সংবাদ দর্পণ

ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্প

সংবাদদাতা
পি.এন.এ.
সময়

গত ৫ই অগাষ্ট  সন্ধ্যায়  ইন্দোনেশিয়া এক ভয়ানক  ভূমিকম্পে  ৯১ জন প্রাণ হারিয়েছেন৷ অনেকের মতে  প্রাণহাণির সংখা অনেক বেশি৷  ইন্দোনেশিয়ার  লম্বক দ্বীপের মাটির ১০ কিলোমিটার  নীচে  ছিল  এই  ভূমিকম্পের উপকেন্দ্র৷ রিখটার স্কেলে  এই ভূমিকম্পের  মাত্রা ছিল ৬.৯৷

এন.আর.সি.-র নামে ৪০ লক্ষ বাঙালীর নাগরিকত্ব কেড়ে নেবার বিরুদ্ধে  ‘সারা ভারত অসম সংহতি মঞ্চে’র প্রতিবাদ সভা ও পদযাত্রা

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

NRC Objection 1গত ৩০শে জুলাই, ২০১৮ পুরুষানুক্রমে অসমে বসবাসকারী ৪০ লক্ষ বাঙালীকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বে-নাগরিক করে দিচ্ছে উগ্র, অন্ধ, স্বৈরাচারী শক্তি৷ দুঃখের কথা, চক্রান্তের নানা জটিলতার ঘূর্ণাবর্তে সুপ্রিম কোর্টকেও তারা ঢাল হিসাবে ব্যবহার করে এই চরম অন্যায় করতে সাহস পাচ্ছে৷ এই অন্যায়ের প্রতিবাদে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলবার জন্যে নানা মানবাধিকার ও মাতৃভাষী সংঘটন, পত্র-পত্রিকা ও বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবীদের যৌথ উদ্যোগে ‘সারা ভারত অসম সংহতি মঞ্চ’ গড়ে তোলা হয়েছে৷ এই মঞ্চের তরফ থেকে গত ৮ই জুলাই বেলা দুই ঘটিকায় কলকাতা (চাঁদনী মেট্রোর কাছে) বৌদ্ধ ধর্মাঙ্কুর হলে এক প্রতিবাদ সভা ও তৎপরে পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়৷ হলে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন নীতীশ বিশ্বাস (কো-অর্ডিনেটর), অসম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য তপোধীর ভট্টাচার্য, কবি সুবোধ সরকার, আব্দুল মান্নান, সুজন চক্রবর্ত্তী, প্রসেনজিৎ বিশ্বাস (শিলং), কালান্তর পত্রিকার সম্পাদক কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ৷ সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন---বকুল চন্দ্র রায় (কেন্দ্রীয় সচিব, আমরা বাঙালী), গুয়াহাটী হাইকোর্টের অ্যাডভোকেট ওয়ালিউল্লা লস্কর, বাংলা ভাষা আন্দোলনের নেতা ডঃ দিলীপ সিন্হা (পটনা), শিলংয়ের (নেহর) অধ্যাপক প্রসেনজিৎ বিশ্বাস, ত্রিপুরার অধ্যাপক শিশির সিংহ, কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য বাসুদেব বর্মণ, শিক্ষাবিদ অমল মুখোপাধ্যায়, জ্যোতিভূষণ দত্ত, বিশিষ্ট আইনজীবী, বিকাশ ভট্টাচার্য, অরুণাভ ঘোষ, সমাজব্রতী ডঃ তরুণ মণ্ডল, মৃতুঞ্জয় মল্লিক, অশোক দিন্দা, কবি মন্দাক্রান্তা সেন, জিয়াদ আলি, সাহিত্যিক সাধন চট্টোপাধ্যায়, গুরু বিশ্বাস, ঋষিণ মিত্র, কপিলকৃষ্ণ ঠাকুর, সারা ভারত মতুয়া মহাসংঘের সভাপতি ডঃ নন্দদুলাল মোহান্ত, ডঃ বিরাট বৈরাগ্য, সাংবাদিক সৈয়দ হাসমত জালাল, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ৷

বৌদ্ধাঙ্কুর হলের প্রতিবাদ সভার পর শুরু হয় পদযাত্রা৷ এই পদযাত্রা চক্বাজার থানার পাশ দিয়ে ধর্মতলায় রাণী রাসমণি রোড পর্যন্ত যায়৷ এখানেও মঞ্চের পক্ষ থেকে অসমের এন.আর.সি. থেকে ৪০ লক্ষ বাঙালীকে বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন৷ এখানে এন. আর. সি-র নামে বাঙালীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বক্তব্য রাখেন ‘আমরা বাঙালী’র কেন্দ্রীয় সচিব শ্রীবকুল চন্দ্র রায়, গুয়াহাটি হাইকোর্টের এ্যাডভোকেট শেখ হাসিউল্লা, মতুয়া সম্প্রদায়ের গবেষক ড. বিরাট বৈরাগী প্রমুখ৷ এই সভায় সভাপতিত্ব করেন ঐকতান মঞ্চের সদস্য দিলীপ সিন্হা৷

 

সমগ্র অনুষ্ঠানের সঞ্চালক ও সংযোজক ছিলেন বিশিষ্ট মানবাধিকার কর্মী রাজু ঘোষ৷

১০.৫ শতাংশ শিক্ষিত বেকার

সংবাদদাতা
পি.এন.এ.
সময়

২০১৭ সালে বেকারত্ব ইস্যুতে সারা বিশ্বের নিরিখে ভারতের স্থান দশম স্থানে৷ ওই বছর দেশে ১০.৫ শতাংশ শিক্ষিত যুবক  বেকার ছিলেন৷ বলা বাহুল্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ক্ষমতায় আসায় আগে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তিনি বছরে ২ কোটি মানুষের কর্ম সংস্থানের ব্যবস্থা করবেন৷ কিন্তু, ক্ষমতায় আসার পর তিনি তাঁর প্রতিশ্রুতি কতটা পালন করেছেন সে সম্পর্কে একেবারে চুপ৷ স্পষ্টই বোঝা যাচ্ছে ওই প্রতিশ্রুতি কার্যে পরিণত করা হয়নি৷ বেকার সমস্যাই বর্তমানে দেশের অন্যতম প্রধান সমস্যা৷ বেকার সমস্যার সমাধান করে অর্থনীতির উন্নয়নের যতই ঢাক পেটানো হোক না কেন সে সবই শূন্যগর্ভ৷

পরলোকে করুণানিধি

সংবাদদাতা
পি.এন.এ.
সময়

গত ৭ই আগষ্ট চেন্নাইতে তামিলনাড়ুর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী দ্রাবিঢ় মুন্নেত্তা কাজাগাম (ডিএমকে) সভাপতি এম করুণানিধি পরলোক গমন করেন৷ মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৪ বছর৷ তিনি পাঁচবার তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন ও ১৩ বার বিধায়ক হয়েছিলেন৷ বার্ধক্যজনিত নানান রোগে তিনি ভুগছিলেন, ৭ই আগষ্ট সকাল ৬-টা ১০-মিনিটে চেন্নাইয়ের কাবেরি হাসপাতালে তিনি নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন৷ ৮ই আগষ্ট মেরিণা সৈকতে ডিএমকে-র প্রতিষ্ঠাতা সি. এন আন্নাদুরাই-এর সমাধির পাশেই তাঁকে সমাহিত করা হয়৷

করুণানিধি রাজনীতিতে আসার আগে তামিল চলচিত্র জগতেও খ্যাতি অর্জন করেছিলেন৷ নাট্যকার ও চিত্রনাট্যকার হিসেবে তাঁর অনুগামীরা তাঁকে ‘কালাইগণার’ (যার মানে---শিল্পী) বলে সম্বোধন করতেন৷

বাগনানে আনন্দমার্গের সেবাদলের পক্ষ থেকে চিকিৎসা শিবির

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

 

Medical camp ৩বাগনানঃ গত ২৯শে জুলাই বাগনানে আনন্দমার্গের সেবাদলের পক্ষ থেকে একটি চিকিৎসা শিবিরের আয়োজন করা হয়৷ এখানে শতাধিক দুঃস্থ রোগীকে বিনাব্যয়ে চিকিৎসা করা হয়৷ চিকিৎসা করেন ডঃ চাঁদমোহন পাল, ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মণ্ডল প্রমুখ৷ এই চিকিৎসা শিবিরটি ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনায় ছিলেন অবধূতিকা আনন্দ অন্বেষা আচার্যা

মণিপুরের জিরিবামে  নাগরিকত্ব ও অস্তিত্বের দাবীতে   বাঙালীদের মিছিলের উপর  পুলিশের গুলি বর্ষণ ঃ গুলিবিদ্ধ ৪

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

গত ২৭ শে জুলাই  মণিপুরে জিরিবাম জেলার  মুখ্য রাস্তার ওপর অবস্থিত লালপাণী বাজারে  বাঙালীদের পক্ষ থেকে ‘মণিপুর পিপলস্ বিল ২০১৮  ভিত্তিবর্ষ ১৯৫১’ বাতিলের দাবিতে আয়োজিত মিছিলে  পুলিশ গুলি চালিয়ে নারী ও শিশুসহ  চারজন গুলিবিদ্ধ হয়৷ ‘আমরা বাঙালীর অসম রাজ্য সচিব শ্রী সাধন পুরকায়স্থ শিলচর হাসপাতাল থেকে  এই খরবটি প্রাথমিকভাবে জানায়  পরে  মণিপুরে  বাঙালী আন্দোলনের নেতা  ফৈজ আহম্মেদ ও  মহম্মদ তাজউদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগ করে  ঘটনার বিস্তৃত বিবরণ জানা যায়৷ এদিন জিরিবামের  লালপাণী বাজারে প্রায় ১ হাজার  বাঙালী নারী , পুরুষ, শিশু,  বৃদ্ধরা এক ধর্ণায় সমবেত হয়৷ মণিপুরের বিশেষ করে বাঙালী অধ্যুষিত এলাকায় মণিপুর সরকার ১৪৪ ধারা জারি করে এখানে পুলিশ প্রথমে  এই ধর্ণা বন্ধ করার নির্দেশ দেয়, তখন তারা মিছিল করে পাশের সোনাপুর গ্রামে যেতে চায়৷ পুলিশ তাদের আটকায় ও মিছিলের ওপর  বেপরোয়া লাঠিচার্জ করে ৷ মিছিলের অগ্রভাগে থাকা মহিলাদের ওপরও নিমর্মভাবে লাঠি চালায়, তারপরেও মিছিল এগিয়ে গেলে৷ পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ছোঁড়ে, তারপরেও মিছিল বন্ধ করতে না পেরে  মিছিল ওপর নির্দ্বিধায় গুলি চালায়,  ঘটনাস্থলে ৪ জন গুলিবিদ্ধ হন৷ এদের মধ্যে একজন মহিলা, ১২-১৩ বছরের দুটি শিশু,আর একজন যুবক৷ আহতদের প্রায় ৭০ কিলোমিটার দূরে নদী পথ পেরিয়ে শিলচর হাসপাতালে  ভর্ত্তি করা হয়৷  তাদের অবস্থা গুরুতর৷ এমতাবস্থায় তারা মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে৷

অসমে বাঙালী নির্যাতনের প্রতিবাদে রোটারী ক্লাব হলে বুদ্ধিজীবীদের সভা

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

Intellectuals meeting 1অসমে বিদেশী আখ্যা দিয়ে বাঙালী বিতাড়নের বিরুদ্ধে ও নাগরিকপঞ্জী প্রণয়নের নামে বাঙালী নির্যাতনের বিরুদ্ধে গত ২৮শে জুলাই উত্তর কলকাতার রোটারি ক্লাবের সভাকক্ষে ‘আমরা বাঙালী’র পক্ষ থেকে এক প্রতিবাদ সভার আয়োজন করা হয়৷  সভার শুরুতে ‘বাঙলা আমার দেশ, বাঙলাকে ভালবাসি’---এই প্রভাতসঙ্গীতটি দিয়ে সভার উদ্বোধন হয়৷ সঙ্গীতটি পরিবেশন করেন সুরশ্রী মাইতি, তবলায় সঙ্গত করেন কালীপদ পোড়েল৷ এরপর স্বাগত ভাষণ দেন শ্রী উজ্জ্বল ঘোষ৷ তারপর অসমে কীভাবে স্বাধীনতার পর থেকে এখানকার বাঙালীদের ওপর নির্যাতন চলছে,  ‘বাঙাল খেদা’ আন্দোলন হয়েছে, ‘নেলী গণহত্যা কাণ্ড’ও ঘটানো হয়েছে, লক্ষ লক্ষ বাঙালীকে ‘ডি-ভোটার’ ঘোষণা করে তাদের ডিটেনশন ক্যাম্পে রেখে তাদের ওপর অত্যাচার চলছে ও সম্প্রতি নাগরিকপঞ্জী নবীকরণের নামে কীভাবে এখানকার স্থায়ীভাবে বসবাসরত লক্ষ লক্ষ বাঙালীকে বিদেশী নাম নিয়ে বিতাড়নের চেষ্টা করা চলছে---এইসব ঘটনা তুলে ধরে ও এইসবের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বক্তব্য রেখেছেন ‘আমরা বাঙালী’র সচিব বকুল চন্দ্র রায়, তারাপদ বিশ্বাস, বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য, গৌতম রায় (বিশিষ্ট লেখক ও ঐতিহাসিক), রক্তিম দাস (যুগশঙ্খের প্রধান সাংবাদিক), দেবাশীষ সাহা (এন আই এস), বিরাট বৈরাগী, সংঘমিত্রা রায় প্রমুখ নেতৃবৃন্দ৷

সুরশ্রী মাইতি ছাড়া সঙ্গীতা ঘোষও সভায় দেশাত্মবোধক সঙ্গীত পরিবেশন করেন৷

জিটিএ বাতিলের  দাবীতে আমরা বাঙালীর  প্রতিবাদ

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

শিলিগুড়ি ঃ 

গত ১৮ই জুলাই ‘আমরা বাঙালী’র  দার্জিলিং  জেলা কমিটির পক্ষ থেকে  বাঙালী বিরোধী, বে-আইনী, সংবিধান  বিরোধী গোর্র্খল্যাণ্ড টেরিটোরিয়্যাল  এ্যাড্মিনিষ্ট্রেশন  চুক্তি বাতিলের  দাবিতে  শিলিগুড়ি  মহকুমা  শাসকের  মারফৎ ভারতের মহামান্য রাষ্ট্রপতির নিকট  একটি  স্মারকলিপি প্রদান  করা হয়৷  স্মারকলিপি প্রদানের  সময়  উপস্থিত  ছিলেন কেন্দ্রীয়  সাংঘটনিক  সচিব  বাসুদেব  সাহা, যুব-সচিব রামচন্দ্র সরকার  ও আরও  অনেকে৷  পরে ভক্তিনগরে  ‘আমরা বাঙালী’ কার্যালয়  ‘বরেন্দ্র ভবন’ থেকে  ‘জিটিএ’ চুক্তি বাতিলের  দাবীতে  এক বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন  করা  হয়৷  এই মিছিল শহর পরিক্রমার  পর কোর্ট মোড়ে  এসে  পৌঁছনোর  পর এখানে  এক পথসভায় বক্তব্য রাখেন  খুশীরঞ্জন  মন্ডল, বাসুদেব সাহা, রামচন্দ্র  সরকার,  জেলা মহিলা  সচিব  জয়া সাহা প্রমুখ৷

যে সমস্ত  দাবীতে  তাঁরা  বক্তব্য  রাখেন  সেই দাবীগুলি হ’ল--- ১) জিটিএ চুক্তি বাতিল  করতে হবে, ২)  ১৯৫০ সালের পর আসা নেপালীদের  বাঙলা ছাড়তে হবে, ৩) অসমে  জাতীয়  পঞ্জীকরণের  নাম  করে বাঙালী বিতাড়ন বন্ধ করতে হবে,  বাঙালীদের সমস্ত প্রকার  অত্যাচার  ও শোষণ থেকে  মুক্ত করতে  সমস্ত বাঙালী অধ্যুষিত  এলাকাগুলি  নিয়ে  বাঙালীস্তান  গড়তে হবে৷

পশ্চিম মেদিনীপুর

রাজ্যের  বিভিন্ন জেলার  সাথে  গত ১৮ জুলাই পশ্চিম মেদিনীপুর জেলাতেও পালিত হল ‘কালাদিবস’ ৷  পশ্চিমবঙ্গকে  ভেঙে পৃথক  গোর্র্খল্যাণ্ড  রাজ্য গঠনের  পূর্বপরিকল্পনা জি.টি.এ. চুক্তি  (জি.টি.এ. আইন) যা কার্যত  অসাংবিধানিক, বাংলার স্বার্থ বিরোধী ও জাতীয় সংহতি  বিপন্নকারী৷ গত  বছর  ধবংসাত্মক  আন্দোলন দেখেও দিদির  শিক্ষা হয়নি৷ তিনি  বিদেশী গোর্র্খদের  সাথে  মিত্রতা স্থাপন  করেছেন৷ যে সমস্ত  সরকারী  সম্পত্তি  ধবংস করেছে  তার  মূল্য প্রায় ২০০ কোটি টাকা৷  ৭ বছর  হয়ে গেলেও রাজ্য সরকারের টনক নড়েনি৷ তাই অবিলম্বে  জি.টি.এ. চুক্তি  বাতিলের  দাবীতে  মেদিনীপুর শহরে  জেলা শাসক দপ্তরের সামনে  পথসভা করা হয় আমরা বাঙালী জেলা কমিটির উদ্যোগে৷ রাজ্য সরকারের  বিরুদ্ধে  ক্ষোভ উগরে  বক্তব্য রাখেন  জেলা  সচিব শঙ্করপ্রসাদ  কুণ্ডু, জেলা সাংঘটনিক সচিব লক্ষ্মীকান্ত  মহাপাত্র, রাজু মান্না৷ সেইসঙ্গে জেলা শাসকের  নিকট  মহামান্য রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে স্মারকলিপি প্রদান করা  হয়৷  উক্ত কর্মসূচীতে  উপস্থিত  ছিলেন জেলা সচিব  রবীন্দ্রনাথ  বেরা, রঞ্জিত কুমার  ঘোষ, অনিমেষ মাহাত, অভিজিৎ দে,  বাসুদেব  মণ্ডল৷ মহিলা সমাজের  পক্ষ থেকে  ছিলেন ইলা  পাত্র, পারুল  সাধু  ও শোভা দাস৷

কোচবিহার 

গত ২২শে জুলাই মধ্যাহ্ণে কোচবিহার শহরের সাগর দিঘী সংলগ্ণ নেতাজী মূর্তির  পাদদেশে আমরা বাঙালী দলের  কর্মী  ও সমর্থকরা মিলিত  হয়ে শোভাযাত্রা করে জেলা  শাসকের  করনে পৌঁছায়৷  পরে জেলাসচিব শ্রী সন্তোষ কুমার  মোদক  এর নেতৃত্ব এক প্রতিনিধি দল জেলা শাসকের  করণে  মাননীয়  ভারতের  প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে স্মারকলিপি  জমা দেয়৷ স্মারকলিপিতে  তথাকথিত  গোর্খাদের  সঙ্গে  অবৈধ জিটিএ চুক্তি বাতিল  ও অসমে  সাম্প্রতিক  বাঙালীদের প্রতি  অমানবিক  এন.আর.সি-র অজুহাতে  বাঙালী বিতাড়নের  প্রচেষ্টা বন্ধ  করার দাবী জানানো হয়৷

 পুরুলিয়া

গত ১৮ই জুলাই  পুরুলিয়া শহরে গোর্র্খল্যাণ্ড চুক্তি বাতিলের দাবীতে  ‘আমরা বাঙালী’র পক্ষ থেকে  এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা আয়োজন করা হয়৷ প্রায় দুই শতাধিক লোক  ফেসটুন ও পতাকা সহ  শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন৷ এই শোভাযাত্রাটি  পুরুলিয়া শহরের রাঢ় ভবন থেকে বের হয়ে শহরের বিভিন্ন এলাকা পরিক্রমণ করে  ট্যাক্সি ষ্ট্যাণ্ডে এসে  জমায়েত হয়৷ এখানে  পথসভাটি অনুষ্ঠিত হয়৷ উক্ত পথসভায় সভাপতিত্ব করেন পুরুলিয়া জেলার আমরা বাঙালীর জেলা সচিব শ্রী   লক্ষ্মীকান্ত মাহাত৷ বক্তব্য রাখেন প্রফুল্ল মাহাত, বিভূতি দত্ত, চণ্ডীচরণ মাহাত৷ প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির সহসচিব শ্রী তারাপদ বিশ্বাস মহাশয়৷

‘আমরা বাঙালী’র পক্ষ থেকে মজে যাওয়া সরস্বতী নদীকে রক্ষার করার আন্দোলন

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

হাওড়া ঃ ‘আমরা বাঙালী’ দলের পক্ষ থেকে এই জেলার মজে যাওয়া সরস্বতী নদী যাতে প্রকৃত নদীর মর্যাদা পায় তার জন্যে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে ও নিয়মিত তাঁরা মিটিং মিছিল করে গণ-সচেতনতা আনার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে৷

‘আমরা বাঙালী’-র হাওড়া জেলা সচিব রামচন্দ্র সাহা বলেন, এই নদীটি হাওড়ার বহু মানুষের অস্তিত্ব ও জীবিকার সঙ্গে জড়িত৷ নদীটি বর্তমানে প্রায় মজে গেছে৷ জনসাধারণ দীর্ঘকাল থেকে এ ব্যাপারে বহু আবেদন-নিবেদন করা সত্ত্বেও প্রশাসনের পক্ষ  থেকে কোনও উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করছেন না৷ এমতাবস্থায় শ্রী মান্না সাধারণ মানুষের কাছে আবেদন রেখেছেন, ‘আসুন, আপনারা ও আমরা নিজেরা উদ্যোগী হয়ে এই নদীকে রক্ষার সংকল্প গ্রহণ করি৷ এই এলাকার ময়লা  ও স্থানীয় বাজারের যাবতীয় আবর্জনা নদীতে ফেলা বন্ধ করার জন্যে সকলের কাছেই আবেদন রাখছি৷ এই নদীর সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষাকারী বিভিন্ন খাল দিয়ে গড়মীর্জাপুর, মাসিলা, ধূলাগড় সব্জি মার্কেট প্রভৃতি এলাকার ময়লা নদীবক্ষে ফেলার কারণে প্রচণ্ড দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে ও বিভিন্ন রোগের সৃষ্টি হচ্ছে৷ এই কষ্টকর পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্যে সকলকে উদ্যোগী হতে হবে৷’

আগামী ১৫ ও ১৬ই সেপ্ঢেম্বর প্রাউটিষ্ট বুদ্ধিজীবী সংঘটনের রাজ্য সম্মেলন

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

আগামী ১৫ ও ১৬ সেপ্ঢেম্বর বীরভূমের সাঁইথিয়াতে প্রাউটিষ্ট বুদ্ধিজীবী সংঘটন---ইয়ূনিবার্সাল প্রাউটিষ্ট ইনটেলেক্চুয়্যাল ফেডারেশন (ইয়ূ.পি.আই.এফ)- এর রাজ্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে৷ ইয়ূ.পি.আই. এফ-এর পক্ষ থেকে আজ এক প্রেস বিবৃতিতে এই সংবাদ দিয়ে বলেন, ‘বিশ্বের ইতিহাসে সমাজ পরিবর্তনে বুদ্ধিজীবীরা সবসময় অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছেন৷ তাঁরা হলেন অতীতের চারণ, বর্তমানের প্রতিভূ ও ভবিষ্যতের বার্তাবহ৷ সমাজের এই পরিস্থিতিতে আজকের বুদ্ধিজীবীরা তাই নিষ্ক্রিয় থাকতে পারেন না৷ তাই ইয়ূনিবার্র্সল প্রাউটিষ্ট ইনটেলেকচুয়াল ফেডারেশন (UPIF)-এর পক্ষ থেকে আগামী ১৫ই ও ১৬ই সেপ্ঢেম্বর সাঁইথিয়ার (বীরভূম) নন্দিকেশরী যাত্রী নিবাসে রাজ্য সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে৷ এই সম্মেলনে সমস্ত শিক্ষক, অধ্যাপক, ইঞ্জিনিয়ার, ডাক্তার, আইনজীবী, সাংবাদিক প্রভৃতি সর্বস্তরের বুদ্ধিজীবীদের অংশগ্রহণ করার জন্যে ও এক আদর্শ শোষণমুক্ত মানবসমাজ গড়ে তুলবার জন্যে সবাইকে অগ্রণী ভূমিকা নিতে আহ্বান জানাই৷