Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

ভাবজড়তা থেকে সাবধান

শ্রী প্রভাতরঞ্জন সরকার

সংরচনাগত অখণ্ডতার ব্যাপারে ৰলা যেতে পারে, সর্বোৎকৃষ্ট আকৃতি হচ্ছে ডিম্বাকৃতি৷ লাতিন ‘ওবাম’ শব্দটির অর্থ হচ্ছে ডিম৷ তাই ‘ওবাল’ শব্দের অর্থ ডিমের মত অর্থাৎ পুরোপুরি না হলেও কিছুটা ডিমের মত৷ পুরোপুরি ডিম্বাকৃতি নয়, তৰে প্রায় ডিম্বাকৃতি৷ সকল জ্যোতিষ্কই এই আকৃতির৷ সংস্কৃতে তাই বিশ্বকে ৰলা হয় ব্রহ্মাণ্ড৷ ‘অণ্ড’ মানে ডিম৷ সংস্কৃত ‘অণ্ড’ শব্দ থেকে উর্দু ‘অল্ডা’ শব্দটি এসেছে৷ এখন, আমাদের এই বিশ্বটা খুৰই বড় কিন্তু অনন্ত নয় ও এর আকৃতিটা দেখতে ডিম্বাকার, অর্থাৎ এর একটা সীমারেখা আছে৷

হ্যাঁ, এ বিশ্বব্রহ্মাণ্ডটা খুৰই ৰড় ও বাস্তবিক এত ৰড় যে আমরা তার পরিমাপ করতে পারি না৷ কিন্তু তত্ত্বগত ভাবে পরিমাপ করা যায়৷ এইমাত্র আমি ৰললুম যে সবচেয়ে সুবিধাজনক সংরচনা হচ্ছে এই ডিম্বাকৃতি৷ একটা অণুর উদাহরণ নেওয়া যাক্‌৷ একটা আণবিক সংরচনা হচ্ছে কী---তার একটা কেন্দ্রৰিন্দু রয়েছে যা সংরচনাটির মধ্যেকার সবচেয়ে ভারী বস্তু ও যার চারিপাশে বিদ্যুতণুগুলি ঘুরে চলেছে৷ ঠিক তেমনি হ’ল আমাদের এই পার্থিব সংরচনা৷ পৃথিবী হচ্ছে তার কেন্দ্রৰিন্দু ও চন্দ্র সেই কেন্দ্রৰিন্দুর চারিদিকে ঘুরে চলেছে৷ এর চেয়ে ৰড় হচ্ছে সৌর-সংরচনা৷ সূর্য হচ্ছে কেন্দ্রৰিন্দু আর ৰহু গ্রহ তাকে কেন্দ্র করে ঘুরে চলেছে৷ সবচেয়ে ৰড় সংরচনা হচ্ছে বিশ্বব্রহ্মাণ্ড---পরমপুরুষ, পুরুষোত্তম যার মধ্যমণি৷ সেই পুরুষোত্তমকে ঘিরেই সমস্ত জৈব-অজৈব সত্তাসমূহ ঘুরে চলেছে৷

বিজ্ঞানের ছাত্রমাত্রই জানে দু’টো কারণে গতি বজায় থাকে---কেন্দ্রানুগা ও কেন্দ্রাতীগা৷ কেন্দ্রানুগা শক্তি ব্যাসার্ধের দূরত্ব কমিয়ে আনবার চেষ্টা করে আর কেন্দ্রতীগা শক্তি সেই দূরত্বকে কেন্দ্রৰিন্দু থেকে সরিয়ে দেবার চেষ্টা করে৷ সংস্কৃতে এই কেন্দ্রানুগ শক্তিকে ৰলে ‘বিদ্যা’ আর কেন্দ্রাতীগা শক্তিকে ৰলে ‘অবিদ্যা’৷ সাধারণ ভাষায় আমরা অবিদ্যার জন্যে ইংরেজীতে ‘শয়তান’ শব্দটি ব্যবহার করি৷ এখন জেনে বা না-জেনে, জ্ঞাতসারেই হোক বা অজ্ঞাতসারেই হোক বিশ্বের প্রতিটি ভৌতিক তথা মানসক সত্তা সেই পরমপুরুষের চারিপাশে ঘুরে চলেছে৷

সীমিত বস্তু তথা সীমিত সংরচনার ক্ষেত্রে হয় কি---যখন কোন ঘূণায়মাণ সত্তা কেন্দ্রৰিন্দুর থেকে অনেকটা দূরে সরে যায় তখন তা’ অন্য একটি কেন্দ্রৰিন্দর দ্বারা আকর্ষিত হয়ে থাকে৷ এরই ফলে বিভিন্ন কেন্দ্রৰিন্দুর মধ্যে পারস্পরিক সংঘর্ষ শুরু হয়ে যায়৷ কিন্তু এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের ক্ষেত্রে একটি মাত্রই কেন্দ্রৰিন্দু  রয়েছে৷ কিন্তু এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের ক্ষেত্রে একটি মাত্রই কেন্দ্রৰিন্দু রয়েছে৷ অর্থাৎ এক্ষেত্রে কেন্দ্রৰিন্দুর সীমার বাইরে চলে যাবার কোন প্রশ্ণই আসে না৷ যেমন যখন কোন মানুষ ৰেশী পরিমাণে অবিদ্যার বশীভূত হয়ে যায় তখন কেন্দ্রৰিন্দ থেকে তার ব্যাসার্ধের দূরত্ব ৰাড়তে থাকে, কিন্তু ব্যাসার্ধ থেকেই যায়৷ মানুষ, পশুপক্ষী, উদ্ভিদ তথা অজৈব সত্তাকেও গতিশীল থাকতেই হৰে৷ আর সে কারণেই আমি ৰলছিলুম, চলমান---তাই জীবন, থেমে থাকাটাই মৃত্যু৷

যখন মানুষ জড়তার দ্বারা পরিচালিত হয়, ঠিক পরিচালিত নয় নিয়ন্ত্রিত হয় তখন তার অভ্যন্তরীণ চলমানতা নষ্ট হয়ে যায়৷ সুতরাং সে তখন প্রাণহীন হয়ে পড়ে৷ তার অবস্থা তখন মৃতের চেয়েও খারাপ হয়ে যায়৷ তাই তোমরা মার্গের ছেলে-মেয়েরা জেনে রাখো, তোমরা কখনই কোন ভাবজড়তার দ্বারা পরিচালিত হয়ে বিশ্বের চক্রৰিন্দু থেকে দূরে সরে যেওনা ---সেই মধ্যমণি থেকে তোমাদের ব্যাসার্ধের দূরত্বকে ৰাড়তে দিও না৷ সব সময় তোমরা তোমাদের ব্যাসার্ধের দূরত্ব কমানোর চেষ্টা কর৷ যাতে তোমরা চক্রনাভির অধিক থেকে অধিকতর কাছটিতে পৌঁছে যেতে পার৷ তোমরা হয়তো জিজ্ঞেস করতে পার--- ভাবজড়তা জিনিসটা কী?  তোমরা সকলেই শিক্ষিত ছেলে-মেয়ে৷ তোমাদের মনে রাখা উচিত জড়তা এক বিশেষ ধরণের মানসিক সংরচনা৷ অবশ্য ধারণা মাত্রেই এক একটা মানসিক সংরচনা কিন্তু এদের সীমারেখার ব্যাপারে অবশ্যই তারতম্য থেকে যায়৷ আমার মনে হয় তোমরা কেউ কেউ ‘প্রাউট’-এর কথা শুণেছ৷ আমি মনে করি তোমরা সেগুলো পড়েছও৷ সেখানে প্রাউটের পঞ্চম তত্ত্বে ৰলা হয়েছে যে দেশ কাল-পাত্রের পরিবর্ত্তনের সঙ্গে সঙ্গে সম্পদের উপযোগিতা গ্রহণের পদ্ধতিও পরিবর্ত্তিত হয়ে যায়৷ আমি কী তা ৰলিনি? হ্যাঁ, এমনটাই ৰলেছি, আর তারই ফলে পরিবর্ত্তনের সুযোগ সেখানে রয়ে গেছে৷ মানুষের মন কখনই ৰাঁধাধরা কোন কিছুকে নিয়ে থাকতে  চায় না৷ সে গতি চায়৷ আর শুধু গতিই নয়, সে গতির মধ্যে দ্রুতিও আনতে চায়৷ কিন্তু ভাবজড়তা কী! ভাবজড়তা হচ্ছে এমন এক ধরণের ভাব যার চারিদিকে একটা গণ্ডী টেনে দেওয়া হয়েছে, ৰলা হয়েছে এর বাইরে যাওয়া চলৰে না৷ অর্থাৎ ভাবজড়তা মানুষকে কৃত্রিম গণ্ডীর বাইরে যেতে দেয় না৷ সুতরাং ভাবজড়তা একান্তভাবেই মানবমনের মৌলিক গতিপ্রগাহের পরিপন্থী৷

জেনে অথবা না জেনে প্রত্যেক সত্তাকেই পরম কেন্দ্রৰিন্দুর চারিপাশে ঘুরতে হৰেই৷ এর কোন বিকল্প নেই৷ কিন্তু ভাবজড়তার ক্ষেত্রে কী হয়! যখন কেউ কেন্দ্রৰিন্দুর কাছে আসতে থাকে তখন সে ভূমা মনের দ্বারা এমনভাবে প্রভাবিত হয়ে যায় যে সে তখন সেদিকে ছুটে যায়---কেবল তার সঙ্গে মিলেমিশে একাত্ম হবার জন্যেই৷ বস্তুতঃ যখন তা’ হয়ে থাকে তখন অণু মন ভূমা মনের সঙ্গে মিলে এক হয়ে যায় আর ভূমা মন সব সময়েই ভাবজড়তার ঊধের্ব৷ তাই প্রথম থেকেই ভাবজড়তার প্রভাব মুক্ত হতে তোমাদের সংগ্রামমুখর হতে হৰে৷ এই ভাবজড়তার জন্যেই মানব সমাজের যথার্থ প্রগতি হয়নি৷ গত পাঁচ হাজার বছরের মধ্যে মানব-মনীষার যথেষ্ট বিকাশ হয়েছে, গত দু’শো বছরের মধ্যে উন্নতি আরও দ্রুতগতিতে হয়েছে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে অর্থাৎ গত কয়েক দশকে উন্নতি তার চেয়েও ৰেশী হয়েছে৷

এখন কথা হচ্ছে ৰৌদ্ধিক ক্ষেত্রে অগ্রগতি হলেও সভ্যতার  সঙ্কট রয়েই গেছে৷ এই সঙ্কটের উৎসস্থলটা কী? সঙ্কটই বা কী? এটা ঠিকই যে মানুষ খুব চালাক-চতুর জীব৷ তবু বিপদের সৃষ্টি হয়েছে এই ভাবজড়তা থেকেই৷ মানস-স্তরে এই ভাবজড়তাই মানুষের মনো জগতে বিপদ ডেকে এনেছে৷ ভৌতিক ক্ষেত্রে মানুষের অস্তিত্ব বিপন্মুক্ত হতেও পারে, নাও পারে, কিন্তু মানসিক ক্ষেত্রে বিপদ অবশ্যই রয়ে গেছে৷ জাগতিক ক্ষেত্রে খাদ্য-পানীয়-বাসস্থানের নিশ্চিততা হয়তো তোমরা পেয়েও থাক৷ তবে তাই সৰ কিছু নয়৷ মনোজাগতিক ক্ষেত্রে---ৰৌদ্ধিক স্তরে তোমরা বিপন্মুক্ত হয়ে থাকতে চাও---চাও মানসিক উন্নতি, নিরঙ্কুশ ৰৌদ্ধিক প্রগতি৷ কিন্তু কতকগুলি ভাবজড়তা যেন ৰলতে পারি৷ মার্কসবাদ এই ধরণেরই একটি ভাবজড়তা৷ তাই মার্কসবাদ তার সীমিত গণ্ডীর বাইরে তোমাকে কিছুতেই চিন্তা করতে দেৰে না৷ সুতরাং সমস্ত ৰুদ্ধিজীবীদেরই কর্ত্তব্য হচ্ছে জনগণের বর্ত্তমান-ভবিষ্যৎ সম্বন্ধে সচেতন করে দেওয়া ও ভাবজড়তার সর্বগ্রাসী ক্ষুধা থেকে সাবধান করে দেওয়া৷

তোমাদের পথ পরমাপ্রশান্তিরই পথ৷ তাই তোমাদের অবশ্যই বিশ্বের চক্রনাভির দিকে এগিয়ে চলতে হৰে৷ এখন এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডে কত শত জীব রয়েছে---কত মানুষ, জীবজন্তু, উদ্ভিদ, লতাপাতা প্রভৃতি আর তাদের প্রত্যেকেরই কয়েছে একটি করে মন৷ আমি তোমাদের ইতোপূর্বে ৰলেছি যে, অনুন্নত জীবের মন হ’ল একটা সহজাত বৃত্তি মাত্র৷ কিন্তু মানুষের ক্ষেত্রে মন হচ্ছে ক্রমঃবিকাশশীল সত্তা৷ সমস্ত সত্তাই জেনে বা না জেনে অজস্র ভাব-ভাবনা, অনুভূতি, বৃত্তি, বাসনা, কামনা নিয়ে এগিয়ে চলেছে৷ সাধক, শিল্পী, বৈজ্ঞানিক, দার্শনিক---এদের প্রত্যেকের মনে সেই পরম সত্যে প্রতিষ্ঠিত হবার একটা আকাঙ্ক্ষা লুকিয়ে রয়েছে--- অণুমানসকে ভূমামানসের কেন্দ্রগুলির সঙ্গে মিলিয়ে দিতে হৰে৷ ভূমামানসের কেন্দ্রগুলির দিকে এগিয়ে যাবার পথে কোন ৰাধাই মেনে চলা উচিত নয়, কোন প্রতিকূলতাকেই প্রোৎসাহিত করা উচিত নয়৷ এইভাবেই মানবতার অবারিত অগ্রগতি ঘটুক, যা কোন জাতি, বর্ণ, পোষাক-পরিচ্ছদ, ঐতিহাসিক বা প্রথাগত ৰাধাকে স্বীকার করে না৷ মানবজাতির রয়েছে এক ও অভিন্ন উত্তরাধিকার৷ আর সকলে সমষ্টিগতভাবে সেই উত্তরাধিকারকে পাথেয় করে বিশ্ব-মানবতাবাদের পতাকা হাতে নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে চলুক৷  এ বিশ্বে সবাই সুখী হউক৷ সবাই সমস্ত রকম রোগমুক্ত হউক৷ সবাই সবকিছূর ভাল দিকটা দেখুক৷ অবস্থার চাপে পড়ে কাউকে যেন কোন কষ্ট ভোগ করতে না হয়৷                         

              ইসতাম্বুল, ১৫ সেপ্ঢেম্বর, ১৯৭৯

আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ

‘কৃষ্ণ’ নামের একাধিক ব্যাখ্যা
মনকে ভারমুক্ত রাখ
অষ্টকমল
ভারতবর্ষ ও আধ্যাত্মিকতা
গীতায় ধর্মদেশনা –– ১
আরও

প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়

পূর্বার্দ্র তত্ত্ব
যোগাযোগের প্রাথমিক মাধ্যম হিসেবে স্থানীয় ভাষার ব্যবহার বাঞ্ছনীয়
মানব প্রগতি
সংস্কৃতি ও সভ্যতা
পরিকল্পনার মৌল নীতি
আরও

সম্পাদকীয়

বিদ্বেষ বিষে জর্জরিত বিজেপি
বাঙালী আর একটা অগ্ণি স্ফুলিঙ্গের অপেক্ষায়
প্রতিকুলতাকে প্রতিহত করে এগিয়ে চলার দুর্জয় ইচ্ছাশক্তি বাঙালীর আছে
মশাহীন দেশের তকমা ধরে রাখতে পারল না আইসল্যান্ড
বিকশিত বাঙলার মিথ্যা প্রতিশ্রুতি নয় মানবতার আর্থিক মুক্তি চাই

প্রবন্ধ শিরোনাম

গোরাচাঁদ ও একতারা
ভারত যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক অধিকার রক্ষা ও সংবিধানকে বাঁচিয়ে রাখার প্রধান দায়বদ্ধতা হলো যৌথভাবে কেন্দ্র ও রাষ্ট্রের নির্বাচন কমিশনেরই আর স্বৈরাচারিতাকেও নিয়ন্ত্রণ করা!
হিংস্র দুঃসময় বাঙালীর দুয়ারে
আর্থিক বিকাশ শেষ কথা নয়
গোরাচাঁদ ও একতারা
নাগরিকত্ব প্রত্যেক মানুষের মৌলিক অধিকার---তথাকথিত এস আই আর এর নামে একজনও বাঙালীর নাগরিকত্ব হরণ করা চলবে না--- চক্রান্ত করে তথাকথিত এস আই আর-এর মাধ্যমে কোন বাঙালীকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা যাবে না
কেন্দ্র সরকারের ডি.এ নিয়ে বোটবাজীটা নির্বাচন প্রাক্কালে এটা কোন ধরনের কেন্দ্র সরকারের গণতান্ত্রিক সেবা
গণতান্ত্রিক অধিকার সুরক্ষার এস.আই.আর প্রক্রিয়া ফ্যাসিবাদী হিন্দুত্বের আগ্রাসনের হাতিয়ার

পুরানো মাসিক খবর

  • February 2026 (220)
  • August 2022 (106)
  • July 2022 (93)
  • June 2022 (167)
  • May 2022 (92)
Pagination
  • Page 1
  • Next page ››
আরও আগের খবর
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved