Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

কলার মোচার উপকারিতা

শ্রী প্রভাতরঞ্জন সরকার

প্রাচীন ৰাংলায় ‘মোচা’ শব্দের অর্থ ছিল ৰড় আকারের ফুল, আর ‘মুচি’ ছিল ছোট আকারের ফুল৷ কলার ফুলকে ৰলা হয় মোচা আর কাঁটাল বা নারকোলের ফুলকে বলে মুচি৷

লিবার (যকৃত) ও প্লীহা রোগে ঃ প্রাচীন ৰাংলায় মোচাকে একটি সুখভোগ্য খাদ্য বলে মনে করা হত৷ ঈষৎ ক্ষারযুক্ত হওয়ায় মোচা লিবার ও প্লীহা এ দু’য়ের পক্ষেই ভাল ঙ্মতরকারী হিসেবেৰ৷

মধুমেহ, বহুমূত্র, কিডনী, মূত্রাশয়ের রোগে ঃ মধুমেহ, বহুমূত্র, কিডনী ও মূত্রাশয়ের ত্রুটিতে মোচা ঙ্মএর তরকারীৰ বেশী ভাল৷ কাঁচকলার মোচায় বেশী ক্ষার থাকায় স্বাদ একটু কষা, কিন্তু এর হাত থেকে পরিত্রাণের পথও আছে৷ আগের দিন রাত্রে কাঁচকলার মোচাকে কুচিয়ে নিয়ে যদি তেঁতুল রসযুক্ত ঈষৎ গরম জলে ভিজিয়ে রাখা হয় ও ভোর বেলায় যদি সেই মোচাকে চট্কে, সেই আগের জলটা ফেলে দিয়ে, আরেকবার তাজা জলে ধুয়ে ফেললে, তবেই কাঁচকলার মোচাতে কষা–রসের আধিক্য থাকে না৷

ৰীচে কলার মোচার স্বাদও অনুপম৷ তার ওপর তা যদি গর্ভমোচা হয়, তাহলে তো কথাই নেই৷ সেক্ষেত্রে লোকে পোলাও–কালিয়া ছেড়ে মোচার ঘন্ট খেতে ছুটতে ছুটতে আসবে৷ অনেকেই এই মোচার ঘন্ট খাবার জন্যে পুকুর পাড়ে ৰীচে কলার গাছ লাগিয়ে থাকেন৷

শ্রীমন্মমহাপ্রভু (শ্রীচৈতন্যদেব) এই মোচার ঘন্ট খেতে ভালবাসতেন৷ ক্বচিৎ কখনো যখন শান্তিপুরে আসতেন তখন শচীদেবী নবদ্বীপ থেকে নৌকোযোগে সেখানে উপস্থিত হতেন ও মহাপ্রভুকে বেথো শাক ভাজা, পাট শাকের চচ্চড়ি ও মোচার ঘন্ট খাওয়াতেন৷

ৰুদ্ধিজীবীদের জন্যে ঃ মোচা মস্তিষ্ককে স্বাভাবিক রাখার কাজে সাহায্য করে, তাই ৰুদ্ধিজীবীদের পক্ষে মোচা একটা উত্তম খাদ্য ঙ্ম যদি কোষ্ঠকাঠিন্য না থাকেৰ৷

মোচা অর্শের ওষুধ না হলেও প্রতিষেধক অর্থাৎ কোষ্ঠকাঠিন্য ৰাড়াৰাড়ি অবস্থায় না থাকলে লিবার সুস্থ রাখার জন্যে মাঝে মাঝে খাওয়া যেতে পারে৷

 

Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved