Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

রাজ্যপাল---গণতন্ত্রের কীলক?

আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

গণতন্ত্র সম্বন্ধে বহুল প্রচলিত কথা হচ্ছে--- জনগণের দ্বারা, জনগণের জন্যে, জনগণের সরকার৷ এ নিয়ে কোন বিতর্ক চলে না যে এযাবৎ প্রচলিত রাষ্ট্রপরিচালনার যত পদ্ধতি আছে তার মধ্যে গণতন্ত্র ভালো৷ সোজা কথায় বলা যায়--- গণতন্ত্র মন্দের ভালো৷ কারণ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জনগণের উপর কিছুটা নির্ভর করতেই হয়---বিশেষ করে সেইসব রাষ্ট্রে যেখানে সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণ সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক বিষয়ে খুবই সচেতন৷ জনগণ যদি এইসব বিষয়ে সচেতন না থাকে তবে তারা ধূর্ত চতুর রাজনীতির শিকার হয়ে ভুল পথে চালিত হয়৷ সাম্প্রতিককালে বাঙলাদেশ তার উদাহরণ৷ তবে শেষ পর্যন্ত স্বৈরাচারের পতন একদিন না একদিন হয়ই৷ সে গণতন্ত্র হোক, রাজতন্ত্র হোক বা একনায়ক তন্ত্রই হোক৷

আলোচনার বিষয় ভারতীয় গণতন্ত্র৷ ভারতবর্ষকে যারা এক ভাষা, এক ধর্মমতের দেশ গড়তে চাইতে তারা অর্বাচীন---মুর্খের স্বর্গে বাস করছে৷ ইতিমধ্যে ধর্মের ভিত্তিতে ও ভাষার ভিত্তিতে ভারতবর্ষ একবার করে ভাগ  হয়েছে৷ যার যন্ত্রণা তিন পারের মানুষকে আজও ভোগ করতে হচ্ছে৷ প্রবাদ আছে---‘কেউ শেখে দেখে, কেউ শেখে ঠেকে৷’ এ হতভাগ্য দেশের শাসকগণ দেখেও শেখে না, ঠেকেও শেখে না৷ তাই সেই ধর্মমত আর ভাষাকে অবলম্বন করে রাজনৈতিক ময়দান কাঁপাচ্ছে ধূর্ত মুর্খের দল৷ এর অন্তিম পরিণতির জন্যে দেশবাসীকে অপেক্ষা করতে হবে৷

এখানে আলোচ্য বিষয় যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোয় বহুদলীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় রাজ্যপালের নিয়োগ ও ভূমিকায় প্রথমেই জেনে রাখা দরকার ভারতীয় গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার কয়েকটি ত্রুটির কথা৷ প্রথম ত্রুটি ভোটাধিকার---সাবালোক প্রাপ্ত হলেই ভোট দেবার অধিকার পেয়ে যায় দেশের জনগণের৷ ভোটার তালিকা তৈরীর সময় জনগণের সামাজিক অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সচেতনতার কথা বিবেচনা করা হয় না৷ ভারতীয় গণতন্ত্রের সবথেকে বড় ত্রুটি এটাই৷ জনগণের এই অজ্ঞতাকে ভাঙিয়েই ধূর্ত অসত, কপটাচারীর দল রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রক্ষমতাকে কুক্ষিগত করে রেখেছে৷ তবে ভারতে আসল ক্ষমতা কুক্ষিগত আছে মুষ্টিমেয় কিছু ধনকুবেরদের হাতে৷ রাজনৈতিক নেতা শাসকরা তাদের হাতের কলের পুতুল মাত্র৷ জনগণ এসব বোঝে না৷ যারা বোঝে তাদের সংখ্যা নগণ্য৷ তাই শাসক নির্বাচনে তাদের বড় কোন ভূমিকা থাকে না৷ ভারতীয় গণতন্ত্রে শাসক নির্বাচন সংখ্যাধিক্যের ওপর নির্ভর করে, ভোটারের গুনমানের ওপর নয়৷ তাই রাজনীতিতে এত অসতের ভীড়৷ পশ্চাতে অঙ্গুলী হেলন ধনকুবেরদের৷

তাই জনগণের জন্যে জনগণের দ্বারা জনগণের সরকার হয়ে দাঁড়ায় ধনকুবেরদের জন্যে, ধনকুবেরদের দ্বারা ধনকুবের সরকার৷ ভারতীয় যুক্তরাষ্ট্রে-কেন্দ্র ও রাজ্যসরকারের মধ্যে ক্ষমতা ভাগ করে দেওয়া আছে৷ রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা শিক্ষা, কৃষি, স্বাস্থ্য, স্থানীয় শাসন সংক্রান্ত বিষয়গুলো রাজ্য সরকারের ওপর থাকলেও কেন্দ্রের মন পছন্দের সরকার না হলে কেন্দ্রীয় আইন প্রাধান্য পায়৷ সেই আইনের প্রাধান্য বিস্তার করতেই জনগণের নির্বাচিত সরকারের মাথায় কেন্দ্রের মনোনীত মাতববর হয়ে আসেন রাজ্যপাল৷ যেমন আইন প্রণয়ন রাজ্যের হাতে থাকলেও সবটাই নির্ভর করে রাজ্যপাল ও রাষ্ট্রপতির ওপর৷ রাজ্যপাল প্রত্যক্ষভাবে কেন্দ্রীয় সরকার দ্বারা মনোনীত হয়৷ তাই কেন্দ্রীয় শাসকদলের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত ব্যষ্টিকেই রাজ্যপাল করে পাঠানো হয়, বিশেষ করে বিরোধী শাসিত রাজ্যগুলিতে৷ শিক্ষাক্ষেত্রেও বিশ্ববিদ্যালয়গুলির উপাচার্য হতে হলে পি.এইচ.ডি ডিগ্রিধারী হতেই হবে৷ আনুসাঙ্গিক গুণাবলীরও প্রয়োজন৷ কিন্তু সেই উপাচার্যের মাথায় আচার্য করে বসিয়ে দেওয়া হয়েছে রাজ্যপালকে যার কোন শিক্ষাগত যোগ্যতা না থাকলেও হবে৷ এইভাবেই রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা, শিক্ষা স্বাস্থ্য আইন-প্রণয়ন প্রভৃতি বিষয় সরকারের হাতে থাকলেও মাথার উপর মাতববরী করতে রাজ্যপালকে বসিয়ে দেওয়া হয়েছে৷ এ যেন ভাঁড়ার ঘরের দায়িত্ব বউমার হাতে থাকলেও ভাঁড়ারের চাবি শাশুড়ির হাতে৷ বর্তমানে বেশ কয়েকটি রাজ্যে কেন্দ্র বিরোধী সরকার থাকায় রাজ্যপালদের সাংবিধানিক ক্ষমতার অপব্যবহার করতে দেখা যায়৷ তাই ভারতীয় গণতন্ত্রে কেন্দ্র বিরোধী রাজ্য সরকারের কাছে রাজ্যপাল গণতন্ত্রের খোঁজ৷ জনগণ দ্বারা নির্বাচিত রাজ্য সরকারের মাথায় কেন্দ্রের মনোনীত শাসন

 

  • Log in to post comments
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved