Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

কংশ/কংস

শ্রী প্রভাতরঞ্জন সরকার

 ‘কন্‌শ্‌’ ধাতু/ ‘কন্‌স্‌’ ধাতুর অর্থ প্রচণ্ডভাবে কামনা করা৷ এই অর্থে কন্‌স্‌+ অচ= কংশ (কনস+অচ্‌= কংস)শব্দ আমরা পাচ্ছি৷ একই অর্থে দু’টি ৰানানই চলৰে৷ ‘কংশ’ শব্দের ভাবারূঢ়ার্থ হচ্ছে ‘যে প্রচণ্ডভাবে কামনা-বাসনা করে, যোগারূঢ়ার্থে ‘কংশ’ ছিলেন কৃষ্ণের মাতুল তথা তৎকালীন শূরসেন রাজ্যের রাজা৷ তখন মথুরা ছিল শুরসেনের রাজধানী (এই শূরসেনের নাম আর একটা কারণে প্রসিদ্ধ হয়ে রয়েছে, তা হচ্ছে শৌরসেনী প্রাকৃত ভাষার জন্যে৷ বৈদিক ভাষার তিরোভাবের পর যে সাতটি প্রাকৃত ভাষার উদ্ভব হয় তার অন্যতম শৌরসেনী প্রাকৃত৷ বর্তমান উত্তর প্রদেশের পশ্চিমাংশে (এলাহাৰাদের পশ্চিমে), হরিয়াণা ও মধ্য প্রদেশের উত্তর-পশ্চিমাংশে এই শৌরসেনী প্রাকৃত ব্যবহৃত হত৷ কৃষ্ণের সময় শৌরসেনী ছিল এ অঞ্চলের জনভাষা৷ শৌরসেনী প্রাকৃত সম্বন্ধে মজার কথা হচ্ছে এই যে এর উচ্চারণে কেবল ‘স’-ই আছে---শ/ষ নেই, অথচ ‘শৌরসেনী’ শব্দটিতে ‘শ’ রয়েছে৷ শৌরসেনীর মৃত্যুর পর তার যে সকল দুহিতা ও দৌহিত্র থেকে যায় তারা হচ্ছে অবধী, ব্রজভাষা, বুন্দেলী, ৰাঘেলী ও হরিয়াণবী৷ এই হরিয়াণবীরই পরিবর্তিত রূপ হচ্ছে বর্তমানের হিন্দী ভাষা৷ তবে হরিয়াণবী ও হিন্দীর মধ্যে উচ্চারণগত ও ক্রিয়াগত পার্থক্যও যথেষ্ট৷

‘কংশ’/‘কংস’ শব্দের উত্তর ‘ব্যঞ্‌’ প্রত্যয় করে আমরা কাংশ্য/কাংস্য শব্দটি পাচ্ছি যার ভাবারূঢ়ার্থ হচ্ছে কংশ সম্বন্ধীয় বা যাকে পেয়ে আবার বাসনা জাগে৷ যোগারূঢ়ার্থে হচ্ছে কাঁসা বাBell-metal সম্ভবতঃ কাঁসার বাসনের দিকে সেকালের মানুষের বেশী প্রবণতা থাকাতেই এই ধরণের নাম রাখা হয়েছিল৷ কাঁসার বাসন যাঁরা তৈরী করেন তাঁরা কাংস্যকার কাঁসারী) নামে পরিচিত৷ ৰাঙলায় যাঁরা কাঁসার বাসনের ব্যবস্থা করতেন তাঁদের ৰলা হত কাংস্যৰণিক৷ এঁরা নন্দী, দাস প্রভৃতি পদবী ব্যবহার করতেন৷ এককালে ৰাঙলায় এই কাংস্যশিল্প খুবই উন্নত পর্যায়ে পৌছেছিল৷ ঘাটাল, নবদ্বীপ,পূর্বস্থলী, দাঁইহাট, কাটোয়া, সুইসা (পুরুলিয়া), ঝালদা, মাটিয়ারী (নদীয়া) ও খাগড়া (মুর্শিদাবাদ)---এই কাংস্যশিল্পের জন্যে প্রসিদ্ধ হয়ে উঠেছিল৷ খাড়গাই কাঁসার সুনাম দেশের সীমানা ছাপিয়ে বাইরেও গিয়ে পৌঁছেছিল৷ আজ বিভিন্ন ধরণের প্রতিকূল পরিবেশে পড়ে এই কাঁসা শিল্প মুমূর্ষু অবস্থায় এসে পৌছেছে৷ অবনত মানের কাঁসাকে ‘ভরণ’ ৰলা হয়৷ ‘ভৃ’+ অনট করে ‘ভরণ’ শব্দ নিষ্পন্ন হয়েছে৷ ভরণ মানে খাওয়া৷ মানুষ যে ধাতুর পাত্রে খায় তা-ই ‘ভরণ’---- এই অর্থে শব্দটির সৃষ্টি হয়েছিল৷                   (শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকারের লঘুনিরক্ত থেকে সংগৃহীত)

 

Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved