Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

গণতান্ত্রিক নির্বাচন

শ্রী প্রভাতরঞ্জন সরকার

বলা হয়, গণতান্ত্রিক সরকার জনগণের জন্যে, জনগণের দ্বারা, জনগণের শাসন৷ শূদ্র যুগের পর গোষ্ঠীপতিদের হাতে ক্ষমতা স্থানান্তরিত হয়৷ কালক্রমে গোষ্ঠীপতিরা সামন্ত রাজা হয়ে পড়ে৷ রাজতন্ত্রের অত্যাচারের বিরুদ্ধ মনোভাব থেকে গণতান্ত্রিক মতবাদের সৃষ্টি হয়েছে৷ গণতন্ত্রের ইতিহাস অতি প্রাচীন৷ কথিত হয় যে প্রাচীন ভারতবর্ষে লিচ্ছবী রাজবংশের সময়ে গণতন্ত্রের সূত্রপাত হয়৷ অত্যন্ত প্রাচীন সংঘটন বলে এতে কিছু বিকৃতি আসা মোটেই অস্বাভাবিক নয়৷

এখন বিচার করা যাক ‘‘গণতন্ত্র জনগণের দ্বারা ঘটিত সরকার৷’’ কিন্তু জনসাধারণ কি কোনটা সত্য ও কোনটা মিথ্যা, কী করতে হবে ও কী না করতে হবে তা বিচার করার মত শিক্ষা বা চেতনাসম্পন্ন? নির্দিষ্ট বয়সে পদার্পণ করলেই কি বোধশক্তি ও বিচারশক্তি জন্মে? বয়স কি জ্ঞান ও শিক্ষার মাপকাঠি? দুঃখের কথা এই যে তা-ই সত্য হয়েছে৷ যাঁরা লিচ্ছবী রাজবংশের গণতান্ত্রিক ধাঁচ সম্বন্ধে বড় বড় কথা বলেন তাঁরা যদি সেই যুগের ইতিহাস অধ্যয়ন করেন তাহলে তাঁরা জানতে পারবেন যে সে-যুগে সকলেরই বোটদানের অধিকার ছিল না৷ কেবল লিচ্ছবী নেতারা বোটদানের অধিকার প্রয়োগ ও উপভোগ করতে পারতেন, জনসাধারণ নয়৷

যেখানে কোন প্রকার শোষণ নেই সেখানেই গণতন্ত্র ফলপ্রসূ হতে পারে৷ প্রতিটি মানুষের জীবনেই কতকগুলি ন্যুনতম প্রয়োজনীয়তা(minimum requirements) আছে ও সেগুলি পূরণ করার গ্যারাণ্টি থাকা দরকার৷ দেশ, কাল ও পাত্রের প্রভেদ অনুযায়ী এই নিম্নতম প্রয়োজনীয়তার হেরফের হবে৷ কশ্মীরের মানুষের শীতে পরিমাণে পশমী কাপড় দরকার হয়৷ সে জন্যে বিহারের মানুষ অপেক্ষা শীতে পরিমাণে গরম কাপড় কশ্মীরের মানুষকে দিতে হবে৷ যুগ ও কালের পরিবর্তনের সঙ্গে ন্যুনতম প্রয়োজনীয়তা বদলে যায়৷ প্রাচীন কালে লোকে ধুতি, জামা ও একজোড়া খড়মে সন্তুষ্ট থাকত৷ এমনকি তারা জুতার প্রয়োজনীয়ও অনুভব করত না, কিন্তু বর্তমানে স্যুট অবশ্য প্রয়োজন হয়ে পড়েছে৷ আগেকার দিনে লোকে বহুদূরের রাস্তাও পায়ে হেঁটে অতিক্রম করত কিন্তু বর্তমানে সাইকেল ও মোটর যান জীবন ধরণের পক্ষে দরকার হয়ে পড়েছে৷ প্রত্যেক মানুষের জীবনের এই সমস্ত ন্যুনতম প্রয়োজন মেটানোর নিশ্চিত ব্যবস্থা করে দিতে হবে৷ এই minimum requirements-এর কোন সীমা বা সংখ্যা নেই৷ প্রতিটি প্রগতিশীল সমাজ ব্যবস্থায় স্মরণ রাখতে হবে যে, নিম্নতম আবশ্যকতা দিন দিন বেড়ই চলবে৷ অদূর ভবিষ্যতে এমন একদিন আসছে যেদিন প্রতিটি ব্যষ্টিকে একটি করে রকেট দিতে হবে৷ তখন কারো পিতৃভূমি পৃথিবীতে ও শ্বশুরবাড়ী শুক্রগ্রহে অতি সাধারণ ব্যাপার হয়ে দাঁড়াবে৷ যে সমাজ-ব্যবস্থা দেশ, কাল ও পাত্রের সঙ্গে সমান্তরালতা সামঞ্জস্য রক্ষা করে তৈরী হবে তাকে বলা হবে প্রগতিশীল সমাজতন্ত্র(Progressive Socialism)৷

আমাদের প্রাউট এই প্রগতিশীল সমাজতন্ত্রই৷ সমাজকে প্রতিটি জিনিসের সুব্যবস্থা করতে হবে যাতে করে সকল মানুষের জীবনধারণের মান দিন দিন বর্ধিত হয়৷ যদি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাতে প্রগতিশীল সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করা যায় তবেই গণতন্ত্র সার্থক হবে, নচেৎ ‘‘জনগণের দ্বারা, ‘‘জনগণের জন্যে, জনগণের শাসন’’-এর মানে দাঁড়াবে ‘‘বোকার দ্বারা, বোকার জন্যে, বোকার শাসন৷’’

জনশিক্ষা গণতন্ত্রের সার্থকতা ও সুন্দরভাবে পরিচালনার জন্যে অন্যতম বিষয় ও মূল প্রয়োজন৷ কোন কোন স্থলে শিক্ষিত মানুষও বোটদানের অধিকারকে অন্যায়ভাবে ব্যবহার করে৷ জনগণ গ্রাম-পঞ্চায়েতের ভ্রান্ত নেতৃত্বের নির্দেশ ও প্ররোচনায় বোট দিয়ে থাকে৷ পশুর পালের মত পোলিং বুথের কাছে এগিয়ে যাওয়া ও ব্যালট বক্সে বোট দেওয়া নিরর্থক৷ গণতন্ত্রের নামে এটা কি প্রহসন নয়? সুতরাং শিক্ষার বিস্তার ও যথার্থ জ্ঞান একান্ত প্রয়োজন৷ শিক্ষা মানে শুধুমাত্র আক্ষরিক জ্ঞান বোঝায় না৷ আমার মতে যথার্থ ও যথেষ্ট জ্ঞান ও বোধশক্তিই সত্যিকারের শিক্ষা৷ অন্য কথায় চৈতন্যের সম্বন্ধে পূর্ণ জ্ঞানই শিক্ষার আসল অর্থ৷ অ, আ, ক, খ-এর ধারণাকে শিক্ষা লে না৷ আক্ষরিক জ্ঞান নিশ্চয়ই কিছু উদ্দেশ্য সাধন করে৷ আক্ষরিক জ্ঞান যে একেবারেই নিরর্থক বা প্রাণহীন তা আমি বলছি না৷ দক্ষিণ আমেরিকায় এমন কয়েকটি দেশ আছে যেখানে কেবল স্বাক্ষর ব্যষ্টিরাই বোটদানের অধিকার ভোগ করে৷ এই সমস্ত দেশে রাজনৈতিক দলগুলি লিটারেসি ক্যাম্পেন তুলে থাকে৷ যে পার্টি যে সমস্ত লোককে অক্ষরজ্ঞান-সম্পন্ন করেছে তারা সেই পার্টিকেই বোট দেয়৷ সরকারও এই সমস্ত দায়িত্ব থেকে ও এই সমস্ত বিষয়ের ওপর আর্থিক ব্যয় থেকে মুক্ত থাকে৷ কিন্তু এই ব্যবস্থা সব উদ্দেশ্য সাধন করতে পারে না৷ প্রথমতঃ আক্ষরিক জ্ঞান পেলেই যে কর্তব্য-অকর্তব্যের পূর্ণ জ্ঞান জাগবে তা ঠিক নয়৷ দ্বিতীয়তঃ যদিLiteracy campaign-এর দায়িত্ব রাজনৈতিক দলের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয় তা হলে সেক্ষেত্রে সেই সমস্ত রাজনৈতিক দল আপন আপন দলীয় মত প্রচার করবে ও তাকেই সকলের প্রিয় করতে চাইবে৷ এর ফলে বৌদ্ধিক ক্ষেত্রে লোকে দেউলিয়া হয়ে পড়বে ও যুক্তির ওপর অভিশাপ হানা হবে৷ কিন্তু শিক্ষা একান্ত আবশ্যক, শিক্ষা ব্যতিরেকে গণতন্ত্র কোন দিনই সার্থক হতে পারে না৷             

আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ

‘কৃষ্ণ’ নামের একাধিক ব্যাখ্যা
মনকে ভারমুক্ত রাখ
অষ্টকমল
ভারতবর্ষ ও আধ্যাত্মিকতা
গীতায় ধর্মদেশনা –– ১
আরও

প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়

পূর্বার্দ্র তত্ত্ব
যোগাযোগের প্রাথমিক মাধ্যম হিসেবে স্থানীয় ভাষার ব্যবহার বাঞ্ছনীয়
মানব প্রগতি
সংস্কৃতি ও সভ্যতা
পরিকল্পনার মৌল নীতি
আরও

সম্পাদকীয়

বিদ্বেষ বিষে জর্জরিত বিজেপি
বাঙালী আর একটা অগ্ণি স্ফুলিঙ্গের অপেক্ষায়
প্রতিকুলতাকে প্রতিহত করে এগিয়ে চলার দুর্জয় ইচ্ছাশক্তি বাঙালীর আছে
মশাহীন দেশের তকমা ধরে রাখতে পারল না আইসল্যান্ড
বিকশিত বাঙলার মিথ্যা প্রতিশ্রুতি নয় মানবতার আর্থিক মুক্তি চাই

প্রবন্ধ শিরোনাম

গোরাচাঁদ ও একতারা
ভারত যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক অধিকার রক্ষা ও সংবিধানকে বাঁচিয়ে রাখার প্রধান দায়বদ্ধতা হলো যৌথভাবে কেন্দ্র ও রাষ্ট্রের নির্বাচন কমিশনেরই আর স্বৈরাচারিতাকেও নিয়ন্ত্রণ করা!
হিংস্র দুঃসময় বাঙালীর দুয়ারে
আর্থিক বিকাশ শেষ কথা নয়
গোরাচাঁদ ও একতারা
নাগরিকত্ব প্রত্যেক মানুষের মৌলিক অধিকার---তথাকথিত এস আই আর এর নামে একজনও বাঙালীর নাগরিকত্ব হরণ করা চলবে না--- চক্রান্ত করে তথাকথিত এস আই আর-এর মাধ্যমে কোন বাঙালীকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা যাবে না
কেন্দ্র সরকারের ডি.এ নিয়ে বোটবাজীটা নির্বাচন প্রাক্কালে এটা কোন ধরনের কেন্দ্র সরকারের গণতান্ত্রিক সেবা
গণতান্ত্রিক অধিকার সুরক্ষার এস.আই.আর প্রক্রিয়া ফ্যাসিবাদী হিন্দুত্বের আগ্রাসনের হাতিয়ার

পুরানো মাসিক খবর

  • February 2026 (220)
  • August 2022 (106)
  • July 2022 (93)
  • June 2022 (167)
  • May 2022 (92)
Pagination
  • Page 1
  • Next page ››
আরও আগের খবর
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved