৫০ দিনের মাথায় পদত্যাগ করলেন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান৷ আন্দোলনের গতিপ্রকৃতি প্রধানমন্ত্রীর অস্বস্তি বাড়াচ্ছিল৷ শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীরও পদত্যাগের দাবি উঠেছিল৷ আন্দোলনও ছড়িয়ে পড়ছিল দেশের সীমানা পেরিয়ে বিদেশের মাটিতে৷ এমতাবস্থায় শিক্ষা মন্ত্রীর পদত্যাগ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর কাছে অন্য উপায় ছিল না৷
গত ১৫ইমে এক মামলায় সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি মন্তব্য করেন--- জাল ডিগ্রীধারী ও কিছু বেকার যুবক আরশোলার মত পরজীবী হয়ে সমাজ ও বিচার ব্যবস্থার ওপর আক্রমণ চালাচ্ছে৷ প্রধান বিচারপতির এই মন্তব্যে দেশজুড়ে বিতর্ক শুরু হয়৷ তবে ছাত্র যুবরা এই মন্তব্যে অপমানিত বোধ না করে সমাজ মাধ্যমে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) একটি অ্যাকাউন্ট খুলে প্রচার শুরু করে৷ সেখান থেকেই আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে৷ যে আন্দোলনের জেরে অনড় শিক্ষামন্ত্রী পদত্যাগ করতে বাধ্য হন, আন্দোলন প্রত্যাহার হয়৷ তবে সরকার নতুন করে আন্দোলনকারীদের হেনস্থা করতে থানায় নিয়ে গিয়ে বিভিন্ন ধারায় মামলা দিয়ে জেলে ভরে দিচ্ছে৷ ককরোচ জনতা পার্টি থেকে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়৷ এইভাবে প্রতিশোধ নিতে আইনি পীড়ণ বন্ধ না হলে আবার আন্দোলন শুরু হবে৷ ককরোচ জনতা পার্টির পক্ষ থেকে জানানো হয় সরকার শর্ত মানছেন না৷ সরকারের পক্ষ থেকে শর্ত ছিল আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে কোন আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে না৷ এখন সরকার সেই শর্তের খেলাপ করছে৷ আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে সব মামলা প্রত্যাহার না হলে আবার আন্দোলন শুরু হবে৷
তবে শেষ পর্যন্ত ককরোচ জনতা পার্টির হুমকিতে সরকার নড়েচড়ে বসে ও রাজ্যে রাজ্যে আন্দোলনকারীদের মুক্তি দেওয়া শুরু হয়েছে৷