বানর মহা–সভায় হট্টগোল
বুদ্ধিবৃত্তিতে বানর কিছুটা মানুষের কাছাকাছি বরং মানুষের মধ্যে এমন কিছু কিছু উন–মানস আছে যাদের বুদ্ধি বানরের চেয়েও কম, তাদের জন্যে সাধারণ পুরুষ বাক্য ‘বানর’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়৷ ‘‘দেখতে মানুষের মত কিন্তু বুদ্ধি বানরের মত–যা যা আর বাঁদরামি করতে হবে না৷’’ কিন্তু বুদ্ধির উৎকর্ষ যাই হোক না কেন, বাঁদর বস্ত্র পরিধান করে না, যদিও তারা জল ও আগুনের পার্থক্য বোঝে৷ এই জন্যে ‘কীশ’ শব্দের অন্যতম যোগারূঢ়ার্থ হচ্ছে বাঁদর৷
‘ক’ অর্থে জল৷ জলের ঈশ–এই অর্থে ‘কীশ’ শব্দটি প্রাচীনকালে ব্যবহৃত হত৷ ভাবারূঢ়ার্থে ‘কীশ’ বলতে বোঝায় জলের স্বভাব ও গতিপ্রকৃতি সম্বন্ধে যিনি সম্যক্রূপে অবহিত আছেন৷
সিপিএম-এর প্রতিনিধি সহ বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিদের নিয়ে এক বিরাট আলোচনাসভার আয়োজন করা হয়৷ এই আলোচনা সভায় সর্বসম্মতিক্রমে অসমে বাঙালীদের নাগরিকত্বহরণ ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়৷
দোকানের সাইনবোর্ড বাংলায় লেখার আবেদন জানিয়ে ‘আমরা বাঙালী’র পক্ষ থেকে দুটি মিছিল বেরোয়৷