খেলার খবর

ভারতীয় ফুটবলের উন্নতিতে সুব্রত ভট্টাচার্য, সুনীল ছেত্রীর মত মানসিকতা চাই

বেশ কয়েক বছর কেটে গেছে তখন এই প্রতিবেদক বয়সে অনেক ছোট৷ উত্তর ২৪ পরগণার শ্যামনগর সবুজ সংঘের মাঠে একটি ফাইনাল ম্যাচ হচ্ছে৷ শুনেছিলাম মাঠে সুব্রত ভট্টাচার্য আসছেন৷ তখন মোহনবাগানের স্তম্ভ সুব্রত ভট্টাচার্য৷ যেহেতু শ্যামনগরের ওই মাঠে খেলেই সুব্রত বড় হয়েছেন, ফুটবলার হয়েছেন তাই ওই মাঠে তিনি মাঝে মাঝেই যেতেন খেলতেনও অনামী ফুটবলারদের সঙ্গে৷ সেই ফাইনাল ম্যাচে সুব্রতকে খেলতে দেখেছি ফরোয়ার্ড পজিশনে৷ হেডে একটি ফাইনাল পাস বাড়ালেন সতীর্থকে৷ তা থেকে গোল হ’ল৷ হাফ টাইমে বিপক্ষ খেলোয়াড়দের, জুনিয়রদের বার বার বললেন---পারবি তোরা পারবি৷ সেই সময়কার কোচ মুরারী সুরকে খেলা শেষে বলতে শুণেছি---এ অঞ্চলের ছোটরা ভাল ফুটবল

বৈদ্যবাটির সন্দীপের ঘাড়ে ভর করে ইস্টবেঙ্গলকে টপকে পিয়ারলেস রাণার্স

তিন বছর আগে ইস্টবেঙ্গলের চতুর্থ গোলকিপার হিসেবে সারা মরসুমেই সাইডলাইনের ধারে বসে মানসিক যন্ত্রণার মধ্যে কাটাতে হয়েছিল বৈদ্যবাটির সন্দীপ পালকে৷ আর সেই সন্দীপ পালের ঘাড়ে ভর করে ইস্টবেঙ্গলের মতো শক্ত দলকে  টপকে পিয়ারলেস রাণার্স৷ বেশ কয়েক বছর পর কলকাতা লিগে রাণার্স পিয়ারলেস৷ পিয়ারলেসের এই সাফল্যের পেছনে দলের গোলরক্ষক সন্দীপের অবদান অনস্বীকার্য৷ কোচ বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য মনে করেন বড় গোলকিপার হওয়ার সমস্ত গুণ সন্দীপের আছে৷

ক্রীড়াক্ষেত্রে বিচার ব্যবস্থাকে আরও নিখুঁত করা প্রয়োজন

প্রথমেই বলে রাখি এই রচনার উদ্দেশ্য এটা নয় যে রেফারি বা আম্পায়ারদের বিচারকে ত্রুটিযুক্ত বলে খাড়া করে তাঁদের সিদ্ধান্তগুলোকে অবমাননা করা৷ উদ্দেশ্য এটাই খেলার ফলাফলের সিদ্ধান্তগুলোকে আরও নির্ভুল করা৷ সেই কারণে খেলাধূলাকে ভালবাসার তাগিদেই সাধারণ মস্তিষ্ক থেকে উঠে আসা কয়েকটি বাক্যাবলী উৎসাহী পাঠকদের ও খেলাধূলার নিয়ম রচনাকারীদের  সামনে তুলে ধরছি৷

এবার বিশ্বচ্যাম্পিয়নশিপের্ দিকে  নজর মেরি কমের

এমনিতে ব্যাপারটা অবিশাস্য ব্যাপারটা৷ কিন্তু সেটাই করে দেখিয়েদিলেন ভারতের কিংবদন্তি বক্সার মেরিকম ৷ মাত্র ৪ ঘন্টার মধ্যে ২ কেজি৷ পোলান্ডের আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে গিয়ে জেটল্যাগ কিছুটা ছিলই৷ কিন্তুই  ওই অবস্থাতেই সেখানে পৌঁছে  তাঁর প্রথম  কাজটি ছিল নিজের  ওজন দু’কেজি কমিয়ে ফেলা৷

একদিনের ক্রিকেটে ভারতীয় অধিনায়কগণ ঃ কিছু কথা

আজ থেকে চল্লিশ বছর আগের ভারতীয় ক্রিকেট দলের একদিনের ম্যাচের সাফল্য তেমন আলোচনার মধ্যে ছিল না৷ বিশ্ব ক্রিকেটে তখন ওয়েষ্ট ইণ্ডিজের অসামান্য দাপট৷ ’৮০-র দশকে একজন ভাল অলরাউণ্ডার পেল ভারত৷ কপিল দেব নিখাঞ্জ৷ ১৯৮৩-র সেই স্বপ্ণের ফাইনাল৷ ফাইনালে ওঠার আগে লীগের একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে ৩৬ রানে ৫টি উইকেট পড়ে যায়৷ ওই জায়গা থেকে কপিল দেব অপরাজিত ১৭৫ রানের একটি দুর্ধর্ষ ইনিংস খেলেন৷ উইকেট পড়ার মুখে কোনঠাসা হয়ে ম্রিয়মান থাকা নয়, নিজের খেলাটা খেলে নিজেদের চাপমুক্ত রাখার পদ্ধতি প্রয়োগ করে সাফল্য এসেছিল৷ ফাইনালে ৬০ ওভারে ১৮৬ রানের টার্গেট রিচার্ডস, ক্লাইভ, দুঁজোদের সামনে৷ দুর্ধর্ষ ও ব্

ফের কোচের দায়িত্বে দেখা যাবে জিদানকে

গত মরশুমে রিয়্যাল মাদ্রিদকে চ্যাম্পিয়নস লিগে  তিনবার চ্যাম্পিয়ান করার পাঁচদিনের মধ্যে দায়িত্ব ছেড়েছিলেন জিনেদিন জিদান৷ তাঁর সিদ্ধান্তে  স্তম্ভিত  হয়ে গিয়েছিল ফুটবল বিশ্ব৷ রিয়্যাল ছাড়ার পাঁচ মাসের মধ্যে কোচিংয়ে ফেরার ইঙ্গিত  দিলেন ফরাসি কিংবদন্তি৷

সেরিনার আচরণে ক্ষুদ্ধ মার্টিনা

যুক্তরাষ্ট্র   ওপেন ফাইনালে সেরিনার আম্পায়ারের সাথে অস্বাভাবিক আচরণে ক্ষুদ্ধ সমস্ত প্রাক্তন খেলোয়াড়রা৷ তাঁর মধ্যে একজন হলেন  মার্টিনা নাভ্রাতিলোভাও৷  তিনি এর কঠোর সমালোচনা করেন৷ আম্পায়ারের ওপর সকলের সামনে এমনভাবে ক্ষোভে ফেটে পড়া ও আম্পায়ারকে  ‘চোর’   বলাটা একদমই তিনি মানতে পারেন নি৷

এই প্রসঙ্গে  তিনি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ‘‘ যা ভাবছি তা দিয়ে নিজেকে বিচার করাটা ঠিক হবে না৷ চেষ্টা করলে এই ধরনের পরিস্থিতি এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব৷ কিন্তু  টেনিসকোর্টের মধ্যে  আম্পায়ারের সঙ্গে এরূপ আচরণ করাটা উচিত হয়নি সেরিনার বলে তিনি মনে করেন৷ ’’

এশিয়া কাপ খেলতে ভারতীয় দল এবার দুবাইতে

আগামী  ১৫ থেকে ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হতে চলেছে  এশিয়া কাপ ট্যুর্ণামেন্ট৷ আগামী ১৮ই সেপ্টেম্বর হংকঙের বিরুদ্ধে প্রথম মাঠে নামতে চলেছে ভারত৷ ঠিক এর পরের দিন অর্থাৎ ১৯শে সেপ্টেম্বর  ভারতকে মুখোমুখি হতে হবে পাকিস্তানের৷  এর পর ফাইনাল হবে ২৮ শে সেপ্টেম্বর৷

স্বপ্ণার পাশে রেল

সবপ্না বর্মন ১সম্প্রতি জাকার্তায় অনুষ্ঠিত এশিয়ান গেমসে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে সোনা জয় করেছেন বাঙালী মেয়ে স্বপ্ণা বর্মন৷ সারা দেশ স্বপ্ণার এই সাফল্যে গর্বিত৷ স্বপ্ণার সোণা জেতার পরে জানা যায় তাঁদের নিম্নবিত্ত পরিবার৷ তবু খেলার টানে আর প্রবল ইচ্ছাশক্তি ও প্রতিভার জোরে স্বপ্ণা অসাধ্য সাধন করতে পেরেছে৷ আরও জানা গেছে যে এই সোণা জয়ী স্বপ্ণার খেলার মাঠে প্র্যাকটিস করার ভালো জুতোও নেই৷ এদিকে তাঁর দু’টি পায়েই ছয়টি করে

আচার্য কীত্যানন্দ অবধূত ফুটবল  টুর্র্ণমেন্ট ফ্যাইনাল খেলা

আনন্দনগর ঃ গত ২৫ ও ২৬শে  আগষ্ট আনন্দনগরে  হাইস্কুলের  মাঠে  আচার্য কীর্ত্যানন্দ অবধূত  ফুটবল  টুর্র্ণমেন্টের  ফাইন্যাল খেলা  অনুষ্ঠিত  হ’ল৷ এই প্রতিযোগিতায়  প্রথম (চ্যাম্পিয়ান) হয়৷  ভাগুডি গ্রাম ৷  দ্বিতীয় (রানার্স) হয় শিকরগড় গ্রাম৷  আনন্দমার্গ এস.এস.এসি ক্লাবের পক্ষ থেকে  এই টুর্ণামেন্টের  আয়োজন করা হয়েছিল৷