Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

জীবনের মূল মন্ত্র

শ্রী শ্রী আনন্দমূর্ত্তিজী

জীবনের গতি সর্বদা পরম লক্ষ্যের দিকে কিন্তু জড় প্রকৃতি তাকে সবসময় নিজের দিকে আকর্ষণ করার চেষ্টা করতে থাকে৷ নিজের সঙ্গে লড়াই করতে করতে মানুষের শক্তি যখন আর কিছুই করতে পারে না, সেই সময়ের যে অবস্থা তাকে বলে মৃত্যু৷ এমনিতে শরীর থেকে প্রাণশক্তি যখন বেরিয়ে যায়, সেই সময়ের যে পরিস্থিতি তাকে মৃত্যু বলা হয়---এটা স্বাভাবিক তথা গৌণ মৃত্যু৷ কিন্তু মানুষের আবার অকাল মৃত্যুও হয়৷ আসলে প্রকৃতির এই আসুরী শক্তির সঙ্গে সংগ্রাম করে নিজেকে চরম লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার যে প্রয়াস তাকেই জীবন বলে৷ তমোগুণী বৃত্তিগুলো সমাজের সর্বত্র ব্যাপ্ত থেকে মানুসের চরম লক্ষ্যপ্রাপ্তির পথে বাধা সৃষ্টি করছে৷ যে এই আসুরী বৃত্তির সঙ্গে সংগ্রাম করতে ভয় পায়, সে সমাজে থেকেও নিজে তো অকাল মৃত্যুর দ্বারা গ্রস্ত হয়ই, তাছাড়া অপরেরও অকাল মৃত্যুর কারণ হয়৷ তথা সমাজের সর্বতোমুখী প্রগতিকে অবরুদ্ধ করতে থাকে৷ তাই এই ধরণের ব্যষ্টির সমাজে থাকার কোনও অধিকার নেই৷ তার উপযুক্ত স্থান হ’ল শ্মশান৷ কারণ জীবন নিজেই একটা সংগ্রাম আর সংসার তার সমরভূমি৷ জীবনের মূল উদ্দেশ্য অনুসত্তাকে ভূমা সত্তাতে মিলিয়ে দিয়ে ভূমা সত্তা হয়ে যাওয়া৷ ব্যষ্টিগতভাবে এই উদ্দেশ্য সাধনের জন্যে, ব্যষ্টিগত তথা সামূহিক উদ্দেশ্য পূরণের জন্যে যা কিছু বাধা-বিপত্তি আসুক না কেন, তাকে সবলে বিতাড়িত করাই মানুষের পরম কর্তব্য৷ এসব বাধা-বিপত্তিকে গুরুত্ব না দিয়ে নিরন্তর নিজের লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যাওয়াটাই হ’ল পুরুষার্থ৷

তান্ত্রিকেরা সাধনাকে সাধনা-সমর বলে৷ আর এই সাধনা-সমরে তিনটি সত্তার আবশ্যকতা আছে---সাধক, সাধনা ও সাধ্য---অর্থাৎ ভক্ত, ভক্তি ও ভগবান৷ এখানে সাধক তাকেই বলব সে সাধ্যের নিকটে পৌঁছনোর জন্যে সাধনার পথ ধরে অগ্রসর হচ্ছে৷ আর সাধ্য হ’ল যাঁকে পাওয়ার জন্যে সাধক সাধনার পথ ধরে চলছে৷ সাধনা হ’ল সেই প্রচেষ্টা, সুনিয়ন্ত্রিত সংগ্রাম যার মাধ্যমে সাধক সাধ্যকে পেতে চায়৷ সাধককে সাধনার দ্বারা সাধ্য হয়ে যেতে হয়৷

আধ্যাত্মিক সাধনা করতে গেলে সাধককে বিভিন্ন বাধার সঙ্গে লড়াই করতে হয়৷ লড়াই করে নিজের কু-সংস্কার ও দোষত্রুটিগুলোকে বিতাড়িত করতে হয়৷ এই দোষত্রুটিগুলোকে বিতাড়িত করার পর তাদের দিকে আর দৃষ্টি না দেওয়াই উচিত৷ কারণ এসবের কথা ভাবলে আবার সেগুলো ধ্যানের বিষয় হয়ে যাবে৷ ঠিক একইভাবে অতীতের যে কু-কর্মগুলো তুমি করেছ তার দিকে আর নজর দেওয়া উচিত নয়৷ অতীতের কোনও দোষের ওপরই বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে আত্মগ্লানিতে ভোগার কোনও প্রয়োজন নেই৷ কারণ তা করলে ওটাই মনের ধ্যেয় হয়ে যায়৷ আর এইরকম পরিস্থিতিতে দোষত্রুটি আর কু-সংস্কার থেকে মুক্তি পাওয়া অসম্ভব হয়ে পড়ে৷ তাই প্রতিটি সাধককে শুধু লক্ষ্যের দিকে দৃষ্টি স্থির রেখে নিরন্তর গতি-বিরামক (cease less speed and pause) গতিধারার পথ ধরে সেই পরম লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে চলতে হবে৷

সাধনা-সমরে কুলকুণ্ডলিনীকে জাগিয়ে সহস্রারে বিলীন করে দিতে হয়৷ কুণ্ডলিনীকে জাগানো একটা প্রক্রিয়া৷ প্রতিটি ক্রিয়া থেকে একটা শব্দ উত্থিত হয়৷ কুলকুণ্ডলিনীরও নিজের একটা শব্দ রয়েছে৷ আর তা হচ্ছে ‘হুং’৷ ‘হুং’ কুলকুণ্ডলিনীর বীজমন্ত্র৷ তা অনুক্ষণ কুণ্ডলিনী থেকে এত সূক্ষ্মভাবে স্পন্দিত হয়ে চলেছে যে সাধারণ মানুষ তার কর্ণেন্দ্রিয়ের দ্বারা এই ধবনি শুনতে পায় না৷ ‘হুং’ বীজমন্ত্রের উপযোগ করলে কুণ্ডলিনী গতিশিলা হয় ও তা ওপরের দিকে উঠতে থাকে৷ সংগ্রামেরও বীজমন্ত্র ‘হুং’৷ রণহুঙ্কার শব্দেও এই ‘হুং’ ধবনি নিহিত আছে৷

সামাজিক জীবনেও জড়তার সঙ্গে সংগ্রাম করাই জীবন৷ তমোগুণী প্রবৃত্তি হ’ল প্রকৃতির আসুরী শক্তি৷ এই আসুরী শক্তির সঙ্গে যুদ্ধ করাটাই পুরুষার্থ৷ সামাজিক স্তরে তমোগুণী প্রবৃত্তির সঙ্গে, জড়তার সঙ্গে, অসৎ-এর সঙ্গে লড়াই করা ছাড়া সাধকের কাছে অন্য কোনও উপায় নেই৷ বিরোধী শক্তির জড়তরঙ্গের সঙ্গে লড়াই করা সাধকের অতি-আবশ্যিক কর্তব্য৷ সেই সঙ্গে মূলাধারে অবস্থিত সুপ্ত পরমাশক্তি কুণ্ডলিনীকে ওপরে ওঠানোর যে কৌশল তারও সততও সদুপোযোগ করা উচিত৷

আসুরী শক্তির সঙ্গে লড়াই করার জন্যে একটা সমাজ তৈরী করতে হবে৷ দু’বছর আগেই আনন্দার্গে এই ধরণের একটা সমাজ  নির্মাণের কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে৷ এখন সমাজের উচ্চশিক্ষিতদের মধ্যে থেকে বেছে বেছে যাঁরা বাহাদূর সৈনিক তাদেরও মার্গে আনতে হবে যারা সমাজের নবনির্মাণের কাজে হাসতে হাসতে আত্মোৎসর্গ করবে৷ সেই সঙ্গে তাঁরা সাধনা সমরে এগিয়ে যেতে যেতে মুক্তি বা মোক্ষ লাভ করবে৷    ---৫ই জুন, ১৯৬১, লহেরিয়াসরায়

আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ

ভারতবর্ষ ও আধ্যাত্মিকতা
গীতায় ধর্মদেশনা –– ১
দগ্ধৰীজ
শ্রাবণী পূর্ণিমা
পরমপুরুষের বিশ্বরূপ
আরও

প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়

সংস্কৃতি ও সভ্যতা
পরিকল্পনার মৌল নীতি
বাঙলার অর্থনৈতিক উন্নয়ন 
শোষণের বহুবিধ রূপ
মানবিক মৌলনীতি
আরও

সম্পাদকীয়

নোতুন পৃথিবী গড়তে আদর্শ মানুষ চাই
অধঃপতিত সমাজ---উত্তরণের পথ কি
পরিযায়ী শ্রমিক সমস্যা কেন্দ্রীত অর্থনীতির বিনাশই সমাধান
শ্রাবণী পূর্ণিমা
সরিবে দুর্নীতিরাজ

প্রবন্ধ শিরোনাম

তোমার আসা যাওয়া
মহানধর্ম নিরপেক্ষ রাষ্ট্রে শিক্ষাদান হবে মানসিকতার ভিত্তিতে সাম্প্রদায়িকতার ভিত্তিতে কখনোই নয়
কৃত্রিম হিন্দী ভাষা নয় সংস্কৃত ভাষা শিক্ষা বাধ্যতামূলক হোক
রাজনৈতিক নেতাদের প্রতি প্রাউট প্রবক্তার সতর্ক বার্তা
তোমার আসা যাওয়া
সমবায়ের মাধ্যমে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য উৎপাদন করে গ্রামীন বেকারত্ব দুর করা সম্ভব
কালীপূজা ও তন্ত্রসাধনা
সমাজ শাস্ত্র

পুরানো মাসিক খবর

  • October 2017 (106)
  • September 2017 (136)
  • August 2017 (105)
  • July 2017 (111)
  • June 2017 (104)
Pagination
  • Previous page ‹‹
  • Page 12
  • Next page ››
আরও আগের খবর
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved