Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

আত্মোপলব্ধি

শ্রী শ্রী আনন্দমূর্ত্তিজী

গড়পড়তা ৰৌদ্ধিক মাপের একজন মানুষের কাছে জল ও বরফ দু’টি পৃথক সত্তা কিন্তু যারা সত্য সম্পর্কে অল্পকিছু জানে তারা ৰোঝে জলের ঘনীভূত রূপই বরফ৷ একইভাবে সাধারণ মানের মানুষ যখন একটা পাত্র ও কুম্ভকারের ঙ্মযে পাত্রটি তৈরী করেছেৰ মধ্যে একটা বিরাট পার্থক্য দেখে, ব্রহ্মজ্ঞানী সেখানে দুই–কে একইভাবে দেখে৷ এই যে জগত আর ব্রহ্ম–এ দু’টো কি পৃথক সত্তা না তারা অবিভাজ্য, একটা  সত্য আর অন্যটা কি মিথ্যা? এ দু’টো সত্তার মধ্যে যে পার্থক্য চোখে পড়ে তা কি সত্য না মায়া?–এ ধরনের প্রশ্ণ বা চিন্তা–ভাবনা ব্রহ্মজ্ঞদের মনে কখনও আসে না৷

এই যে জগত আর ব্রহ্ম দু’টো পৃথক সত্তা, না এরা একে অন্যের থেকে পৃথক নয়–এ ধরনের ভাবনা–চিন্তা করাই ভুল৷ ব্রহ্মজ্ঞ অনুভব করে যে এই জগতটা পরমপুরুষের নিজেরই অভিপ্রকাশ–ব্রহ্মজ্ঞ জানে সবকিছুই ‘তিনি’৷ ব্রাহ্মীদৃষ্টিতে এ ধরনের পার্থক্যটা কেমন দেখায় জান? এটা ইংরেজীতে ‘ব্যষ্টি’ ও ‘মানবীয় সত্তা’ বা ‘সাগর’ ও ‘ সমুদ্র’–এর মধ্যে যে পার্থক্য তার চেয়ে মোটেই বেশী নয়৷ এক সাধকের দৃষ্টিতে পার্থক্য মোটেই থাকে না৷

ক্রমোন্নত সত্তার ক্ষেত্রে ব্রহ্মই প্রভু৷ তিনিই তাদের প্রত্যেকের নিয়ন্ত্রক৷ এই ব্রহ্মই গর্ভাধারে ভ্রূণ হয়ে বিচরণ করেন আর জন্মের পর সেই ঘটনাটিকে বলা উচিত ব্রহ্মের জন্ম, কারণ সৃষ্টি মাত্রেই ব্রহ্মের বিকাশ৷

চাঁদ একটাই কিন্তু তার ছায়া যখন অসংখ্য জলাধারে পড়ে তখন অসংখ্য চাঁদ বলে মনে হয়, আসলে নোতুন কোন চাঁদের জন্ম হয় না৷ একই চাঁদ বিভিন্ন আধারে প্রতিবিম্বিত হয় বা জন্ম নেয়৷ সেইভাবে এক ও একই ব্রহ্ম অসংখ্য মানসভূমিতে অসংখ্য একক সত্তা হিসেবে অভিব্যক্ত হয়ে থাকেন৷

একজন সাধকের সঙ্গে ব্রহ্মের যে মিলন তার খুবই সুন্দর উদাহরণ আছে৷ একটা নদী তার নিজের নাম–গোত্র ত্যাগ করে সাগরে গিয়ে মেশে, তারপর সে আর তার নিজের অস্তিত্ব রক্ষা করতে পারে না৷ সেইভাবে একজন সাধক নিজেকে ব্রহ্মে মিলিয়ে দেওয়ার পর ব্রহ্ম ছাড়া আর নিজেকে কোনকিছু ভাবতেই পারে না৷

গঙ্গা নদীকে দেখে আমরা বলি এটা গঙ্গার জল বা এটা যমুনার জল বা এটা সরস্বতীর জল৷ কিন্তু সমুদ্রে মিশে যাওয়ার পর আমরা আর তাদের পৃথক করতে পারি না, তাদের পৃথকভাবে চিনতে পারি না৷ তারা সকলে তাদের আপন আপন নাম ও অস্তিত্ব সমুদ্রের অস্তিত্বে হারিয়ে ফেলে৷

সত্যদ্রষ্টা যখন নিজেকে পরমসত্তায় মিলিয়ে দেয়, তখন তার নিজের ক্ষুদ্র অস্তিত্বৰোধ লোপ পেয়ে যায় আর পরমসত্তায় এক হয়ে গিয়ে সে নিজেও বিরাট হয়ে যায়৷ আধ্যাত্মিক সাধনা আত্মিক বিকাশের পথ, ধ্বংসের পথ নয়৷ তাই সমাধি মানে আত্মহনন নয়, আত্মোপলব্ধি৷ ব্রহ্মকে যে দেখেছে সে নিজেই ব্রহ্ম হয়ে গেছে৷ কারণ ব্যষ্টিসত্তা ধ্যেয়বস্তুরই অবস্থা প্রাপ্ত হয়৷ আর ব্রহ্ম যার ধ্যেয় সে নিজেই ব্রহ্ম হয়ে যায়৷

একটা নুনের পুতুল যদি সমুদ্র মাপতে যায় তাহলে সে নিজে গলে গিয়ে সমুদ্র হয়ে যায়৷ সেইভাবে ব্রহ্মজ্ঞ যখন ব্রহ্মের গভীরতা মাপতে যায় তখন সে ব্রহ্মসমুদ্রে মিশে গিয়ে নিজেই ব্রহ্ম হয়ে যায়৷

নিজেকে অনবরত ব্রহ্মভাবে ডুবিয়ে রাখ, তুমিও ব্রহ্ম হয়ে যাবে৷

(১৯৭১ বা তার আগে৷)

আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ

ভারতবর্ষ ও আধ্যাত্মিকতা
গীতায় ধর্মদেশনা –– ১
দগ্ধৰীজ
শ্রাবণী পূর্ণিমা
পরমপুরুষের বিশ্বরূপ
আরও

প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়

সংস্কৃতি ও সভ্যতা
পরিকল্পনার মৌল নীতি
বাঙলার অর্থনৈতিক উন্নয়ন 
শোষণের বহুবিধ রূপ
মানবিক মৌলনীতি
আরও

সম্পাদকীয়

নোতুন পৃথিবী গড়তে আদর্শ মানুষ চাই
অধঃপতিত সমাজ---উত্তরণের পথ কি
পরিযায়ী শ্রমিক সমস্যা কেন্দ্রীত অর্থনীতির বিনাশই সমাধান
শ্রাবণী পূর্ণিমা
সরিবে দুর্নীতিরাজ

প্রবন্ধ শিরোনাম

তোমার আসা যাওয়া
মহানধর্ম নিরপেক্ষ রাষ্ট্রে শিক্ষাদান হবে মানসিকতার ভিত্তিতে সাম্প্রদায়িকতার ভিত্তিতে কখনোই নয়
কৃত্রিম হিন্দী ভাষা নয় সংস্কৃত ভাষা শিক্ষা বাধ্যতামূলক হোক
রাজনৈতিক নেতাদের প্রতি প্রাউট প্রবক্তার সতর্ক বার্তা
তোমার আসা যাওয়া
সমবায়ের মাধ্যমে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য উৎপাদন করে গ্রামীন বেকারত্ব দুর করা সম্ভব
কালীপূজা ও তন্ত্রসাধনা
সমাজ শাস্ত্র

পুরানো মাসিক খবর

  • January 2019 (101)
  • December 2018 (128)
  • November 2018 (161)
  • October 2018 (135)
  • September 2018 (93)
Pagination
  • Previous page ‹‹
  • Page 9
  • Next page ››
আরও আগের খবর
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved