Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

বাঙলার অর্থনৈতিক উন্নয়ন

শ্রী প্রভাতরঞ্জন সরকার

বাঙালী নামধেয় জনগোষ্ঠী হঠাৎ জেগে ওঠা, নোতুন একটা বাউন্ডারী পাওয়া রাষ্ট্রকেন্দ্রিক জনগোষ্ঠী নয়৷ এর রাষ্ট্রীয় কাঠামোর ভাঙ্গাগড়া অনেকবার হয়েছে, কিন্তু জনগোষ্ঠীটা অনেকদিনের৷ বর্তমান বাঙালী নামধেয় জনগোষ্ঠীর বয়স তিন হাজার বছরের চেয়ে বেশী৷

আর অনেকদিনের পুরোণো বলেই এর ঐতিহাসিক অগ্রগতি হয়েছে ধাপে ধাপে৷ সে অনেক কিছু অনেকের থেকে নিয়েছে, অনেক কিছু অনেককে দিয়েছেও৷ যে জন্যে তার নিজস্ব পোষাক রয়েছে, মেয়েদের শাড়ী পরবার নিজস্ব পদ্ধতি রয়েছে, তার নিজস্ব পঞ্জিকা রয়েছে, ভাষা রয়েছে, লিপি রয়েছে, উচ্চারণ রীতি রয়েছে, একটা বিশেষ ধরণের সামাজিকতা রয়েছে, নিজের দায়াধিকারও রয়েছে৷ এতগুলি বৈশিষ্ট্য, আমি যতদূর জানি, পৃথিবীর আর কোন জনগোষ্ঠীর নেই৷ যে মানেতে নেশন শব্দ ব্যবহার হয়, সে মানেতে এই জনগোষ্ঠী নেশনের বাড়তি আরও কিছু৷

রাৰা–সমতট–বরেন্দ্র্–এই পাঁচটি ক্ষেত্র নিয়ে যে সামাজিক অর্থনৈতিক অঞ্চল, বাঙলার সেই সমস্ত অঞ্চলকে আবার এক করতে হবে৷ বাঙলায় আজ একতাবোধের প্রয়োজন সব থেকে বেশী৷ এই একতাবোধ জেগে উঠলেই ভাঙ্গা–বাঙলা আবার জোড়া লাগবে৷ ভাঙ্গা–বাঙলা জোড়া দিতে হলে বাঙলাদেশের জনগণের জীবনযাত্রার মান বাড়াবার উদ্দেশ্যে বাঙলাদেশে উন্নয়নমূলক কর্মসূচী নিতে হবে৷ এপার বাঙলার অর্থনৈতিক মান তো বাড়াতেই হবে, কিন্তু তার থেকেও অনেক বেশী দ্রুতগতিতে বাড়াতে হবে ওপার বাঙলার অর্থনৈতিক উন্নতির মান৷ পশ্চিম বাংলা, ত্রিপুরা ও বাঙলাদেশের আর্থিক অবস্থা যখন সমপর্যায়ে আসবে, কেবল তখনই সংযুক্ত* করা উচিত হবে৷৪৬

আমাদের এই বাঙলার প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী নাম হচ্ছে গৌড় দেশ৷ এককালে এই দেশ গুড় উৎপাদনে সারা বিশ্বে প্রসিদ্ধি অর্জন করেছিল বলে’ একে গৌড় দেশ নাম দেওয়া হয়েছিল৷ আমাদের এই গৌড় দেশকে সামগ্রিকভাবে ‘বাঙালীস্তান’* বলা যেতে পারে৷ কারণ যে অর্থে তামিলনাড়ু, রাজস্থান, নাগাল্যাণ্ড, মিজোরাম নামগুলি চলছে হুবহু সেই অর্থেই গৌড়দেশকে ‘বাঙালীস্তান’ বললেও মহাভারত অশুদ্ধ হবে না৷ বরং ওই নাম এই পরিচিতিই বহন করে যে দেশটা বাঙালীদের মাতৃভূমি৷

সমগ্র বাঙালীস্তানকে আর্থিক দিক থেকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করে’ তুলতে হ’লে দু’টি বিষয়েরর ওপর গুরুত্ব দিতে হবে–জীবনযাপনের জন্যে নূ্যনতম প্রয়োজনগুলির উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা, ও ব্যাপকভাবে অর্থকরী ফসল ও অ–কৃষি শিল্পের উৎপাদন৷

নূ্যনতম প্রয়োজন পূর্ত্তির উৎপাদনের মধ্যে পড়বে পর্যাপ্ত খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করা৷

খাদ্য উৎপাদন

খাদ্য উৎপাদনে বাঙালীস্তানের স্বয়ং সম্পূর্ণতার সবচেয়ে বড় বাধা হচ্ছে শীতকালের বৃষ্টিপাতের স্বল্পতা, ও বর্ষাকালে জলনিকাশের সমস্যা৷ বর্ষাকালে বাঙলায় যথেষ্ট বৃষ্টি হয় ঠিকই, কিন্তু সেটা শুধু বছরের ৬ থেকে ৮ সপ্তাহ স্থায়ী হয়৷ ব্যাপক হারে বন ধ্বংস করায় প্রয়োজনের তুলনায় বাঙলায় বৃষ্টিপাত কমে’ গেছে৷ আর তার ফলে ফসলের উৎপাদনও কমে গেছে৷ নদীতেও জল খুব কমে’ যাওয়ায় সেচ ব্যবস্থাও বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে৷ শীতকালে বৃষ্টি না হওয়ায় শীতকালীন ও গ্রীষ্মকালীন ফসল মার খাচ্ছে৷ জল নিকাশী ব্যবস্থার ত্রুটির জন্যে নদীর জলকে ফসল উৎপাদনের কাজে ঠিকমত লাগানো হচ্ছে না৷ এই ধরণের সমস্যার মোকাবিলা করতে সেচ ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে হবে৷ বাঙলার যে সব অঞ্চলে বৃষ্টি কম হয়, বিশেষ করে’ রাৰা অঞ্চলে সেচ ব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব দিয়ে নালা সেচ, তোলা সেচ, সায়র ও নদীতে ছোট ছোট বাঁধের ব্যবস্থা করতে হবে৷ ময়ূরাক্ষী, কোপাই, অজয়, বক্রেশ্বর, দ্বারকা, বরাকর, কাঁসাই, কুমারী, দুলুং, কেলেঘাই, ছোটকী গুয়াই, বড়কী গুয়াই, সুবর্ণরেখা প্রভৃতি রােের নদীগুলিতে ক্ষুদ্র সেচ প্রকল্পের কাজ করতে হবে৷৪৭

দামোদরের গর্ভদেশ বর্ধমান জেলার অববাহিকার চেয়ে কোথাও কোথাও উঁচু হয়ে গেছে৷ কোথাও বা তা হতে চলেছে৷ এ অবস্থায় দামোদর থেকে কোথাও যদি বিপুল পরিমাণে জলের ঢল নেমে আসে তাহলে বর্দ্ধমান, হুগলী ও হাওড়া জেলা যে প্লাবিত হবে তাতে সন্দেহই নেই৷ এ অবস্থায় কার্যকরী পন্থা হচ্ছে ড্রেজারে করে’ দামোদরের গর্ভদেশ থেকে বালি–পলি সরিয়ে দিয়ে পাশের জমির চেয়ে নদীর খাতকে অনেকখানি গভীর করে’ দেওয়া৷ আর খরচ এড়াবার জন্যে তা যদি না করা হয় তাহলে দামোদরের পাশে সুউচ্চ বাঁধ দিতেই হবে৷ অজয় নদীর গর্ভদেশে পলি জমে ক্রমশঃ তা উঁচু হয়ে উঠেছে৷ দক্ষিণ বীরভূমে অজয় অববাহিকার কিছু অংশের মাটিতে বালির ভাগ অত্যন্ত বেড়ে গেছে৷ তবে এখনো সে জমিতে বেলেমাটির ফসল, শীতের কন্দ ও আখের চাষের সুযোগ রয়েছে৷ আর দেরী করলে সেই সুযোগ নাও থাকতে পারে৷ তখন যন্ত্রের সাহায্যে ওপরের বালি সরিয়ে তবে চাষের জমি কেটে বার করতে হবে৷ অজয়ের দক্ষিণাংশে বর্দ্ধমান জেলার ঠিক সেই অবস্থা এখনই না এলেও এর গর্ভদেশ এরই উপনদী কুনুরের চেয়ে উঁচু৷ যার ফলে কুনুরের জল অজয়ে না ঢুকে অজয়ের জল সময়ে সময়ে কুনুরে ঢুকে যায়৷ এই অবস্থাটা বাঞ্ছনীয় নয়৷ কেবল ডাইক* দিয়ে এ সমস্যার সমাধান হবে না৷২৪

কলকাতা বন্দরকে বাঁচাতে ভাগীরথী নদীর নাব্যতা যে কোন মূল্যে রাখতেই হবে৷ ভারত সরকার এই জন্যে ফারাক্কা ব্যারাজ করেছিল৷ কিন্তু বাঙলাদেশের নদীগুলো যাতে শুকিয়ে না যায়, আর অর্থনীতি যাতে ধ্বংস না হয়ে যায় সেই জন্যেই ফারাক্কা ব্যারেজ থেকে ভারত যতটা জল নেবে, বাঙলাদেশকেও ততটা জল দেওয়া উচিত৷ ভারতের অংশের জলের ঘাটতিটা পূরণ করতে হবে ব্রহ্মপু– থেকে জল এনে৷ এতে বাঙলাদেশের কোন ক্ষতি হবে না৷ ধুবড়ি থেকে রামপুর, দীনাজপুর হয়ে, মালদার মানিকচক হয়ে ব্রহ্মপু–ের জল যাতে গঙ্গায় পড়ে তার সুব্যবস্থা করলে মালদা–নদীয়ার চাষীকে অগভীর বা গভীর নলকূপের ব্যবহার করতে হবে না৷

(ক্রমশঃ)

আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ

‘কৃষ্ণ’ নামের একাধিক ব্যাখ্যা
মনকে ভারমুক্ত রাখ
অষ্টকমল
ভারতবর্ষ ও আধ্যাত্মিকতা
গীতায় ধর্মদেশনা –– ১
আরও

প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়

পূর্বার্দ্র তত্ত্ব
যোগাযোগের প্রাথমিক মাধ্যম হিসেবে স্থানীয় ভাষার ব্যবহার বাঞ্ছনীয়
মানব প্রগতি
সংস্কৃতি ও সভ্যতা
পরিকল্পনার মৌল নীতি
আরও

সম্পাদকীয়

বিদ্বেষ বিষে জর্জরিত বিজেপি
বাঙালী আর একটা অগ্ণি স্ফুলিঙ্গের অপেক্ষায়
প্রতিকুলতাকে প্রতিহত করে এগিয়ে চলার দুর্জয় ইচ্ছাশক্তি বাঙালীর আছে
মশাহীন দেশের তকমা ধরে রাখতে পারল না আইসল্যান্ড
বিকশিত বাঙলার মিথ্যা প্রতিশ্রুতি নয় মানবতার আর্থিক মুক্তি চাই

প্রবন্ধ শিরোনাম

গোরাচাঁদ ও একতারা
ভারত যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক অধিকার রক্ষা ও সংবিধানকে বাঁচিয়ে রাখার প্রধান দায়বদ্ধতা হলো যৌথভাবে কেন্দ্র ও রাষ্ট্রের নির্বাচন কমিশনেরই আর স্বৈরাচারিতাকেও নিয়ন্ত্রণ করা!
হিংস্র দুঃসময় বাঙালীর দুয়ারে
আর্থিক বিকাশ শেষ কথা নয়
গোরাচাঁদ ও একতারা
নাগরিকত্ব প্রত্যেক মানুষের মৌলিক অধিকার---তথাকথিত এস আই আর এর নামে একজনও বাঙালীর নাগরিকত্ব হরণ করা চলবে না--- চক্রান্ত করে তথাকথিত এস আই আর-এর মাধ্যমে কোন বাঙালীকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা যাবে না
কেন্দ্র সরকারের ডি.এ নিয়ে বোটবাজীটা নির্বাচন প্রাক্কালে এটা কোন ধরনের কেন্দ্র সরকারের গণতান্ত্রিক সেবা
গণতান্ত্রিক অধিকার সুরক্ষার এস.আই.আর প্রক্রিয়া ফ্যাসিবাদী হিন্দুত্বের আগ্রাসনের হাতিয়ার

পুরানো মাসিক খবর

  • February 2026 (220)
  • August 2022 (106)
  • July 2022 (93)
  • June 2022 (167)
  • May 2022 (92)
Pagination
  • Page 1
  • Next page ››
আরও আগের খবর
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved