সংবাদ দর্পণ

আগরতলায় মহিলা পরিচালিত আনন্দমার্গ স্কুলের  সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও স্কুলের নোতুন ভবনের শিলান্যাস  অনুষ্ঠান

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

আগরতলা ঃ গত ২৩ শে সেপ্টেম্বর  আগরতলার ইন্দ্রনগর আইটি.আই রোডের আনন্দমার্গ স্কুলের  বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও শিলান্যাস অনুষ্ঠিত হয়৷  অনুষ্ঠানের সভাপতি ছিলেন বিশিষ্ট আনন্দমার্গী  শ্রী দাণেশ পাল৷ উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে  উপস্থিত ছিলেন  ত্রিপুরা বর্তমান সরকারের স্বাস্থ্যমন্ত্রী শ্রী সুদীপ  রায় বর্মন৷  সম্মানীয়  অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন  শ্রী প্রদীপ দত্ত ভৌমিক, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রী সুবল ভৌমিক (সম্পাদক, স্যন্দন পত্রিকা)  ও অভিজিৎ ভট্টাচার্য প্রমুখ৷

উক্ত অনুষ্ঠানে স্কুলের ছোট ছোট শিশুশিল্পীদের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকল দর্শক ও প্রধান অতিথিও মুগ্দ হন ও তিনি এর ভূয়সী প্রশংসাও  করেন৷ এরপর স্কুলের নোতুন বাড়িটির শিলান্যাস করেন  মাননীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী শ্রী সুদীপ রায় বর্মন৷ 

সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন  আনন্দমার্গ স্কুলের অধ্যক্ষা  অবধূতিকা আনন্দ কৃপাকণা আচার্যা৷

গৃহপ্রবেশ

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

তারকেশ্বর ঃ গত ৩০শে সেপ্টেম্বর তারকেশ্বর আনন্দমার্গ স্কুলের নোতুন সুকল ভবনে গৃহপ্রবেশ অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে তিন ঘণ্টা ব্যাপী ‘বাবা নাম কেবলম্’ কীর্ত্তন অনুষ্ঠিত হয়৷ অনুষ্ঠানে স্কুলের সমস্ত শিক্ষকবৃন্দ ছাড়াও স্থানীয় আনন্দমার্গীরা উপস্থিত ছিলেন৷ মিলিত সাধনা ও গুরুপূজার পরে কীর্ত্তন সম্পর্কে বক্তব্য রাখেন আচার্য সুরেশানন্দ অবধূত ও আচার্য নির্মলশিবানন্দ অবধূত৷ সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন স্কুলের অধ্যক্ষ আচার্য সুবিকাশানন্দ অবধূত৷

তত্ত্বসভা

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

পাঁশকুড়া ঃ গত ২রা অক্টোবর পাঁশকুড়ার বিশিষ্ট আনন্দমার্গী শ্রীসিত পণ্ডিতের বাড়ীতে একটি তত্ত্বসভার আয়োজন করা হয়৷ উক্ত তত্ত্বসভায় প্রথমে প্রভাত সঙ্গীত পরিবেশন করে শ্রীমতী মীরা পাল ও শান্তি পাল৷ কীর্ত্তন পরিচালনা করেন আচার্য রাজেশ ব্রহ্মচারী৷ কীর্ত্তন ও মিলিত সাধনার পর আনন্দমার্গের বিভিন্ন দিক নিয়ে মূল্যবান বক্তব্য রাখেন আচার্য রাজেশ ব্রহ্মচারী ও শ্রীসুভাষ প্রকাশ পাল৷

তত্ত্বসভা

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

পাঁশকুড়া ঃ গত ৩০শে সেপ্টেম্বর পাঁশকুড়ার জগন্নাথপুর গ্রামে বিশিষ্ট আনন্দমার্গী শ্রীবাসুদেব বেরার পুত্র কৌশিক বেরার জন্মদিন উপলক্ষ্যে প্রভাত সঙ্গীত, কীর্ত্তন ও সাধনার পরে একটি তত্ত্বসভার আয়োজন করা হয়৷ তত্ত্বসভায় আনন্দমার্গ দর্শনের ওপর বক্তব্য রাখেন আচার্য রাজেশ ব্রহ্মচারী ও কীর্ত্তন মহিমা সম্পর্কে শ্রীসুভাষ প্রকাশ পাল বক্তব্য পেশ করেন৷ প্রায় শতাধিক মার্গী ভাই-বোনেদের উপস্থিতিতে তত্ত্বসভাটি সাফল্যমণ্ডিত হয়৷

গার্লস্ প্রাউটিষ্টের পক্ষ থেকে প্রাউট পরিক্রমা

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

গত ১৯শে সেপ্টেম্বর হাওড়া জেলার গালর্স প্রাউটিষ্টের উদ্যোগে জেলার বিভিন্ন ব্লকে প্রাউটের প্রচারের উদ্দেশ্যে ‘প্রাউট পরিক্রমা’ করা হয়৷ পাঁচলা, তারপর সাঁকরাইল, ডোমজুর ব্লকের বিভিন্ন প্রান্তে পথসভার আয়োজন করা হয়৷ পথসভাগুলিতে বক্তব্য রাখেন অবধূতিকা আনন্দগতিময়া আচার্যা, অবধূতিকা আনন্দ রেখা আচার্যা, বিজলী মণ্ডল, গোপা শীল প্রমুখ নেত্রীবৃন্দ৷

হাওড়া জেলা সমাচার

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

হাওড়া ঃ গত ৯ই সেপ্টেম্বর হাওড়া জেলার রাণীহাটি আনন্দমার্গ চিল্ড্রেন্স হোমে  এস.ডি.এমের ভুত্তিপ্রধান শ্রী জয়ন্ত শীলের উদ্যোগে তাণ্ডব ও কৌশিকী নৃত্যের প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়৷ জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বহু প্রতিযোগী এই প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহণ করেন৷ অনুষ্ঠানের প্রথমে পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে শুভ সূচনা করা হয়৷ এরপর প্রভাত সঙ্গীত ও কীর্ত্তনানুষ্ঠান হয়৷ তারপরেই মূল প্রতিযোগিতা পর্ব শুরু হয়৷ প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানাধিকারীকে পুরস্কৃত করা হয়৷ সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন অমিয় পাত্র ও ভুক্তিপ্রধান সুব্রত সাহা৷

গত ১৬ই সেপ্টেম্বর হাওড়ার রামরাজাতলায় বিশিষ্ট আনন্দমার্গী শ্রী তপন ভৌমিকের উদ্যোগে  প্রভাত সঙ্গীতের ৩৬তম বর্ষপূর্ত্তি উপলক্ষ্যে রেণেশাঁ আর্টিস্টস্ এ্যাণ্ড রাইটার্স এ্যাশোসিয়েশনের পক্ষ থেকে প্রভাত সঙ্গীত অবলম্বনে নৃত্য, অঙ্কন ও প্রভাত সঙ্গীতের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়৷ প্রায় দুই শতাধিক প্রতিযোগী এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন৷ উক্ত প্রতিযোগিতা থেকে চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া সাতজন নবরত্ন উপাধি লাভ করেন৷ এঁদের মধ্যে নৃত্যে রাওয়া রত্ন (প্রথম স্থান) হয়েছেন প্রিয়া মণ্ডল৷

সাঁইথিয়ায় ইয়ূ.পি.আই.এফ-এর রাজ্য সম্মেলন

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

সাঁইথিয়া ঃ গত ১৫ ও ১৬ সেপ্টেম্বর বীরভূম জেলার সাঁইথিয়াতে ইউ.পি.আই.এফ. (ইয়ূনিবার্সাল প্রাউটিষ্ট ইনটেলেকচুয়্যাল ফেডারেশন)-এর রাজ্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত হ’ল৷ বর্তমানে দেশ জুড়ে অভাবনীয় অর্থনৈতিক সমস্যা, একদিকে মুষ্টিমেয় ধনিক শ্রেণীর হাতে বিপুল পরিমাণ সম্পদ পুঞ্জীভূত ও অন্যদিকে দেশের জনসাধারণের বৃহদংশের নিদারুণ দারিদ্র্য ও বেকার সমস্যা, এন আর সি-র নামে উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ব্যাপক বাঙালী নির্যাতন, দেশজুড়ে মানুষের নৈতিক মানের ব্যাপক অবনয়ন---এই সমস্ত সমস্যার পরিপ্রেক্ষিতে ইয়.পি.আই.এফ.-এর কী করণীয় এই সমস্ত পর্যালোচনা করার জন্যে বিশেষ করে পূর্ব ভারতের বিভিন্ন রাজ্য থেকে ১৫০-এর বেশি বুদ্ধিজীবী প্রতিনিধি এই সম্মেলনে যোগদান করেন ও তাঁরা উক্ত সমস্যাবলী নিয়ে তাঁদের মূল্যবান বক্তব্য রাখেন৷ সম্মেলনে উপস্থিত বুদ্ধিজীবী প্রতিনিধিদের মধ্যে ছিলেন ডেপুটি ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিষ্ট্রেট সোমনাথ বিশ্বাস, ইন্দিরা গান্ধী ওপেন ইয়ূনিভার্সিটির ডিরেক্টর ডঃ বিশ্বজিৎ ভৌমিক, প্রফেসর কৌশিক ভট্টাচার্য, বকুল রায়, তারাপদ বিশ্বাস প্রমুখ বহু শিক্ষক, প্রফেসর, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, বিশিষ্ট সমাজসেবী প্রভৃতি৷

দুই দিন ব্যাপী এই সম্মেলনে বিশিষ্ট প্রাউট-তাত্ত্বিক আচার্য মন্ত্রেশ্বরানন্দ অবধূত, আচার্য রবীশানন্দ অবধূত প্রমুখ বর্তমানে দেশের বিভিন্ন জ্বলন্ত সমস্যাগুলিকে প্রাউটের মাধ্যমে কীভাবে সমাধান করা সম্ভব হবে সেই সম্পর্কে আগত প্রতিনিধিদের সামনে বিস্তারিত আলোচনা করেন৷

আচার্য মন্ত্রেশ্বরানন্দ অবধূত ক্যাপিট্যালিজমের জন্মদাতা এ্যাডাম স্মিথের অবাধ অর্থনৈতিক স্বাধীনতা থেকে কীভাবে অর্থনৈতিক শোষণ চরম রূপ নিতে থাকে, কীভাবে মার্কসবাদের উদ্ভব হয় সে সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন৷ তিনি মার্কসবাদের ত্রুটিগুলোর ওপর বিস্তারিত আলোকপাত করে দেখান---কী কারণে রাশিয়া ও পূর্ব ইয়ূরোপের বিভিন্ন দেশে কমিউনিষ্ট সরকারগুলির পতন হ’ল৷ তিনি বলেন, বর্তমান চীনে নামে মাত্র কমিউনিষ্ট সরকার, কিন্তু কমিউনিষ্ট অর্থনীতির বিন্দুমাত্র অবশিষ্ট নেই সেখানে৷ প্রকৃতপক্ষে কমিউনিজমের অপমৃত্যু ঘটেছে৷ তাই ঐতিহাসিক কারণেই বিশ্বজুড়ে সামাজিক-অর্থনৈতিক আদর্শের চরম শূন্যতা পূরণ করতেই ইতিহাসের অমোঘ নিয়মে প্রাউটের আবির্ভাব৷

আচার্য রবীশানন্দ অবধূত বলেন পুঁজিবাদ ও মার্কসবাদ নয়, নিপীড়িত মানবতার মুক্তির পথ একমাত্র প্রাউট৷ তাই আজ ইউ.পি.আই.এফ-এর প্রধান কর্তব্য হ‘ল এই প্রাউটের আদর্শের ব্যাপক প্রচার৷ এই জন্যে সর্বত্র সিম্পোজিয়াম, আলোচনাচক্র প্রভৃতির আয়োজন করার ওপরে তিনি বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন৷ রাজ্য সম্মেলনে নূতন করে ১২ জনের ইয়ূ.পি.আই.এফ-এর রাজ্যকমিটি তৈরী করা হয়৷ চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পেলেন শ্রীবিশ্বজিৎ ভৌমিক মহাশয়, আর সেক্রেটারী হিসেবে নির্বাচিত হলেন শ্রীতাপস সিন্হা৷

সম্মেলনের ব্যবস্থাপনায় ছিলেন আচার্য কৃষ্ণস্বরূপানন্দ অবধূত (ফেডারেশন সেক্রেটারী) ও তাঁর সঙ্গে সহযোগিতা করেন সোমনাথ দত্ত, বাদল দলুই, জগন্নাথ দাস, চরণ গরাঞ ও স্থানীয় প্রাউটিষ্টবৃন্দ৷

এন আর সি-র প্রতিবাদে নমঃশূদ্র বিকাশ পারিষদের লং মার্চ

সংবাদদাতা
পি.এন.এ.
সময়

গত ৩০ শে সেপ্টেম্বর এন.আর.সি’র বিরুদ্ধে বাঙ্লা থেকে অসমের উদ্দেশ্যে লংমার্চের ডাক দেয় অল.ইন্ডিয়া নমঃশূদ্র বিকাশ পারিষদ৷ এদিন জাতীয় নাগরিকপঞ্জী থেকে ৪০ লক্ষ বাঙালীর নাম বাদ পড়ার প্রতিবাদে কুমারগ্রাম (আলিপুরদুয়ার) ব্লকের কামাখ্যাগুড়ি থেকে অসমের শ্রীরামপুর পর্যন্ত প্রায় ২০ কি.মি. লংমার্চের সূচনা করেন এঁরা৷ প্রথমে কামাখ্যাগুড়িতে প্রতিবাদ সভা করে তাঁরা ১০ কিঃমিঃ পথ লংমার্চ চালিয়ে যান৷

ওদিকে লং মার্চের খবর পেয়ে অসম-পঃবঙ্গ সীমান্তে জল-কামান নিয়ে অসম পুলিশ এই লংমার্চকারীদের মোকাবিলা করার জন্যে প্রস্তুত৷ শেষ পর্যন্ত সংঘর্ষ এড়াতে ১০ কিলোমিটার চলার পর লংমার্চ স্থগিত রাখে৷

লংমার্চকে কেন্দ্র করে কামাখ্যাগুড়ি হাইসুকল ময়দানে তাঁরা এক প্রতিবাদসভা করেন৷ এই প্রতিবাদ সভায় নমঃশূদ্র বিকাশ পরিষদের লংমার্চকে সমর্থন জানাতে উপস্থিত ছিলেন অলিপুর দুয়ার ও জলপাইগুড়ির সাংসদ দশরথ তিরকি, বিজয়চন্দ্র বর্মন, আলিপুর দুয়ারের বিধায়ক সৌরভ চক্রবর্তী প্রমুখ ৷ মোবাইল মারফৎ বার্র্ত প্রেরণ করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধায় তাঁদের প্রতিপূর্ণ সমর্থন জানান৷

 

গোপগড়ে বাঙালী মহিলা সমাজের সেবামূলক কর্মসূচী

নিজস্ব সংবাদদাতা ঃ পশ্চিম মেদিনীপুরের বাঙালী মহিলা সমাজের পক্ষ থেকে গত ১৪ই সেপ্টেম্বর মেদিনীপুর  শহরের নিকটবর্তী গোপগড়ের গাবনালা অঙ্গনওয়ারি কেন্দ্রের শিশুদের মধ্যে  বই, শ্লেট, পেন্সিল ও ব্যাগ প্রভৃতি বিতরণ করা হয়৷ রাঙামাটির প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষিকা স্বপ্ণা জানার আর্থিক সহযোগিতায় এই সেবামূলক কর্মসূচী সুসম্পন্ন হয়৷ অঙ্গনওয়ারি কেন্দ্রের কর্মী সোমা পাত্রের উদ্বোধনী সঙ্গীতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হয়৷ তাঁর পরিচালনায় ছোট ছোট শিশুরা নাচ, গান ও ছড়া পরিবেশন করে যা অতিথিদের মুগ্দ করে দেয়৷ বাঙালী মহিলা সমাজের সম্পাদিকা কল্পনা গিরি ছাড়াও বক্তব্য রাখেন প্রাক্তন শিক্ষিকা স্বপ্ণা জানা ও গাবনালা ইয়ংষ্টার ক্লাবের সুনীল মাঝি৷ এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইলা পাত্র, সহদেব মাঝি, হজামল বারিক, প্রিয়া মাঝি, উজ্জ্বল ভূঁ্যঞা ও শিশুদের মায়েরা৷

কলকাতার অসম ভবনের গেটে তালা দিয়ে ‘এন.আর.সি.-র প্রতিবাদ আমরা বাঙালীর

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

২৪ সেপ্টেম্বর ঃ অসমে নাগরিকপঞ্জীকরণের্ নামে ৪০ লক্ষ বাঙালীকে বিদেশী আখ্যা দিয়ে অসম থেকে বিতাড়নের বিরুদ্ধে আমরা বাঙালীর পক্ষ থেকে কলকাতায় বিরাট বিক্ষোভ মিছিল বের হয়৷ হাজরা পার্ক থেকে বেলা ২টায় কেন্দ্রীয় সচিব বকুল চন্দ্র রায়ের নেতৃত্বে মিছিলটি এস.পি. মুখার্জীর রোড ধরে ভবানীপুর হয়ে বেলা ৩টা নাগদ রাসেল ষ্ট্রীটে অসম ভবনের সামনে পৌঁছে বিক্ষোভ ও অবস্থানে সামিল হয়৷ অসমে যে ক্রমাগত বাঙালী নির্যাতন, নিপীড়ন ও বিতাড়ন চলছে তারই প্রতিবাদে আমরা বাঙালী কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা ও নেত্রীরা তাদের বক্তব্য পেশ করেন৷ শুধু তাই নয়, অসম সরকারের বাঙালী বিরোধী এই ঘৃণ্য আচরণের প্রতিবাদে অসম ভবনের মূল ফটকে তালা লাগিয়ে দেওয়া হয়৷ বিভিন্ন বক্তাদের মধ্যে ছিলেন কেন্দ্রীয় সচিব বকুল চন্দ্র রায়, কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার ও জনসংযোগ সচিব উজ্জ্বল ঘোষ, সমতট সাঘটনিক সচিব জয়ন্ত দাশ, তারাপদ বিশ্বাস প্রমুখ৷ আমরা বাঙালীর নেত্রী শ্রীমতী গোপা শীল ও অন্যান্যরা উক্ত বিক্ষোভ সমাবেশে সামিল হন৷ উপস্থিত জনসাধারণ ‘আমরা বাঙালী’র এই আন্দোলনকে সম্পূর্ণ সমর্থন জানান৷

মারণ গ্যাসের কারখানা

সংবাদদাতা
পি.এন.এ (ইন্দোর)
সময়

গত ৩০শে সেপ্টেম্বর ইন্দোরের শহরের এক বে-আইনী গবেষণাগারে--- বিপুল পরিমাণ রাসায়নিক গ্যাস উৎপাদনের সন্ধান পাওয়া গেল৷ এই রাসায়নিক গ্যাস কেমিক্যাল ওয়ারফেয়ারে শত্রু নিধনে ব্যবহৃত হয়৷ এখানে যে পরিমাণ রাসায়নিক গ্যাস পাওয়া গেছে তাতে প্রায় ৫০ লক্ষ মানুষকে মেরে ফেলা যায়৷

ডিরেক্টর অব রেভিনিউ ইনটেলিজেন্সের এক অভিযানে এই ৯কেজি রাসায়নিক উদ্ধার করা হয়েছে৷ ভয়ঙ্কর ক্ষমতাসম্পন্ন এই রাসায়নিকের নাম ওপিয়েড্ ফেন্টাইল৷ বাজারে এই পরিমাণ ফেন্টাইলের দাম ১১০ কোটি টাকা৷ হিরোইন থেকে ৫০ গুণ ও মরফিন থেকে ১০০ গুন বেশি ক্ষমতাধর এই রাসায়নিকের মাত্র ২ মিলি গ্রাম একজন মানুষের মৃত্যু ঘটাতে পারে৷