Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

দধি ও ঘোলপানের উপকারিতা

শ্রী প্রভাতরঞ্জন সরকার

যে ক্রমি (ব্যাকটিরিয়া) দুধকে দইয়ে রূপান্তরিত করে দধ্যম্লের (দম্বল বা জোড়ন) সাহায্যে সে ক্রমি স্বাভাবিক অবস্থায় মানুষের শত্রু নয়৷ তবে (দইয়ে) সেই ক্রমির মৃতদেহের প্রাচুর্য ঘটলে তখন তা মানুষের পক্ষে শত্রু হলেও হতে পারে৷ পচা দইয়ে সাধারণতঃ এই ধরনের ব্যাপার ঘটে৷ তাই দইয়ে দুর্গন্ধ দেখা দিলে তা কিছুতেই ভক্ষণ করা উচিত নয়৷ দই তাজা অবস্থায় থাকলে এই ধরণের ক্রমির মৃতদেহ কম থাকে৷ দধিতে (তো মিষ্ট দধিই হোক আর অম্ল দধিই হোক) লবণ সংযোগ করলে মৃত ক্রমির বিরুদ্ধাচারণ কিছুটা প্রতিহত হয়৷ তাই ‘‘দধি লবণেন সহ ভক্ষয়েৎ৷’’

(সাধারণতঃ) আমরা দেখি ভাদ্রমাসের প্রথমাংশে ও মধ্যমাংশে পুরো বর্ষা থাকে৷ শেষাংশে শরতের হাওয়া বয়৷ সদ্য বর্ষা শেষ হওয়ায় চারিদিকে থাকে জল৷ তারপর কড়া রোদ পড়লে যে ভাপ ওঠে তা শরীরকে ভারাক্রান্ত তথা জ্বরাক্রান্ত করে দেয়৷ তাই ভাদ্র মাসে জ্বর, সর্দি–কাশি, চোখ–ওঠা, কানে পুঁজ বেশী হয়৷ বাত না হলেও গলা–খুসখুসি এই সময় অনেকের হয়ে থাকে৷ শরীরের ভারসাম্য রক্ষার জন্যে এই সময়ে দ্বিপ্রহরে ঘোল সেবন স্বাস্থ্যের পক্ষে ভাল৷ সূর্যাস্তের পর ঘোল সেবন স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর৷ তাতে নানা রকম উদর–ব্যাধি হতে পারে৷ স্বাস্থ্যরক্ষার প্রয়োজনে ও সম্ভবপর হলে যে কোন মানুষ প্রাত্যহিক ভোজন–তালিকায় ঘোলকে রাখতে পারেন৷ এই জন্যে বলা হয়েছে–

‘‘দিনান্তে চ পিবেৎ দুগ্ধং 

নিশান্তে চ পিবেৎ পয়ঃ৷

ভোজনান্তে পিবেৎ তক্রং 

কিং বৈদ্যস্য প্রয়োজনম্৷’’        ঙ্ম তক্রং – মানে ঘোলৰ

নির্দিষ্ট কয়েকটি রোগে দধি–ঘোল আবশ্যিক পথ্য ঃ

‘‘অজীর্ণরোগে তরলভেদে দধি ও কোষ্ঠকাঠিন্যে চীনী সহ মহিষী দুগ্ধের ঘোল৷ মনে রাখতে হৰে ঘোল জিনিসটা ডিস্পেপসিয়া (অজীর্ণ) রোগীর পক্ষে বিশেষ হিতকারী৷’’

‘‘অম্লরোগীর পক্ষে ঘোল বিশেষ উপকারী, দধি বিশেষ হিতকারী নয়৷’’

‘‘অর্শ রোগী দু’বেলা এক গ্লাস করে ঘোল খাবে৷’’

‘‘কর্কট রোগে যকৃতের অবস্থা বুঝে যথেষ্ট পরিমাণে দুধও রোগীকে গ্রহণ করতে হবে৷ যকৃৎ যাদের খারাপ তারা গোদুগ্ধের পরিবর্ত্তে নারকোল বা বাদামের দুধ অথবা ঘোল ব্যবহার করবে৷’’

‘‘নিম্নচাপ রোগীদের পক্ষে উপবাসের দিন দুধ, ফলের রস প্রভৃতি ব্যবহার করা উচিত৷ যাদের রক্তচাপ ৰর্ধিত হয়েছে তাদের পক্ষে দুধের পরিবর্ত্তে ঘোল অথবা অল্প পরিমাণে নারিকেলের দুধ ব্যবহার করা বাঞ্ছনীয়৷’’

‘‘শ্বেতপ্রদর রোগের (স্ত্রীব্যাধি) মূল কারণ রক্তাল্পতা৷ রোগিনীর যদি দুধ সহ্য না হয় সেক্ষেত্রে ঘোল বা নারিকেলের দুধ পান করা বিধেয়৷’’

‘‘দুধ ও ফল হূদ্রোগের একমাত্র খাদ্য ও পানীয়৷ দুধ যাদের সহ্য হয় না তারা দুধের পরিবর্ত্তে ঘোল ব্যবহার করতে পারে৷’’

 (‘দ্রব্যগুণে রোগারোগ্য’ –শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকার)

 

Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved