Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

মহাসংকল্প দিবস

শ্রী প্রভাতরঞ্জন সরকার

আমাদের আস্তিত্বিক সম্ভাবনার সবটাই অণুচৈতন্য থেকে উৎসারিত৷ ভৌতিক স্তরে তা’ জ্ঞানেন্দ্রিয় ও কর্মেন্দ্রিয়ের মাধ্যমে কাজ করে৷ মানসিক স্তরে তা’ চিত্তবৃত্তির মাধ্যমে কাজ করে আর আধ্যত্মিক স্তরে তা মানসাধ্যাত্মিক পদ্ধতির দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়ে এগিয়ে চলে৷ এ সমস্ত কিছু মিলেই তৈরী করছে জীবের আস্তিত্বিক প্রাণিনতা৷

এখন প্রশ্ণ হচ্ছে, এই যে আস্তিত্বিক প্রাণিনতা এর উৎসটা কী এটা কী ভাবপ্রবণতা(sentiment), যুক্তি(logic), লক্ষ্য(desideratum), অথবা কর্মৈষণা(actional faculty)?

বস্তুতঃপক্ষে উত্তরটা হচ্ছে ‘‘এদের কোনটাই নয়৷’’ প্রকৃতপক্ষে আমাদের আস্তিত্বিক প্রাণিনতার যথার্থ উৎস অণুচৈতন্য ছাড়া আর কিছুই নয়৷

বস্তুতঃপক্ষে উত্তরটা হচ্ছে ‘‘এদের কোনটাই নয়৷’’ প্রকৃতপক্ষে আমাদের আস্তিত্বিক প্রাণিনতার যথার্থ উৎস অণুচৈতন্য ছাড়া আর কিছুই নয়৷

যে কোন সত্তার সংস্থিতি নিহিত রয়েছে চিত্তাধারে, চিত্ত অহংতত্ত্বের মাঝে ও অহংতত্ত্বের মাঝে ও অহংতত্ত্ব মহৎতত্ত্বের মাঝে৷ কিন্তু মহৎতত্ত্বের এই ‘‘আমি আছি’’ ােধটা জীবাত্মার সাক্ষিত্ব ব্যতিরেকে বিপর্যস্ত হয় না৷ ‘‘আমি আছি’’ ােধের অস্তিত্ব সিদ্ধির জন্যে আমাদের দরকার হয় ‘জ্ঞ’ ােধের অর্থাৎ ‘‘আমি জানি আমি আছি’’৷ প্রথমে আসে ‘‘আমি জানি’’ এই ােধটা৷ তারপরই না প্রশ্ণ উঠছে ‘‘আমি আছি’’ এই ােধের৷ সুতরাং আস্তিত্বিক সত্তার মূল উৎস ‘‘আমি জানি আমি আছি’’ এর ‘‘আমি’’র ওপর নিহিত৷ আর সেই চরম পরিণতিই হচ্ছে আমাদের আত্মা, আমাদের অণুচৈতন্য বা জীবাত্মা৷

এখন এই যে এইমাত্র চার ধরণের মানসপ্রবণতার (ভাব-প্রবণতার, যুক্তি, লক্ষ্য ও কর্মৈষণা) কথা বললুম তাদের সীমর্াদ্ধতা কোথায়?

ভাবপ্রবণতা ঃ অভিব্যক্তির জন্যে মনকে বিশেষ বিশেষ ধরণের চিত্তাণুসঞ্জাত বিষয়কে গ্রহণ করতে হয়৷ এই মানস বিষয়গুলো (ভালবাসা, ঘৃণা, ভয় ইত্যাদি) ‘বৃত্তি’ নামে পরিচিত৷ মনের বৃত্তির এক একটা বিশেষ ধরণের অভিব্যক্তিকে বৃত্তি আখ্যা দেওয়া যেতে পারে৷ মানসিক স্তরে এই বিষয়গুলোকে লা হয় অভিব্যক্ত ভাবপ্রবণতা৷ সংক্ষেপে ভাবপ্রবণতা হচ্ছে মানসিক শক্তির বাহ্যিক প্রক্ষেপ যা যুক্তিপূর্ণ হতেও পারে, নাও পারে৷ ফলতঃ যেকোন মুহূর্তে ভাবাবেগ ভাবজড়তার দ্বারা আচ্ছন্ন হয়ে যেতে পারে৷ এই ধরণের এক অনিশ্চিত সত্তা আমাদের আস্তিত্বিক প্রাণিনতার উৎস হতে পারে না৷

যুক্তিবাদ ঃ যুক্তিবাদ তিনটে জিনিসের ওপর দাঁড়িয়ে আছে--- প্রত্যক্ষ, অনুমান ও আগম৷ আগম উদ্ভূত হয় প্রামাণ্য পুস্তক বা প্রামাণ্য ব্যষ্টি থেকে৷ দুর্ভাগ্যবশতঃ জ্ঞানের এই উৎসত্রয়ের কোনটাই সম্পূর্ণভাবে সামর্থ্যের সীমিতত্ব র্নিন্ধন ভুল সিদ্ধান্ত গৃহীত হতে পারে৷ জ্ঞানেন্দ্রিয়সমূহে ত্রুটির কারণে বা পারিপার্শ্বিকতায় ত্রুটি থাকলেও সিদ্ধান্ত ভুল হয়ে যায়৷ যথেষ্ট ও প্রকৃত উপকরণ না থাকার ফলে অনুমানওভুল হতে পারে ৷ শেষ পর্যন্ত আগম ও কালিক ও পাত্রিক প্রভাব মানুষকে ভুল পথে পরিচালিত করতে পারে ও করেও৷

লক্ষ্য ঃ প্রথম কথা হচ্ছে মানুষের লক্ষ্যকে অবশ্যই অভ্রান্ত হতে হবে৷ যদি কেউ কল্পনা করে যে তার জীবনের লক্ষ্য হচ্ছে ধনোপার্জন প্রসিদ্ধিলাভ অথবা কেউ যদি তার মৃত্যুর পর পুরাণ-বর্ণিত স্বর্গরাজ্যে যাবার ছাড়পত্র পেতে চায় তবে তাও নিশ্চিতরূপে ভীষণ বিপজ্জনক হতে পারে৷ কিন্তু লক্ষ্য যদি ঠিকও থাকে অর্থাৎ পূর্ণতাপ্রাপ্তি বা পরমপুরুষের সঙ্গে একাত্ম হয়ে যাওয়া যদি ঠিকও থাকেন তবু তা’ আমাদের আস্তিত্বিক প্রাণিনতার স্থায়ী উৎস হতে পারে না৷ ধরো, কোন মানুষ তার জীবনতরীকে ভব-সমুদ্রে পরমপুরুষরূপী ধ্রুবতারার সাহায্যে পরিচালিত করছে৷ সেটা ঠিক৷ কিন্তু যদি তার চিত্তাকাশ পাশরিপুরূপী মেঘে সমাচ্ছন্ন হয়ে যায় তবে কী হবে? বস্তুতপক্ষে অনেক মেঘই আছে যেমন বৃত্তি, সংসার, পাশ ও রিপু৷ এইভাবে দেখা যায় লক্ষ্য ঠিক থাকলেও তা’ নির্ভরযোগ্য নয়৷

কর্মৈষণা ঃ কাজের উদ্দেশ্যেই কাজ করে গেলে তা’ মুক্তি আনে না৷ বরং মানুষ তাতে অধিক থেকে অধিকতর কর্র্মন্ধনে আবদ্ধ হয়ে পড়ে৷ প্রতিটি কর্মের সংস্কার থাকবেই৷ যখন সংস্কার বাড়তে থাকে (তা সেগুলো ‘সু’ বা ‘কু’ যে সংস্কারই হোক, তা সে স্বর্ণশৃঙ্খল বা লৌহশৃঙ্খল যাই হোক) তখন মন সহজেই স্থূলত্ব প্রাপ্ত হয়ে যায়৷ এ জীবনের কোন মানুষ পরবর্ত্তী জীবনে পশু, বৃক্ষ, এমনকি ইট-কাঠ-পাথর হয়েও জন্মাতে পারে৷ তাহলে কর্মৈষণা কীভাবে আমাদের আস্তিত্বিক প্রাণিনতার উৎস হিসেবে স্বীকৃত হতে পারে৷

তাহলে স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে ভাবপ্রবণতা, যুক্তিবাদ, লক্ষ্য ও কর্মৈষণা---এই চারটের কোনটিই আমাদের আস্তিত্বিক প্রাণিনতার মূল উৎস নয়৷ তবে যাই হোক না কেন আমরা এই ত্রুটি থাকা সত্বেও তারা অবশ্যই আস্তিত্বিক প্রাণিনতার ােধগম্যতার ক্ষেত্রে আমাদের সহায়তা করতে পারে৷

ভাবপ্রবণতা যখন নব্যমানবতাবাদের দ্বারা পরিচালিত হয় তখন ভক্তিমার্গ মানবতাকে উন্নীত করতে পারে৷ তর্কশাস্ত্র যখন বিচারপ্রবণ মানসিকতার দ্বারা পরিচালিত তখন তা’ সমাজে ভৌম-ভাবপ্রবণতার প্রভাবকে নির্মূল করে দিতে পারে আর যখন তা’ ােধির দ্বারা পরিচালিত তখন তা’ জীবনের সর্বক্ষেত্রে আলোকবর্ত্তিকার ভূমিকা নিতে পারে৷

মানসাধ্যাত্মিক সাধনার দ্বারা আমাদের জীবনাকাশ থেকে সমস্ত মেঘকে সরিয়ে দেওয়া যেতে পারে৷ আর সেই ক্ষেত্রে লক্ষ্য সম্বন্ধে আমাদের স্বচ্ছ ধারণা অভ্রান্তভাবে যুক্তির পথে চলতে সাহায্য করে৷ এইভাবে শেষ পর্যন্ত সমস্ত কর্র্মন্ধনই ত্রিবিধ উপায়ে শেষ হয়ে যাবে৷ এই ত্রিবিধ উপায় হচ্ছে মধুবিদ্যা, কর্ত্তৃত্ত্বাভিমান ও ফলাকাঙ্ক্ষা ত্যাগ৷

শেষে বলি, কী ভাবে এই চারটে তত্ত্বকে যথাযথভাবে কাজে লাগাতে পার৷ এই প্রশ্ণের উত্তরে ল, প্রমাসংবৃদ্ধি, প্রমাসিদ্ধি ও প্রমা সিদ্ধির পথে চলতে গেলে এই চারটে তত্ত্বকে কাজে লাগানো যাবে৷

 

আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ

‘কৃষ্ণ’ নামের একাধিক ব্যাখ্যা
মনকে ভারমুক্ত রাখ
অষ্টকমল
ভারতবর্ষ ও আধ্যাত্মিকতা
গীতায় ধর্মদেশনা –– ১
আরও

প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়

পূর্বার্দ্র তত্ত্ব
যোগাযোগের প্রাথমিক মাধ্যম হিসেবে স্থানীয় ভাষার ব্যবহার বাঞ্ছনীয়
মানব প্রগতি
সংস্কৃতি ও সভ্যতা
পরিকল্পনার মৌল নীতি
আরও

সম্পাদকীয়

বিদ্বেষ বিষে জর্জরিত বিজেপি
বাঙালী আর একটা অগ্ণি স্ফুলিঙ্গের অপেক্ষায়
প্রতিকুলতাকে প্রতিহত করে এগিয়ে চলার দুর্জয় ইচ্ছাশক্তি বাঙালীর আছে
মশাহীন দেশের তকমা ধরে রাখতে পারল না আইসল্যান্ড
বিকশিত বাঙলার মিথ্যা প্রতিশ্রুতি নয় মানবতার আর্থিক মুক্তি চাই

প্রবন্ধ শিরোনাম

গোরাচাঁদ ও একতারা
ভারত যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক অধিকার রক্ষা ও সংবিধানকে বাঁচিয়ে রাখার প্রধান দায়বদ্ধতা হলো যৌথভাবে কেন্দ্র ও রাষ্ট্রের নির্বাচন কমিশনেরই আর স্বৈরাচারিতাকেও নিয়ন্ত্রণ করা!
হিংস্র দুঃসময় বাঙালীর দুয়ারে
আর্থিক বিকাশ শেষ কথা নয়
গোরাচাঁদ ও একতারা
নাগরিকত্ব প্রত্যেক মানুষের মৌলিক অধিকার---তথাকথিত এস আই আর এর নামে একজনও বাঙালীর নাগরিকত্ব হরণ করা চলবে না--- চক্রান্ত করে তথাকথিত এস আই আর-এর মাধ্যমে কোন বাঙালীকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা যাবে না
কেন্দ্র সরকারের ডি.এ নিয়ে বোটবাজীটা নির্বাচন প্রাক্কালে এটা কোন ধরনের কেন্দ্র সরকারের গণতান্ত্রিক সেবা
গণতান্ত্রিক অধিকার সুরক্ষার এস.আই.আর প্রক্রিয়া ফ্যাসিবাদী হিন্দুত্বের আগ্রাসনের হাতিয়ার

পুরানো মাসিক খবর

  • February 2026 (220)
  • August 2022 (106)
  • July 2022 (93)
  • June 2022 (167)
  • May 2022 (92)
Pagination
  • Page 1
  • Next page ››
আরও আগের খবর
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved