March 2019

অখণ্ড কীর্ত্তন

হুগলী : গত ২০শে জানুয়ারী হুগলী জেলার রামনগরে বিশিষ্ট আনন্দমার্গী শ্রীমৃত্যুঞ্জয় দাসের বাড়ীতে সকাল ৯টা থেকে ১২টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টা ব্যাপী অখণ্ড নাম সংকীর্ত্তন অনুষ্ঠিত হয়৷ স্থানীয় সমস্ত আনন্দমার্গীরা এই কীর্ত্তন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন৷ কীর্ত্তন, সাধনা ও গুরুপূজার শেষে আনন্দমার্গের প্রবীণ সন্ন্যাসী আচার্য গুরুদত্তানন্দ অবধূত কীর্ত্তন সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন ও আচার্য সুবিকাশানন্দ অবধূত আনন্দমার্গ দর্শন ও আদর্শ সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন৷

অখণ্ড কীর্ত্তন

বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা

হুগলী : গত ২৭শে জানুয়ারী হুগলী জেলার বালিপুর আনন্দমার্গ স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়৷ এই প্রতিযোগিতায় স্কুলের সমস্ত ছাত্রছাত্রাবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন৷ প্রতিযোগিতার শেষে বিশেষ দক্ষতা প্রদর্শনকারী ছাত্রছাত্রাদের পুরষ্কারে ভূষিত করা হয়৷ বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ ও অভিভাবক-অভিভাবিকাদের সহযোগিতায় সমগ্র প্রতিযোগিতাটি সাফল্যের সঙ্গে সুসম্পন্ন হয়৷২৮ ও ২৯শে জানুয়ারী যথাক্রমে ধনেখালি ও শ্রীরামপুর আনন্দমার্গ স্কুলে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়৷ উভয় স্থানেই বিদ্যালয়ের সকল ছামেদিনীপুর শহরে মুন্সীপুকুর অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে ফল বিতরণ

ফল বিতরণ

মেদিনীপুর শহরের ৯ নং ওয়ার্ডের অর্ন্তগত মুন্সীপুকুর অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের  শিশুদের মধ্যে আনন্দ মার্গ প্রচারক সংঘের মেদিনীপুর ইউনিটের পক্ষ থেকে ২৫ শে ফেব্রুয়ারী সকালে প্যাকেটে করে আপেল বেদানা, কলা, আঙ্গুর, খেজুর প্রভৃতি ফল বিতরণ করা হয়৷ ৬২ জন শিশুর মধ্যে ফল মুল বিতরণ করেন আনন্দ মার্গ স্কুলের শিক্ষক শ্রী বিশ্বদেব মুখার্জি ও শ্রী অসীম কুমার পাল, তাদের সহযোগিতা করেন স্থানীয় বাসিন্দা শেখ সাহাজাদা

আনন্দমার্গীয় বিধিতে শ্রাদ্ধানুষ্ঠান

 মেদিনীপুর  আনন্দ মার্গ স্কুলের শিক্ষক ও বিশিষ্ঠ আনন্দ মার্গী  শ্রী বিশ্বদেব মুখার্জীর মাতা সবিতা মুখার্জী  গত ১৪ ই ফেব্রুয়ারী  ৮৬ বছর বয়সে পরলোক গমন করেন৷ এর পর গত ২৪ শে ফেব্রুয়ারী আনন্দ মার্গ বিধিতে শ্রাদ্ধনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়৷ অনুষ্ঠানে  কীর্ত্তন, সাধনা ও গুরুপূজার পর শ্রাদ্ধানুষ্ঠানে পৌরোহিত্য করেন আচার্য নিত্যর্তীথানন্দ অবধূত ও স্বর্গীয় সবিতা দেবীর সম্পর্কে স্মৃতিচারণা করেন শ্রী রমেন্দ্র নাথ মাইতি, ইলা পাত্র, কল্পনা গিরি ও সবিতা দেবীর পুত্র শ্রী বিশ্বদেব মুখার্জী।

বসে আঁকো ও আবৃতি প্রতিযোগিতায় ব্যাপক সাড়া

সেরাম থ্যালাসেমিয়া প্রিভেনশন ফেডারেশনের উদ্যোগে ও কাঁটাপুকুর সার্বজ্জনীন দূর্র্গেৎসব সমিতির সহযোগিতায় ৩রা ফেব্রুয়ারী উত্তর কলকাতার শান্তিঘোষ ষ্ট্রিটের শিশুউদ্যানে বিশেষ আকর্ষণীয়  বসে আঁকো ও আবৃত্তি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হল৷

স্বাভাবিক শিশুদের সঙ্গে থ্যালাসেমিয়া ও শারীরিক প্রতিবন্ধী ৬০ জন শিশু প্রখ্যাত কার্টুনিষ্ট চণ্ডী লাহিড়ী নামাঙ্কিত একটি বিশেষ বিভাগে অংশগ্রহণ করে৷

যারা রক্ত দিয়ে আদর্শেরে জানাল সম্মান

আচার্য নিত্যসত্যানন্দ অবধূত

যারা রক্ত দিয়ে আদর্শেরে জানাল সম্মান---

               আমি তাদের দলে৷

যারা হাসিমুখে গেয়ে গেল জীবনের গান

               আমি তাদের দলে৷৷

যারা কঠিন শপথ পালন করে

শত শত দুঃশাসনের বক্ষ চিরে’---

               আমি তাদের দলে---

যাদের বিদায়-কালে ভাসে সবাই অশ্রুনীরে---

               আমি তাদের দলে৷৷

যারা মুক্ত প্রাণের অধিকারী,

               যাদের অট্টহাসে কাঁপে আকাশ,

               যারা পথের কাঁটা অবহেলে যায় মাড়ি’---

               আমি তাদের দলে৷

যারা যুগে যুগে জন্ম নিয়ে

পঞ্চ দধীচি স্মরণে

জ্যোতিবিকাশ সিন্হা

সেদিনও জেগেছিল শাল-পিয়ালের কোলে এমনই ফাগুন

বনবিতানে মধুর কুহুতানে মুখর কোকিল

পলাশের ডালে হাওয়ায় দোলা পুষ্পিত আগুন

প্রকৃতির বুকে বসন্তের আনন্দ অনাবিল৷

কুলু কুলু রবে রঙের উৎসবে উচ্ছল উত্তরা-দক্ষিণা

ফুলের গন্ধে নৃত্য ছন্দে চঞ্চলা হরিণী

আঁকাবাঁকা পথে ছুটিয়া চলিতে নাই যে তার মানা

দূরে ওই শান্ত বেলামু, ধ্যানমগ্ণ গম্ভীর, মৌনী৷

পরমপিতার নির্দেশ মানি সত্যনিষ্ঠ ভক্ত দলে দলে

ঊষর টিলার পাথর ভাঙে, ফণীর সাথে বাঁধে ঘর

ঝড়-জল-রোদে অবিরাম মহানন্দে কর্মযজ্ঞ পাহাড়ে-জঙ্গলে

গড়িতে মহাসম্ভূতি-পদচিহ্ণ আঁকা পবিত্র আনন্দনগর৷

বসন্তকাল

প্রণবকান্তি দাশগুপ্ত

বন্ধ্যা মাটি স্বপ্ণ দেখে  ফুলের বাগান,     দখিন হাওয়ায় মন্দ্রিত তার    বন্দনা-গান৷

ডানার শিশির রৌদ্রে মোছে    শঙ্খচিল,

নেই কুয়াশা বিষণ্ণ্তার---    আকাশ নীল৷

রাতের আকাশ সরায় আঁধার   সূর্যোদয়,

পাষাণ-বুকে সুপ্ত প্রাণের       অভ্যুদয়৷

বন-মাতানো কুহু কুহু  মন মাতাল,

পলাশ বনে লাগলো আগুন     বসন্তকাল৷

দক্ষিণ আফ্রিকার মতো পাক বাতিলের ডাক দিলেন বোর্ড প্রধান---বিনোদ রাই

পুলওয়ামার হামলার ঘটনার পরে আসন্ন বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের  ম্যাচ বয়কটের দাবী উঠেছে আগেই৷ সৌরভ ও হরভজন সিংয়ের মতো প্রাক্তন ক্রিকেটাররা এই বয়কটের কথা জানিয়েছেন৷ সৌরভতো একধাপ এগিয়ে বলেছেন, সব ধরনের খেলার থেকেই সম্পর্ক ছিন্ন করা উচিত পাকিস্তানের সঙ্গে৷ তবে শচীন তেণ্ডুকর ও সুনীল গাওস্কার আবার চাইছেন বিশ্বকাপে মাঠেই জবাব দেওয়া উচিত হবে পাকিস্তানকে৷ ভারতীয় বোর্ড ইতিমধ্যে আইসিসি কে চিঠি লিখে আইসিসি কে জানিয়েছে,‘‘যে সব দেশ সন্ত্রাসবাদে মদত দেবে তাদের সঙ্গে যেন সব রাষ্ট্র খেলার দিক থেকে  সম্পর্ক ছিন্ন করে৷’’ তবে সুপ্রিমকোর্ট নিযুক্ত ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডে  পরিচালক কমিটি এ্যাডমিনিষ্ট্রেটর্

কৃষক পরিবারের ছেলে সৌরভ চৌধুরী বিশ্বরেকর্ড করলেন

মিরাটের কালিনা গ্রামের এক কৃষক পরিবারের ছেলে হলেন সৌরভ চৌধুরী, গঙ্গা-যমুনা অববাহিকায় তার পূর্বপুরুষদের হাতে থাকত লাঙ্গল৷ কিন্তু মাত্র ষোলো বছরের সৌরভের হাতে যে পিস্তল! তা দিয়ে একের পর এক লক্ষ্যভেদ করে যাচ্ছে৷

গত রবিবার, দিল্লির ড.কার্নিং সিংহ শুটিং রেঞ্জে৷ প্রথমবার বড়দের শুটিং বিশ্বকাপে নেমেই সোনা৷ একই সঙ্গে বিশ্বরেকর্ডও ৷ ঘটনাচক্রে, তার নিজের ইভেন্ট ১০ মিটার এয়ার পিস্তল জুনিয়র বিশ্বরেকর্ডের অধিকারী হন সৌরভ চৌধুরী৷