Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

আন্দুল/খুলনা

শ্রী প্রভাতরঞ্জন সরকার

কচ্ছপ ৰলতে গিয়ে কচ্ছপের খোলার কথা মনে পড়ল৷ প্রাচীনকালে কচ্ছপের খোলা থেকে ঢাল তৈরী হত৷ দেশ-বিদেশে কচ্ছপের খোলার চাহিদা ছিল৷ দক্ষিণ ৰাঙলায় পাওয়া যেত প্রচুর ডাঙার কচ্ছপ ও জলের কচ্ছপ দুইই৷ ডাঙার কচ্ছপ দেখতে কতকটা কাঠের বারকোষের মত হত (বড় হলে বারকোষ ছোট হ’লে কেঠো)৷ মেয়েরা কেঠোয় রান্নাঘরে নুন রাখেন, আর বারকোষে ভোজবাড়ীতে ময়দা মাখা হয় ৷ এক শ্রেণীর জলের কচ্ছপকে কেঠো ৰলা হয় (পূর্ববঙ্গীয় উচ্চারণে ‘কাউটা’)৷ কোষ্ঠক> কাট> কাঠুয়া> কেঠো৷ দক্ষিণ ৰাংলা থেকে কচ্ছপের খোলের এককালে ব্যবসা চলত৷ কচ্ছপকে সংস্কৃতে পুংলিঙ্গে ‘দুলিক’, স্ত্রীলিঙ্গে ‘দুলিকা’ ৰলা হয়৷

‘‘দুলি দুহি পিঠা ধরণ ন জাই

রুখের তেন্তুলী কুম্ভীরে খাত্র৷’

অঙ্গন ঘরপণ সুন ভো বিয়াতী

কানেট চৌরে নিল অধরাতী৷

সসুরা নিদ গেল ৰহুড়ী জাগএ 

কাণেট চৌরে নিল কাগই মাগএ 

দিবসই বহুড়ী কাগই ডরে ভা ৷

রাতি ভইলে কামরু জাএ৷’’

আমাদের হাওড়া জেলার যে স্থানটি কচ্ছপের খোলের জন্যে প্রসিদ্ধ ছিল তার পুরনো বাংলা নাম ছিল আনিদুলিয়া৷ আনিদুলিয়া> আন্দুলিয়া> আন্দুল৷ দক্ষিণ বাংলার আরেকটি স্থান কচ্ছপের খোলের জন্যে প্রসিদ্ধ ছিল৷ স্থানটির নাম হয়ে ছিল ‘খোলনে’৷ খোল নে অর্থাৎ খোল গ্রহণ কর৷ এই খোলনে থেকে জেলার নাম হয়েছে খুলনা, শহরেরও নাম হয়েছে খুলনা৷ ওই জেলার গ্রামের মানুষ এখনও কেউ কেউ ‘খোলনে’ বলেন৷                          (শব্দ চয়নিকা, ষড়বিংশ খণ্ড, প্রবচন-২২৬)

 

 

Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved