আমেরিকা ও চীনের মধ্যে চলছে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা৷ সেই আবহেই এবার নয়া বিতর্ক৷ মানুষের ইনপুট ছাড়াই কোডিং ব্যবহার করে নিজেকে আরও আপডেট করে তুলছে এআই৷ সেল্ফ ডেভেলপমেন্টের এই প্রক্রিয়া নিয়ে অনেকেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন৷ বিশ্বের শীর্ষ এআই সংস্থা অ্যানথ্রোপিক থেকে ইস্তফা দিয়ে ভয়ংকর ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন গবেষক জ্যাকব কক্সন৷ তাঁর সতর্কতা, রাশ না টানলে এক দশকেই পৃথিবীকে মানবশূন্য করে দেবে এআই৷ কক্সনের আশঙ্কা নিয়ে সহমত প্রকাশ করেছেন অ্যানথ্রোপিকের সিইও দারিও আমোদেই৷ বলেছেন, ‘এখনই সতর্ক হতে হবে৷ এআই নিয়ে অত্যাধুনিক গবেষণার গতিতে রাশ টানতে হবে৷ যাতে নজরদারি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলার পর্যাপ্ত সময় পাওয়া যায়৷ সুরক্ষাবিধি আরও জোরদার করা যায়৷’ যদিও মার্কিন এআই শীর্ষকর্তাদের এইসব যুক্তিকে আমল দিতে নারাজ চীন৷ এব্যাপারে আমোদেইয়ের পরামর্শের তীব্র সমালোচনা করল চীনের সরকারি সংবাদ মাধ্যম গ্লোবাল টাইমস৷ তাদের তোপ, এইসব সতর্কবার্তা নিছক ‘ঠান্ডাযুদ্ধের কৌশল’৷ এর উদ্দেশ্য, চীনের প্রযুক্তিগত উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে প্রতিহত করা৷
শীর্ষ মার্কিন এআই কর্তাদের সতর্কবাণী সম্পর্কে চীনা সংবাদমাধ্যমে বলা হয়েছে, এই নীরব এআই ঠান্ডাযুদ্ধ ভণ্ডামি ও অদূরদর্শীতায় ভরা৷ ঘটনাচক্রে, দেশের এআই সংস্থাগুলির শীর্ষকর্তাদের আশঙ্কা উড়িয়ে দিয়েছেন স্বয়ং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও৷ ট্রাম্প বলেছেন, ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় আমরা চীনকে ছাড়িয়ে গিয়েছি৷ আমরা বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত দেশ এবং সত্যি বলতে আমি এই অবস্থাটা বজায় রাখতে চাই৷ কারণ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় যে জিতবে, সেই আসল বিজয়ী হবে৷’ এই বিষয়টি শীঘ্রই আমেরিকা-চীন সরাসরি আলোচনার অংশ হয়ে উঠতে পারে৷ ট্রাম্প এবং চীনের প্রেসিডেন্ট জি জিনপিংয়ের মধ্যে ২৪ সেপ্ঢেম্বরের বৈঠকেও এই ইস্যুটি আলোচনায় উঠতে পারে বলে খবর৷