Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

নারকোল

শ্রী প্রভাতরঞ্জন সরকার

নারকোল পৃথিবীর বিষুবরেখীয়, কর্কটক্রান্তীয় ও মকরক্রান্তীয় এলাকায় জন্মায়৷ নারকোলের প্রজাতি আছে অনেক রকমের৷ তবে বয়স–সীমা ও উচ্চতার বিচারে ভারতীয় নারকোল মুখ্যতঃ দু’টি শাখায় বিভক্ত৷ কনিষ্ঠ প্রজাতির নারকোল আন্দাজ ৭ বছর বয়সে ফল দেয়, দেয়ও মাঝারি পরিমাণে বাঁচে আন্দাজ ৪০ বছর৷ গরিষ্ঠ প্রজাতির নারকোল ফল দেয় আন্দাজ ৯ বছর বয়সে বাঁচে আন্দাজ ৭৫ বছর, ফল দেয় যথেষ্ট পরিমাণে৷ আজকালকার অধিক ফলনশীল নারকোল* তিন বৎসর বয়সে ফল দিতে শুরু করে৷ নারকোল উৎপাদনে পৃথিবীর প্রধান পাঁচটি দেশ হচ্ছে ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপিন্স, মালয়েশিয়া, শ্রীলঙ্কা ও ভারত৷ ভারতের নারকোল গাছ ও ফলের সকল অংশই কোন না কোন কাজে লাগে৷ সেজন্যে সংস্কৃত ভাষায় নারকোল গাছের অপর একটি নাম ‘কল্পতরু’৷ বৈদিক ভাষায় নারকোলের কোন নাম নেই৷ যতগুলি নাম আছে তা সবই লৌকিক সংস্কৃত ভাষায়৷

নারকোল একটি পুষ্টিকর খাদ্য৷ নারকোলের শাঁস থেকে তেল তো হয়ই, অধিকন্তু তার দুধ থেকে গোদুগ্ধের মত বিভিন্ন পণ্য তৈরী করা যায়৷ দুধ বার করে নেওয়া নারকোলের শাঁসেরও পুষ্টিমূল্য থাকে ও তা থেকে রুটি, বিস্কুট প্রভৃতি প্রস্তুত করা চলে৷ তালের কান্দি থেকে যেমন রস পাওয়া যায়, পুরুষ ও স্ত্রী–নারকোলের কান্দি থেকেও ঠিক তেমনি রস পাওয়া যায়৷ তা থেকে গুড়ও তৈরী হয়৷ নারকোল ভস্ম ঔষধরূপে ব্যবহূত হয়৷ শুকনো নারকোল (হিন্দীতে ‘গড়ী’) অগ্ণিমান্দ্য রোগের ঔষধ৷

সমাজে সাধু স্বভাবের অথচ কঠোর প্রকৃতির লোককে সংস্কৃত সাহিত্যে নারকোলের সঙ্গে তুলনা করা হয়ে থাকে৷ ৰলা হয়ে থাকে ঃ

      ‘‘নারিকেরসমাকারাঃ দৃশ্যন্তে হি সুহূদজনাঃ৷

      অন্যে বদরিকাকারাঃ বহিরেব মনোহরাঃ৷৷’’

অর্থাৎ যারা সত্যিকারের খাঁটি মানুষ, সৎলোক তাঁরা ঠিক নারকোলের মত৷ ওপরে রয়েছে কঠোর খোলা ও নীরস ছোবড়া কিন্তু ভেতরে রয়েছে সুস্বাদু জল ও সুমিষ্ট শাঁস৷ আর তদ্বিপরীত স্বভাবের মানুষেরা কুলের মত৷ ওপরে রয়েছে নরম খোলা ও নরম শাঁস কিন্তু ভেতরে রয়েছে কাঁটাওয়ালা ৰীজ৷

পুদিনা

পুদিনার ভাল নাম রোচনী৷ মক্ষিকাডিম্ব গলিত বিকৃত হয়ে স্বাভাবিক নিয়মে এই পত্রশাকের সৃষ্টি হয় বলে অনেকে এর প্রতি বিমুখ৷ শাকটি কিন্তু সাত্ত্বিক৷ মূল থেকে হয়, বেশী জল চায় না৷ লিবারের পক্ষে ভাল ও রুচিৰর্ধক৷

পুদিনা একটি ঔষধীয় গুল্ম৷ পুদিনার রস ঙ্মছেঁচে রস বের করে এক চামচ বা আধা চামচ খালি পেটে বা কাঁচা পাতা বেটে অল্প পরিমাণে ভাতের সঙ্গেৰ হজমের পক্ষে খুবই উপকারী৷ পেটের রোগ ও অন্ত্রের রোগের নানান ধরনের ঔষধ তৈরী হয় এ থেকে৷

 

 

Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved