সংবাদ দর্পণ

নিপা ভাইরাস থেকে সাবধান

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

এ বছরে নিপা ভাইরাসজাত একটি নতুন রোগ মানুষের কাছে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে৷ দেশের সব রাজ্যগুলিতে   এ ব্যাপারে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে৷ সামান্য সতর্কতা অবলম্বনের অভাবে  যে কোনভাবে  মানুষের  শরীরে এই ভাইরাস প্রবেশ করে মৃত্যু পর্যন্ত  ডেকে  আনতে পারে৷  দক্ষিণ ভারতের কেরলে  এর প্রাদুর্র্ভব  ঘটায় সেখানে খুব সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে৷

সব বাদুড়ই নিপা ভাইরাসের কারণ না হলেও অনেক বাদুড় নিপাভাইরাসের  মুল কারণ৷ বাদুড়ে খাওয়া ফল ছাড়াও তার মল-মূত্র যে ঘাসের  ওপর পড়েছে, সেই ফল বা ঘাস গোরু-ছাগল-শুয়োর -মুরগী প্রভৃতি প্রাণীরা  খেলে  অতি সহজেই  নিপাভাইরাস  সেই প্রাণীর দেহে প্রবেশ  করার  সম্ভাবনা  থেকে যায়৷

মানুষ যখন সেই প্রাণীদের মাংস রান্না করে খায় তার নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত হবার আশঙ্কা থেকেই যায়৷

বাদুড়ে খাওয়া বিবিধ ফল, এমনকি  খেজুরের রস থেকেও নিপা মানুষের  শরীরে  প্রবেশ করতে পারে৷

বিপজ্জনক নিপা ভাইরাস  এক প্রাণীর দেহ থেকে অন্য প্রাণীর দেহে ছোঁয়ামাত্র আক্রান্ত হ’তে পারে৷

বিশিষ্ট ভাইরোলজিষ্ট ডাঃ অমিতাভ নন্দীর মতে  নিপা ভাইরাসের হাত থেকে নিস্তার পেতে গেলে  গাছ থেকে নীচে পড়া ফল৷ তাড়াহুড়ো করে স্বল্পসিদ্ধ প্রাণীর মাংস খাওয়া বাদ দিতে হবে৷ আরো ভয়ঙ্কর  হ’ল নিপা আক্রান্ত রোগী ৭৫ শতাংশ বাঁচবার আশা কম৷

শোক সংবাদ

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

পুরুলিয়া জেলার ‘আমরা বাঙালী র জেলা কমিটির সদস্য সহদেব হেমব্রম গত ৩রা জুন গাড়ী দুর্ঘটনায় মারাত্মকভাবে জখম হয়ে মৃত্যুমুখে পতিত হন৷ তাঁর অকাল প্রয়াণে আমরা বাঙালীর কর্মী ও অনুগামীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে৷

তিনি পুরুলিয়া জেলার হুড়া ব্লকের লেদাড়ি গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন৷ তাঁর গ্রামবাসীরাও সহদেবজীর মৃত্যুতে ভীষণভাবে শোকাহত৷ সকলে পরমপুরুষের কাছে তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেছেন৷

 

স্বচ্ছতার এক মানবীয় চিত্র

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কিভাবে  বজায় রাখা যায় তারই  একটা দৃষ্টান্ত রাখলেন নেদারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী৷ তারিখটা ছিল ৫ই জুন পরিবেশ দিবসের দিন৷

নেদারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী মার্করুট  এক হাতে  প্রয়োজনীয়  জরুরী কাগজপত্র ফাইল অন্যহাতে একমগ কফি নিয়ে পার্র্লমেন্টে গিয়েছিলেন৷ সিকিউরিটি গেটে ঢোকার মুখে  অনবধানতা বশতঃ কফিশুদ্ধ কাপ পার্র্লমেন্টের মেঝেতে পড়ে যায়৷ ফলে মেঝে নোংরা হয়ে যায়৷ তাঁর সঙ্গের লোকজন তা পরিষ্কার করতে হাউস ষ্টাফদের খবর দেন৷ অপেক্ষা না করে  প্রধানমন্ত্রী নিজেই পার্র্লমেন্টের  মেঝে পরিষ্কার করে ঝকঝকে করে  তুললেন৷ ততক্ষণে  হাউসষ্টাফরা উপস্থিত হয়ে প্রেসিডেন্টের এই সেবাপরায়ণতা দেকে মুগ্দ হয়ে যান৷

স্বচ্ছতা কিভাবে  বজায়  রাখা যায়  একটি জলন্ত উদাহরণ হয়ে রইলেন নেদারল্যান্ডের  প্রধানমন্ত্রী মিঃ মার্করুট৷

মেধায় কলকাতাকে ছাপিয়ে গেল গ্রামবাঙলা

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

কলকাতা মানেই হাই-ফাই ব্যাপারে৷  আর্থিক ক্ষমতাতে এর জুড়ি মেলা ভার৷ কলকাতার সঙ্গে গ্রাম বাঙলার  তুলনাই করা চলে না৷ না  আর্থিক দিক থেকে  না কৌলিন্যের  দিক থেকে , না  বিভিন্ন সুযোগ সুবিধার দিক থেকে৷

তবু মেধাতে কলকাতাকে টপকিয়ে  গেল গ্রাম বাঙলা৷ অন্ততঃ এবারের মাধ্যমিকের ফলাফল তো তা-ই  বলে৷

গত ১২ই মার্চ মাধ্যমিকের  পরীক্ষা হয়েছিল৷ শেষ ১৬ এপ্রিল৷  ৭৭ দিন পরে রেজাল্ট৷ পরীক্ষার্থী ১০লাখ ৮৪ হাজার ১৭৮ জন৷ মাধ্যমিকে  পাশের হার ৮৪.৮৯ শতাংশ৷

ফলপ্রকাশের  পর দেখা গেল কলকাতাকে ছাড়িয়ে এবার মাধ্যমিকে  প্রথম  দশটি  স্থান দখল করেছে গ্রাম বাঙলা তথা গ্রাম বাঙলার  অন্যান্য শহরের ছেলে মেয়েরা৷ প্রথম দশের  মধ্যে প্রথম হয়েছে সঞ্জীবনী দেবনাথ  (নম্বর ৬৮৯) কোচবিহার  সুনীতি এ্যাকাডেমীর  ছাত্রা৷ ৬৮৭ পেয়ে তৃতীয় স্থান পেয়েছে ৩জন৷ তার মধ্যে কোচবিহারের একজন রয়েছে---নাম ময়ূরাক্ষী সরকার৷

প্রথম দশের মধ্যে অন্যান্য স্থানাধিকারীরা বর্ধমান, জলপাইগুড়ি, উত্তর ২৪ পরগণা, পশ্চিম মেদিনীপুর প্রভৃতির৷

অখণ্ড কীর্ত্তন

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

বোকারো ঃ গত ৫, ৬ই জুন বোকারো জেলার চাষ ব্লকের চটিকার গ্রামে এই জেলার আনন্দমার্গের ভুক্তিপ্রধান মিথুন মুণ্ডার বাড়ীতে ২৪ ঘণ্টা ব্যাপী অখণ্ড কীর্ত্তনের আয়োজন করা হয়৷ ৫ই জুন দুপুর ১টা থেকে ৬ই জুন দুপুর ১টা পর্যন্ত অখণ্ড ‘বাবা নাম কেবলম’ মহামন্ত্রের নাম সংকীর্ত্তন হয়৷ কীর্ত্তনের পর মিলিত সাধনান্তে মার্গগুরুদেব শ্রীশ্রীআনন্দমূর্ত্তিজী পুস্তক থেকে স্বাধ্যায় করেন শ্রীলক্ষ্মীকান্ত মাহাত৷ এরপর আনন্দমার্গের আদর্শ ও কীর্ত্তন মাহাত্ম্যের ওপর বক্তব্য রাখেন আচার্য সত্যস্বরূপানন্দ অবধূত, আচার্য সিতিকণ্ঠানন্দ অবধূত ও অবধূতিকা আনন্দ হিতবাদিনী আচার্যা৷নিজস্ব সংবাদদাতা, বোকারো ঃ গত ৫, ৬ই জুন বোকারো জেলার চাষ ব্লকের চটিকার গ্রামে এই জেলার আনন্দমার্গের ভুক্তিপ্রধান মিথুন মুণ্ডার বাড়ীতে ২৪ ঘণ্টা ব্যাপী অখণ্ড কীর্ত্তনের আয়োজন করা হয়৷ ৫ই জুন দুপুর ১টা থেকে ৬ই জুন দুপুর ১টা পর্যন্ত অখণ্ড ‘বাবা নাম কেবলম’ মহামন্ত্রের নাম সংকীর্ত্তন হয়৷ কীর্ত্তনের পর মিলিত সাধনান্তে মার্গগুরুদেব শ্রীশ্রীআনন্দমূর্ত্তিজী পুস্তক থেকে স্বাধ্যায় করেন শ্রীলক্ষ্মীকান্ত মাহাত৷ এরপর আনন্দমার্গের আদর্শ ও কীর্ত্তন মাহাত্ম্যের ওপর বক্তব্য রাখেন আচার্য সত্যস্বরূপানন্দ অবধূত, আচার্য সিতিকণ্ঠানন্দ অবধূত ও অবধূতিকা আনন্দ হিতবাদিনী আচার্যা৷

 

দলীয় রাজনীতির প্রভাব থেকে মুক্ত ১৩৯টি কর্ষক সংঘটনের উদ্যোগে সারা দেশে ১০দিনব্যাপী কর্ষক  আন্দোলন

সংবাদদাতা
পি.এন.এ.
সময়

গত ১লা জুন সারা দেশের  ১৩৯টি কর্ষক  সংঘটনের  সমন্বয়ে তৈরী রাষ্ট্রীয় কিষাণ মহাসংঘ সারা দেশব্যাপী কর্ষক আন্দোলনের  ডাক দেয়৷ ১০দিন ব্যাপী কর্ষক আন্দোলনে তাঁদের মুখ্য দাবী ছিল--- কৃষি উৎপাদিত দ্রব্যের মূলবৃদ্ধি, ফসল উৎপাদন  হওয়ার  পরই ক্ষুদ্র চাষীরা যাতে  তাদের  পণ্য সঠিক মূল্যে বিক্রয় করতে পারে, সব সময়েই যাতে  কর্ষকরা তাদের ফসলের সঠিক  মূল্য পায় সরকারকে তার ব্যবস্থা করতে হবে৷ এছাড়া ঋণ-মুকুব, সারাবছর সেচের জলের ব্যবস্থা বীজ ও সার সরবরাহ  প্রভৃতির  মাধ্যমে  কর্ষক স্বার্থের দিকে  নজর দেওয়া এ সমস্ত দাবী তো আছেই৷

রাষ্ট্রীয় কিষাণ মহাসংঘের আহ্বায়ক  শিব কুমার  শর্র্ম বলেন, কর্ষক আন্দোলনের ২টি ধারা৷ একটি  ধারা অরাজনৈতিক, অপরটি  রাজনৈতিক৷ রাজনৈতিক দলগুলি তাদের  বোটব্যাঙ্কের  জন্যে কর্ষকদের  ব্যবহার করে৷ কিষাণ মহাসংঘ রাজনৈতিক প্রভাব এড়িয়ে চলতে  চায় বলে তাঁদের  পক্ষ থেকে বলা হয়েছে৷ শ্রী শর্র্ম বলেন, তাঁদের আন্দোলন অরাজনৈতিক, তাঁদের সঙ্গে রয়েছে ১৩৯টি কর্ষক সংস্থা৷

রাষ্ট্রীয় কিষাণ মহাসংঘের এবারের আন্দোলনের অন্যতম কর্মসূচী ছিল, কর্ষকরা তাদের ফসল শহরের মার্কেটে পাঠাবেন না৷

গত বছর মধ্যপ্রদেশের মান্দাসোরে  পুলিশের  গুলিতে ৬ জন আন্দোলনকারী নিহত হয়েছিলেন৷ ৬ তারিখে কিষাণমহাসংঘ তাঁদের স্মরণে সভা করবে, ৮ই জুন অনশনে ধর্মঘট ও ১০ই জুন ভারতবন্ধের কর্মসূচীও রয়েছে৷ জানা যায়, রাষ্ট্রীয় কিষাণ মহাসংঘের  ডাকা আন্দোলনের প্রভাব পড়েছে উত্তরপ্রদেশে, পশ্চিম রাজস্থান৷ মধ্যপ্রদেশ, পঞ্জাব, হরিয়ানা ও মহারাষ্ট্র৷

 

মহাকাশে বিলাসবহুল হোটেল

সংবাদদাতা
পি.এন.এ.
সময়

মস্কো থেকে প্রাপ্ত সংবাদ, আগামী ৫ বছরের মধ্যে মহাকাশে  তৈরী হয়ে যাবে বিলাসবহুল হোটেল৷ রাশিয়ান মহাকাশ এজেন্সী ‘রসকসমস’ এই উদ্যোগ নিয়েছে৷  তাঁরা মহাকাশে যে বিলাসবহুল হোটেল বানাচ্ছেন৷ তাতে এক সপ্তাহ থাকতে চাইলে  খরচ পড়বে ৪০ মিলিয়ন ডলার, যা ভারতীয় টাকায় ২৫০ কোটি টাকা৷ পরিকল্পনা অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক মহাকাশ ষ্টেশন (আই.এস.এস)-এর সঙ্গে যুক্ত থাকবে  ‘লাক্সারি অরবিট্যাল স্যুট’৷ সেখানে থাকবে একাধিক প্রাইভেট কেবিন৷ কেবিনে বসে ‘পোর্টহোল’ দিয়ে দেখা যাবে পৃথিবী৷ মহাকাশে হেঁটে চলে বেড়াবারও ব্যবস্থা থাকবে বলেও বলা হয়েছে৷

গুয়াতেমালা আগ্ণেয়গিরি বিস্ফোরণ ঃ মৃত ২৫

সংবাদদাতা
পি.এন.এ.
সময়

উত্তর আমেরিকা  থেকে Volcanoপ্রাপ্ত সংবাদে জানা যাচ্ছে গুয়াতেমালাতে ফুয়েগা আগ্ণেয়গিরি জেগে উঠেছে৷ আগ্ণেয়গিরি থেকে ছাই ও পাথর বেরিয়ে চারিদিকে  ছড়িয়ে পড়ছে৷ এরফলে ইতোমধ্যে নিহত হয়েছে ২৫ জন৷ ২০০০ মানুষকে নিরাপদে অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে৷ চলতি বছরে দ্বিতীয়বার ভয়াবহ রূপ নিল এই আগ্ণেয়গিরি৷ এই আগ্ণেয়গিরির দক্ষিণে যে সমস্ত  কর্ষকরা বাস করতেন লাভা স্রোতে তাঁরা চাপা পড়ে  গেছেন৷ এ্যান্টিগা সহ  আগ্ণেয়গিরি সংলগ্ণ  শহরতলি থেকে লোকজনকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে৷

আগ্ণেয়গিরি থেকে বহির্গত ছাই ১২, ৩৪৬ ফুট পর্যন্ত উঠে চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ছে৷ এই কারণে গুয়াতেমালা সিটির আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বন্ধ রাখা হয়েছে৷ গুয়াতেমালায় আরও  ২টি সক্রিয় আগ্ণেয়গিরি রয়েছে স্যান্টিয়াগুইটো ও পাকায়া৷

আনন্দনগর হাই স্কুলের মাধ্যমিকের ফলাফল

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

এবারের মাধ্যমিক পরীক্ষায় আনন্দনগরের আনন্দমার্গ হাইস্কুলের সমস্ত ছাত্রই উত্তীর্ণ হয়েছে৷ উমানিবাসের আনন্দমার্গ হাইস্কুলের মেয়েদের ক্ষেত্রেও ১০০ শতাংশ উত্তীর্ণ৷

আনন্দনগর হাইস্কুলটি পুরুলিয়া জেলার অত্যন্ত দরিদ্র এলাকায় অবস্থিত৷ সেখানকার  এইসব গ্রামাঞ্চলের  ছাত্র-ছাত্রারা গৃহশিক্ষক বা গৃহশিক্ষিকা তো দূরের কথা, দুবেলা পেট ভরে খেতেই  পায় না৷  তার মাঝেই তারা তাদের পড়াশোণা চালিয়ে যায়৷ এই অবস্থায় ১০০ শতাংশ উত্তীর্ণ হওয়া যে অত্যন্ত সুখবর তাতে সন্দেহ নেই৷

আনন্দনগরের আনন্দমার্গ হাইস্কুলের এবার মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছিল  ১৫০ জন৷ পূর্বেই  বলা হয়েছে, তাদের সবাই উত্তীর্ণ৷ তাদের মধ্যে প্রথম বিভাগে ২৯ জন, দ্বিতীয় বিভাগে  ৮৫ জন, ও তৃতীয় বিভাগে ৩৬ জন উত্তীর্ণ হয়েছে৷

ছাত্রদের মধ্যে সর্র্বেচ্চ নম্বর পেয়েছে সোমনাথ মাহাত৷ ৪জন ছাত্র ৬০০-এর ওপরে  নম্বর পেয়েছে৷ ১৩ জন ষ্টার মার্ক  পেয়েছে৷

উমা নিবাসে মেয়েদের  হাইস্কুলে  ১৫ জন পরীক্ষা দিয়েছিল৷ সব মেয়েরাই  উত্তীর্ণ হয়েছে৷ তাদের মধ্যে প্রথম বিভাগে ৬জন, দ্বিতীয় বিভাগে ৯ জন৷

আনন্দমার্গ চিল্ড্রেনস্  হোমের ২ জন ছেলে ৪ জন মেয়েও মাধ্যমিকে উত্তীর্ণ হয়েছে৷

 

ছিঃ অসম সরকার ছিঃ

সংবাদদাতা
পি.এন.এ.
সময়

আজকের দিনে  অসমে মানবতা ভুলুণ্ঠিত৷ অসমে মানবতার  বুলি আওড়ানো সংঘটনগুলি যেন কুম্ভকর্ণের মত নিদ্রায়  আচ্ছন্ন৷ আজ অসমের  চারিদিকে  নির্র্যতীত, নিষ্পেষিত  হিন্দু বাঙালীর করুণ আর্তনাদ৷  অসমের  বাঙালীদের পাইকারী হারে  নাগরিকত্ব -হীন করে তোলা হচ্ছে৷ বাদ পড়েননি অশীতিপর বৃদ্ধাও৷ নাম মরমীবালা বর্মণ৷ কোকরাঝাড়  থানা থেকে ঢিলছোড়া দূরত্বে মোকরাপাড়া গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা৷ বয়স ৮০-র ঊধের্ব৷  ১৯৬৮ সনের রেশন কার্ডে  নাম থাকা সত্ত্বেও তাঁকে  বাড়ী থেকে উঠিয়ে  এনে সীমান্ত রক্ষী বাহিনী ডিটেনসন ক্যাম্পে ভর্তি করেছে৷ বর্তমানে তাঁর শরীর খুবই খারাপ তাই  তাঁকে  কোকরাঝাড় অসামরিক  চিকিৎসালয়ে ভর্তি করানো হয়েছে৷