নভেম্বর মাসে জাল ওষুধ খেয়ে চারটি রাজ্যের ২০ জনের মৃত্যু হয়েছিল৷ তদন্তে উঠে আসে জাল ওষুধের কারখানাটি যোগীরাজ্য উত্তরপ্রদেশে৷ গত ১৫ই নভেম্বর বারানসীর কোতোয়াল থানায় ওই জাল ওষুধের কারখানার দুই মালিকের নামে লিখিত অভিযোগ করা হয়৷ ঘটনার পর থেকেই ওই জাল ওষুধ কারখানার দুই মালিক প্রতীক মিশ্রা ও বিশাল কুমার সোনকার গা ঢাকা দেয়৷ টাওয়ার লোকেশনের সূত্র ধরে পুলিশ জাল ওষুধের কারখানার মালিকদের অবস্থান খোঁজ করতে থাকে৷ কিন্তু দুই অপরাধী বারে বারে মোবাইল নম্বর পরিবর্তন করতে থাকে৷ কয়েকদিন আগে পুলিশ দুই অপরাধীর টাওয়ার লোকেশন করে খোঁজ করে তাদের অবস্থান জানতে পারে৷ দুই অপরাধী কলকাতায় এসে তিলজলায় তাদের এক বন্ধুর বাড়ীতে আশ্রয় নিয়েছে৷ গত ৭ই নভেম্বর রবিবার উত্তরপ্রদেশ পুলিশ কলকাতায় আসে৷ রাতে তিলজলা এলাকা থেকে দুজনকে গ্রেপ্তার করে৷ ধৃতদের ট্রানজিট রিমাণ্ডে কলিকাতা থেকে উত্তরপ্রদেশে নিয়ে যাওয়া হয়৷