Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

ক

শ্রী প্রভাতরঞ্জন সরকার

কঃ (১) ‘কৈ’ধাতু (ধবনি সৃষ্ট করা, ---যেমন, হাততালি দেওয়া + ‘ড’প্রত্যয় করে ‘ক’শব্দ নিষ্পন্ন হচ্ছে যার ভাবারূঢ়ার্থ হচ্ছে ‘ধবনিসৃষ্টিকারী’৷

(২) ‘কথ্‌’-ধাতু (গুছিয়ে ৰলা গল্প ৰলা) + ‘ড’প্রত্যয় করেও ‘ক’শব্দ পাচ্ছি যার ভাবারূঢ়ার্থ হঙচ্ছে ‘যে গল্প ৰলে যায়’৷ এই ‘কথ্‌’ধাতু থেকে ‘কথক’শব্দ পাই যার মানে যিনি জনসমক্ষে গল্প শুণিয়ে যান৷ এই ‘কথ্‌’ধাতু থেকে আমরা ‘কথা’, ‘কথানিকা’শব্দগুলিও পাচ্ছি৷ মনে রাখা দরকার, বাংলা ‘কথা’ও সংস্কৃত ‘কথা’এক জিনিস নয়৷ বাংলায় ‘কথা ৰলা’মানেTo speak কিন্তু সংস্কৃতে ‘কথা’মানে আখ্যান......‘কথানিকা’মানে উপাখ্যান৷ কথানিকা> কহানিআ> কহানি> কাহিনী৷

(৩) আমরা ‘কচ্‌’(চক্‌চক্‌ করা) + ‘ড’করেও ‘ক’শব্দ পাচ্ছি৷ এই ‘কচ ধাতুর উত্তর ‘ঘঞ্‌’প্রত্যয় করে ‘কাঁচ’ (glass) শব্দ পাচ্ছি৷ ‘কাচ’শব্দের ভাবারূঢ়ার্থ হচ্ছে কাঁচ বা গ্লাস৷ অনেকের মতে প্রাচীনকালে কিছু ফিনিসীয় ৰণিক ৰালির চড়ায় ক্ষারযুক্ত কাঁচা কাঠ পুড়িয়ে রান্না করছিলেন৷ রান্নার পরে তাঁরা দেখেন, উনুনে চকচকে এক ধরণের জিনিস পড়ে রয়েছে৷ সেটাই হচ্ছে কাচ৷ তবে প্রাচীন সংস্কৃত সাহিত্যেও ‘কাচ’শব্দের উল্লেখ রয়েছে৷ তাই ফিনিসীয় ৰণিকরাই প্রথম কাচ আবিষ্কার করেছিলেন, না তার পূর্বে ভারতের মানুষেরাই কাচ আবিষ্কার করেছিলেন তা গবেষণার জিনিস৷ প্রাচীন সংস্কৃত সাহিত্যে মোটা কাচকে বলা হত স্ফটিক (যার মানে ‘স্বচ্ছ’৷ এই ‘স্ফটিক’-এর তদ্ভবরূপ ‘ফটিক’বাংলা ভাষায় ৰেশ চলছে৷ এখনও হয়তো প্রতি শহরে ফটিক নামে দু/চার জন ছেলে খুঁজে পাওয়া যাৰে)৷ শুদ্ধ শব্দটি হচ্ছে ‘কাচ’৷ সংস্কৃতে ‘কাচ’ৰলাও হয়, ‘কাচ’লেখাও হয়৷ বাংলায় আমরা ‘কাচ’লিখে ৰলি ‘কাঁচ’৷ উত্তর ভারতে ‘কাচ’ৰলাও হয়, লেখাও হয়৷ উত্তর ভারতে যে ‘সীসা’শব্দটি চলে, সেটি বহিরাগত৷ যাই হোক, ‘কচ্‌+ড প্রত্যয় করে ‘ক’শব্দ পাচ্ছি যার ভাবরূঢ়ার্থ হচ্ছে, ‘যা চকচক করে’৷ তাহলে বুঝলে আমরা তিনটি সূত্র থেকে ‘ব’শব্দটি পাচ্ছি৷

(৪) বেদে বলা হয়েছে, ‘কস্মৈ দেবায় হবিষা বিধেম’৷ অনেকে এই ‘কস্মৈ’শব্দের মানে করেন ‘কাকে’৷ আর ‘কস্মৈ দেবায়’মানে কোনদেবতাকে৷ কিন্তু জিনিসটা আসলে তা নয়৷ ‘কস্মৈ’মানে ‘ক’-কে৷ ‘কস্মৈ দেবায়’মানে ‘ক’নামের যে দেবতা তাকে ‘ক’শব্দের ভাবারূঢ়ার্থগুলো বললুম৷ যোগারূঢ়ার্থে ওই ভাবারূঢ়ার্থ ভিত্তিক ‘ক’-এর কয়েকটি মানেই পাচ্ছি৷ যেমন,

(১) ‘ক’মানে সূর্য (মানুষের চোখের সামনে সূর্যই সৰচেয়ে চকচকে বস্তু)(২) ‘ক’মানে সর্প, (৩) ‘ক’মানে বিশেষ ধরণের সংবেদন বা অভীপ্সাত্মক চিন্তাবৃত্তি৷ (৪) ‘ক’মানে ‘কেশ’-ও হয়৷                      (শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকারের লঘুনিরক্ত থেকে সংগৃহীত)

 

Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য প্রসূনানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য প্রসূনানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved