Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

নিরঙ্কুশ পুঁজিবাদ ও রাজনীতিতে দুর্বৃত্তায়ণ রুখতে সংবিধান সংশোধনের প্রয়োজন

নিজস্ব সংবাদদাতা
Thu, 23-04-2026

আমরা বাঙালী কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শ্রী জয়ন্ত দাস বলেন--- আমরা বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশ বলে বড়াই করি কিন্তু এদেশে জনগণের শাসন বলে কিছু নেই৷ রাজনৈতিক নেতাদের ঘাড়ে বন্ধুক রেখে কয়েকজন পুঁজিপতি দেশ চালায়৷ ভারতবর্ষে গণতন্ত্রের ব’কলমে ধনতন্ত্র দেশ শাসন করে৷ পুঁজিপতিরাই তাদের স্বার্থে রাজনীতিতে দুর্বৃত্তের অনুপ্রবেশ ঘটায়৷ শ্রীদাস বলেন তথাকথিত রাজনৈতিক দলগুলি পুঁজিপতিদের দুর্বৃত্ত পোষার খাঁচায় পরিণত হয়েছে৷ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে বিধবস্ত জাপান আজ উন্নত দেশ আর সবরকম সম্পদ ও সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও ভারত তৃতীয় বিশ্বের তকমা আঁটা একটি দেশ৷ এর অন্যতম কারণ স্বাধীনতার জন্মলগ্ণ থেকেই দেশ শাসনের ভার ক্ষমতালোভী রাজনৈতিক নেতা ও শোষক পুঁজিপতিদের হাতে চলে যায়৷ আজ ভারতবর্ষের সম্পদের সিংহভাগ মুষ্টিমেয় কয়েকজন পুঁজিপতিদের কুক্ষিগত৷ প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীকে সবকা বিকাশের কথা শোনায়, কিন্তু গত ১২ বছরে পুঁজিপতিদের আর বেড়েছে কয়েকগুন করে, বিজেপির দলীয় তহবিল উপচে পড়েছে আর সাধারণ মানুষ আরও গরীব হয়েছে, বেকারত্ব বাড়ছে, আর্থিক বৈষম্য বাড়ছে৷

শ্রীদাসের কথায় আদর্শ নেতৃত্ব ও উপযুক্ত পরিকল্পনার মাধ্যমে পুঁজিবাদের হস্তগত কেন্দ্রীত অর্থনীতির খোলনলচে পাল্টাতে হবে ও রাজনীতিকে দুর্নীতিমুক্ত করতে হবে৷ এর জন্যে প্রয়োজন জনগণের সচেতনতা, বিকেন্দ্রিত আর্থিক পরিকল্পনা ও ভারতীয় সংবিধানকে ত্রুটিমুক্ত করতে হবে৷ এ বিষয়ে প্রাউট প্রবক্তা শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকার তাঁর সামাজিক অর্থনৈতিক তত্ত্বে সুনির্দিষ্ট পথ নির্দেশনা দিয়েছেন৷ অর্থনীতির প্রাথমিক পরিকল্পনায় তিনি বলেছেন বৈচিত্র্যময় ভারতে জাতিগত বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী প্রতিটি জনগোষ্ঠীর সার্বিক বিকাশের জন্যে নিজস্ব সামাজিক অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে ১০০ শতাংশ কর্ম সংস্থান ও ক্রয়ক্ষমতা দিতে হবে৷ এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করতে প্রয়োজন আদর্শ নেতৃত্ব ও আদর্শ সংবিধান৷ নেতৃত্বকে হতে হবে শারীরিক সক্ষম, মানসিকতায় দৃঢ় ও আধ্যাত্মিকতায় প্রতিষ্ঠিত উদায় অসম্প্রদায়ীক৷

আদর্শ সংবিধান বিষয়ে শ্রী দাস বলেন প্রাউটের দৃষ্টিতে শোষন প্রতিহত করতে ও রাজনীতিতে দুর্বৃত্তায়ন রুখতে সংবিধানের সাধারণ ত্রুটিগুলি দূর করতে হবে৷ প্রথম কথা জনগণের কমপক্ষে ৫১ শতাংশ মানুষকে সামাজিক অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক বিষয়ে সচেতন হতে হবে৷ তবেই তারা বোটাধিকার পাবে৷ নতুবা অসচেতন নাগরিকদের বিভ্রান্ত করে অসৎ লোকেরা নির্বাচনে জিতে আসতে পারে, আসছেও৷ দ্বিতীয়ত পুঁজিপতি শোষন প্রতিহত করার ব্যবস্থা সংবিধানে রাখতে হবে৷ নতুবা দেশীয় পুঁজিপতিদের সীমাহীন শোষণে লাগাম টানা যাবে না৷ এরপর সুস্থ জীবন ধারণের নূ্যনতম প্রয়োজন পূর্তির জন্য প্রতিটি মানুষের ক্রয়ক্ষমতায় নিশ্চিততা দিতে হবে৷ সামাজিক অর্থনৈতিক উন্নতির জন্যে ব্লকভিত্তিক পরিকল্পনার ব্যবস্থা রাখতে হবে৷ তাই রাজনীতি থেকে দুর্বৃত্তদের বিতাড়ণ করতে ও নিরঙ্কুশ পুঁজিপতি শোষণ রুখতে ভারতীয় সংবিধানের ত্রুটিগুলি সংশোধন করতে হবে৷

 

Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved