সাড়ে চার ভাই
বিদুষকের কথা বলতে গিয়ে সেই চার ভাইয়ের কথা মনে পড়ে গেল৷ আর চার ভাইয়ের কথা বলতে গিয়ে সাড়ে চার ভাইয়ের কথাও মনের কোণে ভাসছে৷ সেকালে ভারতের কোন একটি তীর্থে আমাদের পারিবারিক পাণ্ডা যাঁরা ছিলেন তাঁদের পারিবারিক পরিচয় ছিল শালগ্রাম ভাণ্ডারী পাণ্ডা সাড়ে চার ভাই৷ আমি তখন ছোট৷ ভাণ্ডারী পাণ্ডাকে অর্থাৎ বড় ভাইটিকে শুধোলুম–আচ্ছা, আপনারা সাড়ে চার ভাই কেন? আমি তো দেখছি আপনারা পাঁচ ভাই৷
পাণ্ডাজী একগাল হেসে বললেন–‘‘এই দেখ না খোকাবাবু, আমি একজন ঃ এক আর মেজভাই একজন ঃ দুই আর সেজভাই একজন ঃ তিন আর ন’ভাই একজন ঃ চার আর ছোটভাই আধজন ঃ সাড়ে চার৷’’
এই আশ্রমের ওপর আক্রমণ করে’ ৫জন সর্বত্যাগী সন্ন্যাসীকে হত্যা করেছিল, সেই আনন্দনগরে ‘দধীচি দিবস’ পালিত হয়৷ এই উপলক্ষ্যে আনন্দমার্গের সন্ন্যাসী, ব্রহ্মচারী, কর্মী ও অনুগামীরা সারাদিন উপবাসে থাকেন৷ সকাল ৯–টায় আনন্দমার্গের সন্ন্যাসী–সন্ন্যাসিনী সহ সকলেই আনন্দনগরের ‘পাওয়ার হাউস’–এ অখণ্ড কীর্ত্তন