Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

ঈশ্বরই পরমাগতি

শ্রী শ্রী আনন্দমূর্ত্তিজী

এটা মানব মনের স্বভাব যে, সে সব সময় অনুকূল পরিস্থিতিতে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত রাখতে চায়৷ আমরা কদাচিঠ এ কথা বলি–‘‘হে পরমাত্মা, তুমি আমাকে কত কিছু না দিয়েছ, কত বৌদ্ধিক সম্পদে আর মানসোত্তর উপসম্পদায় না আমাকে ভূষিত করেছ তুমি আমাকে এত বেশী দিয়েছ কিন্তু আমি এর উপযুক্তই নই৷’’ মানুষ সাধারণতঃ নিজের অনুপপত্তিটাই, তার সীমিতত্ব বা ত্রুটিগুলিকেই বড় করে দেখে৷ তার কী নেই–সে সম্পর্কেই সে বেশী সচেতন থাকে৷ কিন্তু যখন তার কাছে অনেক ধনসম্পদ, অনেক মানসম্মান বা অন্য কোনো সম্পদ এসে যায়, সে কখনই বলে না–‘‘হে প্রভু, আমার কোনো যোগ্যতা নেই, তবু আমাকে এত বেশী দিচ্ছ’’ এ ধরনের কথা কখনই মানুষ বলে না৷ এভাবে মানুষ কখনই চিন্তা করে না৷ আবার, মানুষ যখন কোনো অবাঞ্ছনীয় কাজ, কোনো কুকর্ম বা হীনকর্ম করে ফেলে, সে ভাবে এসব তো সাধারণ ব্যাপার পরমাত্মা নিশ্চয়ই এ সমস্ত দেখছেন না৷ কিন্তু যখন বিপদে পড়ে, তখন বলে, ‘‘হে পরমাত্মা, তুমি আমার প্রতি এ কি অবিচার করলে তোমার এটা করা উচিত ছিল না’’ আমি এজন্যেই বলেছি, মানুষের এ ধরনের চিন্তা করা, এ ধরনের বলাটাই স্বভাব৷

কোনো কোনো পুরাণে এই ভাবে বন্দনা করা হয়েছে–‘‘রূপং দেহী, জয়ং দেহী, যশো দেহী, দ্বিষো জহী’’–হে ঈশ্বর, আমাকে সৌন্দর্য দাও, আমাকে বিজয় দাও, আমাকে যশ দাও, আমার শত্রকে বিনাশ কর৷ ঈশ্বরের কাছে এই ধরনের প্রার্থনা করা কি মানুষের উচিত?

এখন দেখা যাক, পরমপুরুষের সঙ্গে বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের কী সম্পর্ক? পরমপুরুষ হলেন কারণ সত্তা, পরম রচনাত্মক সত্তা, পরম সর্জন তত্ত্ব৷ তাঁর অনন্ত মনে আধৃত রয়েছে সমগ্র বস্তু জগৎ৷ সমস্ত বস্তুর সৃষ্টি কীভাবে হয়েছে? পরমপুরুষের মনের দ্বিতীয় অংশে [বস্তু জগৎ ভূমামানসের প্রক্ষেপ], অর্থাৎ পরমপুরুষের স্বরূপ স্থিতির দিক থেকে ধরলে তৃতীয় পর্যায়ে [পরমপুরুষ থেকে ভূমামানসের সৃষ্টি৷ আবার ভূমামানস থেকে বস্তুজগতের সৃষ্টি৷] কত কিছু আসে, থাকে, লয়প্রাপ্ত হয়৷

সৃষ্টির এই গতিপ্রবাহে প্রতিটি বস্তু–প্রতিটি অণুসত্তা, প্রতিটি জীবিত প্রাণী, একটা বিরাট হাতী থেকে একটা ক্ষুদ্র পিপীলিকা পর্যন্ত, একটা পরমাণুর নিউক্লিয়াস থেকে একটা ক্ষুদ্র তৃণখণ্ড পর্যন্ত সবার অস্তিত্ব পরমপুরুষে বিধৃত৷

তাই মানুষ, জীবজগৎ, জড়বস্তু–সবার জন্যে কী হওয়া উচিত বা কী হয়েছে বা কী হচ্ছে–তা নির্ধারণ করতে পারেন কেবলমাত্র পরমপুরুষই–যিনি পরম বিষয়ীসত্তা৷ যে বিষয়ভূত সত্তা, যে [ক্ষুদ্র] বস্তু মাত্র–তার এটা চিন্তা করার বা এ ধরনের বলার কোন অধিকারই নেই–‘‘হে পরমাত্মা, আমাকে এটা দাও, আমাকে ওটা দাও৷’’ কেন না, যখন এই বিশ্বের সৃষ্টি করা হয়েছিল, তখন বিষয়সত্তা বা বস্তুসত্তার সে সম্পর্কে কোনো জ্ঞান ছিল না, সেটা ছিল কেবল বিষয়ীসত্তার–যিনি এর নির্মাতা–যিনি ব্রহ্ম–যিনি পরমপুরুষ৷

তাই কোনো মানুষের এ কথা বলার অধিকার নেই যে–‘‘হে পরমাত্মা, আমাকে এটা দাও৷ হে পরমাত্মা, তুমি এটা কী করলে৷’’ এ ধরনের কথা বলা মানুষের অধিকার সীমার বাইরে৷

আমরা কী করতে পারি? আমাদের কী করা উচিত? আমরা এটাই বলতে পারি–‘‘হে পরমপুরুষ, যদি তুমি আমার কাছ থেকে অধিক কাজ নিতে চাও, তাহলে তার জন্যে প্রয়োজনীয় শক্তি দাও৷ আমাকে যে সামর্থ্য তুমি দিয়েছ–তার যেন সদুপযোগ করতে পারি, তুমি আমাকে সেই আশীর্বাদ করো৷ যদি তুমি আমাকে দিয়ে আরও বেশী কিছু করাতে চাও, তাহলে কৃপা করে তুমি সেই অধিক ক্ষমতা আমাকে দাও৷ তোমার অভীষ্ট সিদ্ধির জন্যে আমার উপযোগ করে নাও–তোমার এই বিরাট বিশ্বলীলা নাট্যে আমাকে উপযুক্ত ভূমিকায় ঠিক ভাবে কাজে লাগিয়ে নাও৷’’

আমি একটু আগেই বলেছি, সমস্ত জীবের অবস্থান পরমপুরুষের মহান অস্তিত্বের তৃতীয় অংশে৷ এখন, প্রতিটি বস্তুর সঞ্চালন, তার গতিময়তা বিভিন্ন যন্ত্রের দ্বারা সাধিত হয়৷ এই সব যন্ত্র তাঁর দ্বারাই নির্মিত৷ তবে এ সমস্ত যন্ত্র স্বয়ংচালিত৷ কিন্তু এই যে স্ব–সঞ্চালন ক্ষমতা তা পরমপুরুষেরই দেওয়া৷ তিনি এর জন্যে কিছু নিয়ম তৈরী করে দিয়েছেন৷ আর সেই নিয়ম হ’ল, প্রতিটি ক্রিয়ায় ঠিক সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া ঘটবে–যদি স্থান–কাল–পাত্র এই তিন মূল তত্ত্ব বা তাদের by products অপরিবর্তিত থাকে৷

তাই পরমপুরুষ বলছেন–‘‘কর্মফল সংযোগ সমাবৎ তৎ প্রজায়তে৷’’

কোনো কার্য বিশেষ রূপে কার্যান্বিত হবে কীভাবে তা কিন্তু পরমপুরুষ ঠিক করে দেন নি৷ পরমপুরুষ নিজের সন্তানকে দিয়ে অসৎ কাজ করান না৷ কাজ করার দায়িত্ব মানুষের৷ মূল কার্য ও তার প্রতিক্রিয়ার জন্যে দায়ী মানুষই, পরমপুরুষ নয়৷ এটাই নিয়ম যে, কর্ম যেমন হবে, সেই অনুসারে কর্মফল ভোগ করতে হবে৷

এ জন্যে পরমপুরুষ দায়ী নয়৷ পরমপুরুষের দ্বারা নির্মিত যন্ত্রের এইটাই নিয়ম৷ আর এই যন্ত্রের নাম হ’ল প্রকৃতি বা স্বভাব৷ পরমা প্রকৃতি যে বিধি অনুসারে কাজ করেন তাকেই বলে ‘স্বভাব’ বা ‘প্রকৃতি’৷ স্বভাবের নিজস্ব কোনো বৈয়ষ্টিক অস্তিত্ব নেই তা নিবৈয়ষ্টিক যা একটি style–এর সঙ্গে সম্বন্ধিত৷ আর পরমপুরুষের নির্দেশ অনুসারে সেই বিধিব্যবস্থা (style) কাজ করে চলেছে৷

আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ

ভারতবর্ষ ও আধ্যাত্মিকতা
গীতায় ধর্মদেশনা –– ১
দগ্ধৰীজ
শ্রাবণী পূর্ণিমা
পরমপুরুষের বিশ্বরূপ
আরও

প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়

সংস্কৃতি ও সভ্যতা
পরিকল্পনার মৌল নীতি
বাঙলার অর্থনৈতিক উন্নয়ন 
শোষণের বহুবিধ রূপ
মানবিক মৌলনীতি
আরও

সম্পাদকীয়

নোতুন পৃথিবী গড়তে আদর্শ মানুষ চাই
অধঃপতিত সমাজ---উত্তরণের পথ কি
পরিযায়ী শ্রমিক সমস্যা কেন্দ্রীত অর্থনীতির বিনাশই সমাধান
শ্রাবণী পূর্ণিমা
সরিবে দুর্নীতিরাজ

প্রবন্ধ শিরোনাম

তোমার আসা যাওয়া
মহানধর্ম নিরপেক্ষ রাষ্ট্রে শিক্ষাদান হবে মানসিকতার ভিত্তিতে সাম্প্রদায়িকতার ভিত্তিতে কখনোই নয়
কৃত্রিম হিন্দী ভাষা নয় সংস্কৃত ভাষা শিক্ষা বাধ্যতামূলক হোক
রাজনৈতিক নেতাদের প্রতি প্রাউট প্রবক্তার সতর্ক বার্তা
তোমার আসা যাওয়া
সমবায়ের মাধ্যমে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য উৎপাদন করে গ্রামীন বেকারত্ব দুর করা সম্ভব
কালীপূজা ও তন্ত্রসাধনা
সমাজ শাস্ত্র

পুরানো মাসিক খবর

  • October 2017 (106)
  • September 2017 (136)
  • August 2017 (105)
  • July 2017 (111)
  • June 2017 (104)
Pagination
  • Previous page ‹‹
  • Page 12
  • Next page ››
আরও আগের খবর
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved