Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

হিংস্র দুঃসময়ের সম্মুখীন বাঙালী

মনোজ দেব

‘‘একই ভৌগোলিক পরিবেশে, একই ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক আবেষ্টনীর মধ্যে যাদের জন্ম ও লালন-পালন, সেই জনগোষ্ঠী অপর জনগোষ্ঠী থেকে ভিন্নতর গোষ্ঠীগত বৈশিষ্ট্য অর্জন করে৷ পরবর্তীকালের এই গোষ্ঠীগত বৈশিষ্টগুলোর সমগ্র জনগোষ্ঠীর অভ্যন্তরীণ ভাবধারার সঙ্গে এমনভাবে মিশে যায় যে এতে করে একটা জাতীয় স্বভাব তৈরী হয়৷ তা দিয়েই একটা গোটা জাতির মানস-প্রবণতা, বাহ্যিক আচরণ, জীবন ও সমাজের প্রতি তাদের দৃষ্টিভঙ্গি---এককথায় একটি বিশেষ জাতীয় দৃষ্টিকোণ গড়ে ওঠে---যা সেই জাতিকে অন্য জাতি থেকে এক পৃথক বৈশিষ্ট্য দান করে৷ 

পৃথিবীর বিভিন্ন মানবগোষ্ঠীর মধ্যে এই কারণেই তাদের জগৎ ও জীবনের প্রতি ভিন্ন দৃষ্টিকোণ গড়ে উঠেছে৷ এই পার্থক্য যতখানি বাহ্যিক, তার চেয়ে অনেক বেশী অভ্যন্তরীণ৷ বৈয়ষ্টিক তথা সামূহিক জীবনে সুসংহত জীবনযাত্রা ও শিক্ষার মাধ্যমে মনের অন্তর্নিহিত গুণাবলীর বিকাশ ঘটিয়ে তুলতে পারা যায়৷ বৈয়ষ্টিক জীবনে মনোরাজ্যের এই যে আভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা---একেই বলব ব্যষ্টিজীবনের প্রাণধর্ম৷ আবার যখন জাতীয় গণগত বৈশিষ্ট্যগুলো বিশেষ পথ ধরে প্রকাশিত হয়ে উঠেছে---তখন তাকেই বলব জাতির প্রাণধর্ম৷’’ (শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকার)

এবার দেখি এই জাতি সম্পর্কে রবীন্দ্রনাথ কী বলেছেন---‘‘এই বৃহৎ সত্তার মধ্যে একটি ক্ষুদ্র সত্তা আছে তাকে বলা হয় জাতিক সত্তা৷ মানুষকে মানুষ করে তুলবার ভার এই জাতিক সত্তার ওপর৷’’

মহান দার্শনিক ঋষি শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকার আরও বলেছেন, ‘‘কোনও ব্যষ্টি বা জাতির সঙ্গে খুব বড় রকম শত্রুতার উপায় হ’ল---সেই ব্যষ্টি বা জাতিকে প্রাণধর্ম থেকে বিচ্যুত করা৷ হয় জোর করে প্রাণধর্মের অনুশীলনের অধিকার কেড়ে নেওয়া অথবা তার সামনে তার নিজস্ব প্রাণ-ধর্মের প্রতিকূল এক জীবনাদর্শ খাড়া করা৷ তাহলে তার শক্তি সামর্থ্য বিপথে চালিত হবে ও ফলস্বরূপ সে হয়ে পড়বে ক্রমাগত হীনবল৷’’ 

ভারতে বাঙালী জনগোষ্ঠী আজ হিংস্র দুঃসময়ের সম্মুখীন হয়েছে৷ কিন্তু এখনও কিছু অপগণ্ড বাঙালী অশুভ শক্তির সঙ্গে হাত মিলিয়েছে৷ এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই৷ পলাশীর প্রান্তরে এদের পূর্ব পুরুষই ইংরেজের পাশে দাঁড়িয়ে ছিল৷ তারও কিছু আগে বর্গী দস্যু ভাস্কর পণ্ডিতের গ্যাঙ্গের অনেককেই এদের পূর্ব পুরুষ আশ্রয় দিয়েছিল৷ এদের পূর্বপুরুষই জিন্না, গান্ধী পটেলদের হাতে তামাক খেয়ে ভায়ের বুকে ছুরি বসিয়ে ছিল, ভয়ের ঘরে আগুন লাগিয়েছিল৷ এরাই আজ এস.আই.আয়ের নামে বাঙালীকে বিলুপ্ত করার চক্রান্তের চক্রীদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে উদ্বাস্তু হয়ে নাচছে৷ তবে এই নাচন-কোঁদন বেশী দিন স্থায়ী হবার নয়৷ বাঙলা শুধু নরেন গোঁসাইদের নয়, ক্ষুদিরাম, প্রফুল্ল চাকী, মাষ্টারদা সূর্য সেন, বাঘযতিন, বিনয়, বাদল, দীনেশেরও বাঙলা৷ সেই বাঙলা মাথা তুলে দাঁড়ালে কত রাজশক্তি ধূলোয় মিশিয়ে যাবে৷ বাঙলা আবার মাথা তুলে দাঁড়াবে৷ প্রচণ্ড মার খেয়েও বাঙালী মারের ওপর মাথা তুলে দাঁড়াবে৷

 

  • Log in to post comments

আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ

সংশ্লেষণের মহত্ত্ব
‘কৃষ্ণ’ নামের একাধিক ব্যাখ্যা
মনকে ভারমুক্ত রাখ
অষ্টকমল
ভারতবর্ষ ও আধ্যাত্মিকতা
আরও

প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়

পূর্বার্দ্র তত্ত্ব
যোগাযোগের প্রাথমিক মাধ্যম হিসেবে স্থানীয় ভাষার ব্যবহার বাঞ্ছনীয়
মানব প্রগতি
সংস্কৃতি ও সভ্যতা
পরিকল্পনার মৌল নীতি
আরও

সম্পাদকীয়

ধর্মের নামে বজ্জাতি
বিদ্বেষ বিষে জর্জরিত বিজেপি
বাঙালী আর একটা অগ্ণি স্ফুলিঙ্গের অপেক্ষায়
প্রতিকুলতাকে প্রতিহত করে এগিয়ে চলার দুর্জয় ইচ্ছাশক্তি বাঙালীর আছে
মশাহীন দেশের তকমা ধরে রাখতে পারল না আইসল্যান্ড

প্রবন্ধ শিরোনাম

আঞ্চলিক শ্রীবৃদ্ধির পথ ধরে বিশ্বৈকতাবাদের প্রতিষ্ঠা
ভয়ঙ্কর সাম্প্রদায়িক খেলা বন্ধ হোক
হিংস্র দুঃসময়ের সম্মুখীন বাঙালী
1 বাউল মহারাজ আবুল সরকারের ওপর অত্যাচারের প্রতিবাদ
গোরাচাঁদ ও একতারা
ভারত যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক অধিকার রক্ষা ও সংবিধানকে বাঁচিয়ে রাখার প্রধান দায়বদ্ধতা হলো যৌথভাবে কেন্দ্র ও রাষ্ট্রের নির্বাচন কমিশনেরই আর স্বৈরাচারিতাকেও নিয়ন্ত্রণ করা!
হিংস্র দুঃসময় বাঙালীর দুয়ারে
আর্থিক বিকাশ শেষ কথা নয়

পুরানো মাসিক খবর

  • May 2020 (31)
  • March 2020 (135)
  • February 2020 (162)
  • January 2020 (130)
  • December 2019 (135)
Pagination
  • Previous page ‹‹
  • Page 6
  • Next page ››
আরও আগের খবর
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved