Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

ককেশিয়ান আর্য, প্রাচীন ইরান ও গমের ইতিকথা

শ্রী প্রভাতরঞ্জন সরকার

আজ ককেশীয় রক্ত ও মঙ্গোলীয় রক্তের মিশ্রণ ঘটায় তাঁদের গাত্রবর্ণে পরিবর্তন অবশ্যই এসেছে, আকারে প্রকারে তফাৎ অবশ্যই এসেছে৷ কিন্তু মুখ্যতঃ আকারে রাঢ়ী৷ জাত–বাঙাঙ্গলীরা যদি হয় খাঁটি সোণা, তা হলে তথাকথিত উচ্চ–বর্ণীয়েরা বিশেষ করে কায়স্থরা সেই সোণার ওপর একটি চক্চকে ধরনের মিনের কাজ (enameled gold)৷

ককেশীয় আর্যদের দ্বিতীয় বাসভূমি হ’ল ককেশাস, ইয়ূরাল ও আংশিকভাবে ভালগা নদীর অববাহিকা৷ ভূমির কঙ্করময়তা ও শৈত্যাধিক্যের দরুণ বৎসরের অনেক সময়েই তাদের নিষ্ক্রিয় হয়ে থাকতে হ’ত.....খাদ্যের চিন্তায় তাদের ব্যতিব্যস্ত করে দিত ও অতিমাত্রায় মাংসভোজী হতে বাধ্য করত৷ জীবনধারণের তাড়নায় তাই তারা বেরিয়ে পড়ল নবদেশের সন্ধানে নব সূর্যের আহ্বানে৷ এবার হ’ল তারা দক্ষিণমুখী৷ হ্যাঁ, ককেশীয় আর্যদের যে শাখাটি পশ্চিমমুখী হয়েছিল তারাই বর্তমানে ইযূরোপীয়ান বা ইয়ূরো–এরিয়ান৷ যারা দক্ষিণমুখী হ’ল তারা হ’ল ইয়ূরো–ইরানিয়ান বা আর্য–পারসিক৷ পারস্য দেশে তারা কিছুকাল থমকে দাঁড়াল৷ তারপর একটি শাখা পারস্যে থেকেই গেল৷ তারা ককেশীয় শাখার পাশাপাশি থেকে যাওয়ায় আকারে–প্রকারে অনেকখানি ককেশীয়দের কাছাকাছি থেকে গেল৷ গায়ের রঙের জেল্লা–জৌলুষ ততটা রইল না ঠিকই, তবে গাত্রবর্ণে শ্যামবর্ণ বা কৃষ্ণবর্ণ তারা হয়নি৷ এদেরই আরেকটি শাখা হ’ল পূর্বাভিমুখী৷ তারা গান্ধারদেশ, কশ্মীর–সন্তসিন্ধু (পঞ্জাব), হরিৎধান্য হয়ে প্রবেশ করল গঙ্গা–যমুনার অববাহিকায় ব্রহ্মাবর্তে ও ব্রহ্মর্ষিদেশে৷ এবার তারা চলল পূর্বাভিমুখে৷ তাঁদের রক্তের ছাপ, রক্তের ছোঁয়াচ কিছুটা লাগল রাঢ়ের কায়স্থদের অস্থি–মজ্জায়–চর্মে–চ্৷ রাঢ়ী কায়স্থরাই পদ্মা পার হয়ে হ’ল বঙ্গজ কায়স্থ, মহানন্দা পেরিয়ে হ’ল বারেন্দ্র কায়স্থ (কলিতা)৷ বাঙলার সমস্ত কায়স্থ সাবেকী রাঢ়ী কিন্তু তাতে ককেশীয় আর্যদের ছাপ কিছুটা রয়ে গেছে৷ তাঁরা যদি নিজেদের বহিরাগত বলে ভাবেন তাহলে তাঁরা ভুল করবেন৷ 

আসল কথায় আবার ফিরে আসি৷ ককেশীয় আর্যদের পিতৃভূমি ছিল কঙ্করময় অনুর্বর এলাকা৷ আর্যরা যখন চাষ করতে শিখল অতিকষ্টে তাঁরা ফলালেন যই (‘যবকা’ ঃ Oats) ও যব (বার্লিক ঃ Barley)৷ পেটের দায়ে তাঁরা ওই সব জিনিস অবশ্যই খেতেন, যেমন খেতেন নির্দ্বিধায় পশু বধ করে তাদের যকৃৎ, প্লীহা, হূদপিণ্ড৷ সিংহ–নেকড়ে–হায়েনা তাঁদের খাদ্যতালিকা থেকে বাদ পড়ত না (ওটা ঠাণ্ডা দেশ....বাঘের দেশ নয়, নইলে তাঁরা বাঘকেও খেত)৷ খাদ্যের সন্ধানে পারস্যে এসে তাঁরা এলেন ধানের ও গমের সংস্পর্শে৷ মনে রেখো, ধানের সংস্কৃত ‘ধান্য’ নয়, –ব্রীহি৷ ‘ধান্য’ মানে শষ্প, অর্থাৎ সবুজ গাছপালা বা ন্ধব্জন্দ্বন্দ্বু ন্দ্বন্ধন্দ্বব্ধ্ত্রব্ধন্৷ ‘ব্রীহি’ শব্দের অর্থ হ’ল মুখ্য খাদ্য৷ ধানের স্বাদ পেয়ে আর কি কারোর জিবে যব–যই রোচে৷ তাঁরা ধানের নাম দিলেন ‘ব্রীহি’৷ পরবর্তীকালে লাতিনে হয়ে দাঁড়াল ‘ব্রীহি’...বর্তমান ইংরেজী ব্জন্ন্তুন্দ্ব বা রাইস এসেছে স্কাণ্ডিনেবিয়ার এ্যাংলো–স্যাক্সনদের মুখের বাহকতায়৷ ধানকে বলা হয় ‘ব্রীহি’ কারণ ধানের মাধ্যমে তাঁরা পেলেন নানান ধরনের ভোজ্য–মুড়ি (‘হুড়ম্ব’ বা ‘হুড়ুম্বু), রুটি (রোটিকা), চাপাটি (চর্পটিকা), পুরি (সোমালিকা), লুচি (সক্কুলী বা সঙ্কুলী), পরোটা (প্রিয়রোটিকা বা পররোটিকা), চিঁড়ে (চিপিটকম্), খই (লাজ বা খাদিকা ঃ খদিকা ঞ্ছ খইআ ঞ্ছ খই ঃ মদিকা ঞ্ছ মইআ ঞ্ছ মই), সুজি (স্বাদজিৎ), চাল 

 

 

Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved