কাঁটাল ভারত ও দক্ষিণ – পূর্ব এশিয়ার একটি নামকরা ফল৷ শব্দটির উৎপত্তি সংস্কৃত ‘কন্টকীফিলম্’ থেকে অর্থাৎ যে ফলের গায়ে কাঁটা আছে৷ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে প্রায় ৪৭ প্রজাতির কাঁটাল পাওয়া যায়৷ কাঁটাল একটি পুষ্টিকর খাদ্য, তবে কিছুটা দুষ্পাচ্য৷ কাঁচা কাঁটাল (যাকে বাংলায় এঁচোড় বলা হয়) গুণগত বিচারে মাংসের সমান, অথচ মাংসের তামসিক দোষ এতে নেই৷ বাংলায় কাঁচা কাঁটালকে অনেকে ‘গাছপাঁঠা’ বলে থাকেন৷ কাঁটালের বীজ আলুর চেয়েও অনেক বেশী পুষ্টিকর ও সুস্বাদু৷ ভারতে আলু আসবার আগে পর্যন্ত ভারতের মানুষ কাঁটাল বীজই মুখ্য তরকারীরূপে ব্যবহার করত৷ এখনও খাদ্য হিসেবে কাঁটাল বীজের ব্যবহার আছে৷ কাঁটালের একটি ভিন্ন প্রজাতি ৷ রুটিফল (ব্রেড ফুরট) কাঁটালের চেয়ে বেশী পুষ্টিকর ও সুস্বাদু হলেও পাকা অবস্থায় ফলটি অত্যন্ত দুর্গন্ধযুক্ত৷ কাঁটালের একটি বন্য প্রজাতিকে চামল বলে৷ যদিও দেখতে প্রায় একই কিন্তু কাঁটালের মত অত স্বাদিষ্ট নয়৷ কাঁটালের মত এর থেকেও ভেজি – মিট বা নিরামিষ মাংস তৈরি হতে পারে৷ –শব্দ চয়নিকা থেকে