Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

কাঁটাল সম্পর্কে

শ্রী প্রভাতরঞ্জন সরকার

কাঁটাল ভারত ও দক্ষিণ – পূর্ব এশিয়ার একটি নামকরা ফল৷ শব্দটির উৎপত্তি সংস্কৃত ‘কন্টকীফিলম্’ থেকে অর্থাৎ যে ফলের গায়ে কাঁটা আছে৷ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে প্রায় ৪৭ প্রজাতির কাঁটাল পাওয়া যায়৷ কাঁটাল একটি পুষ্টিকর খাদ্য, তবে কিছুটা দুষ্পাচ্য৷ কাঁচা কাঁটাল (যাকে বাংলায় এঁচোড় বলা হয়) গুণগত বিচারে মাংসের সমান, অথচ মাংসের তামসিক দোষ এতে নেই৷ বাংলায় কাঁচা কাঁটালকে অনেকে ‘গাছপাঁঠা’ বলে থাকেন৷ কাঁটালের বীজ আলুর চেয়েও অনেক বেশী পুষ্টিকর ও সুস্বাদু৷ ভারতে আলু আসবার আগে পর্যন্ত ভারতের মানুষ কাঁটাল বীজই মুখ্য তরকারীরূপে ব্যবহার করত৷ এখনও খাদ্য হিসেবে কাঁটাল বীজের ব্যবহার আছে৷ কাঁটালের একটি ভিন্ন প্রজাতি ৷ রুটিফল  (ব্রেড ফুরট) কাঁটালের চেয়ে বেশী পুষ্টিকর ও সুস্বাদু হলেও পাকা অবস্থায় ফলটি অত্যন্ত দুর্গন্ধযুক্ত৷ কাঁটালের একটি বন্য প্রজাতিকে চামল বলে৷ যদিও দেখতে প্রায় একই কিন্তু কাঁটালের মত অত স্বাদিষ্ট নয়৷ কাঁটালের মত এর থেকেও ভেজি – মিট বা নিরামিষ মাংস তৈরি হতে পারে৷  –শব্দ চয়নিকা থেকে 

 

 

Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved