পাতা ও সৈন্ধব লবণ একত্রে ভষ্ম করে এক আনা পরিমাণ খাওয়া৷ 

৫) অজীর্ণ রোগের মত অম্লরোগেও একাদশী তিথিতে উপবাস ও অমাবস্যা আর পূর্ণিমায় নিশিপালন করা বাঞ্ছনীয়৷ 

(শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকারের ‘যৌগিক চিকিৎসা ও দ্রব্যগুণ’ থেকে)

 

Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved