Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

গণতন্ত্রের বেদীতে স্বৈরাচারী আমলা- বাঙলায় ক্ষমতার অপপ্রয়োগ করছে কমিশনার

নিজস্ব সংবাদদাতা
Sat, 11-04-2026

আদালতে যখন মামলা বিচারাধীন, এত তাড়াহুড়োর কী ছিল? বাছাই পর্বের প্রক্রিয়া আরও আগে করা উচিত ছিল৷ ২০০ জনের নাম ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে, তাদের সম্পর্কে জানার ও বিবেচনা করার সময় দেওয়া হয়নি৷ বাছাই-এর দিন কয়েক জনের নাম ধরিয়ে দেওয়াটা কি ঠিক? পাঁচ জনের মধ্য থেকে একজন বাছতে হলে দুজনের জন্যে দশ জন কেন নয়? ছয়জন কেন? বাছাই পর্বের প্রক্রিয়া কি আরও আগে শুরু করা যেত না? কয়েকটা দিন অপেক্ষা করা যেত না? বিরোধী দল নেতার অভিযোগ তো ভুল নয়৷

ঠিকদুবছর আগে ২০২৪ সালের ২১শে মার্চ নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ মামলায় এইভাবেই কেন্দ্রীয় সরকারকে ভর্ৎসনা করেছিল দেশের শীর্ষ আদালত৷ সেদিন বিচারপতি সঞ্জীব খান্না ও বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তের ডিভিশন বেঞ্চ বিরোধী দলনেতার অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করেও নিয়োগ বাতিল বা স্থগিতাদেশ দেয়নি সামনে নির্বাচন থাকায়৷ তবে শীর্ষ আদালতের মন্তব্য ছিল কমিশনকে সুষ্ঠুভাবে ও স্বাধীনভাবে কাজ করতে হবে৷

দেশের রাজনৈতিক মহল,বুদ্ধিজীবী ও সচেতন নাগরিকগণ সেদিনই বুঝে গিয়েছিল এত তড়িঘড়ি নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের কারণ হাতে একজন দলদাস তৈলমর্দনকারী পাওয়া গেছে৷ নির্বাচনের দিন ঘোষনা থেকে শুরু করে যেভাবে বদলি পক্রিয়া শুরু করেছে তাতে স্পষ্টই অনুভূত হয় এই নির্বাচন কমিশনার কোন স্বাধীন সত্তা নয়, ইনি একজন দলীয় দালাল, পশ্চাত থেকে দলের অঙ্গুলী হেলনে চলে৷ তবে দলদাস নির্বাচন কমিশনার যেটা বুঝেছে সেটা কিন্তু মোদি অমিত শাহ অনেক আগেই বুঝে গেছে৷ সোজা পথে বাঙলা দখল এত সহজ হবে না৷ দেশ বন্ধু সুভাষচন্দ্রের মাটিতেই নরেন গোঁসাই, নেত্র সেনরা জন্মেছে৷ তাই সাহ মোদিরা বাঙলায় এসে কিছু বিশ্বাসঘাতকে অবশ্যই সাথে পাবে৷ কিন্তু তাদের দিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন করিয়ে বাঙলা দখল সম্ভব হবে না কোন দিনই৷ তাই এস.আই.আর থেকে শুরু করে নির্বাচনের দিন ঘোষনার আগেই আধা সেনা পাঠিয়ে দেওয়া, দিন ঘোষনার পর মধ্যরাত থেকেই প্রশাসনে যেভাবে বদলি শুরু হয়েছে তার পিছনে অন্য কোন কারণ আছে৷ তাই এভাবে ক্ষমতার অপপ্রয়োগ করছে দলদাস নির্বাচন কমিশনার৷

তবেনির্বাচন কমিশনার ভুলে যেন না যায় বাঙলার মাটি বড় শক্ত ঘাঁটি৷ কেন্দ্রীয় সরকারের তল্পিবাহক হয়ে আধা সেনা দিয়ে তৃণমূলের ভোট আটকানো যেতে পারে, ইভিএম কারসাজীও হতে পারে৷ জনমতের বিপরীত ফল ফলতে যতরকম অবৈধ, স্বৈরাচারী পদক্ষেপ আছে সব আপনার হাতে--- কারণ আপনি কেন্দ্রীয় শাসক দলের তৈলমর্দনকারী তল্পিবাহক আমলা৷ তারপর জনমত বদলাতে পারেন বৈজ্ঞানিক রিগিং করে৷ কিন্তু জনপথ রুদ্ধ করতে পারবেন না৷ সে পথে এসে আপনাকে দাঁড়াতেই হবে৷ প্রধানমন্ত্রীর রক্ষাকবচ চিরদিন থাকবে না৷ গণতন্ত্র যখন বিপন্ন হয় জনগণ তখন ভিন্ন পথে গণতন্ত্রে ফিরতে চায়৷

 

 

Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved