July 2023

স্মরণিকা

ব্যতিক্রমী চরিত্র -- অম্লান দত্ত

তিনি লিখেছিলেন, কলকাতার যে প্রান্তে আমার বাস সেখানে এখনো রাতে শিয়ালের ডাক শোনা যায়৷ শিয়াল-কুকুরে মাঝে মাঝে লড়াইও হয়৷ কখনো কখনো দুএকটা শিয়ালের মৃতদেহও দেখতে পাওয়া যায়৷ কিন্তু কোন কুকুর কুকুরকে খুন করেছে এমনটা দেখা যায় না৷ পারস্পরিক হিংসায় মানুষ যদি অন্তত কুকুরের স্তরেও উন্নীত হতে পারতো তাহলে সমাজে শান্তি বৃদ্ধি পেত৷

গ্রাম দখলের লড়াই---ফ্যাসিস্ট বাইরাস আক্রান্ত  এই বাঙলার রাজনীতি

পঞ্চায়েত নির্বাচনের দামামা বেজে উঠতেই গ্রাম বাঙলা অশান্ত হয়ে উঠেছে৷ ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজন নিহত হয়েছে৷ বিরোধীপক্ষ নানা অছিলায় প্রতিদিনই আদালতের দারস্ত হচ্ছে৷ পুলিশ প্রতিদিনই আগ্ণেয়াস্ত্র গুলি বোমা উদ্ধার করছে৷ মানুষ আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে৷ বিশিষ্ট প্রাউট তাত্ত্বিক শ্রীপ্রভাত খাঁ বলেন--- বাঙলায় হচ্ছেটা কি! গ্রাম দখলের রাজনীতি করতে এসে নেতাদের এই ঘৃণ্য নিকৃষ্ট আচরণ কেন? গ্রাম উন্নয়নের কোন পরিকল্পনা নেই৷ স্বার্থের বন্ধনে জর্জর নেতারা শুধু পকেট ভারি করছে৷ এই কারণেই এই লড়াই৷ জনহিতের কথা মাথাতেই নেই৷

আনন্দমূর্ত্তিজীর আদর্শ প্রচারে উদ্যোগ নিল ত্রিপুরা বিশ্ববিদ্যালয়

মানব কল্যাণে আনন্দমার্গের আদর্শ  ও ভাবধারা প্রচারের উদ্যোগ নিয়েছে আনন্দমার্গ প্রচারক সংঘ৷ সংঘের এই কাজে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে ত্রিপুরা বিশ্ববিদ্যালয়৷ গত ২২শে জুন ত্রিপুরা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল৷ ছাত্র ও শিক্ষক সমাজে আনন্দমার্গের আদর্শ ও নব্যমানবতাদের ভাবধারা পৌঁছে দিতে আনন্দমূর্ত্তি রচিত সমস্ত পুস্তক ত্রিপুরা বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরীতে রাখা হবে৷ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক গঙ্গাপ্রসাদ প্রসাইন,রেজিষ্টার অধ্যাপক দীপক শর্র্ম ও আনন্দমার্গ প্রচারক সংঘের জনসংযোগ সচিব আচার্য দিব্যচেতনানন্দ অবধূত৷

গণতন্ত্রে স্বৈরাচারিতার স্থান নেই --- জনগণই জবাব দেবে

প্রভাত খাঁ

আজ দীর্ঘবছর হয়ে গেল ভারতের মতো কোটি কোটি মানুষের দেশে চরম আর্থিক ও সামাজিক দিকে আকাশ পাতাল বৈষম্য  অদ্যাবধি কিছুটা নিরসন হল না তার সদুত্তর যাঁরাই শাসনে আসছে তাঁরাই দিতে সক্ষম হচ্ছে না কেন? এর উত্তর খুঁজতে হবে সেই অতীতকালে যখন দেশের স্বাধীনতা আন্দোলন শুরু হয় সেই সময় থেকে অদ্যাবধি যাঁরা শাসনে এসেছেন তাঁদের বিষয়ে নিরপেক্ষ সমীক্ষা করা৷ এটা অস্বীকার করার উপায় নেই যে ভারতবর্ষের স্বাধীনতা আন্দোলনের সূত্রপাত হয় সেই অখণ্ড বাংলায় যার রেস সারা ভারতে ছড়িয়ে পড়ে৷

গায়ত্ত্রী মন্ত্র

প্রাচীনকালে দীক্ষার দু’টি পদ্ধতি ছিল৷ এই দুই দীক্ষা পদ্ধতির মধ্যে প্রথম ছিল বৈদিকী দীক্ষা৷ দ্বিতীয় তান্ত্রিকী দীক্ষা অর্থাৎ প্রথমে ৰৈদিক বিচার–আচার–পদ্ধত অনুযায়ী দীক্ষা আর তন্ত্রানুসারী দীক্ষা৷ বৈদিকী দীক্ষার মুখ্য মন্ত্র ছিল গায়ত্ত্রী মন্ত্র৷ বৈদিকী দীক্ষার মূলনীতি ছিল ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করার সৎপথ তথা আনন্দম্–এর পথ–নির্দেশ করা৷ তান্ত্রিকী দীক্ষার মূল নীতি ছিল সেই পথে এগিয়ে চলা৷ প্রথমটায় পরমাত্মার কাছে পথ– প্রদর্শনের জন্যে প্রার্থনা করা, আর দ্বিতীয়টিতে সাধক এগিয়ে চলে সেই পথে৷ তাই তান্ত্রিকী দীক্ষালাভের পরে সাধককে গুরুর নির্দেশানুসারে অগ্রসর হতে হয়৷

নেতৃত্বের অভ্যুদয়

সমাজ–চক্রের পরিঘূর্ণনে, একটা বিশেষ যুগে তার পরবর্ত্তী যুগ আসার আগে একটা বিশেষ শ্রেণীর আধিপত্য থাকে, গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকে৷ এই বিশেষ শ্রেণী যখন রাজনৈতিক ক্ষমতায় থাকে, তাদের দ্বারা সমাজে শোষণ চলার সমূহ সম্ভাবনা থেকে যায়৷ ইতিহাসের শিক্ষা এই যে, শোষণের সম্ভাবনাই শুধু নয়, যুগে যুগে এই শোষণের পুনরাবির্ভাব ঘটেছে৷

ত্রিস্তরীয় উন্নতি চাই

আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

মানুষের অস্তিত্ব ত্রিস্তরীয়---শারীরিক, মানসিক ও আত্মিক৷ মানুষের উন্নতি মানে এই ত্রিস্তরীয় সামঞ্জস্যপূর্ণ উন্নতি৷ এই সামঞ্জস্যপূর্ণ উন্নতি যদি না থাকে তাহলে উন্নতির পরিবর্তে অবনতি হবে৷ বর্তমানে বিজ্ঞান-প্রযুক্তির হাত ধরে বা আধুনিকতার ছাপ মেরে যে বিপুল উন্নতির বড়াই আমরা করি এই তথাকথিত উন্নতি যে অনেক জটিল প্রশ্ণের সম্মুখে আমাদের দাঁড় করিয়ে দিয়েছে, তা আজ কেউ অস্বীকার করতে পারবেন না৷ তার কারণ একটাই৷  বাড়ী, গাড়ী, রাস্তা-ঘাট, পোষাক-পরিচ্ছদ, নানান্‌ সুস্বাদু খাওয়া-দাওয়া এসবের জাঁকজমকের পাশাপাশি দুর্নীতি, যৌন কেলেঙ্কারী, মানবিকতার অভাব, শোষণ, খুন-জখম এসবও যে মহামারীর মত ব্যাপকভাবে বিস্তার লাভ করেছে

সমাজ আন্দোলন দেশের সংহতি ও অর্থনৈতিক বুনিয়াদ সুদৃঢ় করবে

মনোজ দে

স্বাধীনতার ৭৫ বছর পরও ভারতবর্ষ সামাজিক ও অর্থনৈতিক দিক দিয়ে খুবই দুর্বল৷ সমাজের ভিতর যেমন সাম্প্রদায়িক ও জাতিগত বিদ্বেষ সামাজিক ঐক্যের পরিপন্থি তেমনি অর্থনৈতিক বৈষম্য রাষ্ট্রীয় পরিকাঠামোকে দুর্বল করছে৷ পুঁজিবাদ নির্ভর কেন্দ্রিত অর্থনীতি এই সামাজিক অর্থনৈতিক সমস্যার মূল কারণ৷

ইসলামপুর,বরপেটা রোডে সেমিনার

গত ২৩,২৪,২৫শে জুন আনন্দমার্গ প্রচারক সংঘের প্রথম দফার ষান্মাসিক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় কলিকাতা রিজিয়ান, উত্তরবঙ্গে ইসলামপুরে৷ উত্তর পূর্র্বঞ্চলের বরপেটা রোডে ও ভুবনেশ্বরে সম্বলপুর বারকোটে৷ এবারে আলোচনা সভায় আলোচ্য বিষয় ছিল ভাগবত ধর্ম, সাফল্যলাভের মূলীভূত কারণ,মাইক্রোবাইটাম ও মানবদেহে ও মনে তার প্রভাব ও দ্বন্দ্বাত্মক ভৌতিকতাবাদ৷ তাত্ত্বিক আলোচনা ছাড়া প্রত্যই প্রভাত সঙ্গীত, কীর্তন সাধনা ও সাংঘটনিক বিষয়ে আলোচনা হয়৷ ইসলামপুরে প্রশিক্ষক ছিলেন আচার্য সুতীর্থানন্দ অবধূত ও আচার্য কৃষ্ণপ্রসূনানন্দ অবধূত৷ বড়পেটায় ছিলেন আচার্য সুধাক্ষরানন্দ অবধূত ও আচার্য শুভমিত্রানন্দ অবধূত, বারকোটে আচার্য বিশুদ্ধত্ম

তিনটি সোনার পদক জয় ১০৬ বছরের ভারতীয় বৃদ্ধার

বয়সকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে পদকের পর পদক জিতে চলেছেন হরিয়ানার ১০৬ বছর বয়সী এক বৃদ্ধা৷ তার নাম রামবাই৷ তাঁর থেকে ২০ বছরের ছোট প্রতিযোগিদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নেমে দেহরাদুনে পর পর তিনটি সোনার পদক জিতেছেন তিনি৷