Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

চীনে মশা মারতে এ বার ড্রোনের বহর

পি.এন.এ.
Wed, 12-08-2026

কামান দেগে কীটনাশক ছড়িয়ে কাজ হচ্ছে না তেমন৷ শ্রীলঙ্কা সরকার এ বার তাই মশা নিধন করতে নামাল ড্রোনের বহর! আর সেই দায়িত্ব দেওয়া হল সে দেশের সেনাবাহিনীকে৷

চলতি বছর দক্ষিণ এশিয়ার দ্বীপরাষ্ট্রে ডেঙ্গুতে ৫৬ জনের মৃত্যু হয়েছে৷ আক্রান্ত হয়েছেন ৭৭ হাজারের বেশি মানুষ! এঁদের মধ্যে এক-চতুর্থাংশ আক্রান্ত হয়েছেন শুধু জুলাই মাসেই! এই পরিস্থিতিতে মশককুলের বিনাশ করতে সেনার উপরেই ভরসা রাখছে কলম্বোর বামপন্থী সরকার৷ প্রায় দু’দশক আগে সফল ভাবে তামিল বিদ্রোহী গোষ্ঠী এলটিটিই-কে নির্মূল করার পরে আবার তাই নতুন ‘মিশনে’ নেমে পড়েছে লঙ্কাফৌজ৷

বিবিসি প্রকাশিত খবরে দাবি, শ্রীলঙ্কা সেনা এখন রাজধানী কলম্বো-সহ দেশের বিভিন্ন শহরে ড্রোন ব্যবহার করে বহুতল ভবনের ছাদ, নির্মাণাধীন এলাকা এবং অন্যান্য স্থানে জমা জলের উৎস শনাক্ত করছে৷ সাধারণ ভাবে এ সব স্থানে জমে থাকা পরিষ্কার জলেই ডেঙ্গুর বাহক এডিস মশা বংশবিস্তার করে৷

শ্রীলঙ্কার ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ ইউনিটের প্রধান কাপিলা কান্নঙ্গারা জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত ডেঙ্গু ভাইরাসের চারটি পৃথক ধরনের (সেরোটাইপ) সন্ধান পেয়েছেন তাঁরা৷ একবার একটি সেরোটাইপে আক্রান্ত হয়ে সুস্থ হওয়ার পরে শুধু সেই নির্দিষ্ট সেরোটাইপের বিরুদ্ধেই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়৷ অন্য তিনটি সেরোটাইপ থেকে সুরক্ষা পাওয়া যায় না৷ ফলে অন্য কোনও সেরোটাইপে আক্রান্ত হলে অভিঘাত আরও গুরুতর হতে পারে৷ কামানের মতোই ড্রোন থেকে মশা মারার তেল ছড়িয়ে এ বার বহুতল ও দুর্গম জায়গায় জমা জলে এডিসের বংশবৃদ্ধি ঠেকানো তাঁদের লক্ষ্য বলে কাপিলার দাবি৷

তবে দুই ভিন্ন প্রজাতির হোমিনিন কী ভাবে ওই একই জায়গায় একসঙ্গে থাকত, তা এখনও স্পষ্ট নয় বিজ্ঞানীদের কাছে৷ এ বিষয়ে আরও গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করছেন জীবাশ্মবিদেরা৷

 

 

Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved