সংবাদ দর্পণ

ক্ষুদিরামের আত্মবলিদান দিবস পালন

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

হুগলী ঃ গত ১১ই আগষ্ট ‘আমরা বাঙালী’-হুগলী জেলার পক্ষে যথাযথ মর্যাদার সঙ্গে বীর বিপ্লবী শহীদ ক্ষুদিরাম বসুর আত্মবলিদান দিবস পালিত হয়৷ হুগলীর শেওড়াফুলির অন্নদাবাগানস্থিত শহীদ ক্ষুদিরাম বসুর মর্মরমূর্ত্তিতে মাল্যদান করেন জেলাসচিব শ্রীজ্যোতিবিকাশ সিন্হা ও প্রবীণ প্রাউটিষ্ট শ্রীপ্রভাত খাঁ মহাশয়৷ জেলা সচিব তাঁর সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসুর জীবন ও কর্ম বিষয়ে আলোকপাত করেন৷ শ্রীপ্রভাত খাঁ মহাশয় শহীদ ক্ষুদিরামের উদ্দেশে স্বরচিত কবিতা পাঠের মাধ্যমে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেন৷

পুরুলিয়া ঃ গত ১১ই আগষ্ট পুন্দাগ ষ্টেশন সংলগ্ণ এলাকায় ‘আমরা বাঙালী’র পক্ষ থেকে মহান বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসুর আত্মবলিদান দিবস শ্রদ্ধার সঙ্গে পালন করা হয়৷ উক্ত অনুষ্ঠানের প্রথমে ক্ষুদিরাম বসুর প্রতিকৃতি মাল্যদান করেন আমরা বাঙালীর একনিষ্ঠ কর্মী তারাপদ মাহাত৷ ওই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ঝালদা জেলা সচিব পশুপতি মাহাত৷ তাছাড়া বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যতম সদস্য তারাপদ বিশ্বাস, শক্তিপদ গড়াঞ, বিভূতি দত্ত প্রমুখ৷

নাগপুরে শ্রাবণীপূর্ণিমা উপলক্ষ্যে  আনন্দোৎস

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

নাগপুর (মহারাষ্ট্র) শহরের প্রাণকেন্দ্র রিং রোড স্থিত ঐতিহাসিক  অনুসুয়া মঙ্গল  কার্যালয়ে  প্রতিবছরের  মত এবারও  ১৭,১৮,১৯ অগাষ্ট,২০১৮, শ্রাবণী পূর্ণিমা  উপলক্ষ্যে  খুব জাঁকজমকভাবে  ত্রিদিবসীয়  আনন্দোৎসব  অনুষ্ঠিত  হ’ল৷  সমগ্র  বিদর্ভ এলাকা  থেকে প্রায় পাঁচশত  ভক্ত মার্গী  এই  অনুষ্ঠানে  অংশগ্রহণ  করেছেন৷ প্রতিটি মার্গী  পরিবার তাদের সমস্ত শিশু সন্তানদের  নিয়ে স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই অনুষ্ঠানে  যোগদান  করেছে৷ প্রতিদিন  নির্দিষ্ট  সময়সূচী অনুসারে  প্রাত্যহিক  পাঞ্চজন্য, প্রভাতফেরী,  সামূহিক  প্রভাত-সঙ্গীত, কীর্ত্তন, সাধনা  ছাড়াও অনুষ্ঠানের  অন্যতম  আকর্ষণ ছিল কৌষিকী নৃত্য, তান্ডব নৃত্য , প্রভাত-সঙ্গীত ও প্রভাতসঙ্গীত  অবলম্বনে  নৃত্য প্রতিযোগিতা বিদর্ভবাসী ছোট ছোট শিশু  ছেলে-মেয়েরা  ব্যাপকভাবে  অংশগ্রহণ করে বাংলা, ইংরেজী, সংস্কৃত, অঙ্গিকা, উর্দু ইত্যাদি ভাষায়  অত্যন্ত দক্ষতার  সঙ্গে  যেভাবে  প্রভাত-সঙ্গীত  পরিবেশন করেছে তা খুবই  প্রশংসনীয়৷  মার্গীয়  সংস্কৃতি  ও জীবনধারার সঙ্গে  পরিবারের প্রত্যেককে  একাত্ম করে তোলার এটা ছিল একটা  অভিনব প্রয়াস৷

আধ্যাত্মিক  সাধনা  তথা  সাধকজীবনে  সদ্গুরুর ভূমিকা  নিয়ে  মনোজ্ঞ আলোচনা  করেন  আচার্য সর্বেশ্বরানন্দ  অবধূত ,আচার্য মহাদেবানন্দ  অবধূত  ও আচার্য কৃপাময়ানন্দ  অবধূত৷ সাংসৃকতিক সন্ধ্যায় বিভিন্ন ভাষায়  প্রভাত সঙ্গীত পরিবেশন  করেন মুম্বাই  রিজিয়নের   রিজিওনাল  সেক্রেটারী আচার্য  সুদত্তানন্দ  অবধূত , প্রবীণ  মার্গ-সঙ্গীত বিশেষজ্ঞ সুধাকর ভাবেকর  ও জ্ঞানেশ্বর পাঞ্চালী৷ অনুষ্ঠানটির  সার্বিক  প্রযোজনা  ও পরিচালনায়  মুখ্য ভূমিকা  পালন করেন নাগপুরের বিশিষ্টমার্গী  দীপক পান্ডে মহাশয়৷ শেষ দিনে  সমবেত  ভক্তবৃন্দ  আগামী  একবছরের  আদর্শের  ব্যাপক প্রচার, সাংঘটনিক  পরিকাঠামোকে  সুদৃঢ় করা তথা  বিভিন্ন  প্রকার  সেবাকার্যের  বৈয়ষ্টিক  দায়িত্ব গ্রহণ  করে অনুষ্ঠানের  সমাপ্তি  ঘোষণা করে৷

কেরালায় প্রকৃতির তাণ্ডব নব্যমানবতাবাদই একমাত্র ভরসা

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

Kerala flood relief 1২২ অগাষ্ট ঃ কেরালায়  দীর্ঘদিন  ধরে একটানা  প্রবল বর্ষণে  অভূতপূর্ব বন্যা দেখা দেয়৷ প্রবল  জনস্রোতে ভেসে যায় অগণিত ঘরবাড়ী৷ এ যেন প্রকৃতির  ভয়ঙ্কর  ধবংসলীলা৷ এখন পর্যন্ত  সরকারীভাবে ৩৭৩ জনের  মৃত্যুর  কথা ঘোষণা করা হয়েছে৷ ৩২ জনের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি৷ ১২ লক্ষ ৪৭ হাজার সাড়ে পাঁচ শ’তের বেশি  মানুষ ত্রাণ শিবিরে  আশ্রয় নিয়েছেন৷  ইতোমধ্যে  ক্ষতির  পরিমান  ২০ হাজার  কোটি টাকা ছাড়িয়ে  গেছে৷ কেরলের এই অভূতপূর্ব বন্যা সমস্ত  দেশবাসীকে  দারুণভাবে  বিচলিত করেছে৷ বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে৷  কিন্তু গোটা রাজ্য  এখন যেন ধবংসস্তুপে পরিণত৷ এ থেকে  উদ্ধার পেতে দীর্ঘ সময় লাগবে, লাগবে বহু  অর্থ৷Kerala flood relief 2

ইতোমধ্যে  বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ও বিভিন্ন রাজ্য থেকে সাহায্য পাঠানো হচ্ছে৷  উদ্ধার  কাজে  জল, স্থল ও বায়ুসেনা  একযোগে নিযুক্ত হয়েছে৷

এখন জল কমছে ও মহামারীর আশংকা দেখা দিয়েছে৷ রাজ্যের  প্রায়, ১০ হাজার  কিলোমিটার  রাস্তা জলের নীচে  না হয়  জলের তোড়ে নিশ্চিহ্ণ হয়ে গেছে৷

এর কারণ কী?

এই অভূতপূর্ব  বন্যার  কারণ কি কেবল আকাশভাঙ্গা  একটানা বৃষ্টি?  এ প্রশ্ণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে  মানুষের  মনে উঠছে ৷ কিন্তু  এই ঘটনাটিকে গভীরভাবে  বিশ্লেষণ করে দেখলে  আমরা  দেখব, এটার  জন্যে  প্রধানতঃ  দায়ী  অবিবেচক মানুষ৷ এটাকে  তাই ‘ম্যানমেড্’ বললে মোটেই  অত্যুক্তি  হবে না৷ পরিবেশবিদরা  এ ব্যাপারে  বহু আগেই  সতর্ক  করে দিয়েছিলেন, কিন্তু  তাদের  সুচিন্তিত  পরামর্শ না সরকার না জনসাধারণ --- কেউই  কর্ণপাত  করেননি৷

মহারাষ্ট্র থেকে কেরালা  আরব সাগরের গা ঘেঁসে  থাকা এই রাজ্যগুলিতে  রয়েছে পশ্চিমঘাট  পর্বতমালা৷  সাগরের জলীয়  বাষ্প এসে ধাক্কা মারে পাহাড়ে৷ তাই এই অঞ্চলে  এমনিতেই  বৃষ্টি  বেশী৷ এটাই প্রাকৃতিক  নিয়ম৷  সেই কারণে  এই অঞ্চলে  পাহাড়ি এলাকায়  নিয়ম  মেনে ঘরবাড়ী  বানানো উচিত৷  খনন করা হলেও  এব্যাপারে  কড়াকড়ি  নিয়ন্ত্রণ  প্রয়োজন৷ কিন্তু  কেরালায়  এব্যাপারে  কোনো  নিয়ন্ত্রণই ছিল না৷  নির্বিচারে  ধবংস করা হয়েছে পশ্চিমঘাটের একের পর এক  পাহাড়৷ নিয়ম না মেনে  যত্রতত্র তৈরী হয়েছে পাথরখাদান৷ পাহাড়ে  ঢালে  নিয়ম  না মেনে  তৈরী করা হয়েছে বাড়ী, রিসর্ট৷  জঙ্গল কেটে প্রায় সাফ করে দেওয়া হয়েছে৷

ইতোপূর্বে পরিবেশ ও বনমন্ত্রক মিলে  তৈরী করেছিল ‘ওয়েষ্টার্ন  ইকলজি এক্সপোর্ট প্যানেল’৷  যার নেতৃত্বে ছিলেন পরিবেশবিদ্ মাধব গ্যাডগিল ৷ ২০১১  সালে  এঁদের দেওয়া রিপোর্টে  এই এলাকায়  ঘরবাড়ী রাস্তাঘাট করার ব্যাপারে  অনেক  গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দেওয়া  হয়েছিল৷  সরকার এই রিপোর্টকে কার্যকর  করতে  অস্বীকার করে৷ পরিবেশ বিজ্ঞানীদের পরামর্শ অমান্য  করে  বেআইনীভাবে  খনি, খাদান,  হোটেল  ব্যবসার  নামে  পাহাড়ের  ওপর  দীর্ঘদিন ধরে অত্যাচার  হয়েছে৷ বর্তমান  প্রাকৃতিক বিপর্যয় প্রকৃতপক্ষে  তারই  প্রতিফল৷

গ্যাডগিল কমিটি বলেছে, একই নিয়তি  হতে পারে গোয়ারও৷ কেন্দ্রীয়  সরকারের নিযুক্ত বিচারপতি  এম বি শাহ কমিশন হিসেব করে  বলেছিলেন, বেআইনী খনি থেকে ৩৫ হাজার কোটি টাকা লাভ হয় শুধু গোয়াতেই৷  এই একই লোভের  কারণে  কেরালাতে  বিপর্যয় দেখা দিয়েছে, গোয়াতেও এখনও কার্যকরী ব্যবস্থা না নিলে  এখানেও এই ধরনের  বিপর্যয়  আসন্ন৷

শুধু কেরালা, গোয়া নয়, সারা দেশেরই এই অবস্থা৷ উত্তরাখণ্ডের  বিগত বিপর্যয়ের কারণও ওই একই  ছিল৷ সারা দেশ জুড়েই  বেপরোয়াভাবে  অরণ্যনিধন যজ্ঞ চলছে, নানান্ভাবে পরিবেশকে ধবংস করা হচ্ছে৷ প্রকৃতিও  তার প্রতিশোধ নিচ্ছে৷

মানুষকে  তাদের বেপরোয়া লোভ সংযত করতে হবে৷ প্রকৃতিকে---পরিবেশকে  রক্ষা করার ব্যাপারে মানুষকে যত্নশীল  হতে হবে৷ পাহাড় ও অরণ্যকে রক্ষা করতে হবে৷ পাহাড়-অরণ্যের  উদ্ভিদ  ও পশুকুলের  প্রতি মমতা রাখতে হবে---তাদের  ভালবাসতে হবে৷ এরই নাম নব্যমানবতাবাদ৷  এই নব্যমানবতাবাদই  একমাত্র  আজকের  মানবসভ্যতাকে  রক্ষা  করতে পারে৷

অসমে বাঙালী বিতাড়নের প্রতিবাদে ৩০শে আগষ্ট  আমরা বাঙালীর ডাকে অসমগামী রেল অবরোধ

সংবাদদাতা
পি.এন.এ.
সময়

প্রেস ক্লাবে সংবাদিক সম্মেলনে আমরা বাঙালীর কেন্দ্রীয় সচিব বকুল চন্দ্র রায় এন আর সি-র নামে অসমে যে বাঙালী বিতাড়নের সুগভীর চক্রান্ত চলছে আর ডিটেনশন ক্যাম্প ও ডি-ভোটার করে বাঙালীর ওপর যে নির্যাতন চলছে তার প্রতিবাদে আগামী ৩০শে আগষ্ট কোচবিহারে ‘আমরা বাঙালী’র ডাকে অসমগামী রেল অবরোধের ডাক দিয়েছেন৷

অসমে ৪০ লক্ষাধিক  বাঙালীকে  বিদেশীচিহ্ণিত  করার প্রতিবাদে বিভিন্ন জেলায় ‘আমরা বাঙালী’র প্রতিবাদ সভা

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

চেতলা, কলকাতা ঃ গত ১১ই অগাষ্ট ২০১৮ দঃকলকাতার চেতলা অঞ্চলের অহীন্দ্রমঞ্চের সামনে আমরা বাঙালী কলিকাতা জেলার শাখার উদ্যোগে এক বিরাট পথসভার আয়োজন করা হয়৷

সভা শুরু হয় বৈকাল ৪টা৷ চলে রাত ৮টা পর্যন্ত৷ সভার প্রারম্ভে বীর বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসুর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করেন সংঘটনের কর্মীগণ৷ এরপর ১মিনিট শহীদদের উদ্দেশ্যে নিরবতা পালন করা হয়৷ দেশমাতৃকার শৃংঙ্খলমোচনে তাঁর আত্মবলিদানের ইতিহাসের উপর বক্তারা বক্তব্য রাখেন৷

নতুন নাগরিকপঞ্জী তৈরীর নামে অসম থেকে লক্ষ লক্ষ বাঙালীর নাাগরিকত্ত্ব কেড়ে নেওয়ার প্রতিবাদে সমস্ত বাঙালীর গর্জে ওঠার ডাক ছিল এইদিনের মূল অনুষ্ঠান৷

গত ৩০শে জুলাই অসমে নাগরিকপঞ্জীর (এন.আর.সি) চূড়ান্ত খসড়া প্রকাশিত হওয়ার ৪০ লক্ষেরও অধিক বাঙালীর নাম বাদ পড়ার আমরা বাঙালীর সংঘটনের কর্মীরা দিকে দিকে পথসভার মাধ্যমে প্রতিবাদে ফেটে পড়েন৷

চেতলা অহীন্দ্রমঞ্চের সামনে আমরা বাঙালীর পথসভার সেই বিক্ষোভেরই ইঙ্গিত দেয়৷ পথসভার বক্তারা ছিলেন সুনীল চক্রবর্তী, জয়ন্তদাস, বাপি পাল, অরূপ মজুমদার, বিকাশ বিশ্বাস, গোপাল রায় চৌধুরী প্রমুখ৷

বক্তারা বলেন নাগরিকপঞ্জী (এন.আর.সি) থেকে লক্ষ লক্ষ বাঙালীর (ভূমিপুত্র ও কন্যা) নাম বাদ দিয়ে তাদের অসম থেকে বিদেশী আখ্যা দিয়ে  বিতাড়ন করা চলবে না৷ অসমসহ উত্তর পূর্বাঞ্চলের প্রতিটি বাঙালীর নায্য নাগরিক অধিকার সুনিশ্চিত করতে হবে৷ তাঁরা এও বলেন অবিলম্বে ভারতের সংবিধানের ধারা মেনেই বাঙালীর নিজ স্বভূমি ‘বাঙালীস্তান’ গড়ে তুলতে হবে৷ তারা বলেন অসমের ঘটনা আজ নতুন নয়৷ পঞ্চাশের দশক থেকে চলে আসছিল ‘বঙ্গাল খেদাও’ আন্দোলন আশির দশকে তা বীভৎসরূপ নেয়৷ ১৯৮৩ সালে অসমে প্রায় দশহাজার বাঙালীকে হত্যা করা হয়েছিল৷ আর ‘আমরা বাঙালী’ সংঘটন দীর্ঘদিন ধরে অসমে বাঙালী হত্যা, বঞ্চনা, বিতাড়ন ইত্যাদির বিরুদ্ধে লড়াই করে আসছে৷

সভার শেষে নাগরিকপঞ্জীকরনের্ নামে বাঙালী বিতাড়নের প্রতিবাদে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্রমোদী ও ভারতীয় জনপার্টির সভাপতি অমিত সাহের কুশপুত্তলিকা দাহ করা হয়৷

বক্তাদের জোরাল বক্তব্য শুনতে বেশ ভীড় জমে যায়৷ রাত ৮টায় অনুষ্ঠান শেষ হয়৷

বনগাঁ ঃ মহকুমায়  ঝাউডাঙ্গা ও চাঁদপাড়া বাজারে  ১০ই অগাষ্ট ও ১২ই অগাষ্ট বিকাল ৫ টা থেকে  ‘আমরা বাঙালী’র গাইঘাটা  বকের উদ্যোগে  অসমে  বাঙালী  বিতাড়নের  চক্রান্তের  বিরুদ্ধে  এক প্রতিবাদ সভার আয়োজন  করা হয়৷

উক্ত সভায় --- বক্তব্য রাখেন ‘আমরা বাঙালী’র  কেন্দ্রীয়  সাংঘটনিক  সচিব  জয়ন্ত দাস, বিকাশ  বিশ্বাস, বাপী পাল,  অরূপ মজুমদার, বশ্বেশ্বর মন্ডল বাঙালী মহিলা সমাজের  পক্ষে নমিতা দেবী, শ্যামল বিশ্বাস ও বিশিষ্ট প্রাউটিষ্ট  ও তাত্ত্বিক  নেতা অনিমেশ বিশ্বাস  প্রমুখ৷ বক্তারা  সম্প্রতি  অসমের  জাতীয়  নাগরিক  পঞ্জীকরণের  নামে ৪০,০৭,৭০৭ জনকে  বিদেশী চিহ্ণিতকরণ  করে অসম থেকে  বিতাড়ন  করার কেন্দ্রীয় সরকারের চক্রান্তের  বিরুদ্ধে  তাঁরা সরব হন৷ শুধু  অসমে  নয় উত্তর পূর্র্বঞ্চলের  অন্যান্য  রাজ্যগুলিতে  এন.আর.সি-র নামে  বাঙালী বিতাড়নের  ছক  কষছে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার৷ জাতীয় জনতাপার্টির  পঃবঙ্গের  নেতারা ইতমধ্যে  আওয়াজ তুলেছেন  পশ্চিম বাঙলায়  তারা ক্ষমতায় এলেই এন.আর.সির নামে  বাঙালী বিতাড়নের  প্রক্রিয়া শুরু করবে৷ আমরা বাঙালীর  বক্তারা  এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন৷ তাঁরা বর্তমান  এই  পরিস্থিতিতে বাঙালীকে  দলমত নির্বিশেষে  ঐক্যবদ্ধ  হয়ে আন্দোলনে সামিল  হওয়ার আহ্বান  জানিয়েছেন৷ এই সভাগুলিতে বাঙালী জনমানসে  ব্যাপক সাড়া  পড়েছে৷

মুর্শিদাবাদ ঃ মুর্শিদাবাদের  জলঙ্গী থানার  অন্তর্গত  নরসিংহপুর বাজার মোড়ে  ‘আমরা বাঙালী’র মুর্শিদাবাদ  শাখা এক পথসভার  আয়োজন  করে৷  সভা শুরু হয় ৫টা৷

উক্তসভার  প্রারম্ভে  বিপ্লবী বীর ক্ষুদিরাম  বসুর  ১১১তম  আত্মবলিদান  দিবস পালিত হয়৷  ক্ষুদিরাম  বসুর  প্রতিকৃতিতে মাল্যদাান  করার পর ১ মিনিট  নীরবতা পালন  করা হয়৷  সভায়  স্বাধীনতা সংগ্রামী ক্ষুদিরাম  বসুর আত্মত্যাগের  ইতিহাসের উপর  আলোকপাত  করেন মুর্শিদাবাদ  জেলার ‘আমরা বাঙালীর নেতৃবৃন্দ৷

সম্প্রতি অসমে নাগরিকপঞ্জী (এন.আর.সি) করণের  নামে ৪০,০৭৭০৭ জনকে  বিদেশী আখ্যা দিয়ে  অসম থেকে  বিতাড়ন  করার কেন্দ্রীয় সরকারের চক্রান্তের  বিরুদ্ধে বক্তারা  গর্জে ওঠেন৷

শুধু তাই  নয় পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি নেতৃত্ব আওয়াজ তুলেছেন যে এখানে  তারা ক্ষমতায় এলে  এন.আর.সি. চালু  করবেন৷  এর সিদ্ধান্তের  তীব্র  নিন্দা  করে ‘আমরা বাঙালী’ মুর্শিদাবাদ শাখার  নেতৃবৃন্দ৷ তারা  বলেন এ কাজ  আমরা কখনই হতে  দেব না৷  তারা  বলেন এসব হলে সারা  বাঙলায়  আগুন জ্বলবে৷

বক্তারা ছিলেন  বিশ্বরূপ প্রামাণিক, সুবীর মণ্ডল, দিব্যেন্দু চৌধুরী, জেলা সচিব স্বপন কুমাার মন্ডল প্রমুখ৷

সোমনাথ চ্যাটার্জী পরলোকে

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

প্রাক্তণ সিপিএম নেতা ও সাংসদ  সোমনাথ  চট্টোপাধ্যায় গত ১৩ই অগাষ্ট  সকাল ৮-১৫ মিনিটে  কলকাতার এক  বেসরকারী নার্সিংহোমে  শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ  করেন৷  মৃত্যুকালে  তার বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর৷  তিনি  লোকসভার প্রাক্তন স্পীকারও ছিলেন৷

তিনি প্রায় সারা জীবন  সিপি.এম-এর সদস্য ছিলেন৷ জীবনের  শেষ বছর  তিনি পার্টি থেকে বহিষৃকত  ছিলেন৷ এই কারণে সিপিএমের পক্ষ থেকে সোমনাথ চ্যাটার্জীর মরদেহকে  কম্যুনিষ্টপার্টির লাল পতাকা দিয়ে ঢেকে ফেলার  প্রস্তাব  তাঁর পরিবারের লোকজন  মেনে নেননি৷

আনন্দমার্গের অখণ্ডকীর্ত্তন, চিকিৎসা শিবির ও নারায়ণসেবা

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

  গত ৯ই জুলাই  ওড়িশার  ময়ূরভঞ্জ জেলার  বরুয়ান ব্লকের  কাটা সিমলা গ্রামে  আনন্দমার্গ প্রচারক  সংঘের  স্থানীয়  ইয়ূনিটের  পক্ষ থেকে  ইয়ূনিট  সেক্রেটারী শ্রী পরিক্ষিৎ নায়েকের  পরিচালনায়  ১২ ঘন্টাব্যাপী ‘াা নাম কেবলম্’ মহামন্ত্রের  অখন্ড  কীর্ত্তন  অনুষ্ঠিত  হয়৷  কীর্ত্তন  পরিচালনা  করেন ভঞ্জভূমের আনন্দমার্গের  ডিট্ সেক্রেটারী আচার্য ব্রতনিষ্ঠানন্দ অবধূত,  সেবাধর্ম  মিশনের  ভুক্তিপ্রধান  শ্রীসুরেশ নায়েক,  প্রীতিলতা নায়েক,  শরৎ মাহাত, ললিতা মাহাত, গীতা মাহাত, সত্যবতী মাহাত প্রমুখ৷

কীর্ত্তনান্তে  মিলিত সাধনার পর  আনন্দমার্গের  সাধনা  ও ভক্তিতত্ত্বের ওপর  বক্তব্য রাখেন ভুক্তিপ্রধান বিশ্বনাথ মাহাত ও আচার্য ব্রতনিষ্ঠানন্দ অবধূত৷ আচার্য ব্রতনিষ্ঠানন্দজী বলেন, মানুষের  জীবনে  মুখ্য উদ্দেশ্য ঈশ্বরলাভ৷  এ কথা ভুললে চলবে না৷ তাই  ঈশ্বর  সাধনা  প্রতিটি মানুষের  কর্তব্য৷ আর ঈশ্বর সাধনা মনের  প্রসারতা ঘটায়  মনকে  আনন্দ দান  করে ও মানুষের  মধ্যে  নিঃস্বার্থ সেবার ভাব জাগায়৷

এখানে সারা দিনব্যাপী চিকিৎসা শিবিরেরও আয়োজন  করা হয়৷  এই চিকিৎসা শিবিরে গ্রামের  দেড়শতাধিক  দুঃস্থ রোগীর  বিনামূল্যে চিকিৎসা করা হয় ও বিনামূল্যে তাদের  ওষুধ দেওয়া হয়৷ এই চিকিৎসা শিবিরে  চিকিৎসার  দায়িত্বে ছিলেন  ডঃ কৌশিক  দত্ত ও ডঃ যুধিষ্ঠির  মাহাত৷

এরপর  এখানে নারায়ণ সেবারও আয়োজন  করা হয় ও গ্রামবাসীদের  মধ্যে প্রসাদ বিতরণ করা হয়৷

বাঙলার মহান বিপ্লবী ক্ষুদিরামের আত্মবলিদান দিবস পালন

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

গত ১১ই আগষ্ট ‘আমরা বাঙালী’র পক্ষ থেকে  সর্বত্র ক্ষুদিরাম বসুর আত্মবলিদান  দিবস গভীর  শ্রদ্ধার সঙ্গে পালন করা হয়৷ এদিন  কলকাতার  শ্যামবাজারে আমরা বাঙালীর  কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আমরা বাঙালীর  কেন্দ্রীয়  সচিব ও অন্যান্য কর্মীরা সমবেত হয়ে শহীদ ক্ষুদিরামের প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করেন৷  স্পান্দনিকের পক্ষ থেকে মাল্যদান করেন শ্রীমতী সুরশ্রী মাইতি ও তিনি উদ্বোধনী সঙ্গীত হিসেবে ‘‘একবার বিদায় দে মা ঘুরে আসি...’’ গানটি গাইলে এক অপূর্ব ভাবগম্ভীর পরিবেশ সৃষ্টি হয়৷  এরপর  বক্তব্য রাখেন  কেন্দ্রীয় সচিব বকুল চন্দ্র রায়, জ্যোতিবিকাশ সিন্হা,  উজ্জ্বল ঘোষ, সুপ্রিয় রায়,  প্রশান্ত দত্ত, সুনন্দা সাহা, মালা সরকার, রবীন্দ্রনাথ সেন প্রমুখ৷  তাঁরা  ক্ষুদিরাম  বসুর  অতুলনীয় দেশপ্রেম ও আত্মত্যাগের বর্ণনা দিয়ে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন  করেন৷

কেন্দ্রীয় সচিব বকুলচন্দ্র রায় বলেন, শ্রী অরবিন্দের নেতৃত্বে সেদিন ক্ষুদিরাম , প্রফুল্ল চাকীসহ দলে দলে বিপ্লবীরা বঙ্গভঙ্গ রদ করতে  মরণপণ লডাই শুরু করেছিলেন ও আত্মবলিদান করেছিলেন৷ কিন্তু শোষকদের  ষড়যন্ত্রে পরেসেই বিশাল বাংলা খণ্ড-বিখণ্ডই হ’ল, যার পরিণতিতে লক্ষ লক্ষ বাঙালী গৃহহারা, উদ্বাস্তু হয়ে চরম জীবনযন্ত্রণা  ভোগ করছে৷ আজ অসমে যে  লক্ষ লক্ষ বাঙালী শোষণ ও নির্র্যতনের শিকার---তার মূল কারণই হ’ল বাংলার খণ্ডিতকরণ৷ আজ অসমসহ উত্তরপূর্র্বাঞ্চলের বাঙালীদের  যে চরম নির্যাতনের শিকার  হতে হচ্ছে, এই সমস্যার  একমাত্র  স্থায়ী সমাধান  খণ্ডিত  বাংলাকে  আবার যুক্ত করে  বাঙালীর  নিজস্ব  বাসভূমি  ‘বাঙালীস্তান’  গড়ে তোলা৷

অন্যান্য বক্তারাও তাঁদের অন্যান্য বক্তব্যের  সঙ্গে  অসমে  যে প্রায় ৪ লক্ষ  বাঙালীদের অন্যায়ভাবে  নাগরিকত্ব হরণ করা হচ্ছে, তার তীব্র প্রতিবাদ করেন ও এই অন্যায়ের  প্রতিবাদে  সমস্ত  বাঙালীদের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনে  সামিল হতে আবেদন জানান৷

হাওড়া ঃ গত ১১ই অগাষ্ট ‘আমরা বাঙালী’র  পক্ষ থেকে  হাওড়ার  আলমপুরে ন্যাশানাল হাই রোডের মোড়ে শহীদ ক্ষুদিরামের  আত্মবলিদান দিবস পালন করা হয়৷ ক্ষুদিরামের  প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করে  ‘আমরা বাঙালী’র  পক্ষ থেকে বিভিন্ন বক্তা ক্ষুদিরামের  দেশপ্রেম ও আত্মত্যাগের  ওপর  বক্তব্য রাখেন৷ তাঁরা বলেন,  যে অখণ্ড বাঙলার  জন্যে  ক্ষুদিরাম আত্মবলিদান দিয়েছিলেন, আজ সেই বাঙলাকে  ছিন্নবিচ্ছিন্ন  করে অসম, মণিপুর, ত্রিপুরা, বিহার, ঝাড়খণ্ড ওড়িশ্যা প্রভৃতির সঙ্গে  জুড়ে  দেওয়া হয়েছে৷  এই কারণেই  অসমে  বর্তমানে  বাঙালীরা নিজভূমে  পরবাসী ও আজ  তাই নূতন নাগরিকপঞ্জী তৈরীর নামে তাদের  বিদেশী তক্মা দিয়ে  বিতাড়নের  চেষ্টা চলছে৷ হিন্দী সাম্রাজ্যবাদীরা ও অসমের  উগ্র জাতীয়তাবাদের  চক্রান্ত এর পেছনে  ক্রিয়াশীল৷  এর প্রতিবাদে  সমস্ত বাঙালীকে আজ  গর্জে ওঠতে হবে৷

এখানে বক্তব্য রাখেন, জেলা সচিব রামচন্দ্র মান্না, কেন্দ্রীয় সচিব বকুলচন্দ্র রায় কেন্দ্রীয় কমিটির  সদস্য অর্ণব কুণ্ডু চৌধুরী, উৎপল কুণ্ডু চৌধুরী, শ্রীমতী গোপা শীল, সুব্রত সাহা, সুপ্রিয় রায়, প্রশান্ত দাস প্রমুখ৷ বক্তাদের বক্তব্য রাখার পর ন্যাশান্যাল  হাইরোড অবরোধ  করে অসমের  মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোওয়ালের কুশপুত্তলিকা দাহ  করে  অসমের বাঙালী নির্যাতনের প্রতিবাদ জানানো  হয়৷

‘আমরা বাঙালী’ সচিবের শোকপ্রকাশ

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বাজপেয়ীর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন ‘আমরা বাঙালী’র কেন্দ্রীয় সচিব বকুল চন্দ্র রায়৷ তিনি অতীতের স্মৃতিচারণ করে বলেন, ‘‘১৯৭৩ সালে প্রাউট-প্রবক্তা শ্রদ্ধেয় শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকারের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র করে’ তাঁকে কেন্দ্রীয় সরকার সি.বি.আই.-এর মাধ্যমে কারারুদ্ধ করেছিল ও ১৯৭৩ সালে ১২ই ফেব্রুয়ারী পটনা বাঁকীপুর সেন্ট্রাল জেলে তাঁর বিরুদ্ধে বিষ প্রয়োগ করেছিল৷ এই বিষ প্রয়োগের বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবীতে যখন তিনি আমরণ অনশন করেছিলেন, তখন বাজপেয়ী সহ চারজন সাংসদ তাঁর সঙ্গে কারাগারে সাক্ষাৎ করে’ তাঁকে অনশন ভঙ্গ করার জন্যে আবেদন করেছিলেন৷ তাঁরা বলেছিলেন---‘আপনার জীবন অমূল্য, তাই আপনি অনশনের সংকল্প ত্যাগ করুন৷’ তাঁর উত্তরে তিনি বলেছিলেন---‘‘আমি একজন ধর্মগুরু৷ আমি একটা আদর্শের জন্যে সংগ্রাম করছি৷ তাই আমি আমার প্রাণ বাঁচানোর জন্যে আদর্শ থেকে সরে আসতে পারিনা৷’’

বাজপেয়ীজী ও অন্যান্যদের বহু অনুরোধে তিনি যখন তাঁর সংকল্পে অবিচল তখন বাজপেয়ীজী বলেছিলেন---আমাদের জন্যে আপনি কিছু বলুন৷ তখন তিনি তাঁদের বলেছিলেন, ‘If India lives who dies, if India dies who lives.

আজ বাজপেয়ীর মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে গুরুদেবের সেই কথাগুলি মনে হচ্ছে৷’’

প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ী পরলোকে

সংবাদদাতা
পি.এন.এ ঃ
সময়

গত ১৬ই আগষ্ট ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ী শেষ  নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন৷ তিনি তিনবার প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন৷ তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ৷ প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বাজপেয়ীর প্রয়াণে ২২শে আগষ্ট পর্যন্ত সাত দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে৷