Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

কেন্দ্র সরকারের ডি.এ নিয়ে বোটবাজীটা নির্বাচন প্রাক্কালে এটা কোন ধরনের কেন্দ্র সরকারের গণতান্ত্রিক সেবা

প্রভাত খাঁ

ভারত একটি যুক্তরাষ্ট্রীয় শাসন ব্যবস্থার দেশ৷ যুক্তরাষ্ট্রের রাজ্যগুলিতে একটি সরকার চলে ও কেন্দ্রীয় সরকার সারা দেশের শাসক৷ উভয়ের সম্পর্ক সংবিধানে বাঁধা৷ বহু দলীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সব সময় কেন্দ্র ও রাজ্যে একই দলের শাসন থাকে না, কিন্তু দেশের বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকার গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে মর্যাদা না দিয়ে যেন তেন প্রকারে সব রাজ্যে ডবল ইঞ্জিন সরকার গড়তে চায়৷ বর্তমানে বেশ কয়েকটি রাজ্যে নির্বাচন হবে৷ পশ্চিমবঙ্গও তার সঙ্গে যুক্ত৷ এই নির্বাচন সেটি যুক্তরাষ্ট্রীয় শাসন ব্যবস্থায়ই হবে৷ তাই তাদের শাসকদের দায়টা বেশী৷ ঠিক এই সময়ে ৪/৫ মাস বাকি আছে নির্বাচন এখন থেকেই হুঁঙ্কার ছাড়ছে মোদিজীর কেন্দ্র সরকার তথা যাতে এই রাজ্যগুলিতে সেই মোদিজীর ‘ডবল ইঞ্জিন সরকার’ বিরোধী শাসকগুলিকে উল্টে দিয়ে মোদিজীর হিন্দুত্ববাদী সরকার হয়৷ এই কারণে তিনিই বলছেন কেন্দ্রের হাতে টাকা নেই৷ কিন্তু বোটে জিততে একটি চাল চেলেছেন তা হলো ডি.এ কেন্দ্রীয় কর্মচারীদের বৃদ্ধি করে দিয়েছেন এবার তাই সেই ৮ম বেতন কমিশন ঘোষনা করেছেন! আগে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিতে যে.ডি.এ দেওয়া হয় সারা দেশে রাজ্যগুলিতে সেই কংগ্রেস আমল রাজ্যের ডি.এ বৃদ্ধিও হয় এটা রাজ্যকেই বহন করতে হয় কিন্তু কেন্দ্র সরকার তার কিছুটা রাজ্যকে দিতেন৷ এটা বন্ধ মোদিজীর আমলে৷ তাই রাজ্যগুলির ৮ম বেতন কমিশনে বিশেষ করে বিরোধী রাজ্যগুলির পক্ষে বেশ কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে৷ তাই বলতে বাধ্য হচ্ছি একটি অপ্রিয় সত্য কথা তা হলো দ্রব্য মূল্য বৃদ্ধি হয় কেন্দ্রেরই কারণে কারণ জিনিসের দাম বাড়লে ডি.এ বৃদ্ধি করেই দিতে হয়৷ কিন্তু ১৪৫ কোটি দেশ বাসী বাস করেন৷ যেখানে এতে তাঁদের কতটুকু সুবিধা হবে? তাঁরা আরো সমস্যা পড়বেন কি না? জিনিসের দাম আরো বাড়বে! তাই সরকারের দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির দিকে নজর রেখে মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করা৷ কিন্তু এই দেশের সরকার সেই ধনীদেরই সরকার তাই ডি.এ দিয়ে বেতন স্কেল বাড়িয়ে মাত্র সেই কয়েক লক্ষ্য কর্মীদের তুষ্ট করা, কারণটা হলো যাতে তাঁরা বিজেপিকেই সমর্থন করেন! এটা খুব একটা ন্যায় সঙ্গত কাজ কি হচ্ছে? বোটে জিতে এটা করা উচিত ছিল কি ছিল না, বা বোটের পর করাটাই ন্যায়সঙ্গত হতো যুক্তরাষ্ট্রীয় শাসনব্যবস্থায়৷ ঐ ১৪৫ কোটি মানুষরা তো ডি.এ পাবেন না তাঁদের দশাটা আর্থিক দিক থেকে তো কোন সুরাহা সরকার করে না৷ এ কেমন সরকার শুধু বোটে জেতার জন্যই -এই কৃত্রিম উদারতা! রাজ্যগুলিকে ডি.এ-এর জন্য কিছু সাহায্য করা উচিত৷ যেমন বেসরকারী ক্ষেত্রে যাঁরা কাজ করেন তাঁদের কথা এই ধান্দাবাজ কেন্দ্র সরকার মোটেই ভাবেন না৷ তাই সকল নাগরিকদের মতদান করতে হবে যাতে সারা দেশের মানুষ বাঁচতে পারেন৷

মনে রাখতে হবে দেশের বর্তমান সরকার উগ্র ধর্মীয় জাতীয়বাদকে আশ্রয় করে হিন্দুত্বের ভাবাবেগে ভেসে শুধু সরকার টিকিয়ে রাখতে চায়৷ সর্বশ্রেণীর মানুষের সার্বিক কল্যাণের কথা এই সরকার মোটেই ভাবে না৷ এই দলতান্ত্রিক সরকার ক্রমশঃ স্বৈরাচারী হয়ে উঠবে যদি জনগণ না সচেতন নয়৷ দেশের নাগরিকদের সিংহভাগকে বঞ্চিত করে শুধু সরকারী কর্মচারীদের ডি.এ বাড়িয়ে সন্তুষ্ট করে সরকারটিকে থাকতে চায়৷

 

  • Log in to post comments

আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ

‘কৃষ্ণ’ নামের একাধিক ব্যাখ্যা
মনকে ভারমুক্ত রাখ
অষ্টকমল
ভারতবর্ষ ও আধ্যাত্মিকতা
গীতায় ধর্মদেশনা –– ১
আরও

প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়

পূর্বার্দ্র তত্ত্ব
যোগাযোগের প্রাথমিক মাধ্যম হিসেবে স্থানীয় ভাষার ব্যবহার বাঞ্ছনীয়
মানব প্রগতি
সংস্কৃতি ও সভ্যতা
পরিকল্পনার মৌল নীতি
আরও

সম্পাদকীয়

বিদ্বেষ বিষে জর্জরিত বিজেপি
বাঙালী আর একটা অগ্ণি স্ফুলিঙ্গের অপেক্ষায়
প্রতিকুলতাকে প্রতিহত করে এগিয়ে চলার দুর্জয় ইচ্ছাশক্তি বাঙালীর আছে
মশাহীন দেশের তকমা ধরে রাখতে পারল না আইসল্যান্ড
বিকশিত বাঙলার মিথ্যা প্রতিশ্রুতি নয় মানবতার আর্থিক মুক্তি চাই

প্রবন্ধ শিরোনাম

গোরাচাঁদ ও একতারা
ভারত যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক অধিকার রক্ষা ও সংবিধানকে বাঁচিয়ে রাখার প্রধান দায়বদ্ধতা হলো যৌথভাবে কেন্দ্র ও রাষ্ট্রের নির্বাচন কমিশনেরই আর স্বৈরাচারিতাকেও নিয়ন্ত্রণ করা!
হিংস্র দুঃসময় বাঙালীর দুয়ারে
আর্থিক বিকাশ শেষ কথা নয়
গোরাচাঁদ ও একতারা
নাগরিকত্ব প্রত্যেক মানুষের মৌলিক অধিকার---তথাকথিত এস আই আর এর নামে একজনও বাঙালীর নাগরিকত্ব হরণ করা চলবে না--- চক্রান্ত করে তথাকথিত এস আই আর-এর মাধ্যমে কোন বাঙালীকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা যাবে না
কেন্দ্র সরকারের ডি.এ নিয়ে বোটবাজীটা নির্বাচন প্রাক্কালে এটা কোন ধরনের কেন্দ্র সরকারের গণতান্ত্রিক সেবা
গণতান্ত্রিক অধিকার সুরক্ষার এস.আই.আর প্রক্রিয়া ফ্যাসিবাদী হিন্দুত্বের আগ্রাসনের হাতিয়ার

পুরানো মাসিক খবর

  • October 2017 (106)
  • September 2017 (136)
  • August 2017 (105)
  • July 2017 (111)
  • June 2017 (104)
Pagination
  • Previous page ‹‹
  • Page 12
  • Next page ››
আরও আগের খবর
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved