Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

অধঃপতিত সমাজ---উত্তরণের পথ কি

আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

দুর্গাপুর মেডিকেল কলেজের এক ছাত্রীর ওপর নির্যাতন নিয়ে রাজ্য ও রাজ্যের বাইরে চিল চিৎকার শুরু হয়েছে৷ এই ধরণের ঘটনা ঘটলেই শাসক বিরোধী পরস্পর দোষারোপ শুরু হয়ে যায়৷ প্রচার মাধ্যমগুলোও পেলাম একটা খবর বলে ঝাঁপিয়ে পড়ে৷ এক শ্রেণীর এলিট যারা দীর্ঘ ৬৫ বছর নিজেদের সমাজের মুখ্যমন্ত্রী দেখে অভ্যস্ত ছিলেন তারা হঠাৎ এইরকম একজন অতি সাধারণ মহিলার দাপুটে শাসন পছন্দ না৷ তাই কোন একটা ছল ছুঁতো পেলেই মিডিয়া গুলোয় অনেক সত্যাসত্য বিচার না করেই মহিলা মুখ্যমন্ত্রীর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে ওই সব এলিট শ্রেণী৷ যেন সব দায় ওই মুখ্যমন্ত্রীর৷

পুলিশ প্রশাসনকে দায় অবশ্যই নিতে হয়৷ প্রশাসনও সব সময় দক্ষতা ও সততার সঙ্গে কাজ করে তাও নয়৷ কিন্তু কিছু কিছু সামাজিক অপরাধ ভারতের মত গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে ঘটার আগে পুলিশের কিছু করার থাকে না৷ তবে ঘটনার পর প্রকৃত অপরাধীকে ধরে বিচারের কাঠগোড়ায় তুলে দেওয়াটা দক্ষ প্রশাসকের কাজ৷ দুর্গাপুরে মেডিকেল কলেজের ছাত্রীর ওপর ঘটে যাওয়া নির্যাতন সেইরকমই একটা ঘটনা৷ ছাত্রীটি তার সহপাঠীর সঙ্গে অন্তরঙ্গ সময় কাটানোর জন্যে হোস্টেল ক্যাম্পাসের বাইরে নির্জন স্থান বেছে নিয়েছিল৷ হোস্টেলের সিসিটিভির ফুটেজে দুজনকে একসঙ্গে ক্যাম্পাস থেকে বেরতে দেখা গেছে৷ আর কিছু পরে ছেলেটিকে একা ফিরে আসতে ও কিছু পরে বেরিয়ে যেতে দেখা যায়৷ তারপর দুজনে আবার একসঙ্গে ফিরে আসে৷ এর মাঝে ক্যাম্পাসের বাইরে কিছু ঘটনা ঘটে, সেখানে আরও কয়েকজন দুষৃকতি জড়িয়ে পড়ে৷ তবে মেয়েটির অভিযোগ তার সহপাঠিপ বিরুদ্ধেও৷ এখানে সহপাঠী ছেলে বন্ধুটি মেয়েটির তার প্রতি বিশ্বাসের সুযোগ নিয়েছে৷ বহিরাগত দুষৃকতিরা এসে পড়ায় ছেলেটি পালিয়ে যায়, তখন মেয়েটিকে একা পেয়ে যায় দুষৃকতিরা৷ এখানেও একটা সন্দেহের অবকাশ আছে৷ বহিরাগত দুষৃকতিরা ওই সময় ওখানে এলো কিভাবে৷ ওরা কি অকস্মাৎই এসে গেলো নাকি সহপাঠী ছেলেটিও জড়িত ওই দুষৃকতিদের সঙ্গে৷ ছেলেটি মেয়েটিকে একা ফেলে পালিয়ে আসার পর আবার কিছুক্ষণ পরে মেয়েটির সন্ধানে বেরিয়ে যাওয়ায় সন্দেহ একটা থাকেই৷

এই পর্যন্ত ঘটনায় পুলিশের কোন দায়ীত্ব থাকতে পারে না৷ বরং বেসরকারী কলেজের হোস্টেল কর্তৃপক্ষ দায়ীত্ব এড়াতে পারে না৷ ডাক্তারী পড়া ছেলে মেয়েরা অবশ্যই সাবালোক সাবালিকা৷ কিন্তু তার অর্থ এই নয় যে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে যে যখন ইচ্ছা বেরিয়ে যেতে পারে৷ প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে কিছু নিয়ম শৃঙ্খলা অবশ্যই থাকা উচিত৷ সে প্রাথমিক শিক্ষা বা উচ্চ শিক্ষার অঙ্গন হোক৷

প্রচার মাধ্যম থেকে ভদ্র-বৃত্ত যারা সব দায় প্রশাসনের ঘাড়ে চাপিয়ে দিয়ে নিজেদের ধোয়া তুলসীপাতা ভাবে সমাজের এই অধঃপতনের জন্যে তারাও দায়ী৷ মনে রাখতে হবে শিল্প সাহিত্য সংস্কৃতির একটা প্রভাব কিশোর -যুব মনে পড়ে৷ তাই সাম্রাজ্যবাদী ব্রিটিশ বন্দেমাতরম্‌ মন্ত্রে আতঙ্কিত হতো৷ ‘আনন্দমঠ’, ‘নীল দর্পণ’ পথে দাবী বইগুলি নিষিদ্ধ করে দিয়েছিল৷ তাতেও অবশ্য স্বাধীনতা সংগ্রামকে দমিয়ে রাখতে পারেনি৷ তাই যুব মানসের এই অধঃপতনের জন্যে শিল্প সাহিত্য সংস্কৃতির সঙ্গে যুক্ত ভদ্রবৃত্তরা দায় অস্বীকার করতে পারে না৷ আজ শিল্পের স্বাধীনতার নামে একধরণের অশ্লীল সাহিত্য নগ্ণ চিত্র, চলচিত্র সঙ্গীত যুব সমাজকে নৈতিক অধঃপতনের দিকে ঠেলে দিচ্ছে৷ স্পষ্ট কথায় এই ধরণের নিম্নমানের সাহিত্য শিল্প যুব সমাজকে অধঃপতে যেতে উৎসাহিত করছে৷ শুধুমাত্র কঠোর আইন প্রয়োগ করে সমাজ থেকে এই অপরাধ নির্মূল করা যাবে না৷ তাই সব দায় প্রশাসনের ঘাড়ে চাপিয়ে ভদ্রবৃত্তরা ধোয়া তুলসী পাতা হয়ে বসে থাকতে পারে না৷

এ বিষয়ে পরম শ্রদ্ধেয় প্রাউট প্রবক্তা শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকার বলেছেন---‘‘এই পৃথিবীর কোথাও কোথাও মানুষকে ব্যাপক নগ্ণচিত্র ও অশ্লীল সাহিত্যের মাধ্যমে নৈতিক অধোগতির দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে৷ সাধারণ প্রতিবাদের মাধ্যমে একে প্রতিহত করা যাবে না যদি না পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণের জন্যে আমরা সক্রিয়ভাবে কিছু করি৷ যদি বাস্তবোচিত আমরা কিছু করি তবে তা মানুষের মনে এক নূতন আলোড়ন সৃষ্টি করবে৷ একমাত্র তখনই একে সম্পূর্ণভাবে নিরুৎসাহিত তথা প্রতিহত করা সম্ভব হবে৷ সেটাই হবে আমাদের বাস্তবোচিত কর্মধারা৷’’ 

এই কর্মধারাই অধঃপতিত সমাজকে উত্তরণের পথে নিয়ে যাবে৷

 

  • Log in to post comments

আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ

ভারতবর্ষ ও আধ্যাত্মিকতা
গীতায় ধর্মদেশনা –– ১
দগ্ধৰীজ
শ্রাবণী পূর্ণিমা
পরমপুরুষের বিশ্বরূপ
আরও

প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়

সংস্কৃতি ও সভ্যতা
পরিকল্পনার মৌল নীতি
বাঙলার অর্থনৈতিক উন্নয়ন 
শোষণের বহুবিধ রূপ
মানবিক মৌলনীতি
আরও

সম্পাদকীয়

নোতুন পৃথিবী গড়তে আদর্শ মানুষ চাই
অধঃপতিত সমাজ---উত্তরণের পথ কি
পরিযায়ী শ্রমিক সমস্যা কেন্দ্রীত অর্থনীতির বিনাশই সমাধান
শ্রাবণী পূর্ণিমা
সরিবে দুর্নীতিরাজ

প্রবন্ধ শিরোনাম

তোমার আসা যাওয়া
মহানধর্ম নিরপেক্ষ রাষ্ট্রে শিক্ষাদান হবে মানসিকতার ভিত্তিতে সাম্প্রদায়িকতার ভিত্তিতে কখনোই নয়
কৃত্রিম হিন্দী ভাষা নয় সংস্কৃত ভাষা শিক্ষা বাধ্যতামূলক হোক
রাজনৈতিক নেতাদের প্রতি প্রাউট প্রবক্তার সতর্ক বার্তা
তোমার আসা যাওয়া
সমবায়ের মাধ্যমে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য উৎপাদন করে গ্রামীন বেকারত্ব দুর করা সম্ভব
কালীপূজা ও তন্ত্রসাধনা
সমাজ শাস্ত্র

পুরানো মাসিক খবর

  • October 2017 (106)
  • September 2017 (136)
  • August 2017 (105)
  • July 2017 (111)
  • June 2017 (104)
Pagination
  • Previous page ‹‹
  • Page 12
  • Next page ››
আরও আগের খবর
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved