সংবাদ দর্পণ

ইটালির ভেরোনা শহরে প্রভাত সঙ্গীত দিবস পালন

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

আনন্দমার্গের সাংসৃকতিক প্রকোষ্ঠ ‘রাওয়া’র ইটালির শাখার পক্ষ থেকে গত ১৪ই সেপ্ঢেম্বর প্রভাত সঙ্গীতের ৩৬ বছর পূর্ত্তি উপলক্ষ্যে ইটালির ভেরোনা শহরে উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে এক মনোজ্ঞ আধ্যাত্মিক ও সাংসৃকতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়৷

স্থানীয় আনন্দমার্গী ‘টারসিসিও বেনেট্রো’ (সংসৃকতে প্রদত্ত নাম তপন কুমার) ‘ভজরে ইষ্ট নাম’ এই প্রভাত সঙ্গীতটি গেয়ে ও পরে ইটালী ভাষায় এটি অনুবাদ করে শুণিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন৷

এরপর আনন্দমার্গের প্রচারক আচার্য প্রবুদ্ধানন্দ অবধূত উপস্থিত সবাইকে স্বাগত জানিয়ে প্রভাত সঙ্গীত ও এর বিশেষত্ব সম্পর্কে বক্তব্য রাখেন ৷ তিনি বলেন শ্রীশ্রী আনন্দমূর্ত্তিজী, যাঁরা লৌকিক নাম শ্রী প্রভাত রঞ্জন সরকার, ৫০১৮ টি প্রভাত সঙ্গীত রচনা করেন ও নিজেই তাতে সুরারোপণ করেন৷ গভীর আধ্যাত্মিক ভাবের, সমাজ চেতনা মূলক, বিভিন্ন অনুষ্ঠানের গান,--- এমনিভাবে নানান ধরণের সঙ্গীত , বাংলা, ইংরেজী, হিন্দী, উর্দু প্রভৃতি ৮টি ভাষায় রচনা করেছেন৷

এরপর কলকাতা থেকে আগত প্রভাত সঙ্গীত শিল্পী রত্না সরকার বেশ কিছু প্রভাত সঙ্গীত পরিবেশন করেন৷ সঙ্গে সঙ্গে সেগুলির ইটালিতে অনুবাদ করেও শোনানো হয়৷ যাতে সবাই এর অপূর্বভাব গ্রহণ করতে পারে৷ শ্রীমতী রত্না সরকারের গাওয়া গানগুলির মধ্যে ছিল ‘প্রিয় আমার বন্ধু আমার’, ‘নয়ন মাঝারে রয়েছে’, ‘নয়নেরই তারা তুমি’, ‘এ গান আমার আলোর ঝর্র্ণধারা’ প্রভৃতি৷ হলের সমস্ত স্রোতা শ্রীমতী রত্না সরকারের গাওয়া প্রভাত সঙ্গীতের ভূয়সী প্রশংসা করেন৷

ইটালীর আর এক আনন্দমার্গী ‘গিয়োমো (সংস্কৃতে ত নাম--- গণেশ) ‘‘তুমি যে এসেছ আজ’’, ‘‘সকল মনের বীণা’’ ‘‘স্বপনে এসেছ আনন্দঘন তুমি’’ প্রভৃতি প্রভাত সঙ্গীত গেয়ে সকলকে আনন্দ দেন৷

মার্গীয় মতে শ্রাদ্ধানুষ্ঠান

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

বীরভূম জেলার লাভপুর শহরের প্রবীণ মার্গী প্রাণগোপাল চৌধুরী গত ১৭ই অক্টোবর ২০১৮ পরলোক গমন করেন৷ তার মৃত্যুতে বীরভূম জেলার মার্গীভাই ও বোনেরা খুবই শোকাহত ও মর্র্মহত, মৃত্যুকালে তাঁর বয়স ছিল ৭৪ বছর৷ তিনি একজন নিষ্ঠাবান ভক্ত ও নির্ভীক সাহসী প্রকৃতির মানুষ ছিলেন৷ ১৯৬৬ সালে মার্গের আদর্শে দীক্ষিত হন৷ তাঁর পুত্র , দুই কন্যা ও পত্নী আছেন৷

গত ২৬ শে অক্টোবর ২০১৮ লাভপুর শহরে তাঁর নিজস্ব বাসভবনে তাঁর শ্রাদ্ধানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়৷ প্রথমে সকাল ৯-৩০ মিনিটে থেকে প্রভাত সঙ্গীত , কীর্ত্তন ও মিলিত ঈশ্বর প্রণিধান করার পর স্বাধ্যায় করা হয়৷ স্বাধ্যায় করেন আচার্য্য সৌম্যসুন্দরানন্দ অবধূত৷ শ্রাদ্ধানুষ্ঠানে পৌরোহিত্য করেন আমড়াপালন মাষ্টার ইউনিটের রেকটর আচার্য্য মিতাক্ষরানন্দ অবধূত৷ তাঁর স্মৃতি চারণায় ছিলেন লাভপুরের প্রবীণ ভক্ত মার্গী শ্রী মহাদেব সেন, বিশিষ্ট শিল্পী অনন্ত মালাকার ও প্রবীণ মার্গী শ্রী সনৎ দত্ত মহাশয়৷ সর্বশেষে তার একমাত্র পুত্র সুদীপ চউধুরী তাঁর পিতার স্মৃতিচারণা করেন৷

l বীরভূম জেলার মল্লারপুর শহরের সন্নিকটে গোয়ালা গ্রামের স্বর্গীয় তারপদ মন্ডলের বাড়িতে আগামী ১১ই নবেম্বর ২০১৮ রবিবার তিনঘন্টার অখণ্ড কীর্ত্তনের আয়োজন করা হয়েছে৷ উক্ত কীর্ত্তনে বীরভূম জেলার সমস্ত মার্গীভাই ও বোনদের আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে৷

l বর্ধমান ঃ বর্ধমান জেলার কাটোয়া শহরের বিবেকানন্দ পল্লীর শ্রী কিরিটি ভূষণ ঘোষ ও জ্যোৎস্নাময়ী ঘোষ (ডলিদি) এর নিজস্ব বাসভবনে ‘শুভ অন্নপ্রাশন ও নামকরণ উপলক্ষ্যে তিনঘন্টার অখন্ড কীর্ত্তন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হইয়াছে৷ সময় সকাল ৮টা ৩০ মিনিট -১১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত৷

মহাপ্রয়াণ দিবস পালন, অখণ্ড কীর্ত্তন, নারায়ণ সেবা, বস্ত্র বিতরণ ও আনন্দমার্গের বিভিন্ন অনুষ্ঠান

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

বীরভূম ঃ বীরভূম জেলার শিউড়ি শহরের আনন্দমার্গ স্কুলে গত ২১শে অক্টোবর তিনঘন্টার অখণ্ড কীর্ত্তন অনুষ্ঠিত হয়৷ সকাল ১০টা থেকে প্রভাত সঙ্গীত, কীর্ত্তন ও মিলিত ঈশ্বর প্রণিধান, স্বাধ্যায় করার পরে শিউড়ির ডিট্ এস্ আচার্য্য সৌম্য শুভানন্দ অবধূত ও বোলপুর শহরের শ্রী রামদাস বিশ্বাস বাবার মহাপ্রয়াণ সম্বন্ধে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন৷ অনুষ্ঠানে শতাধিক মার্গীভাই ও বোন উপস্থিত থেকে মিলিত আহারে যোগদান করেন৷

ঘাটাল ঃ গত ২১শে অক্টোবর ঘাটালের আনন্দমার্গ ইয়ূনিটের পক্ষ থেকে বিকেল ৩টা থেকে ৬টা পর্যন্ত অখন্ড কীর্ত্তনের আয়োজন করা হয়৷ অখণ্ড কীর্ত্তনের পর মিলিত সাধনান্তে শ্রী রতন সামন্ত, শ্রী নিমাই সামন্ত, শ্রী জ্যোতির্ময় সামন্ত প্রমুখ আনন্দমার্গের দর্শন, সাধনা বিজ্ঞান ও কীর্ত্তন মাহাত্ম্যের ওপর বক্তব্য রাখেন৷ এরপর ২০০জন দুঃস্থ মানুষকে বস্ত্র দান করা হয় ও নারায়ণ সেবার আয়োজন করা হয়৷

মেদিনীপুর ঃ গত ২১শে অক্টোবর, শ্রীশ্রী আনন্দমূর্ত্তিজীর পাঞ্চভৌতিক শরীর ত্যাগের দিনটিতে আনন্দমার্গীরা মিলিত হয়ে বিকেল ৩টা থেকে ৬টা পর্যন্ত অখন্ড কীর্ত্তন করেন৷

এরপর মিলিত সাধনান্তে আনন্দমার্গের আদর্শ, সাধনা ও কীর্ত্তন মাহাত্ম্যের ওপর বক্তব্য রাখেন আচার্য নিত্যতীর্র্থনন্দ অবধূত, শ্রী শংকর প্রসাদ কুণ্ডু, শ্রী রঞ্জিত ঘোষ, শ্রী রমেন্দ্রনাথ মাইতি, শ্রীমতী শিপ্রা সাউ প্রমুখ৷

গত ১৭ই অক্টোবর অষ্টমীর দিনেও এখানে অখন্ড কীর্ত্তন ও ধর্মচক্রের আয়োজন করা হয়৷

পাঁশকুড়া ঃ গত ৪ ও ৫ অক্টোবর পাঁশকুড়ার গৌতম জানার বাসভবনে ২৪ ঘন্টাব্যাপী ‘বাবা নাম কেবলম্’ মহামন্ত্রের অখণ্ড কীর্ত্তন অনুষ্ঠিত হয়৷ কীর্ত্তনের পর ‘কীর্ত্তন মহিমা ও ভক্তিমাহাত্ম্যে’র ওপর বক্তব্য রাখেন অবধূতিকা আনন্দগতিময়া আচার্যা, আচার্য নিত্যতীর্র্থনন্দ অবধূত, সুভাস প্রকাশ পাল প্রমুখ৷

বনগাঁ ঃ গত ১৪ই অক্টোবর বনগাঁ আনন্দমার্গ স্কুলে তিন ঘণ্টা ব্যাপী অখণ্ড কীর্ত্তন ও মিলিত সাধনার পর দুই শতাধিক দুঃস্থ মহিলাকে শাড়ী প্রদান করা হয়৷ এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্কুলের অধ্যক্ষ আচার্য সর্বানন্দ অবধূত, আচার্য বোধিসত্ত্বানন্দ অবধূত, আচার্য কৃষ্ণেশ্বরানন্দ অবধূত, বিদ্যালয়ের শিক্ষকমণ্ডলী ও স্থানীয় আনন্দমার্গী নীলকমল বিশ্বাস সহ অন্যান্য আনন্দমার্গী দাদা-দিদি-ভাইবোনেরা৷ ২১শে অক্টোবর শ্রীশ্রীআনন্দমূর্ত্তিজী ভৌতিক দেহের মহাপ্রয়াণ উপলক্ষ্যে এখানে তিন ঘণ্টা ব্যাপী অখণ্ড কীর্ত্তন নারায়ণ সেবার আয়োজন করা হয়৷

কৃষ্ণনগর ঃ গত ৭ই অক্টোবর কৃষ্ণনগর শহরের সৃজনী আবাসনে (রাধানগর) প্রবীণ মার্গী শ্রীগোবিন্দ বিশ্বাস ও শ্রীমতী অর্চনা বিশ্বাসের নিজ বাড়ীতে তাদের নাতনী (অণুময় ও ভারতীর কন্যা) তিষ্যার জন্মদিন উপলক্ষ্যে দুই শতাধিক ভক্ত আনন্দমার্গী সহ আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দের উপস্থিতিতে সকাল ৯টা থেকে ১২টা পর্যন্ত অবধূতিকা আনন্দ বিভুকণা আচার্যা, আচার্য ভাবপ্রকাশানন্দ অবধূত, ব্রহ্মচারিণী রত্নদীপা আচার্যা প্রমুখের পরিচালনায় মানবমুক্তির মহামন্ত্র ‘বাবানাম কেবলম্’ অখণ্ড কীর্ত্তন অনুষ্ঠিত হয়৷ মিলিত সাধনা, গুরুপূজার পর স্বাধ্যায় করেন প্রবীণ মার্গী শ্রী দেবাশীষ মণ্ডল৷ অনুষ্ঠানে কীর্ত্তন মহিমার ওপর বক্তব্য রাখেন আচার্য সর্বেশ্বরানন্দ অবধূত, আচার্য কৃষ্ণস্বরূপানন্দ অবধূত, আচার্য বোধিসত্বানন্দ অবধূত৷ অনুষ্ঠান শেষে সকলকে প্রীতিভোজে আপ্যায়িত করা হয়৷ বিকেলে আনন্দমার্গ ইয়ূনিবার্স্যাল রিলিফ টীমের পক্ষ থেকে অণুময় বিশ্বাসের নেতৃত্বে দুঃস্থদের মধ্যে ১০০ প্যাকেট খাবার বিলি করা হয়৷ সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন ডাঃ বৃন্দাবন বিশ্বাস৷

কান্দি ঃ ২১শে অক্টোবর মুর্শিদাবাদের ধনীরামপুর আনন্দমার্গ ইয়ূনিটের তরফ থেকে শ্রীশ্রীআনন্দমূর্ত্তিজী পাঞ্চভৌতিক দেহের মহাপ্রয়াণ দিবস উদ্যাপিত হয়৷ এই উপলক্ষ্যে বিশিষ্ট আনন্দমার্গী নরেন্দ্রনাথ বিশ্বাসের গৃহপ্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত ৩ঘন্টা ব্যাপী অখন্ড কীর্ত্তন ও মিলিত সাধনার পর ২০০ জনকে নারায়ণ সেবায় আপ্যায়িত করা হয়৷

l ১৭ই অক্টোবর অষ্টমীর দিন কান্দি আনন্দমার্গ স্কুলে ২০০ জন দুঃস্থ মানুষকে বস্ত্রদান করা হয়৷ উদ্যোক্তারা ছিলেন কান্দি আনন্দমার্গ স্কুলের প্রিন্সিপ্যাল আচার্য বিশ্বোত্তরানন্দ অবধূত,কৃষ্ণচন্দ্র ঘোষ ও অন্যান্য আনন্দমার্গীরা৷

টাটানগর ঃ পূর্ব সিংভূম জেলার বড়াম ব্লকের মাধবপুর আনন্দমার্গ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সকাল ৯ ঘটিকা হইতে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত তিন ঘন্টা ব্যাপী ‘বাবা নাম কেবলম্’ অখন্ড নাম সংকীর্ত্তনের আয়োজন করা হয়৷ অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শিক্ষকগণ , ছাত্রছাত্রারা ও আনন্দমার্গীগণ অংশগ্রহণ করেন৷

কীর্ত্তন শেষে মহাপ্রয়াণ দিবস-এর তাৎপর্য সম্পর্কে আলোচনা করেন সেক্রেটারী শ্রী কিরিটি ভূষণ মাহাত৷

কীর্ত্তন শেষে সকলকে নারায়ণ সেবায় আপ্যায়িত করা হয়৷ সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শ্রী ধরণী মাহাত৷

রাণীহাটি ঃ গত ২১শে অক্টোবর মার্গগুরু শ্রীশ্রীআনন্দমূর্তিজীর্ ভৌতিক দেহের মহাপ্রয়াণ স্মরণে রাণীহাটি আনন্দমার্গ স্কুলে হাওড়ার আনন্দমার্গীরা মিলিত হয়ে অখণ্ড কীর্ত্তনে সামিল হন৷ কীর্ত্তনের পর মিলিত সাধনা ও প্রসাদ বিতরণ হয়৷ অনুষ্ঠানে স্থানীয় দুঃস্থ মানুষদের মধ্যে বস্ত্র বিতরণ করা হয়৷ স্কুলের অধ্যক্ষ আচার্য নিত্যসুন্দর ব্রহ্মচারী, ভুক্তিপ্রধান সুব্রত বিশ্বাস, মহাব্রত দেব, রামকৃষ্ণ দেব সহ অন্যান্য আনন্দমার্গীরা উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানটিকে সাফল্যমণ্ডিত করেন৷

ঠাকুরনগর ঃ গত ২১শে অক্টোবর বনগাঁর ঠাকুরনগরের শিমুলপুরে অবস্থিত নবনির্মিত আনন্দমার্গ স্কুলে মার্গগুরু শ্রীশ্রীআনন্দমূর্ত্তিজী পাঞ্চভৌতিক দেহের মহাপ্রয়াণ দিবস উপলক্ষ্যে তিন ঘণ্টা ব্যাপী অখণ্ড কীর্ত্তন ও প্রসাদ বিতরণের পর ৫০ জন দুঃস্থ মহিলাকে শাড়ী প্রদান করা হয়৷ অনুষ্ঠানে আচার্য বোধিসত্ত্বানন্দ অবধূত, উত্তর ২৪ পরগণার ভুক্তিপ্রধান সন্তোষ বিশ্বাস, কুমুদ দাস, রবীন বিশ্বাস সহ স্থানীয় বহু আনন্দমার্গী ও স্থানীয় মানুষ উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানকে সাফল্যমণ্ডিত করে তোলেন৷

l বীরভূম জেলার সাঁইথিয়া ব্লকের বাগডোলা গ্রামের অশোক গড়াই -এর (সাহেব) নিজস্ব বাসভবনে ১লা নবেম্বর তিনঘন্টা ব্যাপী অখন্ড কীর্ত্তনের আয়োজন করা হয়৷ বহু আনন্দমার্গী ভাই-বোন এই কীর্ত্তনে অংশগ্রহণ করেন৷ কীর্ত্তনের পর সাধনা ও কীর্ত্তন মাহাত্ম্যের ওপরে বক্তব্য রাখেন আচার্য মিতাক্ষরানন্দ অবধূত ও ভুক্তিপ্রধান শ্রী কেশব সিংহ৷

জিম্বাবোয়েতে আনন্দমার্গের সেমিনার ও সেবাকার্য

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

গত ২১শে শ্রীশ্রীআনন্দমূর্ত্তিজী পাঞ্চভৌতিক শরীর ত্যাগকে স্মরণ করে এদিন এখানকার আনন্দমার্গীরা মিলিত হয়ে অখণ্ড কীর্ত্তন ও তৎপরে ধর্মচক্র করেন৷ এরপরে এক সদাব্রতের কর্মসূচী রাখেন৷ এই সদাব্রত অনুষ্ঠানে স্থানীয় ১০০টি দরিদ্র্য পরিবারের প্রত্যেককে ৫ কেজি করে খাদ্যদ্রব্যের (চাল-গম-ডাল প্রভৃতি) প্যাকেট দেওয়া হয়৷ এদিন এখানে মার্গগুরুদেবের আদর্শের ওপর সেমিনারেরও আয়োজন করা হয়৷ আচার্য লীলাধীশানন্দ অবধূত আনন্দমার্গের আদর্শের ওপর বক্তব্য রাখেন ৷ প্রতি সপ্তাহেই এখানে দরিদ্রদের মধ্যে খাদ্য বিতরণ করা হয়৷

আর্জেন্টিনায় চিকিৎসক সম্মেলনে অবধূতিকা আনন্দমণিদীপা

সংবাদদাতা
পি.এন.এ.
সময়

সম্প্রতি আর্জেন্টিনা থেকে আনন্দমার্গের মহিলাবিভাগের প্রতিনিধি অবধূতিকা আনন্দমণিদীপা আচার্যা জানান, আর্জেন্টিনার রাজধানী বুয়েনস্ এয়ারর্সে তাঁর অনলস প্রচেষ্টায় ও স্থানীয় আনন্দমার্গীদের আর্থিক সাহায্য ও সহযোগিতায় আনন্দমার্গের নিজস্ব ভবন ক্রয় করা হয়েছে৷ এখানে এখানকার আনন্দমার্গীরা প্রতি সপ্তাহে ধর্মচক্র করেন৷

সম্প্রতি এখানকার এক প্রখ্যাত চিকিৎসক ডাঃ রাবেনা তাঁর নিজস্ব হাসপাতালে এক চিকিৎসক সম্মেলনের আয়োজন করেন৷ এই চিকিৎসক সম্মেলনে ক্যানসার রোগ প্রতিরোধে যোগের ভূমিকা সম্পর্কে বক্তব্য রাখার জন্যে অবধূতিকা আনন্দমণিদীপা আচার্যাকে আমন্ত্রণ জানান হয়েছিল৷ অবধূতিকা আনন্দ মণিদীপা দিদি সেখানে কীভাবে যোগাভ্যাস ও আনুসঙ্গিক ব্যবস্থার মাধ্যমে শরীরকে এ্যালকালাইজ (alkalize) করে ক্যানসার নিরাময় করা যায় তার ওপর সুচিন্তিত বক্তব্য রাখেন৷

তাঁর বক্তব্য শুণে ডঃ রাবেনা ও অন্যান্য চিকিৎসকগণ মুগ্ধ হয়ে যান৷ ডা ঃ রাবেনা অবধূতিকা আনন্দ মণিদীপা দিদিকে তাঁর এই মূল্যবান বক্তব্যের জন্যে ধন্যবাদ জানিয়ে এ ব্যাপারে আরও বিস্তারিত ভাবে জানবার আগ্রহ প্রকাশ করে’ পুনরায় তাঁকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন৷

সায়েন্স-সিটি অডিটোরিয়ামে ‘রাওয়া’র অনুষ্ঠান

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

কলকাতা ঃ প্রভাত সঙ্গীতের ৩৬ বর্ষ পূর্ত্তি উপলক্ষ্যে গত ২৭ শে অক্টোবর কলকাতার সায়েন্স সিটি অডিটোরিয়ামে ‘রাওয়া’র উদ্যোগে প্রভাত সঙ্গীত অবলম্বনে এক অপূর্ব মনোমুগ্ধকর সাংসৃকতিক অনুষ্ঠান হয় ও তার সঙ্গে সঙ্গে প্রভাত সঙ্গীতের স্রষ্টা শ্রীশ্রীআনন্দমূর্ত্তীির্ সর্বান্যুসূত দর্শনের ওপর আলোকপাত করেন উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন অধ্যাপক (ডিন) ডঃ রঘুনাথ ঘোষ ও মার্গের প্রবীণ সন্ন্যাসী আচার্য সর্বেশ্বরানন্দ অবধূত৷ এই অনুষ্ঠানে পরিবেশিত প্রভাত সঙ্গীত ও প্রভাত সঙ্গীত অবলম্বনে নৃত্য হলভর্তি দর্শকদের মোহিত করে দেয়৷

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডঃ রঘুনাথ ঘোষ, প্রাক্তণ ডিন, আর্টস্, কর্র্মস ও ল বিভাগ, উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় সভাপতির আসন অলঙ্কৃত করেন আনন্দমার্গের প্রবীণ সন্ন্যাসী আচার্য সর্বেশ্বরানন্দ অবধূত৷ এছাড়া মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন রাওয়া সেক্রেটারী আচার্য রবীশানন্দ অবধূত ও আচার্য ভবেশানন্দ অবধূত৷

অনুষ্ঠানের উদ্বোধন হয়, ‘এগিয়ে চল আজিকে শুভ বিজয়া’ এই প্রভাত সঙ্গীত অবলম্বনে নৃত্যানুষ্ঠান দিয়ে৷ এটি পরিবেশন করেন খড়গপুরের নীলোৎপল নৃত্যগোষ্ঠীর শিল্পীরা৷

এরপর অতিথি বরণ, প্রভাত সঙ্গীতের স্রষ্টা পরম শ্রদ্ধেয় শ্রী প্রভাত রঞ্জন সরকারের প্রতিকৃতিতে মাল্যদান পর্বের পর বিভিন্ন গায়ক-গায়কী ও নৃত্য শিল্পীরা প্রভাত সঙ্গীত ও প্রভাত সঙ্গীত অবলম্বনে নৃত্য পরিবেশন করে এক অপূর্ব মনোমুগ্ধকর নান্দনিক পরিবেশ সৃষ্টি করেন৷

এর মধ্যে ডঃ রঘুনাথ ঘোষ, মানব সমাজে প্রভাত সঙ্গীত-স্রষ্টা শ্রী প্রভাতরঞ্জন সরকারের বিস্ময়কর বহুমুখী প্রতিভা ও সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাঁর অবদানের ওপর বিস্তৃত আলোচনা করেন৷ তিনি তাঁর ভাষণে বলেন, ‘শ্রীশ্রীআনন্দমূর্ত্তিজী একজন ‘ক্রান্তদর্শী’ ত্রিকালজ্ঞ পুরুষ৷ তিনি আজকের সমাজের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের পথ নির্দেশনা দিয়েছেন৷ তিনি ‘ব্রহ্মসত্য ও জগৎ মিথ্যা’ বলে দ্বিচারিতা করেন নি, তিনি বলেছেন জগৎ আপেক্ষক সত্য৷ মানুষের উচিত অন্তর্জগৎ ও বহির্জগতের মধ্যে সামঞ্জস্য রক্ষা করে চলা৷ এর মধ্যেই রয়েছে জীবনের জটিল সমস্যার সমাধানের চাবিকাঠি৷ তিনি আরো বলেন, শ্রীশ্রীআনন্দমূর্ত্তিজী প্রকৃতই Embodiment of the bliss. তাঁর সর্বানুসূ্যত দর্শন আজও অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক৷ সভাপতি আচার্য সর্বেশ্বরানন্দ অবধূত মার্গগুরু শ্রীশ্রীআনন্দমূর্ত্তিজী মহান আদর্শের বাস্তবায়ন ঘটিয়ে এক আদর্শ সর্বাঙ্গসুন্দর সমাজ গড়ার জন্যে সবাইকে তৎপর হওয়ার আহ্বান জানান৷

সাংসৃকতিক অনুষ্ঠানে প্রভাত সঙ্গীত পরিবেশন করেন আকাশবাণী ও দূরদর্শন শিল্পী সৌরভ চক্রবর্তী, কেরালার বিশিষ্ট সঙ্গীতশিল্পী সাধিকা, কলকাতার অন্যান্য বিশিষ্ট সঙ্গীত শিল্পী কাঞ্চন দাস, তানিয়া দাম, বৈতালিক সঙ্গীত শিল্পীগোষ্ঠী প্রমুখ৷

নৃত্য পরিবেশন করেন শান্তিনিকেতনের সবুজকলি নৃত্যগোষ্ঠী, কলকাতার কঙ্কনা ভট্টাচার্য ও তাঁর সম্প্রদায়, খড়গপুরের নীলোৎপল নৃত্যভূমির শিল্পীরা ওড়িশার ভূবনেশ্বর রাওয়া একাডেমীর শিল্পীরা৷ অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন শুভেন্দু ঘোষ৷

অনুষ্ঠানের শেষে আচার্য সর্বেশ্বরানন্দ অবধূত শ্রীবিভাংশু মাইতি রচিত প্রভাত সঙ্গীতের ওপর একটি পুস্তক ‘প্রভাত সঙ্গীত জীবনের আনন্দধারা’ প্রকাশ করেন৷

বাঙালী উদ্বাস্তু নেতা সুবোধ বিশ্বাস কলকাতায়

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

কলকাতা ১৩ই অক্টোবর ঃ প্রচণ্ড উচ্ছ্বাস ও গণ সম্বর্ধনায় ভেসে গেলেন সর্বভারতীয় বাঙালী উদ্বাস্তু নেতা সুবোধ বিশ্বাস৷ এখানে উল্লেখ করা যেতে পারে যে অসমের শিলাপাথর কাণ্ডে মিথ্যা মামলায় অভিযুক্ত হয়ে প্রায় দেড় বছর তিনি ধেমাজি জেলে বন্দী ছিলেন৷ সম্প্রতি আদালতের নির্দেশে তিনি জামিন পান৷ কয়েকদিন ধেমাজিতে থাকার পর তিনি গত সপ্তাহে আদালতের অনুমতি পান৷ আদালতের নির্দেশে তার বাড়ী নাগপুর যাওয়ার অনুমতি পান৷ শনিবার বেলা একটায় গৌহাটি বিমানবন্দর থেকে নাগপুর যাওয়ার পথে কলকাতায় আসেন উদ্বাস্তু নেতা সুবোধ বিশ্বাস৷ এইসময় তাঁকে দেখার জন্যে বিমানবন্দরের লাউঞ্জের বাইরে কয়েক হাজার উদ্বাস্তু মানুষ অপেক্ষা করছিলেন৷ বিমানবন্দরের বাইরে আসারপর তাকে শঙ্খ বাজিয়ে বাজিয়ে ফুলের মালায় তাঁকে বরণ করা হয়৷ এখানে উল্লেখ করা যেতে পারে যে সুবোধ বিশ্বাসের মুক্তির দাবীতে আমরা বাঙালীর কেন্দ্রীয় সচিব শ্রী বকুল চন্দ্র রায় ও অসমের রাজ্য সচিব শ্রী সাধন পুরকায়স্থ বিভিন্ন সভায় বক্তব্য রাখেন ও অসম সরকারের কাছে এই মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের জন্য আবেদন জানান৷ তার মুক্তিতে কেন্দ্রীয় সচিব ও অসম সচিব সন্তোষ প্রকাশ করেন৷

কোচবিহারে আমরা বাঙালীর জেলা সম্মেলন

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

গত ৭ই অক্টোবর কোচবিহার জেলার দিনহাটা মহকুমার অন্তর্গত পেটলা নবীবক্স উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ে আমরা বাঙালী জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ৷ ‘বাঙলা আমার দেশ বাঙলাকে ভালোবাসি’ এই গানটি গেয়ে সম্মেলনের শুভ সূচনা করা হয়৷ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন --- তারাপদ বিশ্বাস (কেন্দ্রীয় সদস্য), রাজু মান্না (আইন ও আন্দোলন সচিব), শ্রী খুশীরঞ্জন মন্ডল, দলেন্দ্রনাথ রায় ও সুবোধ বর্মন প্রমুখ৷ সম্মেলনে বিদায়ী জেলা সচিব শ্রী সন্তোষ কুমার মোদক, বিগত ৩ বছরের প্রতিবেদন ও আয়-ব্যয় পাঠ করে শোণান৷ এরপর নোতুন জেলা কমিটি গড়ে তোলা হয়৷ জেলা কমিটির নবনিযুক্ত জেলা-সচিব হন শ্রী প্রসন্নকুমার রায়৷

বাঙালী মহিলা সমাজের পক্ষ থেকে বস্ত্র বিতরণ

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

বাঙালী মহিলা সমাজের পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা শাখার পক্ষ থেকে মেদিনীপুর শহরের ২৫ নং ওয়ার্ডের অন্তর্গত গাবনালা গ্রামের ৪০ জন দুঃস্থ মহিলার মধ্যে শাড়ি বিতরণ করা হয় গত ১৪ই অক্টোবর রবিবার সকাল ১০ টায়৷ এছাড়াও মহিলাদের মধ্যে টিফিন প্যাকেট বিতরণ করা হয়৷

এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছিলেন গাবনালা ইয়ংস্টার ক্লাবের সেক্রেটারী সুনীল মাঝি, বিশিষ্ট সমাজকর্মী স্বপ্ণা জানা, বাঙালী মহিলা সমাজ সম্পাদিকা কল্পনা গিরি,অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী সোমা পাত্র৷ এছাড়াও সহদেব মাঝি,শিপ্রা সাউ, পুষ্প ঘোষ, সুমিতা পাল, ইলা পাত্র প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন৷ গ্রামের অধিবাসীদের বক্তব্য বাঙালী মহিলা সমাজের পক্ষ থেকে এইভাবে পরবর্তী ক্ষেত্রে সাহায্য পেলে তারা যথেষ্ট উপকৃত হবে৷ মহিলাদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন কল্পনা গিরি, শিপ্রা সাউ ও স্বপ্ণা জানা৷ অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের শিশুরা ছোট্ট সাংসৃকতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে উপস্থিত সকলকে মুগ্ধ করে৷

বাঙালী বিদ্বৎ সমাজের পুনর্ঘটন

সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা
সময়

কলকাতা ঃ গত ২৪শে অক্টোবর কলিকাতার তিলজলায় প্রাউটিষ্ট ইয়ূনিবার্র্সল এর চিফ সেক্রেটারি আচার্য সত্যস্বরূপা নন্দ অবধূত জানান যে, গত ১৬ই সেপ্ঢেম্বর বীরভূম জেলার সাঁইথিয়াতে ‘‘বাঙালী বিদ্বৎ সমাজের’’ পরিচালন কমিটির পুনর্ঘটন করা হয়৷ চেয়ারম্যানের দায়িত্ব শ্রী জ্যোতিবিকাশ সিন্হা ও সম্পাদকের দায়িত্ব শ্রী নীরোদ অধিকারী মহাশয়কে অর্পন করা হয়৷ গত ২৪শে অক্টোবর কলিকাতায় ‘‘বাঙালী বিদ্বৎ সমাজ’’ এর পূর্ণাঙ্গ কমিটির চূড়ান্তরূপ দেওয়া হয়৷ ইতোপূর্বে নির্বাচিত চেয়ারম্যান ও সম্পাদক ছাড়াও অন্যান্য সদস্যগণ হলেন সর্বশ্রী লক্ষ্মীকান্ত মাহাত, অসিত দত্ত, গৌরাঙ্গ সরকার, নারায়ণ পাল, আশুতোষ সরকার ও সুধীর গুপ্ত প্রমুখ৷