Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

নির্ভয় হও

শ্রী শ্রী আনন্দমূর্ত্তিজী

‘‘এষ হ দেবঃ প্রদিষোনুসর্বাঃ পূর্বো হ জাতঃ স উ গর্ভে অন্তঃ৷

স এব জাতঃ স জনিষ্যমানঃ প্রত্যঙ জনাংস্তিষ্ঠতি সর্বতো মুখঃ৷৷’’

(শ্বেতাশ্বেতরোপনিষদ)

কখনও কোনো অবস্থাতেই কোনো মানুষের মনে হীনম্মন্যতা থাকা উচিত নয়৷ আমি ছোট, এই বোধ থাকা উচিত নয়৷ কেউ নীচু নয় কেননা সকলেই পরমপিতার পুত্র, পরমপিতার সন্তান৷

একটি ক্ষুদ্র পতঙ্গ৷ সে কি তুচ্ছ? – না, সেও পরমপিতার মহিমান্বিত সন্তান৷ ছোট ছোট পাখী যাকে লোকে লাল মুনিয়া বলে, সেও কি তুচ্ছ? – না, সেও পরমপিতার সন্তান৷ আবার কালো মেঘ যা চারিদিকে আকাশকে ঘিরে নিয়েছে, মানুষ যাকে ভয় পায়, এতে বিদ্যুতের ঝলক আছে৷ সে কি খুব বড় জিনিস হয়ে গেল? – না, না, সেও পরমপিতারই সন্তান৷ সকলের একই পরিচয়৷ একই গোত্র৷

এই যে গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত ঋতু দেখ প্রতিটি ঋতুর– নিজেস্ব বৈশিষ্ট্য বা বৈচিত্র আছে৷ কখনো গরমে, কখনো শীতে ভয় পাও  এই যে গরমকাল, শীতকাল, এসব তাঁরই বিকাশ, তাঁরই সৃষ্টি৷ তাহলে তুমি কাকে ভয় পাবে? সকলে একই পিতার সন্তান, সবাই তোমার ভাই, সাহসের সঙ্গে সব একসাথে থাক৷ আর কাউকেই ভয় পাবে না৷ সবই তো তোমার সঙ্গী–সাথী৷ তোমারই ভাই৷

এই যে তোমাকে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে চলতে হয়, এই রকম চলতে চলতে কখনো শুণলে মেঘের হুংকার৷ যদি তাতে অন্য কেউ ভয় পায় তুমি ভয় করবে না৷ কেননা তোমরা দু’জনেই তো ভাই–ভাই৷ বজ্রের হুংকারেই বা কেন তুমি ভয় পাবে? তোমারই হুংকারেই বা বজ্র কেন ভয় পাবে? এক সঙ্গে মিলেমিশে চলো৷ বজ্র থেকে কাজ নেবে অর্থাৎ বজ্রেরও উপযুক্ত ব্যবহার করবে৷ আর চলতে চলতে হতে পারে তুমি অনেক দূর চলে গিয়েছ৷ দেখলে, অনুভব করলে যে চারদিকে যা কিছু আছে, সে সব তোমার ভাই নয়৷ সে কথা ঠিক নয়৷ কেননা তুমি যেখানেই যাবে, পরমপিতা সেখানে আছেন৷ আর যত বস্তু আছে, সব তার সন্তান৷ তাই সকলেই তোমার ভাই৷

কখনও এই পরিস্থিতি আসতে পারে তুমি বিরাট শক্তিশালী সত্তার কাছে পৌঁছে গেছ, যাকে তুমি খুব ভয় পাও৷ এই যে শক্তিশালী সত্তা, তার শক্তি বা তার সাহস আসছে কোথা থেকে? সেও তোমার পিতার কাছে থেকেই আসছে৷ নিজের শক্তি বলে কারোর কিছু আছে কি? না, তা নেই৷ খাদ্য, হাওয়া, জল, মাটি ইত্যাদি দ্বারা পরমপিতা শক্তি প্রদান করেন৷ ধর, এক বিরাট শক্তিশালী পালোয়ান– সেটা কি তার নিজের শক্তি? না, তা নয়৷ সে শক্তি তোমার পরমপিতার৷ তাই তার থেকে তুমি ভয় কেন পাবে? আর যে শক্তিমান, তার মনে যদি অহংকার এসে যায়, তাহলে তার পতন হয়ে যাবে কেননা তা তার নিজের শক্তি নয়৷ একথা তার মনে রাখা উচিত যে, যে শক্তির কারণে তার এই অহংকার, সেই অহংকারের কোনো যুক্তি নেই কেননা সেই শক্তি তার নিজের নয়৷

মানুষ নিজে থেকে কিছু তৈরী করতে পারে না৷ তার কাছে যা কিছুই আছে তার প্রভু  পরমাত্মা৷ শক্তির যেখানে দুরুপযোগ হবে সেখানে শক্তি ছিনিয়ে নেওয়া হবে৷ তাই তুমি ভয় করতে পার বা ভয়ার্ত হতে পার এরকম কোনো বস্তুই বিশ্বক্ষ্রহ্মাণ্ডে নেই৷ তোমার মধ্যে যে শক্তি, যে বুদ্ধি তা তাঁরই৷ তিনি এটাই চান, এই যে সৃষ্টিলীলা, এতে তোমার যে ভূমিকা আছে, তুমি তাকে যথাযথভাবে পালন কর৷ শক্তি–সাহসের সঙ্গে জগতের সেবা কর৷ মনীষার দ্বারা আধ্যাত্মিক উন্নতি সাধন কর, অন্যকে প্রকৃত পথ প্রদর্শন কর, খাও দাও আনন্দে থাক৷ পরমাত্মার গুণগান কর, সকলকে ভালবাস–সেটাই মানুষের কর্তব্য৷ সর্বদাই যে চিন্তিত থাকে কাল কী হবে, পরশু কী হবে, সে বোকা সে আসলে জানে না যে তার জন্যে ভাবনা–চিন্তা করা পরমাত্মার কাজ, তোমার কাজ হ’ল কর্তব্য করে যাওয়া৷ তুমি পৃথিবীতে এসেছো নিজের কর্তব্য করে যাও৷ তোমার জন্যে ভাবা বা চিন্তিত হওয়া, এটা পরমাত্মার কাজ৷ তুমি নিজের কাজ কর, আর তাঁর কাজ তাঁকে করতে দাও৷

তুমি যখন নিজের সম্পর্কে ভাবতে শুরু করে দেবে তখন পরমাত্মা ভাববেন যে, ‘পুত্র এত উপযুক্ত হয়ে গেছে, সেই নিজের সম্পর্কে ভাবতে পারে৷ তাহলে নিজের সম্পর্কে সেই–ই ভাবুক, আমিও তার সম্পর্কে আর ভাবব না৷’ এইজন্যে পরমাত্মাকে তাঁর কাজ করতে দাও৷ যখন তিনি নিজে থেকে বলবেন যে, ‘পুত্র, নিজের সম্বন্ধে নিজেই ভাব, এখন থেকে আমি আর ভাবব না’–তখন তুমি নিজের সম্বন্ধে ভাবতে পার৷ তখন তুমি বলবে–‘হে পরমাত্মা ভাববার বুদ্ধি তুমি আমাকে দাও৷’ তা নাহলে তাঁর ওপর সবকিছু ছেড়ে দাও৷ তুমি খাও, দাও, ভালো করে সাধনা কর, জনসেবা কর, মিলেমিশে থাক, ভগবানের ভজন কর আর সামনে এগিয়ে চল৷ যিনি তোমাকে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন, তুমি কীভাবে থাকবে, বিপদের সম্মুখীন কীভাবে হবে, বিপদ থেকে কীভাবে রক্ষা পাবে, এসব তিনি ভাবুন, তিনি বুঝুন৷ তোমার মধ্যে যে বুদ্ধি আছে অর্থাৎ পরমাত্মা তোমাকে যে বুদ্ধি দিয়েছেন, তার সদুপযোগ কর৷

আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ

ভারতবর্ষ ও আধ্যাত্মিকতা
গীতায় ধর্মদেশনা –– ১
দগ্ধৰীজ
শ্রাবণী পূর্ণিমা
পরমপুরুষের বিশ্বরূপ
আরও

প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়

সংস্কৃতি ও সভ্যতা
পরিকল্পনার মৌল নীতি
বাঙলার অর্থনৈতিক উন্নয়ন 
শোষণের বহুবিধ রূপ
মানবিক মৌলনীতি
আরও

সম্পাদকীয়

নোতুন পৃথিবী গড়তে আদর্শ মানুষ চাই
অধঃপতিত সমাজ---উত্তরণের পথ কি
পরিযায়ী শ্রমিক সমস্যা কেন্দ্রীত অর্থনীতির বিনাশই সমাধান
শ্রাবণী পূর্ণিমা
সরিবে দুর্নীতিরাজ

প্রবন্ধ শিরোনাম

তোমার আসা যাওয়া
মহানধর্ম নিরপেক্ষ রাষ্ট্রে শিক্ষাদান হবে মানসিকতার ভিত্তিতে সাম্প্রদায়িকতার ভিত্তিতে কখনোই নয়
কৃত্রিম হিন্দী ভাষা নয় সংস্কৃত ভাষা শিক্ষা বাধ্যতামূলক হোক
রাজনৈতিক নেতাদের প্রতি প্রাউট প্রবক্তার সতর্ক বার্তা
তোমার আসা যাওয়া
সমবায়ের মাধ্যমে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য উৎপাদন করে গ্রামীন বেকারত্ব দুর করা সম্ভব
কালীপূজা ও তন্ত্রসাধনা
সমাজ শাস্ত্র

পুরানো মাসিক খবর

  • May 2017 (92)
  • April 2017 (93)
  • March 2017 (93)
Pagination
  • Previous page ‹‹
  • Page 13
আরও আগের খবর
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved