নির্বাচনী খেলা শুরু হতেই নেতাদের মুখে উস্কানিমূলক ভাষণ৷ কয়েকদিন আগে বিগ্রেডে এসে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীও হুমকির সুরে বিগ্রেড কাঁপিয়ে গেছেন৷ বলা বাহুল্য বিগ্রেডের সমাবেশের বৃহৎ অংশই ভিনরাজ্য থেকে এসেছিল৷ প্রধানমন্ত্রী বাঙলার তৃণমূল নেত্রীর কাছে একাধিকবার পরাজিত হয়ে প্রতিহিংসা পরায়ণ হয়ে উঠেছেন৷ আর্থিক বঞ্চনা তো আছেই, সেই সঙ্গে এবার বঙ্গ দখলে নানা অগণতান্ত্রিক উপায় অবলম্বন করছেন৷ যার শুরু দুবছর আগে নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ থেকে৷ জ্ঞানেশের নিয়োগ পদ্ধতি নিয়েই শীর্ষ আদালত কেন্দ্রীয় সরকারকে ভর্ৎসনা করেছিল৷ নিয়োগ পদ্ধতিতেই কেন্দ্রীয় সরকারের স্বৈরাচারী আগ্রাসনের স্বরূপ দেখা গিয়েছিল৷ আজ সেই দল দাস কমিশনার এস.আই.আর থেকে শুরু করে সর্বস্তরে চরম বাঙালী বিদ্বেষী আচরণ করছে৷
উত্তর ও পশ্চিমভারতের নেতা আমলারা চিরকালই বাঙালী বিদ্বেষী৷ কিন্তু বাঙলার নেতারা তাদেরই তাঁবেদারই করে গেছে৷ তাই স্বাধীনতার পর দেশভাগের বলি পঞ্জাব যেভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাঙলা পারেনে৷ এর দায় বাঙলার রূপকার বিধান রায়ের৷ পশ্চিম পাকিস্তান থেকে আগত উদ্বাস্তুরা যেভাবে ক্ষতিপূরণ পেয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বাঙলার নেতারা তার কণামাত্র পায়নে৷ অপরদিকে বাঙলার আর্থিক সম্পদ লুন্ঠন হয়েছে শিল্প সাহিত্য সংস্কৃতির অধঃপতন হয়েছে বাঙালী জাতির মেরুদণ্ড ভেঙে দিয়েছে৷
আজ পুঁজিবাদী শোষণে ও স্বৈরাচারী শাসকের শাসনে বাঙলা ভয়ঙ্কর বিপদের সম্মুখীন৷ কয়েক কোটি বাঙালীকে নাগরিকহীন করার চক্রান্ত আছে কেন্দ্রীয় সরকারের৷
আসন্ন নির্বাচনে যেন-তেন প্রকারে বাঙলা দখলের চেষ্টা করবে মোদি শাহ জুটি৷ তারা যদি সফল হয় তবে আগামী দিনে বাঙলা হবে দ্বিতীয় বিহার৷ তাই বাঙালী জাতিকে এই নির্বাচনে জোট বদ্ধ হয়ে বিজেপিকে রুখতেই হবে৷ নতুবা বাঙলার সর্বনাশ! বাঙালীর সর্বনাশ!