Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

বিদ্বেষ বিষে জর্জরিত বিজেপি

আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

 

সম্পাদকীয়

আর এস এস ও বিজেপি দলের বিরুদ্ধে বাঙলা বিরোধী অভিযোগ পশ্চিমবঙ্গের প্রায় সব বিজেপি বিরোধী দলগুলি করে আসছে৷ অভিযোগটা যে নিছক মনগড়া নয় তা বিজেপি নেতারা বার বার প্রমাণ করছেন৷ বাঙালী বিদ্বেষ বিজেপির অলিখিত দলীয় কর্মসূচির মধ্যেই পড়ে৷ বঙ্গবাসী বিজেপি নেতারাও এই কর্মসূচি অনুসরণ করে চলে৷ তাই অ-বাংলাভাষী বিজেপি নেতাদের বাংলা ও বাঙালী সম্পর্কে নানা কটুক্তির কোন প্রতিবাদ বাংলাভাষী বিজেপি নেতারা কখনও করেনি৷ বরং রাজনৈতিক লড়াইতে পরাস্ত হয়ে কেন্দ্রের সরকারকে পত্র লিখে রাজ্যের ন্যায্য প্রাপ্য দিতে নিষেধ করে রাজ্যবাসীর স্বার্থ বিঘ্নিত করে৷

মধ্যপ্রদেশের উচ্চশিক্ষামন্ত্রী ইন্দর সিং পারমার নিম্ন শিক্ষার হীনরুচির পরিচয় দিয়ে আধুনিক ভারতের জনক, ঊনবিংশ শতাব্দীর নবজাগরণের অন্যতম পুরোধা রামমোহন রায় সম্পর্কে কটুক্তি করেন৷ ওই মন্ত্রী বলেন রামমোহন রায় ব্রিটিশের দালাল, ধর্মপরিবর্তনের কুচক্রী, ভূয়ো সমাজ সংস্কারক৷ পরাধীন ভারতে ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা সংগ্রামে আর এস এসের ভূমিকা এখানে আলোচনা না করলেও চলে৷ কিন্তু আর এস এস বিজেপি যে এখনও মধ্যযুগীয় সমাজ ব্যবস্থায় পড়ে থাকতে চায় তা তাদের নেতাদের কাজে কর্মে কথা বার্র্তয় প্রায় প্রকাশ পায়৷

এই স্বাধীন ভারতে ১৯৮৭ সালে ভারতের মরুরাজ্য রাজস্থানে অষ্টাদশী রূপ কানোয়ারের সতী হওয়ার ঘটনায় হইচই পড়েছিল৷ ওই ঘটনায় রাজস্থানের বিজেপি নেতা ভৈর সিং শেখাওয়াতের জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছিল৷ আর এক বিজেপি নেতা কল্যাণ সিং বলেছিলেন সতী হওয়া গর্বের ব্যাপার৷ একজন উচ্চশিক্ষামন্ত্রীর সমাজ সংস্কারক রামমোহন রায়ের প্রতি কটুক্তিতে মনে করা যেতেই পারে বিজেপি এখনও সেই মধ্যযুগীয় বর্বর সামাজিক প্রথায় বিশ্বাসী৷ সেই কারণেই রামমোহন রায়ের প্রতি বিজেপি নেতাদের এত বিদ্বেষ৷ রামমোহন রায়ের আন্দোলনের পরিনামেই ১৮২৯ সালে এই বর্বর প্রথা আইন করে নিষিদ্ধ করেব্রিটিশ সরকার৷ তবে রামমোহন রায় শুধু সতীদাহ প্রথাই রোধ করেননি, তিনি ছিলেন ব্রহ্মসভার প্রতিষ্ঠাতাদের একজন, এছাড়া আধুনিক বাংলা শিক্ষার প্রচলনে নারীর অধিকার, নারীর শিক্ষায় তাঁর ভূমিকা অনস্বীকার্য৷

তবে শুধু রামমোহন বিরোধী বললে ভুল হবে, বিজেপি দলটাই বাঙালী বিদ্বেষী৷ ঊনবিংশ শতাব্দীতে বাঙলা যখন শিল্প, সাহিত্য, বিজ্ঞান, শিক্ষায়, সমাজ ও রাজনৈতিক চেতনায় অবশিষ্ট ভারত থেকে অনেক এগিয়ে তখনও ভারতের বিশেষ করে আর এস এসের আঁতুড় ঘর উত্তর পশ্চিম ভারত সেই মধ্যযুগীয় কুসংস্কার ও অন্ধবিশ্বাসকে আঁকড়ে ধরেছিল৷ আজও সেই গণ্ডি ভেঙে বেরিয়ে আসতে পারেনি আর এস এস বিজেপি৷ তাই তার পরতে পরতে এত বাঙালী বিদ্বেষ৷

সম্প্রতি বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে বাঙালী পরিযায়ী শ্রমিকরা বাংলা ভাষা বলায় তাদের উপর বিদেশী বাংলাদেশী বলে অমানবিক নির্যাতন করা হয়৷ ভোটের কয়েক মাস আগে ভোটার তালিকায় নিবিড় সংশোধনের পশ্চাতেও থাকতে পারে কোন অসৎ উদ্দেশ্য৷ প্রতিবাদে সরবও হয়েছে বিরোধীরা৷ পর পর নির্বাচনী যুদ্ধে পরাস্ত হয়ে রাজ্যবাসীর বিভিন্ন কল্যাণ প্রকল্পের টাকা অসৎ উদ্দেশ্যে আটকে রেখেছে কেন্দ্রীয় সরকার যা রাজ্যের ন্যায্য পাওনা৷ এই সেদিন অসমের মুখ্যমন্ত্রী বিজেপি দলের হিমন্ত বিশ্বশর্র্ম রবীন্দ্রনাথের গান গাওয়ার অপরাধে রাষ্ট্রদোহের অভিযোগ এনেছে৷ বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি তো রবীন্দ্রনাথের জন্মস্থানকে গুলিয়ে ফেলে৷ বিজেপি নেতার মতে স্বামী বিবেকানন্দ ছিলেন বিভ্রান্ত বামপন্থী৷ উত্তর প্রদেশের স্কুল পাঠ্য থেকে রবীন্দ্রনাথকে বাদ দেওয়া, বিদ্যাসাগরের মূর্ত্তিভাঙা--- বাঙলা বিদ্বেষের অভিযোগ প্রায়ই ওঠে৷ তবে এবার মধ্যপ্রদেশের উচ্চ শিক্ষামন্ত্রীর হয়তো খেয়াল ছিল না পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার নির্বাচনের আর কয়েক মাস বাকি! রামমোহন রায় সম্পর্কে বিজেপি নেতার কটুক্তিতে বঙ্গ বিজেপি নেতাদের মাথায় হাত৷ অবশেষে পরিস্থিতি বুঝে মধ্য প্রদেশের বিজেপি মন্ত্রী ক্ষমাপ্রার্থী৷

প্রশ্ণ হলো তিনি কি ক্ষমার যোগ্য৷ আর এস এস দলটাই তো বিদ্বেষ বিষে জর্জরিত৷ বাঙালী বিদ্বেষ মুসলিম বিদ্বেষ, দলিত বিদ্বেষ৷ শুধু পরিস্থিতিতে সাময়িক ভোল পাল্টায়৷ মধ্যপ্রদেশের ওই মন্ত্রী অত্যন্ত সচেতন ভাবেই রামমোহন সম্পর্কে কটুক্তি করেছেন৷ তিনি তার দলীয় নীতির বাইরে যাননি৷ শুধু সময়ের হিসেব ভুল করায় ক্ষমা প্রার্থী৷ এহেন দলকে বাঙালী ক্ষমা করবে কি না তা দেখার জন্যে কয়েক মাস অপেক্ষা করতে হবে৷

 

  • Log in to post comments

আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ

‘কৃষ্ণ’ নামের একাধিক ব্যাখ্যা
মনকে ভারমুক্ত রাখ
অষ্টকমল
ভারতবর্ষ ও আধ্যাত্মিকতা
গীতায় ধর্মদেশনা –– ১
আরও

প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়

পূর্বার্দ্র তত্ত্ব
যোগাযোগের প্রাথমিক মাধ্যম হিসেবে স্থানীয় ভাষার ব্যবহার বাঞ্ছনীয়
মানব প্রগতি
সংস্কৃতি ও সভ্যতা
পরিকল্পনার মৌল নীতি
আরও

সম্পাদকীয়

বিদ্বেষ বিষে জর্জরিত বিজেপি
বাঙালী আর একটা অগ্ণি স্ফুলিঙ্গের অপেক্ষায়
প্রতিকুলতাকে প্রতিহত করে এগিয়ে চলার দুর্জয় ইচ্ছাশক্তি বাঙালীর আছে
মশাহীন দেশের তকমা ধরে রাখতে পারল না আইসল্যান্ড
বিকশিত বাঙলার মিথ্যা প্রতিশ্রুতি নয় মানবতার আর্থিক মুক্তি চাই

প্রবন্ধ শিরোনাম

গোরাচাঁদ ও একতারা
ভারত যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক অধিকার রক্ষা ও সংবিধানকে বাঁচিয়ে রাখার প্রধান দায়বদ্ধতা হলো যৌথভাবে কেন্দ্র ও রাষ্ট্রের নির্বাচন কমিশনেরই আর স্বৈরাচারিতাকেও নিয়ন্ত্রণ করা!
হিংস্র দুঃসময় বাঙালীর দুয়ারে
আর্থিক বিকাশ শেষ কথা নয়
গোরাচাঁদ ও একতারা
নাগরিকত্ব প্রত্যেক মানুষের মৌলিক অধিকার---তথাকথিত এস আই আর এর নামে একজনও বাঙালীর নাগরিকত্ব হরণ করা চলবে না--- চক্রান্ত করে তথাকথিত এস আই আর-এর মাধ্যমে কোন বাঙালীকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা যাবে না
কেন্দ্র সরকারের ডি.এ নিয়ে বোটবাজীটা নির্বাচন প্রাক্কালে এটা কোন ধরনের কেন্দ্র সরকারের গণতান্ত্রিক সেবা
গণতান্ত্রিক অধিকার সুরক্ষার এস.আই.আর প্রক্রিয়া ফ্যাসিবাদী হিন্দুত্বের আগ্রাসনের হাতিয়ার

পুরানো মাসিক খবর

  • May 2020 (31)
  • March 2020 (135)
  • February 2020 (162)
  • January 2020 (130)
  • December 2019 (135)
Pagination
  • Previous page ‹‹
  • Page 6
  • Next page ››
আরও আগের খবর
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved